মুহাম্মদের ফাতরামি!!

ইসলামের শেষ নবী এবং মুসলমানদের অতি পেয়ারের মহামানব,যার আদর্শে আদর্শিভুত হয়ে আপামর মুসলমান সম্প্রদায় নিজেদের ইহকাল ও পরকাল উভয়ই ঈমানি ফরজে খারা করতে চান,যার চরিত্র নাকি নাকি ফুলের থেকেও পবিত্র সেই অতিমানব হজরত মহাম্মদ,যে আসলে একটা নারিলোভী ভন্ড যৌনপাপি ছিল এবং নিজের সকল নোংরা লিপ্সা পুরনের জন্যে কিভাবে এই জানোয়ার আল্লাহ নামক কথিত সর্বশক্তিমানকে ব্যাবহার করতো তার প্রমান মেলে কোরানের সুরা আল আহযাবে।

সুরা আল আহযাব-৫০

হে নবী,আপনার জন্য আপনার স্ত্রীদের হালাল করেছি,যাদের আপনি মোহরানা প্রদান করেন।আর দাসিদের হালাল করেছি যাদের আল্লাহ আপনার করায়ত্ব করে দেন এবং বিবাহের জন্য বৈধ করেছি আপনার চাচাতো ভগ্নি,ফুফাতো ভগ্নি,এবং খালাতো ভগ্নিকে যারা আপনার সাথে হিজরত করেছে।কোনো মুমিন নারি যদি নবীর কাছে নিজেকে সমর্পন করে,তাহলে নবী তাকে বিবাহ করতে চাইলে সেও হালাল।এটা বিশেষ করে আপনার জন্য-অন্য মুমিনদের জন্য নয়।আপনার অসুবিধা দুরীকরনের উদ্দেশ্যে।মুমিনগনের স্ত্রী ও দাসীদের ব্যাপারে যা নির্ধারিত করেছি তা আমার জানা আছে।
আল্লাহ ক্ষমাশীল ও দয়ালু।

নিজের বানি আল্লাহর নামে চালাতে গিয়ে মহাম্মকের ল্যাজে গোবরে অবস্থা দেখে আমার পাচ্ছে হাসি!! এখানে দ্বিতীয় লাইনে আল্লাহ নিজেই নিজের নাম নিয়ে বলছেন, আমি দাসীদের তোমার করায়ত্ব করেছি!!অবশ্য লাইনটা পড়ে মনে হচ্ছে আল্লাহ তেনার মুখপাত্রকে দিয়ে এসব বলাচ্ছেন।তবে যাই হোক সৃস্টিকর্তা মনোনীত একজন বিশেষ মানুষের এরুপ যৌন লালসা থাকাটা কি তাকে অনুকরন যোগ্য পবিত্র চরিত্র হিসেবে তুলে ধরে!! নাকি ঘৃনায় তাকে আর তার চারিত্রিক গুনাবলীকে আস্তাকুরে ফেলে দেওয়া প্রয়োজন তা একবার ভেবে দেখা উচিত। তার উপর এই আয়াতে ভগ্নি শব্দটাকেই অপমান করে নগ্ন কুৎসিত অযাচারকে দেওয়া হয়েছে সবুজ সংকেত যা প্রমান করে মহাম্মদ উন্মাদের পাশাপাশি দুশ্চরিত্র এক কীট ছিলো।অবশ্য চাচাতো বোন উম্মে হানি ও নবীর গোপন অভিসারের কেমিস্ট্রি হালাল করার জন্যই এল্লাহ প্রদত্ত আয়াতে যে ভগ্নিগন বিবাহযোগ্য তা বলার অপেক্ষা রাখেনা।

সুরা আল আহযাব-৫৩

হে মুমিনগন,তোমাদের অনুমতি দেয়া না হলে তোমরা খাওয়ার জন্য আহার্য রন্ধনের অপেক্ষা না করে নবীর গৃহে প্রবেশ করো না।তবে তোমরা আহুত হলে প্রবেশ করো,তবে অতঃপর খাওয়া শেষ হলে আপনা আপনি চলে যেও।কথা বার্তায় মশগুল হয়ে যেয়ো না।নিশ্চয় এটা নবীর জন্য কস্টদায়ক।তিনি তোমাদের কাছে সংকোচ বোধ করেন;তবে আল্লাহ সত্যি কথা বলতে সংকোচ বোধ করেন না।তোমরা তার পত্নিগনের কাছে কিছু চাইলে পর্দার আরাল থেকে চাইবে।এটা তোমাদের অন্তরের জন্য এবং তাদের অন্তরের পবিত্রতার জন্য অধিকতর পবিত্রতার কারন।নবী রসুলকে কস্ট দেওয়া এবং তার ওফাতের পর তার পত্নিগনকে বিবাহ করা তোমাদের জন্য বৈধ নয়।আল্লাহর কাছে এটা গুরুতর অপরাধ।

যেমন গুরু তার তেমন চেলা! লুইচ্চার চেলাতো লুইচ্চাই হবে এতে আশ্চর্য হওয়ার কিছুই নাই।তবে নবীর বান্দারা যে এক একটা কেমন চিজ ছিলো তার সুস্পস্ট ধারনা মোদের নবীর ছিলো,তাই এল্লাহ জুজু দেখিয়ে তিনি তেনার বান্দাদের ঈমান দমনের চেস্টা করেছেন,তবে তা পুরোপুরি সফল কিনা সেটা দেখার জন্য একবার টাইম মেশিনে করে নবীর যুগে যেতে মন চায়।কারন নবীর বিবিদের চরিত্রের পবিত্রতা সম্পর্কে আমার ধারনা তেমন সুস্পস্ট নয়।

ফেসবুকে আমি- https://m.facebook.com/antohin.rakhib.1?ref_component=mbasic_home_header&ref_page=%2Fwap%2Fhome.php&refid=8

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

২ thoughts on “মুহাম্মদের ফাতরামি!!

  1. আদর্শিভুত শব্দটা প্রথম শুনলাম
    আদর্শিভুত শব্দটা প্রথম শুনলাম আপনার কাছে।
    শব্দজ্ঞান হলো।
    ওকে নিয়ে আর বলে কি লাভ!
    যেমন গুরু, তেমন চেলা- কথাটা খারাপ বলেলনি

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

− 1 = 2