ইসলাম কি সত্য ধর্ম ? পর্ব -৩

ইসলাম সত্য ধর্ম কি না সেটা বিচার বিবেচনাটা বিশেষ জরুরী। কারন কিছু মানুষ যেমন ইসলামের নামে হত্যা , রাহাজানি , নারী ধর্ষন ইত্যাদি করছে , তেমনি কিছু মানুষ ইসলাম শান্তির ধর্ম বলে চিৎকার করছে। আমাদের জানা উচিত , আসলে কারা সঠিক ও কেন সঠিক। ইসলামী পন্ডিতরা বাইবেলের মধ্যে মুহাম্মদ সম্পর্কিত ভবিষ্যদ্বানী খুজে পায়, যদি দেখা যায় , সেই ভবিষ্যদ্বানী অনুযায়ী মুহাম্মদ নবী না , তাহলে ইসলাম যে সত্য ধর্ম না সেটা প্রমানিত হবে। আব্রাহামিক ধর্মের বিধান অনুযায়ীই তখন ইসলাম মিথ্যা ধর্মে পরিনত হবে, কারন ইসলাম দাবী করে সে হলো আব্রাহামিক ধর্মের শেষ সংস্করন।

তৌরাত কিতাবের নিচের বানীগুলোর মধ্যে ইসলামী পন্ডিতরা মুহাম্মদকে খুজে পায়——–

দ্বিতীয় বিবরনী- ১৮: ১৮: আমি ওদের জন্য ওদের ভাইদের মধ্য থেকে তোমার মত এক নবীর উদ্ভব ঘটাব ও তার মুখে আমার বানী রেখে দেব।আমি তাকে যা কিছু আজ্ঞা করব, তা সে তাদের বলবে। –
১৮: ১৯: আর আমার নামে সে আমার যে সকল বানী বলবে, সেই বানীতে কেউ যদি কান না দেয় , তবে তার কাছ থেকে আমি জবাবদিহি চাইব।

কিন্তু উক্ত বানী অনুযায়ী মুহাম্মদ যে কিছুতেই নবী হতে পারে না , সেটা ১ম ও ২য় পর্বে ব্যখ্যা করা হয়েছে। কারন দ্বিতীয় বিবরনী- ১৮:১৯ অনুযায়ী যারা নবীর কথা বিশ্বাস করবে না , তাদের বিচার স্বয়ং ঈশ্বর করবে , কিন্তু কোরানে দেখা যাচ্ছে আল্লাহ সেই দায়ীত্ব মুহাম্মদের হাতে অর্পন করছে। সুতরাং কোরান অনুযায়ী, উক্ত দ্বিতীয় বিবরনী- ১৮:১৮-১৯ এর ভবিষ্যদ্বানীকৃত নবী মুহাম্মদ কোনভাবেই হতে পারেন না। কারন দেখা যাচ্ছে হঠাৎ করে তৌরাতের ঈশ্বরের সাথে কোরানের আল্লাহর কথার গরমিল হয়ে যাচ্ছে , আর তাই তৌরাতের ঈশ্বর ও কোরানের আল্লাহ কোনভাবেই এক ব্যাক্তিত্ব না। এবার দ্বিতীয় বিবরনীর ১৮: ১৮-১৯ বানীর পরের বানী দেখা যাক –

দ্বিতীয় বিবরনি- ১৮: ২০: কিন্তু আমি যে বানী দিতে আজ্ঞা করি নি, কোন নবী যদি দু:সাহসের সাথে আমার নামে বলে , বা কেউ যদি অন্য কোন দেবতার নামে বলে,তবে সেই নবীকে মরতেই হবে।

