ধর্ম নাকি আমরা! কারা দোষী??

একটা কথা অনেকদিন থেকেই মাথায় ঘুরছে, এই যে ধর্মের নামে হানা হানি, দাঙ্গা, এসব কি ধর্মে করতে বলেছে নাকি আমরা নিজেরাই নিজেদের ধর্ম বানিয়ে করছি নিয়মিত!কত জাত, কত ধর্ম, আবার সেই ধর্মের মধ্যে কত দল উপদল!ধর্ম তো সবার জন্য একটাই মানবধর্ম, যেখানে থাকবে শান্তি , মানুষ মানুষকে মূল্যায়ন করবে।তবে আজ মানুষ ধর্ম না মেনে , ধর্মের মানে না বুঝে , ধরমগুরুদের পিছনেই অন্ধের মত দৌড়ায়, কেন? কি লাভ? ধরমগুরুরা নিজেদের সুবিধা মতই ফতোয়া তৈরি করে , নিজের স্বার্থ যতক্ষণ ধর্ম ততক্ষন,স্বার্থ শেষ ধর্মও শেষ।ধর্ম অনুযায়ী চলতে চাইলে ধরমগুরুদের নয়, ধর্মগ্রন্থকে অনুসরণ করা উচিত।মুসলিম, হিন্দু , অথবা নাস্তিকতা একজন মানুষ যেটাই অনুসরণ করুক , তার উচিত তার নিজের বিশ্বাস নিয়ে নিজে সংযত থাকা। অন্যর বিশ্বাস , অন্যর ধর্ম নিয়ে কখনই খোঁচাখুঁচি করা উচিত না।খোঁচাখুঁচি থেকেই সংঘর্ষ বাধে,যেসব কথা বা উক্তি সংঘর্ষ সৃষ্টি করে তা বলা থেকে বিরত থাকলেই শান্তি ফিরে আসবে।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

৬ thoughts on “ধর্ম নাকি আমরা! কারা দোষী??

      1. ধর্মই যদি বলে অন্যের ওপর জোর
        ধর্মই যদি বলে অন্যের ওপর জোর খাটাতে , তখন কি বলবেন ? মানুষের দোষ , নাকি ধর্মের দোষ ?

        1. ধর্ম সম্পর্কে আমি যতটুক জানি,
          ধর্ম সম্পর্কে আমি যতটুক জানি, ইসলাম ধর্মে বলা হয়েছে ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি না করতে, অন্য ধর্ম গুলুতেও জোর খাটানোর কথা আমি দেখি নাই(আমি যতটুক পড়াশুনা করেছি তা থেকে বলছি, ভুল হলে ক্ষমা চাই)। তবে আমি মনে করি ধর্মগুরুরা অন্যর উপর নিজের বিশ্বাস চাপানোর জন্য বেশি বাড়াবাড়ি করে, সেক্ষেত্রে তারা দোষী , ধর্ম নয়।

          1. এবার আপনি কথিত মডারেট
            এবার আপনি কথিত মডারেট মুসলিমের মত কথা বললেন। আর সেটা বললেন কোরান হাদিস না পড়েই সম্ভবত। যাহোক কোরানের কিছু বানী ও সেই বানী সম্পর্কিত হাদিস দেখুন—-

            সুরা তাওবা – ৯: ৫: অতঃপর নিষিদ্ধ মাস অতিবাহিত হলে মুশরিকদের হত্যা কর যেখানে তাদের পাও, তাদের বন্দী কর এবং অবরোধ কর। আর প্রত্যেক ঘাঁটিতে তাদের সন্ধানে ওঁৎ পেতে বসে থাক। কিন্তু যদি তারা তওবা করে, নামায কায়েম করে, যাকাত আদায় করে, তবে তাদের পথ ছেড়ে দাও। নিশ্চয় আল্লাহ অতি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।(মাদানী সুরা)

            অথবা , নিচের আয়াত —

            সুরা তাওবা -৯: ২৯: তোমরা যুদ্ধ কর আহলে-কিতাবের ঐ লোকদের সাথে, যারা আল্লাহ ও রোজ হাশরে ঈমান রাখে না, আল্লাহ ও তাঁর রসূল যা হারাম করে দিয়েছেন তা হারাম করে না এবং গ্রহণ করে না সত্য ধর্ম, যতক্ষণ না করজোড়ে তারা জিযিয়া প্রদান করে।

            অর্থাৎ নির্দিষ্ট কিছু মাস পার হওয়ার পর যেখানেই মুশরিকদেরকে পাওয়া যাবে সেখানেই হত্যা করতে হবে। অথবা যেসব ইহুদি খৃষ্টানরা ইসলাম গ্রহন করবে না , তাদের বিরুদ্ধে চিরস্থায়ী যুদ্ধ ঘোষনা করা হচ্ছে। কিন্তু যদি তারা ইসলাম গ্রহন করে , তাহলে তাদেরকে ছেড়ে দিতে হবে। অর্থাৎ তাদেরকে যে হত্যা করতে হবে, সেটার কারন হলো তারা ইসলাম গ্রহন করছে না এটাই। অন্য কোন অপরাধ তাদের নেই। অর্থাৎ মুহাম্মদের কথা বিশ্বাস না করাটাই হলো ভয়াবহ অপরাধ আর তার শাস্তি মৃত্যুদন্ড।

            সহিহ মুসলিম :: খন্ড ১ :: হাদিস ৩০
            আবু তাহির, হারমালা ইবন ইয়াহইয়া ও আহমাদ ইবন ঈসা (র)……আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন,আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নেই – এ কথার সাক্ষ্য না দেওয়া পর্যন্ত লোকদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে আমি আদিষ্ট হয়েছি । সূতরাং যে কেউ আল্লাহ ছাড়া ইলাহ নেই স্বীকার করবে, সে আমা হতে তার জানমালের নিরাপত্তা লাভ করবে; তবে শরীআতসম্মত কারণ ব্যতীত । আর তার হিসাব আল্লাহর কাছে ।

            সহিহ মুসলিম :: খন্ড ১ :: হাদিস ৩১
            আহমাদ ইবন আবদ আয-যাবিব (র)………আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, আল্লাহ ব্যতীত কোন ইলাহ নেই,-এ কথার সাক্ষ্য না দেওয়া পর্যন্ত এবং আমার প্রতি ও আমি যা নিয়ে এসেছি তার প্রতি ঈমান না আনা পর্যন্ত লোকদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার জন্য আমি আদিষ্ট হয়েছি । এগুলো মেনে নিলে তারা তাদের জানমালের নিরাপত্তা লাভ করবে, তবে শরীআতসম্মত কারণ ছাড়া ।আর তাদের হিনাব-নিকাশ আল্লাহর কাছে ।

  1. এতো গভীরের কথা আমি জানি না ,
    এতো গভীরের কথা আমি জানি না , আমার পোস্টের মুল বক্তব্য ছিলো ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি এবং ধর্মের বিরুদ্ধে খোঁচাখুঁচি বন্ধ করলেই সংঘাত বন্ধ হবে। কোন ধর্ম ভালো খারাপ সেটা আমি বলতে চাই না , কারন আমার এসব ব্যাপারে আমার জ্ঞান সামান্য। আমি সংঘাত বন্ধ করার রাস্তাটাই খুজে বের করতে চাচ্ছি।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

95 − = 86