ভারতে হিন্দুত্ববাদের চরম বিকাশ

আমি বিংশ এবং একবিংশ শতাব্দীর মানুষ। ভারত উপমহাদেশে জন্ম বিধায় অনেক ঘটনার পরম্পরা জানার সৌভাগ্য সবার মতো আমারও হয়েছে এবং প্রতিনিয়ত ভারত-পাকিস্তান ও বাংলাদেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমের বদৌলতে আমারও অভিজ্ঞতার ভাণ্ডার প্রতিদিন সমৃদ্ধ হচ্ছে। আমি ধর্মবিশ্বাসে মুসলমান হলেও আমার সারা তনুমন এক অসাম্প্রদায়িক চেতনায় ঢাকা। বলতে পারেন, আমি আপাদমস্তক একজন মানবতাবাদী লেখক ও গবেষক। তাই সকল ধর্মকে আমি বেশ শ্রদ্ধার চোখে দেখে থাকি। যদিও আমি জন্মসূত্রে সকল আচার-অনুষ্ঠান ইসলাম ধর্মকে অবলম্বন করে পালন করে থাকি। সুতরাং হিন্দু নয় বলে, আমি হিন্দু বিদ্বেষী হয়ে আজকের এই লেখার অবতারণা করছি, মোটেও তা নয়।

তবে ভারতে বিগত বিংশ শতাব্দীর হিন্দু মুসলমানের মধ্যে অসহ ধর্মীয় উন্মাদনা, হানাহানি ও পরস্পর পরস্পরকে নিধনের মাত্রা দেখে ভবিষ্যতের প্রতি ইঙ্গিত দিতেই আমার এই লেখার উদ্দেশ্য। আমি কিন্তু কোন সাংবাদিক কিংবা স্বনামধন্য কোন কলামিস্টও নই। যা আমার মনে আসছে কিংবা এই হিন্দু মুসলমানের মধ্যে বর্তমান কিংবা ভবিষ্যতে ঘটার সমূহ সম্ভাবনা আছে, আমার ক্ষুদ্র জ্ঞানের মাধ্যমে তার একটু আভাস দেবার চেষ্টা করছি মাত্র।

এই ভারতে মুসলমানদের প্রথম স্থায়ীভাবে পদচারণা ও বসবাস ঘটে আফগানিস্তানের প্রশাসক মুহম্মদ ঘোরী ও সাহাবুদ্দিন ঘোরীর মাধ্যমে। পৃথ্বিরাজসহ রাজপুতদের এক সম্মুখ যুদ্ধে রাজপুত ও অন্যান্য রাজন্যবর্গের চরমভাবে পর্যুদস্ত হবার পরই ভারতে মুসলিম রাজত্বের গোড়াপত্তন হয় যদিও এই ভারতবর্ষে ইসলাম ধর্মের আবির্ভাবের পরে অনেক সুফী, আওলিয়া আর ধর্ম প্রচারকদের আগমন ঘটে আরব ভূমি থেকে। একদিকে মুসলমানরা চরম একত্ববাদী অপরদিকে আমার হিন্দু ভাইরা ছিলেন সমষ্টিগতভাবে বহুত্ববাদে বিশ্বাসী, যদিও আক্ষরিক অর্থে তারাও কিন্তু ‘একমেবাদ্বিতীয়মে’ বিশ্বাস করেন। অবশ্য এই উপমহাদেশে হিন্দু ধর্মের পরেই সবচেয়ে মানবতাবাদী গৌতমবুদ্ধের বৌদ্ধবাদের উন্মেষ ঘটেছিলো।