মানুষ মরনশীল, সুতরাং নবীও একদিন মরবে তাতে কোন সন্দেহ নাই , তাহলে উক্ত বানী অনুযায়ী যে মৃত্যুর কথা বলছে তা নিশ্চিভাবেই অপমানজনক মৃত্যু হতে হবে। দেখা যাক , মুহাম্মদ কার বানী প্রচার করেছিলেন আর তার মৃত্যুটা কেমন হয়েছিল।ইসলামের প্রাথমিক যুগের সকল ইসলামী পন্ডিতরাই বলে গেছেন , মুহাম্মদ একদা শয়তানের বানী প্রচার করেছিলেন, আর সেই বানীগুলোর কিছু অংশ এখনও কোরানে বিদ্যমান ,যেমন –

সুরা নাজম- ৫৩: ১৯-২১: তোমরা কি ভেবে দেখেছ লাত ও ওযযা সম্পর্কে। এবং তৃতীয় আরেকটি মানাত সম্পর্কে?পুত্র-সন্তান কি তোমাদের জন্যে এবং কন্যা-সন্তান আল্লাহর জন্য? –

এই বানীগুলোর প্রেক্ষাপট হলো এরকম –

========================================================
মুহাম্মদ দীর্ঘদিন ধরে মক্কায় ইসলাম প্রচার করছে কিন্তু তার গোত্রের লোকজন সেটা গ্রহন না করে বরং তাকে উন্মাদ পাগল বলে সাব্যাস্ত করছে। তখন মুহাম্মদ খুব দু:খ ভারাক্রান্ত হলে নিচের আয়াত নাজিল হয় –

সুরা নাজম- ৫৩: ১৯-২১: তোমরা কি ভেবে দেখেছ লাত ও ওযযা সম্পর্কে। এবং তৃতীয় আরেকটি মানাত সম্পর্কে? এরা উচ্চে উড়ন্ত শারশ যারা আল্লাহর সাথে মধ্যস্থতাকারী।

অর্থাৎ এমন আয়াত নাজিল হলো যাতে স্বীকার করে নেয়া হলো যে পৌত্তলিক কুরাইশদের যে তিন প্রধান দেব-দেবী লাত , উজ্জা ও মানাত , তারা মানুষের প্রার্থনাকে আল্লাহর কাছে পৌছে দেয়। এই আয়াত নাজিল হয়েছিল কাবা ঘরের মধ্যে অবস্থানকালে। এ খবর শুনে কিছু কুরাইশ কাবা ঘরে আসল। মুহাম্মদ তাদের দেব দেবীদেরকে স্বীকৃতি দিয়েছে দেখে তারা খুবই আনন্দিত হলো। তারপর মুহাম্মদ, তার সাহাবী ও কুরাইশরা সবাই কাবা ঘরে সিজদা দিল। এই খবর মদিনা ও আবিনিসিয়াতে অবস্থিত প্রবাসী মুসলমানদের নিকট পৌছে গেল, তারা শুনতে পেল কুরাইশরা ইসলাম গ্রহন করেছে , তাই তাদের অনেকেই মদিনা ও আবিনিসিয়া থেকে ফিরে আসল। তখন জিব্রাইল মুহাম্মদের কাছে এসে জিজ্ঞেস করল- হে মুহাম্মদ , এ তুমি কি করেছ? আমি তোমাকে যা বলিনি তুমি তাই বলেছ । তুমি তো শয়তানের বানী পেয়েছ। এ শুনে মুহাম্মদ খুবই দু:খিত হলো। তার এ দু:খ দেখে আল্লাহ নাজিল করল -এমতাবস্থায় এটা তো হবে খুবই অসংগত বন্টন। তখন মুহাম্মদ ২১ নং আয়াতের এরা উচ্চে উড়ন্ত শারশ যারা আল্লাহর সাথে মধ্যস্থতাকারী এই লাইনটা বাদ দিয়ে তার স্থলে -এমতাবস্থায় এটা তো হবে খুবই অসংগত বন্টন এই লাইনটা জুড়ে দিল। এবং একই সাথে দু:খ ভারাক্রান্ত মুহাম্মদকে শান্তনা দেয়ার জন্যে নিচের আয়াত নাজিল হলো –

