প্রিয়ন্তীকা,

মীনাক্ষীর অতল গহ্বরে জলজ বৃক্ষলতা দোল খায়,
কাঁপায় নিসর্গ, গঙ্গা ফড়িং ওড়ে রঙিন হৃদয় জুড়ে
কিশোরী বিনুনিতে গুঁজে রাখে চন্দ্রমলি্লকা,
এক্কা দোক্কা খেলে
অচিন মগ্নতায় হারায় প্রিয়ন্তীকার সকল ফানুস।
কেবলি স্বপ্ন-জাগরণে হোমাগি্ন ঢেলে দেয়,
বালিকার রিপুতে ছায়া ফেলে আফ্রোদিতি হেসে ওঠে;
বালিকা প্রিয়ন্তীকা,
এ জন্মান্তর তোমার, এই তো মানুষজন্ম
এমন শত জন্ম পরেও মনে থাকবে নাম তোমারি
তারপর গাঢ় নিশীথে প্রিয়ন্তীকা চাঁদ আর মেঘের মৈথুনে
জন্মভিক্ষায় তোমাতেই মেতে থাকি এই আমি
পৃথিবীর সব কিছু আহাজারি করে তোমারই নামে
জন্ম থেকে জন্মান্তর আমি শুধু জেগে থাকি
অক্ষয়তায় এই আমি আনন্তকাল শুক্ল পক্ষের চাঁদ দেখি
সেও ধরা যায় না ছোঁয়া যায় না শুধু অনুভবে,তোমারই মতন।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

8 + 2 =