সৌন্দর্য সুরক্ষা ও নিরবচ্ছিন্ন টেলিযোগাযোগ নেটওয়ার্ক সেবা নিশ্চিত করতে বিশেষ টাওয়ার নির্মাণ

সৌন্দর্য সুরক্ষা ও নিরবচ্ছিন্ন টেলিযোগাযোগ নেটওয়ার্ক সেবা নিশ্চিত করতে দেশের প্রথম টাওয়ার নির্মাণ করা হয়েছে চট্টগ্রামে। চট্টগ্রাম বোট ক্লাব ভবনের ছাদে নির্মাণ করা হয় এই টাওয়ার। মালয়েশিয়া ভিত্তিক কোম্পানি ইডটকো বাংলাদেশ লিমিটেড ক্যামোফ্ল্যাগ টাওয়ারটি তৈরি করে। পরিবেশ বান্ধব নান্দনিক ডিজাইনের উদ্ভাবনী টাওয়ার চলতি বছর সারাদেশে নির্মাণ শুরু করা হবে। সরকার টেলিযোগাযোগ খাতে নেটওয়ার্ক নিরবচ্ছিন্ন রাখতে আলাদা করে টাওয়ার কোম্পানির লাইন্সেস দেয়ার আগেই ইডটকো দেশে পরীক্ষামূলকভাবে পরিবেশবান্ধব টাওয়ার নির্মাণ শুরু করেছে। উন্নত দেশে টেলিযোগাযোগ খাতে পৃথক টাওয়ার কোম্পানি রয়েছে। তার আলোকে দেশেও পৃথক টাওয়ার কোম্পানির লাইসেন্স দেয়ার বিষয়টি সরকারের পরিকল্পনায় আছে। ইডটকোর তৈরি এ ধরনের অবকাঠামো নগরীর সৌন্দর্য বাড়ায়, ভবনের ওপর চাপ কমায়, নেটওর্য়াক সংযোগ নিশ্চিত করে। বিদ্যুত খরচও কমায়। ফাইবারগ্লাস রিইনফোর্সড প্রডাক্ট (এফআরপি) দিয়ে নির্মিত এ ধরনের নান্দনিক এবং পরিবেশবান্ধব ক্যামোফ্ল্যাগ অবকাঠামো টেকসই। অবকাঠামো উপাদানগুলো ভারি বৃষ্টি এবং ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হবে না। এ কারণেই নিরবচ্ছিন্ন নেটওয়ার্ক নিশ্চিত হয়। ভবিষ্যতে দেশে ফোর জি (চতুর্থ প্রজন্মের) নেটওয়ার্ক তৈরি করতে হলে মোবাইল টাওয়ার ব্যবস্থাপনা নিখুঁতভাবে করতে হবে। অপারেটরদের টাওয়ার দিয়ে ফোর জি নেটওয়ার্ক ব্যবহার করা সম্ভব হবে না। দেশে অবশ্যই আরও বেশিসংখ্যক টাওয়ারের প্রয়োজন আছে। বেশিসংখ্যক টাওয়ার তৈরিতে আবার জায়গারও অপচয় হবে। তারপরও আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে টাওয়ার নির্মাণ করা জরুরী। আর তারই ফলশ্রুতিতে সরকারের এ পদক্ষেপ।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

29 − 25 =