প্রেমপত্র-৫৯

একলাবতী,
তোমাকে কভূ আমাকে নিয়ে চিন্তা করতে হবে না,আমি মরে গেলেও তোমার চাইতে বেশি আর কাউকে ভালবাসব না।এই আমি তোমাকে পাবার জন্যে এক হাজারটা বছর অপেক্ষা করতে পারি।তবে আমার তোমাকে নিয়ে খুব চিন্তা হয়,কারন এই মায়াময়ী টাকে কেউ কষ্ট দেবে না তো।তোমার চোখের জল কখনো তোমার ঐ মায়া ভরা মুখের চাউনি স্পর্শ করবে না তো।যাতে এমনটি কখনো না হয় আমি আল্লাহর কাছে সেই প্রার্থনাই করি।কারন তুমি মন খারাপ করলে আমার রক্ত ঝড়ে।
যদি তুমি এক বিন্দু কষ্ট পাও সেই কষ্ট পাহাড় সমান হয়ে আমার হৃদয়ে স্পর্শ করে।তুমি একটু হাসি দিলে ঐ মায়াবী নয়নে একবার তাকালে আমর মনে হয় শতশত বার নিজের মধ্যে আমি আত্মহত্যা করি।
কখনও এই চির প্রতিক্ষারত এই আমাকে পিছে ফিরে দেখ,আমি পৃথিবীর সব কিছু ছেড়ে দিয়ে শুধু তোমাকেই কাছে টেনে নেব।এক হাতে লড়াই করব গোটা পৃথিবীর থাকবে,পৃথিবীর সব কষ্ট ইহ জাগতিক সংকট ভূলে যাব।আমি ভূলে যাব কি দুঃসহ এক প্রহর তোমার জন্যে আমি অপেক্ষা করেছি।শুধুই তোমারই তরে এই প্রার্থনা”শুধু একবার ভালবাসি বলো”।
আজ রাত্রে বালিশ ফেলে দাও, মাথা রাখো আমার বাহুতে,শোনো দূরে সমুদ্রের স্বর, আর ঝাউবনে স্বপ্নের মতো নিস্বন,ঘুমিয়ে পোড়ো না, কথা ব’লেও নষ্ট কোরো না এই রাত্রি-শুধু অনুভব করো অস্তিত্ব যখন আমি তোমার স্বপ্নে আসি।সালফারের গহন রাত্রিতে লিপ্ত হবো না অার দূর থেকে দেখে নেবো ঢেউ নদী কি বঙ্কিম? মিশে যাবো নুনের সাগরে!
দেখবো না, ও ভূগোল,ভয় এক রাত্রির সমগ্রতা নিয়ে তোমাকে গিলুক জরায়ে ধরো তুমি প্রবল বিশ্বাসে অামি তুমি গন্ধক-বিছানায় বুঁদ হয়ে রবো।
মেয়ে, জানো কি?
স্বপ্নে তোমার মুখের উপর আসা চুলগুলো আলতো করে সরানোর দৃশ্য দেখে সদাই বুকের ভেতরটা মোচড় দেয়।আর যখন ঐ মায়াবী জলপদ্ম নয়ন দেখি তখন ১০০ ওয়াট বাল্বের টাংস্টেন এর তৈরী রোধ যেভাবে কাঁপে,হৃদপিন্ডের লাব-ডাবও সেইভাবে কম্পন তুলেছিলো।
আমি তো টের পেয়েছি,বলো তোমার কি খবর!
তোমার
অবাক কবি

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

− 2 = 3