বাইবেল ছাড়া কি কোরান বোঝা যায় ?

বাইবেল ছাড়া কি কোরান বোঝা যায় ? ইসলাম নিজেকে আব্রাহামিক ধর্মের সর্বশেষ সংস্করন বলে দাবী করে বলে- মোহাম্মদের আগে এক লক্ষ চব্বিশ হাজার নবী ও রসুল এসেছে। কোরানে মাত্র ২৪/২৫ জন নবীর নাম আছে। কিন্তু এরা কে কার আগে এসেছিল , কোথায় এসেছিল, কি বানী প্রচার করেছিল , সেটা কি বাইবেল ছাড়া শুধু কোরান পড়ে জানা যায় ? বাইবেলেই সব নবির কাহিনী ধারাবাহিকভাবে বর্ননা করা আছে। এমন কি ইব্রাহীম যে ইসমাইলকে কোরবানী করেছিল সেটাও কোরানে বলা নেই সেটা জানতে হয় নানা কায়দায় বাইবেলের কাহিনী থেকেই। অথচ বাইবেল নাকি বিকৃত, তাহলে কোরানের কথিত ঘটনা যে সত্য সেটা কিভাবে সম্ভব ?

কোরানে নবীদের ঘটনা বলতে গিয়ে কি বলেছে সেটা দেখা যাক —–

সুরা আল আন আম – ৬: ৮৩: এটি ছিল আমার যুক্তি, যা আমি ইব্রাহীমকে তাঁর সম্প্রÞদায়ের বিপক্ষে প্রদান করেছিলাম। আমি যাকে ইচ্ছা মর্যাদায় সমুন্নত করি। আপনার পালনকর্তা প্রজ্ঞাময়, মহাজ্ঞানী

এখানে প্রথমে ইব্রাহীমের নাম উল্লেখ করা হচ্ছে। এরপরের আয়াত —

৬:৮৪:আমি তাঁকে দান করেছি ইসহাক এবং এয়াকুব। প্রত্যেককেই আমি পথ প্রদর্শন করেছি এবং পূর্বে আমি নূহকে পথ প্রদর্শন করেছি-তাঁর সন্তানদের মধ্যে দাউদ, সোলায়মান, আইউব, ইউসুফ, মূসা ও হারুনকে। এমনিভাবে আমি সৎকর্মীদেরকে প্রতিদান দিয়ে থাকি।

ইব্রাহিমের পুত্র ইসহাকের ও ইসহাকের পুত্র ইয়াকুবের উল্লেখ আছে যা ধারাবাহিকভাবে সঠিক। উল্লেখ্য এখানে ইব্রাহীমের অন্য পুত্র ইসমাইলের উল্লেখ নেই , মোহাম্মদ যার ভিত্তিতে নিজেকে নবী দাবী করেন , সেটাই এখানে উল্লেখ নেই। তারপর উল্লেখ আছে – নুহ, দাউদ, সোলায়মান, আইউব, ইউসুফ, মুসা ও হারুনের নাম। এরা কি ধারাবাহিকভাবে একের পর এক দুনিয়াতে এসেছিল ? যদি না এসে থাকে , তাহলে কার পর কে এসেছিল ? সেটা কি বোঝা কারও পক্ষে সম্ভব ? সেটা না বুঝলে কিন্তু আসলে আব্রাহামিক ধর্মের মাহাত্মই বোঝা অসম্ভব। এখন সেটা বুঝতে গেলে আমাদেরকে যেতে হবে তৌরাত কিতাব তথা বাইবেলে। বাইবেলে এসব নবিদের ধারাবাহিকতা সম্পর্কে কি বলছে —

নূহের পর ইব্রাহিম , তারপর তার দুই পুত্র ইসহাক ও ইসমাইল, তারপর ইসহাকের পুত্র ইয়াকুব , ইয়াকুবের পুত্র ইউসুফ, ইউসূফের পর মূসা ও হারুন দুই ভাই, মুসার পর দাউদ , দাউদের পর তার পুত্র সোলায়মান——–এটাই হলো ধারাবাহিক ভাবে আসা নবীদের নাম।

