টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে নেওয়া হচ্ছে নতুন নতুন পরিকল্পনা

সুষ্ঠু যোগাযোগব্যবস্থা একটি দেশের উন্নয়নের পূর্বশর্ত। ভিশন-২০২১ লক্ষ্যপূরণ এবং ঘোষিত সময়ের আগেই দেশকে মধ্যম আয়ের দেশে রূপান্তরের প্রক্রিয়াটি যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়নের ওপর নির্ভর করে। এ লক্ষ্যেই সারা দেশে ব্যাপকভাবে যোগাযোগ খাতে উন্নয়ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে সরকার। দেশের টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে নেওয়া হচ্ছে নতুন নতুন পরিকল্পনাও। সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ ছিল দক্ষিণাঞ্চলের সঙ্গে রাজধানীর সংযোগ অনুষঙ্গ হিসেবে পদ্মা সেতু নির্মাণ। সে প্রকল্প এগিয়ে যাচ্ছে সহজভাবে। চলছে বিভাগ, জেলা, উপজেলা এমনকি ইউনিয়ন পর্যায়েও উন্নয়ন প্রকল্প। গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যমতে, ঢাকা-চট্টগ্রাম ফোর লেন, ঢাকা-ময়মনসিংহ ফোর লেন, কর্ণফুলী নদীতে টানেল নির্মাণ, হযরত শাহজালাল (র.) বিমানবন্দর থেকে খুতুবখালী এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, মেট্রোরেল, উত্তরা থেকে আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, গাজীপুর থেকে বিমানবন্দর বাস র্যা পিড ট্রানজিট প্রকল্প, মগবাজার-মৌচাক ফাইওভার, রংপুর ফোর লেন, কাঁচপুর, মেঘনা ও গোমতী ২য় সেতু নির্মাণ, ইস্টার্ন বাংলাদেশ ব্রিজ ইমপ্রুভমেন্ট প্রজেক্ট এবং পদ্মা সেতুতে রেল সংযোগের মতো বৃহৎ উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ করেছে সরকার। এর মধ্যে কয়েকটি প্রকল্পের কাজ ইতোমধ্যে প্রায় সম্পন্ন হয়েছে। উন্নয়ন কাজ অব্যাহত রয়েছে কয়েক হাজার প্রকল্পের। আসন্ন বাজেটে প্রায় ৩ লাখ ৪০ হাজার কোটি টাকার শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাত অগ্রাধিকার পাচ্ছে। তবে সবচেয়ে বেশি বরাদ্দ থাকছে পরিবহন খাতে। এরপরই জ্বালানি ও শিক্ষা খাত। এর একটি অংশ হিসেবে সরকারী অর্থায়নে প্রায় ৪শ’ ৪২ কোটি টাকা ব্যয়ে ৩২ কিলোমিটার দীর্ঘ সিলেট বিমানবন্দর-সালুটিকর-কোম্পানীগঞ্জ-ভোলাগঞ্জ সড়ক জাতীয় মহাসড়কমানে উন্নীত করা হচ্ছে। ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রকল্পের কাজ শেষ হবে। বিমানবন্দর-সালুটিকর-কোম্পানীগঞ্জ-ভোলাগঞ্জ সড়ক জাতীয় মহাসড়কে যুক্ত হলে পরিবহন এবং সিলেটের পর্যটন স্থানগুলোতে আরও গতি আসবে।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

22 + = 23