প্রেমপত্র-৬৮

বালিকা সমাচার,
তোমার পিঠ জুড়ে থাকা ঘন কালো চুলে বালক মুগ্ধ সেই কবে থেকেই !
তুমি রাগবে বলে তোমায় বলতে সাহস পায়নি।কত বার যে লুকিয়ে লুকিয়ে লক্ষ করেছে তাও তোমায় বুঝতে দেয়নি বালক “সম্পর্ক-টা” তে শীতলতা দেখতে চায়না । প্রতিবার “ভালোবাসি” বলার সাথে সাথে একটা ঢোক গিলে নেয় । বালকের ভয় হয়, যদি সে হারিয়ে ফেলে তোমায়।এর চেয়ে চুপিসারে শতবার ঘূর্নন করুক আমার চোখ। এতেই ভালবাসি যে মনে হয় মাঝে মাঝে তোমার সম্মুখে কথা বলছি।স্ট্রেটকার্টই বলছি শোনো-, নিয়মের বেড়াজাল মেইনটেন আমাকে দিয়ে হবেনা,কখনো হয়ওনি !
তুমিতো ভালো করেই জানো,আমি প্রচণ্ড রকমের এলোমেলো আর
আত্মভোলা কিছুটা পাগলাটে টাইপের ।কখনো শিখিনি ওসব মেইনটেন হয় কিভাবে?এলে, এখনি এসো, এমনি এমনিই এসো মেঘের রোদেলা দুপুরে দেখো কতটা এলোমেলো !আমিতো জানি, তোমাকে ছাড়া চলবেনা আমার একদিন চলবেনা তোমারো।তাই বলি, এ জীবনে এসো এখনই !
জানাতে হবেনা কাউকেই, সঙ্গেও আনতে হবেনা কিছুই।খুব যতনে তোমাকে নিয়ে চলে এসো আসার পথে হৃদয় পেতেছি খানিকখানি বিপদও হবেনা তোমার ।অপেক্ষা ?এবেলায় নয় আর পাগলী জেনো, অপেক্ষাটুকুই অভিমান, সহ্য হয়না, হচ্ছেনা একদমই ! দেখো, যা দেখার দেখে নিয়েছি আমি দেখেছো তুমিও।অজস্রবার হৃদয় দিয়ে তোমাকে ছুঁইয়ে বুঝেছিও যা বোঝার।জেনে নাও আড়ালটুকুও নয়, একদমই নয়
চুমুর বদলে এবার দস্যুতাই হবে সুদে-আসলে !বলো ,শুধু কী আমি একা জানি ?তোমার ভেতরে প্রস্তুতি কত শত !দেখো, জেনে গেছে সায়দাবাদ-কমলাপুর।জেনেগেছে সংসদভবন কিংবা জিয়া উদ্যানও আজ !
তাই বলি প্রিয়তমা এখনই উন্মুখ হও এসো শোষণে আশ্লেষে, এসো প্রগাড়
অনুভবেও ।তুমিতো জানো, তোমাকে ছাড়া চলবেনা এখন কখনও যেমন চলেনি।তোমার জন্য আমি কিংবা আমার জন্য তুমি গল্পতো এটাই-
না যাও, কথা দিলাম খুব বেশী দস্যুতাও করবো না।কেবল, তোমাকে সযতনে নিয়ে চলে এসো,অতঃপর অজস্র জন্ম গল্পের জোনাকি সাজিয়ে প্রতীক্ষায় রেখো কথা দিচ্ছি-তুমি না চাইলে তোমায় ছুঁয়েও দেখবো না ।
এসো, এখনই নাহয় চলে এসো-দূরত্ব নামক অভিমানটুকুই সহ্য হয়না,
হচ্ছেনা একদমই!প্রেমিক তোমার তুমি নামক জোছনায় ডুব দি প্রতিদিন।
এরবাইরেও কিছু বলার থাকে এটা হয়ত হৃদয়ের চিৎকার যা কবিতার মতন নয়,কবিতা তো নয়ই।এটা বলি ভাল কিছু বললেই হবে আমার খারাপটাও তো বলতে হবে নাকি?তাই বলি না বলা না চিৎকার করি।
“পোড়ামুখি দুচোখের বিষ,হাড়জ্বালানী,হৃদয়খেঁকো,নয়নের বন্দুকে হত্যাকারিনী,পাজি,হৃদয় পুড়িয়ে ফেলছিস তুই তবুও বারংবার আমি তোর প্রেমেই পড়েছি”
অথবা
তুমি দুষ্টু, তুমি পাজি, তুমি বাঁদর, তুমি ভাজি। আমি তোমায় মারবো, পেটাবো তোমায়। কান টেনে ছিড়ে করব লাল।তুমি শোননা আমার কথা, তুমি মানোনা আমার লেখা, তুমি বোকা, তুমি নির্বোধ, তুমি গাধী, তুমি যাচ্ছেতাই।তারপরও তোমায় ভালবাসি চিরটাকাল।
তবে শেষ টা এত তিতকুটে হবে না ডিনার শেষে ডেজার্টের মত মিষ্টি করে বলি তোমায় “আমার হৃদস্পন্দন সাবস্ক্রাইব করে রেখো,তোমার জন্য মিস হওয়া প্রতিটি স্পন্দনের পর জীবন মৃত্যূর সমান সম্ভাবনার টানটান উত্তেজনা আমি একা বইবো কেন?আচ্ছা তুমি এমন কেন? ঘড়ির সেকেন্ডের কাটার মতো,প্রতি মিনিটে মিনিটে মাথার মধ্যে ঘুরে ঘুরে যাও।।
ইতি
বালকের সমাচার দর্পন

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

− 6 = 3