৬:৮৪ আয়াতে বলছে ইব্রাহীমকে দান করেছে ইসহাক ও ইয়াকুব। ঘটনা কি সত্য ? ঈ্শ্বর ইব্রাহীমকে দান করেছিল দুই পুত্র ইসহাক ও ইসমাইলকে। ইয়াকুবকে নয়। ইসহাককে দান করেছিল পুত্র ইয়াকুবকে। এই একই আয়াতে বলছে —এবং পূর্বে আমি নূহকে পথ প্রদর্শন করেছি-তাঁর সন্তানদের মধ্যে দাউদ, সোলায়মান, আইউব, ইউসুফ, মূসা ও হারুনকে। এখানে নুহকে উল্লেখ করে বলছে তার সন্তানরা হলো দাউদ , সোলায়মান , আইউব , ইউসুফ , মুসা , হারুন ইত্যাদি। আব্রাহামিক ধর্মে ইব্রাহীমকেই আদিপিতা ধরা হয়। সুতরাং ইব্রাহীমের পর যত নবী এসেছে , তাদের সবারই আদি পিতা ইব্রাহীমকে ধরা হয়, এটাই রীতি। কিন্তু হঠাৎ করে ইব্রাহীমকে বাদ দিয়ে নুহকে আমদানী করে , তাকে আদি পিতা বানিয়ে তার সন্তান হিসাবে যাদের কথা বলা হচ্ছে তারা আসলে ইব্রাহীমের বংশধর। দাউদ , সোলায়মান, মুসা , হারুন ইত্যাদিরা সবাই ইব্রাহীমের পরবর্তী নবী আর তারা সবাই ইব্রাহীমের বংশধর। আবার এদের নাম উল্লেখ করতে গিয়েও ঝামেলা করেছে সেটা হলো দাউদ ,সোলায়মান এদের পরে মুসা ও হারুনের নাম বলছে কিন্তু আসলে এদের আগেই মুসা ও হারুনের নাম আসবে। এর পরের আয়াত —-

সুরা আল আন আম – ৬: ৮৫: আর ও যাকারিয়া, ইয়াহিয়া, ঈসা এবং ইলিয়াসকে। তারা সবাই পুণ্যবানদের অন্তর্ভুক্ত ছিল।

সুরা আল আন আম – ৬: ৮৬: এবং ইসরাঈল, ইয়াসা, ইউনূস, লূতকে প্রত্যেককেই আমি সারা বিশ্বের উপর গৌরবাম্বিত করেছি।

৬: ৮৫ আয়াতে যাকারিয়া, ইয়াহিয়া, ইসা ও ইলিয়াসের নাম বলা হয়েছে। মজার বিষয় হলো জাকারিয়ার ছেলে ছিল যোহন দি বাপ্টিস্ট( মুসলমানরা তাকে বলে ইয়াহিয়া ) , এই যোহনের পরে ঈশা( যীশু) এর জন্ম। কিন্তু ইলিয়াস ? এই নবিটা আবার কে ? মজার বিষয় হলো এই ইলিয়াস যাকে এলিজাও বলা হয় , তার জন্ম কিন্তু যীশুর প্রায় ৯০০ বছর আগের এমন কি দাউদ , সোলায়মানের আগে। সুতরাং যাকারিয়া, ইয়াহিয়া ও ঈশার নামের মধ্যে ইলিয়াসের নাম কিভাবে আসে ? কিন্তু তার চাইতে মজার বিষয় হলো ৬: ৮৬ নং আয়াতে , এই আয়াতে ইসরাইলের নাম বলা হচ্ছে , যে কি না আসলে ইয়াকুব ,যার অন্য নাম ছিল ইসরাইল আর এর নাম কিন্তু ৬: ৮৪ নং আয়াতে একবার উল্লেখ করা হয়েছে। তার মানে বোঝা যাচ্ছে কোরান বুঝতেই পারছে না ইয়াকুব ও ইসরাইল আসলে এক ব্যাক্তিত্ব। এই ইসরাইলের ছিল বারটা পুত্র যাদের বংশধর থেকে বারটা ইসরাইলি বংশের পত্তন ঘটে। বাইবেলেই বলা হয়েছে , ইয়াকুবের নাম ঈশ্বর ইসরাইল রেখেছে। কিন্তু কোরান বিষয়টা বুঝতে পারছে না। বা কোরান থেকে আমরা এবিষয়ে পরিস্কার কোন ধারনা পাচ্ছি না যে কারা আসলে ইসরাইলি। অথচ এই ইসরাইলি বংশধারা আব্রাহামিক ধর্মে একটা গুরুত্বপূর্ন বিষয় কারন মুসা নবীর কাছে ঈশ্বর প্রতিজ্ঞা করেছিল যে এই বংশ ধারায় ভবিষ্যতে নবী আসবে।