সুরা হাজ্জ- ২২: ৫২: আমি আপনার পূর্বে যে সমস্ত রাসূল ও নবী প্রেরণ করেছি, তারা যখনই কিছু কল্পনা করেছে, তখনই শয়তান তাদের কল্পনায় কিছু মিশ্রণ করে দিয়েছে। অতঃপর আল্লাহ দূর করে দেন শয়তান যা মিশ্রণ করে। এরপর আল্লাহ তাঁর আয়াতসমূহকে সু-প্রতিষ্ঠিত করেন এবং আল্লাহ জ্ঞানময়, প্রজ্ঞাময়।
=======================================================
সূত্র : (Source: Ibn Ishaq, The Life of Muhammad: A Translation of Ishaq’s Sirat Rasul Allah, Translated by A. Guillaume, Oxford University Press, Oxford, England, (Re-issued in Karachi, Pakistan, 1967, 13th impression, 1998) 1955, p. 165-166. https://archive.org/details/TheLifeOfMohammedGuillaume)

এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে এখানে – মুহাম্মদ কি আল্লাহর বানীর নামে, শয়তানের বানী প্রচার করেছিল ?

এবার দেখা যাক , মুহাম্মদের মৃত্যুটা কেমনভাবে হয়েছিল , সেটা সম্মানজনক মৃত্যু হয়েছিল কি না। প্রথমে নিচের হাদিসটা দেখা যাক –

সহিহ বুখারী :: খন্ড ৪ :: অধ্যায় ৫৩ :: হাদিস ৩৯৪
আবদুল্লাহ ইব্ন ইউসুফ (র)…………….আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, যখন খায়বার বিজিত হয়, তখন রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-কে একটি (ভুনা) বকরী হাদীয়া দেওয়া হয়; যাতে বিষ ছিল। নবী (সাঃ) আদেশ দিলেন যে, এখানে যত ইয়াহূদী আছে, সকলকে একত্রিত কর্ তাদের সকলকে তাঁর সামনে একত্রিত করা হল। তখন তিনি বললেন, আমি তোমাদের একটি প্রশ্ন করব। তোমরা কি আমাকে তার সত্য উত্তর দিবে? তারা বলল, হ্যাঁ, সত্য উত্তর দিব, নবী (সাঃ) জিজ্ঞাসা করলেন, ‘তোমাদের পিতা কে? তারা বলল, অমুক।’ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বললেন, ‘তোমরা মিথ্যা বলেচ, বরং তোমাদের পিতা অমুক।’ তারা বলল, ‘আপনিই সত্য বলেছেন।’ তখন তিনি বললেন, ‘আমি যদি তোমাদের একটি প্রশ্ন করি, তোমরা কি তার সঠিক উত্তর দিবে? তারা বলল, হ্যাঁ, দিব, হে আবুল কাসিম!ার যদি আমরা মিথ্যা বলি, তবে আপনি আমাদের মিথ্যা ধরে ফেলবেন, যেমন আমাদের পিতা সম্পর্কে আমাদের মিথ্যা ধরে ফেলেছেন।’ তখন তিনি তাদের জিজ্ঞাসা করলেন, ‘কারা দোযখবাসী?’ তারা বলল, আমরা তথায় অল্প কিছু দিন অবস্থান করব, তারপর আপনারা (মুসলিমরা) আমাদের পেছনে সেখানে থেকে যাবেন।’ নবী (সাৎ) বললেন, ‘দুর হও, তোমরাই তথাই থাকবে। আল্লাহর কসম। আমরা কখনো কখনো তাতে তোমাদের স্থলাভিষিক্ত হব না।’ তারপর রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বললেন, ‘আমি যদি তোমাদের একটি প্রশ্ন করি, তোমরা কি তার সঠিক উত্তর দিবে? তারা বলল, হ্যাঁ, হোবুল কাসিম!’ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) জিজ্ঞাসা করলেন, তোমরা কি এ বকরীটিতে বিষ মিশিয়েছ?’ তারা বলল, ‘হ্যাঁ।’ তিনি বললেন, ‘কিসে তোমাদের এ কাজে উদ্বদ্ধ করল?’ তারা বলল, ‘আমরা চেয়েছী আপনি যদি মিথ্যাবাদী হন, তবে আমরা আপনার থেকে স্বস্থি লাভ করব আর আপনি যদি নবী হন তবে তা আপনার কোস ক্ষতি করবে না।’

