শপথের দুইভাগ


বিপর্ণ সূর্য , নষ্ট হলুদ , নির্জন ফুটপাত ।
মাঝে মাঝে বিশ্বস্ত মৃত্যু মেঘ হয়ে যায় ।
যা ছিল , তাই আছে শহর , গ্রাম
উচ্ছল ক্লান্ত নির্জন স্বপ্ন , ডিমলাইট জ্যোস্না
আমাদের টুকিটাকি চাওয়া-পাওয়া ।

তবুও তো আগে উপসর্গ ছিল
দক্ষিণ নদীর জানলায়
ঘুমটা দেওয়া চাঁদ ছিল
ছাপাশাড়ির গন্ধ , ঠাম্মার লম্বা কুমারী হাসি
গোপন পৃথিবীর টানে জেগে উঠতো ;
কত সঙ্গম শস্যপ্রয়াসী বটুয়ায় ভরে
মুঠো মুঠো চাঁদিয়াল হাসির গোলা ভরত
শৈশব , যৌবন বোঝত না যারা
কতটা থাকলে দুধে-ভাতে হাসা যায়
নিরাপদ ভালবাসায় সন্তান জন্মান যায়
তারও প্রতিশ্রুতির স্থাপত্যে বিশ্বাস গাঁথত

অতীত বিষ্টিতে যে নদী
চিকন চুম্বনে শরীর ফোটাত
তারও আজ হাহাকারের হাততালি
পৌঁছে দেয় আদিম পিগম্যালিয়ানের কাছে ।
এখন চারদিকে শুনশান
ঠোঁট ঘষে উড়ে যায় পাখি
অপ্রকাশিত শাসক জ্ঞানশূন্য বাতাস
মুখস্থ উনন্নয়নের দীর্ঘ ছায়াকাব্য
প্রতীকি ধর্মনিরপেক্ষতা ঈশ্বর আল্লা
শপথের শরীর ভাগ করে……
:
বড় জোড় যা হল
যার আসার কথা ছিল না
সে আগমণের পথে রইল……

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

১ thought on “শপথের দুইভাগ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

57 − 55 =