ঘটনার এখানেই শেষ হলে ভাল হতো , কিন্তু দেখা যাচ্ছে সেটা হচ্ছে না। ৬:৮৬ আয়াতে ইয়াসা বলে একজন নবীর নাম বলছে , যে আসলে বাইবেলে এলিজা নামে পরিচিত। অর্থাৎ এই এলিজা ও ইলিয়াস একই ব্যাক্তি। কিন্তু মনে হচ্ছে , কোরান সেটা ধরতে পারে নি। এমনকি অনেক আলেম এটাকে এলিজা বলেই অনুবাদ করেছে ৬: ৮৬ নং আয়াতে।যেমন –

Muhammad Asad: and [upon] Ishmael, and Elisha, and Jonah, and Lot. And every one of them did We favour above other people;

M. M. Pickthall: And Ishmael and Elisha and Jonah and Lot. Each one (of them) did We prefer above (Our) creatures,

Yusuf Ali (Saudi Rev. 1985): And Isma’il and Elisha, and Jonas, and Lot: and to all We gave favour above the nations:

৬: ৮৫ নং আয়াতে যে ইলিয়াস সেও যে এলিজা সেটাও কিন্তু বিভিন্ন আলেমের অনুবাদে আছে –

Muhammad Asad: and [upon] Zachariah, and John, and Jesus, and Elijah: every one of them was of the righteous;

Dr. Laleh Bakhtiar: And Zechariah and Yahya and Jesus and Elijah—all are among the ones in accord with morality.

Wahiduddin Khan: Zachariah, John, Jesus, and Elijah every one of them was righteous

Safi Kaskas :Zachariah, John, Jesus and Elijah– every one of them was righteous.

Abdel Haleem :Zachariah, John, Jesus, and Elijah- every one of them was righteous-

সূত্র: http://islamawakened.com/quran/6/85/

তার মানে দেখা যাচ্ছে ৬:৮৫ নং আয়াতে যাকে ইলিয়াস বলছে , ৬:৮৬ নং আয়াতে তাকেই ইচ্ছা করে বাংলা অনুবাদে ইয়াসা বলছে, যাতে মানুষ কোরানের এই ভ্রান্তি ধরতে না পারে, কিন্তু আসলে তারা একই ব্যাক্তি। কিন্তু কোরান আসলে বুঝতে পারছে না , যে তারা আসলে কারা আর তারা ঈশার পরে নাকি আগে দুনিয়াতে আসছিল। তা জানতে ঈশার সাথে ইলিয়াস বা এলিজা – এর নাম আসত না।

এই ইলিয়াস ও এলিজা যে একই ব্যাক্তি এ সম্পর্কে বিস্তারিত আছে এখানে : https://en.wikipedia.org/wiki/Elisha
http://www.holytrinityorthodox.com/calendar/los/July/20-01.htm