এবার দেখা যাক , উক্ত বিষ মিশানো গোস্ত খাওয়ার পর মুহাম্মদের কোন ক্ষতি হয়েছিল কি না। সেটা দেখা যাক নিচের হাদিসে –

Bukhari :: Volume 5 :: Volume 59 :: Hadith 714
Narrated `Aisha: The Prophet (sallallahu ‘alaihi wa sallam) in his ailment in which he died, used to say, “O `Aisha! I still feel the pain caused by the food I ate at Khaibar, and at this time, I feel as if my aorta is being cut from that poison.”

বুখারি, ভলিউম-৫, বই-৫৯, হাদিস-৭১৪:
আয়শা বর্নিত, যখন নবী(সা)র মৃত্যু হচ্ছিল তখন মৃত্যু শয্যায় প্রায়ই বলতেন- ও আয়শা, আমি এখনও খায়বারে খাওয়া বিষ মিশানো গোস্তের বিষক্রিয়া অনুভব করছি। আর আমার মনে হচ্ছে , আমার গ্রীবাদেশ থেকে ধড় আলাদা করে ফেলা হচ্চে।

অর্থাৎ দেখা যাচ্চে , ইহুদি নারীর বিষ মিশান খাবার খেয়ে মুহাম্মদ বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছিলেন , আর তার ফলেই তিনি প্রায় দুই বছর কঠিন রোগ ভোগ করে অবশেষে সেই বিষক্রিয়াতেই মারা যান। তিনি যে দীর্ঘদিন সেই বিষক্রিয়াতেই আক্রান্ত ছিলেন সেটা দেখা যাচ্ছে নিচের হাদিসে –

সহিহ বুখারী :: খন্ড ৩ :: অধ্যায় ৪৭ :: হাদিস ৭৮৬
আবদুল্লাহ ইব্ন আবদুল ওয়াহাব (রঃ) ……… আনাস ইবন মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, জনৈক ইয়াহূদী মহিলা নবী (সাঃ) এর খিদমতে বিষ মিশানো বকরী নিয়ে এলো। সেখান থেকে কিছু অংশ তিনি খেলেন এবং (বিষক্রিয়া টের পেয়ে) মহিলাকে হাযির করা হল। তখন বলা হল, আপনি কি একে হত্যার আদেশ দিবেন না ? তিনি বললেন, না। আনাস (রাঃ) বলেন নবী (সাঃ) এর (মুখ গহবরের) তালুতে আমি বরাবরই বিষ ক্রিয়ার আলামত দেখতে পেতাম

সহিহ মুসলিম :: বই ২৬ :: হাদিস -৫৪৩০
আনাস (রা) বর্ণনা করেন, এক ইহুদী নারী রাসূলুল্লাহ্(সা) কাছে বিষ মিশানো বকরীর গোশত নিয়ে আসল। তিনি তা থেকে খেলেন। অতঃপর সেই স্ত্রীলোকটিকে রাসূলুল্লাহ্(সা) এর কাছে হাযির করা হল। তিনি তাকে এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করলেন। সে বলল, আমি আপনাকে হত্যা করতে চেয়েছিলাম। তিনি বললেন, আল্লাহ তোমাকে এই শক্তি দেননি। আলী (রা) কিংবা সাহাবীগণ বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমরা কি একে হত্যা করব? তিনি বললেনঃ না, বর্ণনাকারী বলেন, আমি সবসময়ই রাসূলুল্লাহ্(সা) এর মধ্যে এই বিষয়ের প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করেছি।