আমি অতো লম্বা ইতিহাসে না গিয়ে বলবো এই বৃহৎ ধর্মের বিশেষ বন্ধনে উপমহাদেশের জনগণের অধিকাংশ জনসাধারণ আবদ্ধ ছিলো। এসব ধর্মের উৎপত্তির পরে আরো অনেক ধর্ম যেমন শিখ, জৈন, খ্রীস্টান ওঅন্যান্য ছোখাটো অনেক ধর্মের জন্ম হয়। তবে মুসলমান আর ব্রিটিশ আমলে সবাই কিন্তু হানাহানির মধ্যে না থাকলেও এক কথায় ভারতীয় হিসেবে ধর্মীয় তাহজীব তমদ্দুন নিয়ে সম্প্রীতির মাধ্যমে মোটামুট সহবসবাস করতো সবাই। কিন্তু প্রমাদ গণলো ব্রিশি ভারতে হিনুদু কংগ্রেস আর মুসলমানদের মুসলিমলীগের প্রাদুর্ভাব থেকে।

মুসলমানরা এই উপমহাদেশ অনেক শতাব্দী ধরে শাসন করলেও এই ভারত উপমহাদেশকে তারা নিজেদের দেশ মনে করতো। যদিও মাঝখানে আফগান ও ইরানের নাদির শাহ ভারত আক্রমণ করে লুণ্ঠণ না করতেন। তাহলে শতশত বছর এক জায়গায়, একই ভূমিতে বাস করার পর কেন হিন্দু-মুসলমান-বৌদ্ধ-খ্রীস্টানের মিল হলো না, তা ইতিহাসবিদদের উপর না হয় ছেড়েই দিলাম। কিন্তু এই কংগ্রেস আর মুসলিম লীগের রাজনৈতিকভাবে উত্থানের পর থেকে হিন্দু মুসলমানের মধ্যে যে চরম অনৈক্য এবং ধর্মীয় বিদ্বেষের সৃষ্টি হয়, তা সবার কল্পনার বাইরে বলতে হবে। এ নিয়ে আজ ভারত সরকার নিজেও চিন্তিত।

প্রাক স্বাধীনতার যুগে ভারতকে ভেঙ্গে না হয় পাকিস্তান সৃষ্টির কারণ এবং পাকিস্তান হওয়ার পরও ভারত-পাকিস্তান কাশ্মীরকে কেন্দ্র করে যে হানাহানি আর মারামারি বর্তমান; তার হিংসাত্বক বিষ রেষারেষি এখনো দুই দেশের হিন্দু মুসলমানদের মধ্যে আজো কিন্তু বিরাজমান। ফলে হিন্দুত্ববাদী জনসংঘ, হিন্দু মহাসভা, শিবসেনা বিশেষ করে বজরং পার্টির লোকেরাই সাম্প্রদায়িক উস্কানিসহ সব ধরণের হিন্দু প্রভুত্ব ধারণ করে মুসলিমসহ সকল সম্প্রদায়ের উপর চালাবার তারা প্রয়াস পায়।

যদিও ভারতে মহাত্মা গান্ধী নেহেরেু ও অন্যান্য নেতারা তাঁদের দেশ কে সেকুলার দেশ হিসেবে সংবিধানে অন্তরভূক্ত করে এক অসাম্প্রদায়িক মনোভাবের পরিচয় দিয়েছিলেন, তা কিন্তু ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণাক্ষরে লিপিবব্ধ থাকবে। তবুও এখন ভারতে বিশেষ করে হিন্দু-মুসলমনাদের মধ্যে সাম্প্রদায়িক মারামারি ও রেষারেষি চলমান; তা কিন্তু এই একবিংশ শতাব্দীতেও মুছে যাবার নয়। এদিকে পাকিস্তানীদের অত্যাচার, সকলক্ষেত্রে প্রভুত্ব সেইসাথে অর্থনৈতিক বৈষম্যের কারণে সকল বাঙালি ও ভারতীয়দের অভূতপূর্ব সমর্থনে ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বরে ‘বাংলাদেশ’ নামে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে অগণিত জনগণ ও মা বোনদের ইজ্জতের বিনিময়ে আমরা স্বাধীন হয়ে এক আলাদা জাতি হিসেবে বাস করছি। কিন্তু স্বাধীনতার পর বিশেষ করে পাকিস্তান আর বাংলাদেশের হিন্দু ভাইরা দলে দলে ভারতের অভিবাসী হয়েছেন এবং এখনো হচ্ছেন! যদিও সব দাঙ্গা-হাঙ্গামার উৎস কিন্তু বর্তমানে ভারতেই বলা যায়। কি জব্বলপুরের হিন্দু মুসলমানের দাঙ্গা, কি বাবরী মসজিদ ধ্বংস এমন কি সামপ্রতিককালের ভারতের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নরেদ্র মোদির তার গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন তদীয় প্রশাসনের সময় গোধরা রেল ষ্টেশনে রেলের বগীতে আগুন দেয়াকে কেন্দ্র করে যে সংঘর্ষ ঘটে, হিন্দু মসলমানের মধ্যে চরম দাঙ্গা যা অনেকেই মনে করেন মোদির চরম নীরবতার কারণে সংঘটিত হয়েছে এবং তাতে তাঁর ইন্ধন ছিলো তা কিন্তু অনেকেই বলে। যা বলছি, এই সবই শেষ কথা নয়-ছোটখাটো কত যে ঘটনা ভারত, পাকিস্তান আর বাংলাদেশে ঘটছে, তার কোন ইয়ত্তা নেই।

