বিবাহ এবং কুসংস্কার

অনেক আগে হিন্দু সমাজে সতীদাহ প্রথার মতো নিষ্ঠুর প্রথা প্রচলিত ছিল। পরবর্তীতে ১৮১৮ সালে রাজারামমোহন এই প্রথার বিলোপ করে অগনিত বিধবা নারীর জীবন দান করেছেন। আর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর তো নিজের মায়ের অমতে নিজের ছেলের সাথে বিধবা বিয়ে দিয়ে বিধবাদের জীবনের নতুন মোড় এনে দিয়ে সমাজ সংস্করণের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। কিন্তু এখনো, এই একবিংশ শতাব্দীতেও প্রত্যন্ত অঞ্চলগুলোতে অদ্ভুত কিছু ব্যপার লক্ষ্য করা যায়। স্বামীর মৃত্যুর পর এই অঞ্চলগুলোতে স্ত্রীর মাথার চুল ন্যাড়া করে দেওয়া হয়,তাকে আর বিয়ে করতে দেওয়া হয় না এমনকি অনেক্ষেত্রে নারীদের অপয়াও আখ্যা দেওয়া হয় বাল্যবিবাহ এই অঞ্চলগুলোতে অহরহ ঘটনা। হিন্দু – মসুলমানসহ প্রায় সব ধর্মের মানুষই এই অঞ্চলগুলোতে বাল্যবিবাহ দেয় অথচ “বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন ২০১৪ ” যার খসড়া মন্ত্রীসভা কর্তৃক অনুমোদিত যেখানে বলা হয়েছে বাল্যবিবাহের শাস্তি সর্বোচ্চ ২ বছর জেল এবং ৫০০০০ টাকা জরিমানা। কিন্তু বার বার এই অঞ্চলগুলোতে কেন যেন এই কুসংস্কারঈ জয়ী হয়।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

3 + 4 =