ঈশ্বরের ইন্টারভ্যু (পর্ব-২)

ঈশ্বরের ইন্টারভ্যু (পর্ব-১)

চেয়ারে শুয়ে এক পা আর এক চেয়ায়ের উপরে তুলে সুচিত্রা ভট্টাচার্যের ‘এখন হৃদয়’ প্রচ্চন্ড মনোযোগ সহকারে পড়ছি আর সিগারেট টানছি এবং প্রেমিকার কথা ভাবছি হঠাত সামান্য মনোযোগে ছেদ পড়লো।পাশের চেয়ারে দেখি স্বয়ং ঈশ্বর বসে বসে মিটিমিটি হাসছেন আর আমার দিকে চেয়ে আছেন।
আমি সপ্রশ্ন দৃষ্টিতে তেনার দিকে তাকাতেই তিনি আমাকে বললেন,বকুলবাবু বহু কষ্টে জিনিস যোগার করিয়াছি এখন তুমি সেটা ইস্তেমাল করিবার ব্যবস্থা করো।

আমি বলিলাম কি জিনিস হে?এমন ভাব করিতেছ যেন অমৃত আনিয়াছ?তোমার ওই বালের অমৃত আমি চাইনে।আমার এই গোল্ডলিফই অমৃত।আর এখন আমি চরম বিজি আছি।তুমি মানে মানে ফোটো।

ঈশ্বর আমার কথা শুনিয়াই কাঁদিয়া ফেলিলেন এবং শ্রাগ করিতে করিতে বলিলেন শিব ব্যাটা কিছুতেই দিবেনা তবু হাতে পায়ে ইয়ে ধরে একটু ব্যবস্থা করিলাম ভাবিলাম দুই বন্ধু একটু নেশাভাং করি কিন্তু তুমি যে কথা শুনাইলে হে আমার তো এ জীবন রাখিতেই আর মন চাহিতেছে না।আজই আমি হেমলক খাবো।

আমি বলিলাম,ওই ব্যাটা হেমলক সক্রেটিসের সময় কাজ করেছিল বলে তোমার সময় কাজ করবে এইটা কেমনে ভাবলা।তুমি শালা একটা আস্ত বোকাচোদা।আর সিদ্ধি আনছো এইটা বললেই হইত এমন একটা ভাবে বলতেছিলা আমি ভাবছি ডারবি বা হলিউড সিগারেট আনছো ।তা তুমি কি কল্কেতে খাইবা নাকি সিগারেটে?

ঈশ্বর বলিলেন,আমার অত দম নেইকো।কল্কেতে টান দিলে এক টানে উরুগুয়ে চলিয়া যাইবো ।স্পিডের উপর বসিয়া লাথি দেওয়ারও প্রয়োজন নাই।তুমি একটী বিড়ি দেও আমি বানাইতে থাকি।

তারপর সব ইতিহাসরে ভাই।গাঞ্জা খায়া ঈশ্বর ব্যাটা এমন খিস্তি শুরু করলো যে তা লিখলে ফেসবুকই সার্ভার ডাউন মাইরা লোগো আউট হয়া যাবে।তবে ব্যাটা নেশার ঘোরে একটা কথা ভালা কইছিলো ” যদি এই গল্পটা সত্যি হইতো তাইলে খুব ভাল হইতো”

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

২ thoughts on “ঈশ্বরের ইন্টারভ্যু (পর্ব-২)

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

− 2 = 8