রাজনৈতিক সংস্কৃতির আমূল পরিবর্তনে করনীয়

পৃথিবীর সাথে তাল মিলিয়ে তাদের যা কিছু ভালো, সংগ্রহ করে নতুন ধারায় আর্ত-সামাজিক মুক্তি প্রজন্মের হাত ধরে বাস্তবায়িত হবেই। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক মহলের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলতে হয়, মুক্তবুদ্ধির ওপর আক্রমন ঠেকানোর উপায় বা শক্তি আমাদের কি নেই? থাকলেও তা কতটুকু কার্যকর? তাহলে বলতে হয় নিজেরাই নিজেদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা করতে হবে।

ইসলামের সহনশীল ধারাটি চিরতরে মুছে ফেলার কৃতিত্বের দাবিদার হতে চায় একটি রাজনৈতিক দল। বাংলাদেশের রাজনৈতিক সমীকরণে বড় ধরণের পরিবর্তন দেশীয় আদলে মৌলিক অধিকার সংরক্ষণে, প্রচলিচ ধারায় নয়, বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্টায় মধ্যবামদের অগ্রণী ভূমিকা পালনের প্রস্তুতি নিতে হবে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধর্ম-নিরেপেক্ষতার অসমাপ্ত কাজ সমাপ্ত করতে হবে। এটি এখন সময়ের দাবি।

রাজনৈতিক ধারন সংস্কৃতি বলে দেশটি এখন অর্থনৈতিক মুক্তির পথের দিকে হাটছে। নতুন ধাঁচের শোষণযুক্ত সমাজের শোষণমুক্ত হবেই। সেটা যে নামেই হোক। আওয়াজ উঠেছে, বদলে যাচ্ছে চিরায়ত শত্রু মিত্রের হিসাব। সরকারের বক্তব্য, আগে উন্নয়ন পরে গণতন্ত্র, বিশ্বব্যাপী আলোচিত বিষয় ওরা গণতন্ত্রী শক্তি নয়! আগে গণতন্ত্র পরে উন্নয়ন। সাংবিধানিক বিধান বলে দেশের মালিক জনগণ।

পঞ্চম ধাপের দেশব্যাপী ইউপি নির্বাচনী ফলাফল, আওয়ামীলীগ নির্বাচিত চেয়ারম্যান ২১১২ জন, বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় ২১০ জন, বিএনপি নির্বাচিত চেয়ারম্যান ৩০৯ জন, স্বতন্ত বিজয়ী ৬৯৬ জন। এ অবস্থায় সহিংস ঘটনায় প্রাণহানি হয়েছে ১০১ জনের। আহত হয়েছেন প্রায় ২ শতাধিক। জাতীয় প্রতীকে ইউপি নির্বাচন ডিজিটাল বাংলাদেশ পথের কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে। মননোয়ন বাণিজ্য স্বতন্ত্র প্রার্থি ও জনগনের কাছে সরকার দলের পরাজয় হয়েছে। মহান সংসদে শক্ত বিরোধী দল না থাকায় সরকার দলের জবাদিহিতা নেই। তাই তাঁরা যা ইচ্ছা তা করছে।

জাতীয় বাজেট ও রমজানের আগেই কোন কারন ছাড়াই নিত্য পণ্যের দাম বেড়েছে। সবকিছু মিলিয়ে এককথায় বলতে গেলে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার অভাব পরিলক্ষিত হচ্ছে। এর ফল ভয়াবহ।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

8 + 1 =