তার মানে দেখা যাচ্ছে যেসব নবী রসুলদের কাহিনী খুব সুন্দর করে বাইবেলে ধারাবাহিকভাবে ও বিস্তারিতভাবে বর্নিত আছে , সেসব নবীদের কিছু কিছু নাম কোরানে উল্লেখ করেছে খুবই জগাখিচুড়ি ভাবে , আর তা থেকে বোঝার কোন উপায় নেই যে তারা কোথায় জন্মেছিল, কি বার্তা তারা প্রচার করেছিল বা কার পরে কে দুনিয়াতে আসছিল। এসব ভালভাবে জানতে গেলে পড়তে হয়, বাইবেল।কিন্তু মুসলমানরা দাবী করে বাইবেল নাকি বিকৃত। সুতরাং সেই বিকৃত কিতাব তো আর তারা ব্যবহার করতে পারে না। এমতাবস্থায়, কিভাবে মুসলমানরা কোরানে বর্নিত নবীদের সম্পর্কে সুস্পষ্ট তথ্য প্রদান করতে পারে, তারা কোথায় জন্মগ্রহন করেছিল , আর তাদের বার্তা কি ছিল , তাদের কে কার আগে জন্মেছিল ইত্যাদি বিষয় কিভাবে জানা যাবে ? সেটা বোঝা না গেলে মোহাম্মদ যে শেষ নবী সেটাও বা কিভাবে প্রতিষ্ঠিত হবে ? নাকি হুট করে কিছু নবী রসুলের নাম উল্লেখ করে , খাপছাড়া কিছু কাহিনী বলেই দাবী করা যাবে যে মোহাম্মদ নবী ? আর যদি কেউ তাকে নবী হিসাবে বিশ্বাস না করে , তাহলে তার ওপর জোর করতে হবে ,যদি তাতেও সে না মানে তো তাকে হত্যা করতে হবে ,এটাই কোরান ও হাদিসের বিধান। সুতরাং এতক্ষনে কি বুঝতে কোন সমস্যা আছে যে ইসলাম আসলে কতটা সত্য ধর্ম ?

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

৫ thoughts on “বাইবেল ছাড়া কি কোরান বোঝা যায় ?

  1. কোন নবী কোথায় জন্মে ছিল, কার
    কোন নবী কোথায় জন্মে ছিল, কার পরে কে এসেছিল এগুলি জানা কি খুব জরুরি বিষয়? এগুলির সাথে মানুষের দুনিয়া অখেরাতের কোন উপকার অাছে কি ? ইসলামের তো একটাই কথা ‘অাল্লাহ ছাড়া কোন মাবুদ নেই’ তাঁর কোন শরিক নেই তিনি সুউচ্চ মর্যাদার অধিকারী,অার মুসলমানরা তো পূর্ববর্তি কিতাবের যা কিছু সত্য এখনো বিদ্যমান অাছে তার উপর ইমান রাখে। এগুলি মহান অাল্লাহ তায়ালাই নাজিল করেছেন,কিন্তু মানুষের বানানো যে সব বিষয় স্বর্গের মিথ্যা গ্যরান্টি,ঈশ্বরের পৃথিবীতে জন্মের উদ্ভট কাহানী,অতপর মানুষ কর্তিক ঈশ্বরকে হত্যা ইত্যাদি বিষয় যা খৃষ্টানগন প্রচার করে বেড়ায় মুসলিমরা তাতে কখন বিশ্বাস করে না।