বর্তমানে ভারতের লোকসংখ্যা ১২৯ থেকে ১৩০ কোটির উপর। ঐ দেশে মুসলমানদের সংখ্যা কম করে হলেও ২১ কোটির উপর এমনকি বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের চেয়েও বেশি। সারা পৃথিবীতে একক মুসলমান হিসেবে ভারতেই মনে হয় মুসলমানের সংখ্যা বেশি। অথচ সেই মহা ভারতে কেন আজো সংকীর্ণমনা হিন্দু জনসংঘ ও শিবসেনা ঘরানার লোকদের দ্বারা নিরীহ মুসলমানরা শান্তিতে বসবাস করতে পারছে না, প্রতিনিয়ত কোন না কোন কারণে স্রেফ ধর্মীয় অন্ধবিশ্বাসের কারণে তাদের আত্মাহুতি দিতে হচ্ছে। তার জবাব দেবে কে? ভারতের শাসকরা নাকি বিশ্ব মানবতাবাদী, তাহলে ধর্ম নিয়ে কেন আজ অযথা মারামারি-হানাহানি! এটাই আজ আমার একমাত্র প্রশ্ন?

মাত্র সেদিনকার ঘটনা। ভারতের উত্তর প্রদেশের এক প্রত্যন্ত গ্রাম। সেই গ্রামে বাস করতেন মোহাম্মদ ইলাক নামের এক মুসলমান ভদ্রলোক তার পরিবার পরিজন নিয়ে একেবারেই শান্তিতে না হলেও নির্বিঘ্নে তিনি দিন গুজরান করতেন। চারিদিকে তার প্রতিবেশী হিন্দুদের বসবাস। বেচারা এত নিরীহ ও গোবেচারা ছিলেন যে গ্রামের হিন্দু মুসলমান তাকে ভালবাসতেন, সম্প্রীতি ছাড়া কারো সাথে কোন দ্বন্দ্বই ছিলোনা তার! প্রতিবেশী কোন এক কায়েমী স্বার্থান্বেষীর কোপানলে পড়ে তাকে দিতে হলো তার অমূল্য জীবন! তার অপরাধ কিছুই নয়। মন্দির থেকে প্রচারণা করা হলো যে মোঃ ইহলাক গরু জবেহ করে তার ফ্রিজে খাওয়ার জন্য রেখেছে। তাও আবার অতি গোপনে চুপি চুপি আড়ালে আবডালে। আর কি তার শেষ রক্ষা আছে? শত শত হিন্দু গ্রামবাসী এসে তার বাড়ি আক্রমণ করে তাকে বেদম প্রহার এবং অস্ত্রের ঘাতপ্রতিঘাতে তিনি এবং তার ছেলেকে ধরাশায়ী করে সকল জনতা। কিছু বোঝে উঠার আগে তার জীবন সংহার করে তারা চলে যায়। আহা রে মানবতা! আহা রে অন্ধ ধর্ম! আহা রে হিন্দু প্রধান ভারত মাতা! পরে স্বয়ং হিন্দুরাই এসে ল্যাবরেটরীতে পরীক্ষা নিরীক্ষা করে দেখতে পেলেন, মাংস আছে ঠিকই তবে গরুর মাংস নয়, খাসীর মাংস। ইন্নাহ লিল্লাহে ওয়া ইন্না ইলাই হে রাজিউন। হে বিশ্ব বিধাতা, আপনিই তাকে বেহেশ্ নসীব করুন।