সহিহ বুখারী :: খন্ড ৫ :: অধ্যায় ৫৯ :: হাদিস ৭২৩
হযরত হিববান (রঃ)………হযরত আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিত যে, তিনি বলেন, যখন রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ) অসুস্থ হয়ে পড়তেন তখন তিনি আশ্রয় প্রার্থনার দুই সূরা (ফালাক ও নাস) পাঠ করে নিজ দেহে ফুঁক দিতেন এবং স্বীয় হাত দ্বারা শরীর মুসেহ্ করতেন। এরপর যখন তিনি মৃত্যু-রোগে আক্রান্ত হলেন, তিনি আমি আশ্রয় প্রার্থনার সূরাদ্বয় দ্বারা তাঁর শরীরে দম করতাম, যা দিয়ে তিনি দম করতেন। আমি তাঁর হাত দ্বারা তাঁর শরীর মুসেহ্ করিয়ে দিতাম।

সুতরাং দেখা যাচ্ছে , ইহুদি নারীর দেয়া বিষ মিশান গোস্ত খেয়ে মুহাম্মদ অসুস্থ হয়ে পড়েন , অত:পর প্রায় দুই বছর রোগ ভোগের পর , ভীষন কষ্টকর ও যন্ত্রনাদায়ক মৃত্যূ হয় তার। আর এর ফলে ইহুদি নারী বিষ মিশান গোস্ত দিয়ে যে পরীক্ষা করেছিল , সেটা সফল হয়। অর্থাৎ সেই বিষ ক্রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে মুহাম্মদ নিজেই প্রমান করেন যে , তিনি আসলেই কোন নবী নন। একই সাথে তৌরাত কিতাবের দ্বিতীয় বিবরনীর ১৮: ২০ বানীর কথাও সঠিক প্রমানিত হয়। অর্থাৎ বাইবেলের ঈশ্বর মুহাম্মদের প্রচন্ড অপমানজনক মৃত্যু ঘটায়। উল্লেখ্য , মুহাম্মদ মাত্র ৬৩ বছর বয়েসে মারা যান। ৬৩ বছর বয়স সেই তখনকার আরব দেশে এমন কোন অতিরিক্ত বয়স ছিল না। তখন সেই আরব দেশে মানুষ অনায়াসেই ৮০/৮৫ বছর বাঁচত।

সুতরাং দেখা যাচ্ছে, ইসলামী পন্ডিতগন বাইবেলের মধ্যে মুহাম্মদকে আবিস্কার করে , প্রকারান্তরে তারা নিজেরাই প্রমান করছে যে মুহাম্মদ আসলেই ভুয়া বা ভন্ড নবী। যার মর্মার্থ হলো- ভন্ড নবীর প্রচার করা ধর্ম ইসলাম অবশ্যই মিথ্যা।

ইসলাম কি সত্য ধর্ম ? পর্ব -২
ইসলাম কি সত্য ধর্ম ? পর্ব -১

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

৭ thoughts on “ইসলাম কি সত্য ধর্ম ? পর্ব -৩

  1. কত সত্য কথা তিনি সবসময় বিষের

    আর তার ফলেই তিনি প্রায় দুই বছর কঠিন রোগ ভোগ করে অবশেষে সেই বিষক্রিয়াতেই মারা যান

    এই কথাটা কোন হাদিসে অাছে এটাতো বানানো তাই না।
    অথচ সত্য কথা তিনি সবসময় বিষের প্রতিক্রিয়া লক্ষ করছেন তারপরও তিনি তা দ্বারা অাক্রান্ত হন নাই এটাই মোজেজা এটাই প্রমান করে যে উনি সত্য নবি ছিলেন, কোন সাধারন মানুষ হলে বিষের প্রতিক্রিয়ায় সাথে সাথেই মারা যেত সুবহানাল্লাহ!

