প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সৌদি সফর ও কিছু কথা:

এ কথা সত্য যে আরবের এই ধনী দেশটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করেছে এবং স্বাধীন বাংলাদেশ তারা মেনে নিতে পারেনি এবং মুজিব সরকারের ছিল কট্টর বিরোধী। তারা বাংলাদেশ কে স্বীকৃতি দিয়েছে ১৫ই আগস্ট ১৯৭৫ সালে যে দিন হত্যা করা হয় স্বাধীন বাংলার স্থপতি জাতীর জনক বংগবন্ধু শেখ মুজিব কে সপরিবারে।
এখন প্রশ্নজাগে তাহলে কি তারা এই দিনটির জন্য অপেক্ষা করেছিলেন? যদি জনক কে হত্যা করা না হত তাহলে কি তারা বাংলাদেশ কে স্বীকৃতি দিত।এতে বুঝা যায় সদিআরব কতটা নির্দয় ছিলেন বাংলাদেশ ও তার স্থপতির প্রতি।
তখন আরব দেশ গুলোতে বাংলাদেশ বিরোধী অপপ্রচার চালিয়েছিল পুর্ব-পাকিস্তান জমাতের আমীর পালের গোদা,সকল যুদ্ধাপরাধী ও ধর্ষকদের রাজনৈতিক গুরু, বাংলাদেশে গনহত্যার মাস্টারমাইন্ড, বুদ্ধিজীবী হত্যাকান্ডের নেপথ্য নায়ক রাজাকার, আলবদ, পাকিস্তানিদের পাচাটা কুত্তা ও আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল কতৃক সাজাপ্রাপ্ত যুদ্ধাপরাধী গোলাম আযম(গোয়াজম)।
তিনি মাথামোটা আরদের বুঝিয়েছে শেখ মুজিব মুলস মানের শত্রু,বড় একটা ইসলামী দেশ কে সে দ্বি-খন্ডিত করেছে।যুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধারা মাদ্রাসা মসজিদ ধ্বংস করেছে তাই সাহায্যের প্রয়োজন আর পাকিস্তান পুনরুদ্ধার কমিটি করেছ গড়ে তোলেছেন বিরাট ফান্ড যা দিয়ে পরে জমাতকে পুনরুজ্জীবিত করেছেন।
তখন থেকে আরবদেশ আওয়ামীললীগ কে দুশমন মনে করে।
যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের প্রথমদিকে সরকার কে অনেক যন্ত্রনা দিয়েছে এই সৌদি সরকার নানা রকম চাপ সৃষ্টি করে।যাইহোক উপরিস্থিতর পরিবর্তন ঘটে ৫ জানুয়ারী ২০১৪ সালের পর।বহিবিশ্ব বাংলাদেশের গুরুত্ব বুজেছে অনেক আগে সেক্ষেত্রে মাথামোটা হাদারাম গুলা একটু পরে বুঝবে এটা স্বাভাবিক।
আরবদেশ গুলোতে জমাতের কানেকশন এখন দুর্বল হলেও ইসরাইল ও আমেরিকায় তাদের কানেকশন বৃদ্ধি পেয়েছে এটা দৃশ্যমান। জমাতের নেতাদের ফাসির পরে এসব দেশ বেশি প্রতিক্রিয়া দেখায়,পাকিস্তানের দেখানো স্বাভাবিক তারা তাদের গৃহপালিত মৃত কুকুরের জন্য দরদ দেখাবে।এতে বিচারের যথার্ততা প্রমানিত হয়।
অনেকদিন যাবত আরব দেশ বাংলাদেশ থেকে শ্রমিক নেওয়া বন্ধ রেখেছে এতে আমাদের ও কিছু দোষ আছে যা চুরিচামারির পর্যায়ের পরে, বাংগালির হাতটানের অভ্যেস পরিবর্তন হলনা এটা কিছুটা তারই খেসারত, ভেস্ত গেলেও তারা ফলমুল চুরি করবে..!!
যাইহোক, আশা করি দেশনেত্রীর সৌদি সফর বন্ধ হওয়া শ্রমবাজারের জন্য কোন ভাল বার্তা বয়ে আনবে।
গ্রামেগঞ্জে চুরিচামারি বেড়েছে যার সাথে বিএনপি সিদচোরার যুক্ত শ্রম বাজার খুললে এইই সিদচোরারা দেশের সম্পদ হবে তারা রেমিটেন্স দিবে, দেশ উন্নত হবে।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

+ 85 = 93