অথচ হিন্দু সাম্প্রদায়িকতার সংকীর্ণতাই ভরা বিজেপি ক্ষমতাই এসেই সারা ভারতে গোহত্যা বন্ধ করে দিয়েছেন। ভাবতে কষ্ট হচ্ছিল, এটাই কি সেই মহান ধর্ম নিরপেক্ষতাবাদী নেতা মহাত্মা গান্ধীর ভারতবর্ষ! কেবল বৃদ্ধ মোহাম্মদ ইহলাকের জন্য নয়, চরম ধর্মান্ধ সংকীর্ণ মনের অধিকারী শিবসেনা ও অন্যান্য সাম্প্রদায়িক হিন্দুদের জন্য আর সেইসাথে মহান মানবতার জন্য। এই যদি ভারতের বর্তমান অসাম্প্রদায়িক চেতনার পরিচয় হয়, তা হলে সেই মহাত্মা গান্ধী-নেহেরু –ইন্দিরার ভারত এখন কোথায়? আর ভারতের ভবিষ্যতই বা কি এই দেশে হিন্দু ব্যতিরেকে অন্য সম্প্রদায়ের লোকেরা ভবিষ্যতে আদৌ বসবাস করতে পারবে কিনা? আমাদের দেশেও আজকাল হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর কোথাও কোথাও গ্রামগঞ্জে অত্যাচার হচ্ছেনা এমন নয়, তবে তা ধর্মীয় কারণে নয়, কিছু কায়েমী স্বার্থবাদীদের স্বার্থের কারণে, সম্পত্তি আত্মসাতের কারণে। আমি সকল হিন্দু মুসলিম বৌদ্ধ খ্রীস্টানদের প্রতি সনির্বন্ধ অনুরোধ জানাবো, নিজ নিজ ধর্মের চেয়ে আপনারা সবাই মানবতাকে অধিক মূল্য দিন। মানবতার উপর ভিত্তি করেই কিন্তু সব ধর্মের উৎপত্তি আর উৎকর্ষ সাধন হয়েছে। একুশ শতাব্দীর এই ‘গ্লোবাল বিশ্বে’, এই বৈজ্ঞানিক উৎকর্ষ ও প্রযুক্তির যুগে। ধর্মই কেবল জীবন বাহন নয়। সব কিছুর মূলে বর্তমান “মহান মানবতা, এক আদম ও এক বিবি হাওয়া” থেকে মানুষের উৎপত্তি যা আমরা আস্তিকরা মনে প্রাণে বিশ্বাস করি।

পরিশেষে, আমার একটি লেখার একটি কাব্য থেকে উদ্ধৃতি দিয়ে বলছি, “জ্ঞানে তুমি না হেতে পারো, মহাজ্ঞানী বিজ্ঞানে না হতে পারো, পরম বিজ্ঞানী কিন্তু তোমার সবচেয়ে বড়ো পরিচয়ঃ তুমি মানুষ- মানবতাই তোমার পরম ধর্ম”। এই মানবধর্ম যদি আমরা সবাই পালন করি, তাহলে এই তালেবান, এই আই এস, এই আল কায়েদা, এই জনসংঘ, এই হিন্দু মহাসভা, এই শিবসেনা ও বজরং পাটি, এই ক্লু ক্লাক্স ক্ল্যান আর এই ব্ল্যাক প্যান্থারের চরম ধর্মীয় ও বর্ণের ছোবল থেকে সারা বিশ্বের সকল সম্প্রদায় রক্ষা পাবে, অন্যথায় নয়।