    1. খায়বার আক্রমন করেন মুহাম্মদ
      খায়বার আক্রমন করেন মুহাম্মদ ৬২৯ সালের শেষ দিকে। তারপর সেখানেই মুহাম্মদ বিষ মাখা গোস্ত খান। এরপর মুহাম্মদ মারা যান ৬৩২ সালের প্রথম দিকে। তাহলে মুহাম্মদ বিষ মাখা গোস্ত খাওয়ার কত বছর পর মারা যান ? মুহাম্মদ যে বিষ ক্রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছিলেন , এতগুলো পরিস্কার সহিহ হাদিস দেয়ার পরেও যখন সেসব আপনার বিশ্বাস হচ্ছে না , তখন বলতেই হবে , আপনি একজন অন্ধ , উন্মাদ ও মূর্খ এবং অবশ্যই খাটি সহিহ মুমিন।

    1. কোথাও নেই , হা হা হা , অন্ধ
      কোথাও নেই , হা হা হা , অন্ধ মুমিন ,আপনাকে কোন দলিল দেখালেই বিশ্বাস করবেন না। যাইহোক , আবু সুফিয়ানের নাম শুনেছেন , সেই মুয়াবিয়ার পিতা ? সে কত বছর বেচেছিল জানেন ? মাত্র ১০০ বছর। দেখুন এখানে – https://en.wikipedia.org/wiki/Abu_Sufyan_ibn_Harb

  2. ইসলাম সত্য না মিথ্যা সেটা
    ইসলাম সত্য না মিথ্যা সেটা জানিনা। কিন্তু অবশ্যই শক্তিশালী মতবাদ।
    তবে আপনাদের ইসলাম ধর্মের কাছে চির কৃতজ্ঞ থাকা উচিত। ইসলাম আছে বলেই পেটে ভাতে বউ পোলাপান নিয়ে বেচে আছেন ; তা না হলে দেশে একটা কেরাণীর চাকরী যোগাড় করতে পারতেন কিনা সন্দেহ!!

    1. মানে আপনি কি বলতে চাচ্ছে
      মানে আপনি কি বলতে চাচ্ছে ইসলাম বিরোধিতা করে জীবিকা নির্বাহ সম্ভব। তাহলে ভাই উপায় বাতলে দিন। সারাদিন কাজ কাম করতে আর কাঁহাতক ভাল লাগে?

    2. অবশ্যই ইসলাম একটা শক্তিশালি
      অবশ্যই ইসলাম একটা শক্তিশালি মতবাদ , আর সেই শক্তিটা কিন্তু নিহিত আছে চাপাতির কোপের মধ্যে। স্বয়ং মুহাম্মদ নিজেই বলে গেছেন –

      সহিহ বুখারী :: খন্ড ৪ :: অধ্যায় ৫২ :: হাদিস ৭৩
      আব্দুল্লাহ ইব্ন মুহাম্মদ (র)…………উমর ইব্ন উবায়দুল্লাহ (র)-এরাযাদকৃত গোলাম ও তার কাতিব আবূন নাযর (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আব্দুল্লাহ ইব্ন আবূ আওফা (রা) তাঁকে লিখেছিলেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, তোমরা জেনে রাখ, তরবারীর ছায়ার নীচেই জান্নাত।

      আশা করি এবার বুঝেছেন ইসলামের শক্তি কোথায় ? অনেকটা উত্তর কোরিয়ার মত। সেখানে সকল ক্ষমতার উৎস অস্ত্র । যে কেউ কিম ইল জং এর সমালোচনা করে , সাথে সাথে তার কল্লা পড়ে যায়। ইসলাম হলো এর চাইতেও ভয়াবহ বর্বরতা ও জঙ্গি বিধি বিধান।

কাঠমোল্লা শীর্ষক প্রকাশনায় মন্তব্য করুন জবাব বাতিল

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

+ 45 = 47