    1. আপনার পিতার মৃত্যুর পর যদি
      আপনার পিতার মৃত্যুর পর যদি তার সম্পদের মালিক হতে চান, তাহলে আপনার অবশ্যই ওয়ারিশ নামা লাগবে যা প্রমান করবে আপনি আপনার পিতার উত্তরাধিকারী। তাই নবী হিসাবে নিজেকে দাবী করতে গেলে এই ধরনের ওয়ারিশনামা লাগবে যা প্রমান করবে মোহাম্মদ নবী হওয়ার উপযুক্ত দাবীদার। সেটা করতে গেলে মোহাম্মদকে অবশ্যই বাইবেলের প্রধান প্রধান নবীদের ধারাবাহিকতা দেখিয়ে নিজের ওয়ারিশ নামা দেখাতে হবে। কথা নেই বার্তা নেই , হঠাৎ করে মোহাম্মদ এসে দাবী করলেন তিনি নবি , কিন্তু তার ওয়ারিশ নামা কোথায় ? সেই ওয়ারিশনামাই তো বাইবেলের ধারাবাহিক নবীদের বিবরনী ও বংশতালিকা এবং সেই সুত্রে মোহাম্মদ তাদের উত্তরাধিকার। কিন্তু মোহাম্মদ তার কিছুই বলতে পারেন না , এমন কি তার আল্লাহও তাকে কিছু বলতে পারে নি। কোরানে বিভিন্ন নবীর নাম আছে খাপছাড়া , কোরানের আল্লাহ নিজেও জানে না , কার আগে কোন নবী এসেছিল। কি অদ্ভুত কিতাব এই কোরান , তাই না ? মনে হয় না , এইসব পয়েন্ট জীবনে কোনদিন কারও কাছ থেকে শুনেছেন।

      আপনারাই তো বিশ্বাস করেন বাইবেল বিকৃত ভুয়া, তাহলে কোরানের আগের কোন কিতাব আবার সত্য ? দুনিয়ায় একমাত্র কোরানই সঠিক সংরক্ষিত গ্রন্থ এটাই আপনাদের বিশ্বাস। তো এই অবস্থায় প্রমান করুন তো , মোহাম্মদ আব্রাহামিক ধারায় বংশসূত্রে একজন নবী। কোরান থেকে প্রমান করতে পারবেন ? বাইবেলের কিচ্ছা তো ভুয়া , সুতরাং তার সাহায্য নেয়া যাবে না। এখন আসুন প্রমান করুন , বাইবেলের কাহিনী ছাড়া , মুহাম্মদ কিভাবে ইব্রাহীমের বংশধর। অপেক্ষায় থাকলাম।

  2. মুসলিমরা কখোনো তাওরাত,ইঞ্জিল
    মুসলিমরা কখোনো তাওরাত,ইঞ্জিল (বাইবেল) অবিশ্বাস করেনা । খ্রীষ্টানরা এর কিছু তথ্য বিকৃতি করেছে যেগুলোকে অবিশ্বাস করা হয় । তার মানে এই নয় যে মুসলমানরা তাওরাত ও ইঞ্জিল কিতাবকে ও এর বাণীকে অবিশ্বাস করে । কোরআনে কোথাও জোর করে / হত্যা করে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করতে বলেনি । ইসলাম শান্তির ধর্ম ।

    1. শাওন , আপনার বাড়ীর খবর , আপনি
      শাওন , আপনার বাড়ীর খবর , আপনি বেশী জানেন নাকি অন্য পাড়ার লোক বেশী জানে ? এখন ইহুদি বা খৃষ্টানরা তাদের তোরাত বা গসপেলের খবর বেশী জানে না, সে খবর বেশী জানেন আপনারা যারা জীবনে কোনদিন এসব কিতাব পড়ে দেখেন নি। তাছাড়া , বাইবেলের কোন অংশ বিকৃত করা হয়েছে , কখন করা হয়েছে ? সেটা কি জানেন ? নাকি বাইবেলের যেটুকু আপনার ইসলামের সাথে মেলে না , সেটুকু বিকৃত , বাকী সব ঠিক আছে , এইরকম নাকি ? এর চাইতে হাস্যকর দাবী আর আছে ? মাথা ঠান্ডা রেখে চিন্তা করে দেখুন।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

67 + = 77