খোরশেদ আলম, লেখক ও গবেষক

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

৮ thoughts on “ভারতে হিন্দুত্ববাদের চরম বিকাশ

  1. ভারতে ধর্মীয় বিদ্বেষ
    ভারতে ধর্মীয় বিদ্বেষ বাংলাদেশের চেয়ে অনেক বেশী। হিন্দুরাও কোন অংশে কম নয়। মানবধর্মের উপরে কিছু নেই।

  2. শত শত বছর ধরে মুসলমানরা ভারতে
    শত শত বছর ধরে মুসলমানরা ভারতে হিন্দুদের ওপর যে অত্যাচার নির্যাতন চালিয়েছে ,সেটা কি হিন্দুরা এত সহজে ভুলে যাবে ? তাছাড়া বর্তমানে ভারতে হিন্দুত্ববাদের বিকাশ ঘটেছে কিন্তু মুসলমানদের উগ্রবাদিতার কারনে। ঠিক যেমনটি মুসলমানদের আগ্রাসী চরিত্রের কারনে খৃষ্টানরা তাদের বিরুদ্ধে ক্রুসেড ঘোষনা করেছিল

    1. একতরফা দোষ দিয়ে লাভ নেই।
      একতরফা দোষ দিয়ে লাভ নেই। ভারতে মুসলমানরা হচ্ছে মাইনরিটি। তবুও কিছু দোষতো তাদেরও আছে। যা হোক, প্রত্যেক ধর্মেই উগ্রবাদী এবং ধর্মান্ধ কিছু গোষ্ঠী থাকে। ধর্মান্ধতা এবং কুসংস্কারাচ্ছন্নতা একটি সমাজকে ধ্বংস করে দিতে পারে। দুটি বিষয় একে অপরের পরিপূরক, আলাদা করে দেখার উপায় নেই। সেজন্যই আমরা যদি কোন ধর্মে বিশ্বাসও করি, ধর্মের ভাল বিষয়গুলোকেই ধারণ করা উচিত। খারাপ মতবাদগুলোকে বর্জন করা উচিত। @ মোল্লা সাহেব

  3. দুঃখিত। আপনার লেখার শিরোনাম
    দুঃখিত। আপনার লেখার শিরোনাম দেখে তথ্যসমৃদ্ধ লেখার আশা করেছিলাম। কিন্তু লেখাটি নিতান্ত অসার এবং নীরব উদ্দেশ্যপ্রনোদিত মনে হল। আমার বোঝার ভুল হতে পারে।

    ভারতে হিন্দু মৌলবাদী অবশ্যই আছে। তবে বর্তমান উথানের পেছনে মুস্লিমদের চরমপন্থাই দায়ী। যেখানে একজন সন্ত্রাসীর মৃত্যুতে হাজার হাজার মুস্লিম জড়ো হয়, সেখানে গলদ নিশ্চই আছে। আপনার রাজ্যের নাম বলুন। আমি তথ্য উপাত্ত হাজির করার চেষ্টা করব।

    1. এক হাতে তালি বাজে না। নিজেকে
      এক হাতে তালি বাজে না। নিজেকে যদি মানবতাবাদী বলে বিশ্বাস করে থাকেন তাহলে কোন এক ধর্মে বিদ্বেষবশত একতরফা দোষ দিবেন না। সমালোচনা করতে হয় তো সব ধর্মের গোঁড়ামির বিরুদ্ধেই করুন। বর্তমান সময়ে ভারতের সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষ চরমে পৌঁছেছে। তা অস্বীকার করার উপায় নেই। ভারতের জ্ঞানীগুণীরা বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে চিন্তিত। ভারতের সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষের ইতিহাস নিয়ে পড়াশোনা করুন। তাহলে অনেক কিছুই স্পষ্ট হয়ে যাবে আশা করি। ধন্যবাদ। @ মাজদা

  4. এক হাতে তালি বাজে

    এক হাতে তালি বাজে না।

    কোন যুক্তিবাদি মানুষ এই কথা বিশ্বাস করবে না। এটা হোচ্ছে মধ্যপন্থা অবলম্বনকারীদের কথা। ভারতের সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষের ইতিহাস নিয়ে পড়াশোনা করেছি বলেই এই কথা বলতে পারছি। একটি দুর্ঘটনা দিয়ে আরেকটি দুর্ঘটনা ঢাকার চেষ্টা কোন সুস্থ মানুষ করে না।

    আমাদের দেশেও আজকাল হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর কোথাও কোথাও গ্রামগঞ্জে অত্যাচার হচ্ছেনা এমন নয়, তবে তা ধর্মীয় কারণে নয়, কিছু কায়েমী স্বার্থবাদীদের স্বার্থের কারণে, সম্পত্তি আত্মসাতের কারণে।

    আপনার এই কথাই প্রমাণ করে দিচ্ছে হয় আপনি ইচ্ছাকৃতভাবে এড়িয়ে গেছেন অথবা বাংলাদেশের হিন্দুদের উপর চলমান অত্যাচার সম্পর্কে আপনার কোন ধারনাই নেই। লিঙ্কে শুধু ধারণা দ্রষ্টব্য

    https://blog.mukto-mona.com/2016/03/16/48634/

    ভারতে হিনুদু কংগ্রেস এই উক্তির মাধ্যমে আপনি মাওলানা আবুল কালাম আজাদের মতো মানুষ্কে অপমান করলেন।

    যাই হোক আপনার লেখার বিভিন্ন স্থানে সুক্ষভাবে পক্ষপাত দুষ্টতার ছায়া। মানবতাবাদী দাবী করলেই হয় না। সময়ের অভাবে সবগুলো পয়েন্ট তুলে ধুরতে পারলাম না।

  5. এক হাতে তালি বাজে

    এক হাতে তালি বাজে না।

    কোন যুক্তিবাদি মানুষ এই কথা বিশ্বাস করবে না। এটা হোচ্ছে মধ্যপন্থা অবলম্বনকারীদের কথা। ভারতের সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষের ইতিহাস নিয়ে পড়াশোনা করেছি বলেই এই কথা বলতে পারছি। একটি দুর্ঘটনা দিয়ে আরেকটি দুর্ঘটনা ঢাকার চেষ্টা কোন সুস্থ মানুষ করে না।

    আমাদের দেশেও আজকাল হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর কোথাও কোথাও গ্রামগঞ্জে অত্যাচার হচ্ছেনা এমন নয়, তবে তা ধর্মীয় কারণে নয়, কিছু কায়েমী স্বার্থবাদীদের স্বার্থের কারণে, সম্পত্তি আত্মসাতের কারণে।

    আপনার এই কথাই প্রমাণ করে দিচ্ছে হয় আপনি ইচ্ছাকৃতভাবে এড়িয়ে গেছেন অথবা বাংলাদেশের হিন্দুদের উপর চলমান অত্যাচার সম্পর্কে আপনার কোন ধারনাই নেই। লিঙ্কে শুধু ধারণা দ্রষ্টব্য
    https://blog.mukto-mona.com/2016/03/16/48634/
    ভারতে হিনুদু কংগ্রেস এই উক্তির মাধ্যমে আপনি মাওলানা আবুল কালাম আজাদের মতো মানুষ্কে অপমান করলেন।
    যাই হোক আপনার লেখার বিভিন্ন স্থানে সুক্ষভাবে পক্ষপাত দুষ্টতার ছায়া। মানবতাবাদী দাবী করলেই হয় না। সময়ের অভাবে সবগুলো পয়েন্ট তুলে ধুরতে পারলাম না।
    – See more at: http://www.istishon.com/?q=node/21034#sthash.WAUd6VRJ.dpuf

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

+ 61 = 63