ইসলামের মাহাত্ম প্রচারে আর কত মিথ্যাচার করতে হবে ?

আমরা জানি ইসলামের ভিত্তি হলো মিথ্যাচার , কারন খোদ আল্লাহই ছিল চুড়ান্ত মিথ্যাবাদী বা প্রতারক(সুরা আল ইমরান-৩: ৫৪: এবং কাফেরেরা প্রতারনা করেছে আর আল্লাহও প্রতারনা করেছেন। বস্তুতঃ আল্লাহ হচ্ছেন সর্বোত্তম প্রতারক। ) কিন্তু মিথ্যারও একটা সীমা থাকা উচিত। দু:খজনকভাবে ইসলামের মাহাত্ম প্রচারে মিথ্যাচারের কোন সীমা পরিসীমা নেই। যেমন বলা হয়ে থাকে , মুহাম্মদের সময়েই নাকি বহু কোরানের হাফেজ ছিল। তো কোরানে হাফেজ বলতে তো তাকেই বুঝায় যার পুরা কোরানই মুখস্ত ,তাই তো ? তাহলে দেখা যাক, আসলেই তখন কোন কোরানে হাফেজ ছিল কি না।

প্রথম কথা হলো , খোদ মুহাম্মদ নিজেই কোরানে হাফেজ ছিলেন না। যে আল্লাহর নবী মুহাম্মদকে আল্লাহ পাঠাল ইসলাম প্রচারের জন্যে, সেই মুহাম্মদেরই যদি কোরান মুখস্ত না থাকে , তাহলে তার অনুসারীদের কোরান মুখস্থ থাকে কেমনে ?দেখা যাক কোরান কি বলছে –

সুরা আল আলা – ৮৭: ৬-৭: আমি আপনাকে পাঠ করাতে থাকব, ফলে আপনি বিস্মৃত হবেন না । আল্লাহ যা ইচ্ছা করেন তা ব্যতীত। নিশ্চয় তিনি জানেন প্রকাশ্য ও গোপন বিষয়।

তার মানে মুহাম্মদ প্রায়ই কোরানের বানী ভুলে যেতেন , সেই কারনে আল্লাহ বার বার তাকে কোরান পড়ে শোনাত। কিন্তু তারপরেও আল্লাহ বলছে , সে নিজেই কিছু কিছু আয়াত ভুলিয়ে দিত। কি আজব কথা ! আল্লাহ কেন কোরানের আয়াত ভুলিয়ে দেবে ? কোরানের বানী কি ফালতু কিছু নাকি যে এক সময় একটা ফালতু আয়াত বলে পরে সেটা ভুলিয়ে দিত ? কিন্তু আসল বিষয় অন্যখানে , আল্লাহ না ভুলালেও মুহাম্মদ নিজেই কোরানের আয়াত প্রায়ই ভুলে যেতেন , যেমন –

সহিহ বুখারী :: খন্ড ৬ :: অধ্যায় ৬১ :: হাদিস ৫৫৬:
রবী ইব্ন ইয়াহ্ইয়া (র)…. আয়েশা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সা) কোন এক ব্যক্তিকে মসজিদে নববীতে কুরআন পাঠ করতে শুনলেন। তিনি বললেন, তার প্রতি আল্লাহর রহমত বর্ষিত হোক, সে আমাকে অমুক সূরার অমুক আয়াত স্মরণ করিয়ে দিয়েছে।

সহিহ বুখারী :: খন্ড ৬ :: অধ্যায় ৬১ :: হাদিস ৫৫৭:
মুহাম্মদ ইব্ন উবায়দ ইব্ন মায়মূন (র)……. হযরত হিশাম (র) থেকে বর্ণিত পূর্বের হাদীসের অতিরিক্ত রয়েছে, “ যা ভুলে গেছি অমুক অমুক সূরা থেকে”। আলী এবং আবদা হিশাম থেকে তার সমর্থন ব্যক্ত করেন।

সহিহ মুসলিম :: খন্ড ৪ :: হাদিস ১৭২০:
আবু বাকর ইবন আবু শায়বা ও আবু কুরায়ব (র)……আয়িশা (রাঃ) সুত্রে বর্ণনা করেন যে, রাসুলুল্লাহ (সা) রাতে এক ব্যক্তিকে কুরআন তিলাওয়াত করে শুনালেন । তিনি বলেন, আল্লাহ তাকে রহম করুন! সে আমাকে অমুক অমুক আয়াত স্বরণ করিয়ে দিয়েছে যা অমুক সূরা থেকে আমি বাদ দেয়ার উপক্রম করছিলাম !

তার মানে মুহাম্মদ প্রায়শ:ই নানা আয়াত ভুলে যেতেন , আর অন্য একজন সেটা মনে করিয়ে দিত। কিন্তু প্রশ্ন হলো – কিভাবে নিশ্চিত হওয়া যাবে যে এরকম অনেক আয়াতই তাকে স্মরন করান হয় নি? দেখা যাচ্ছে , আল্লাহ তাকে আয়াত ভুলিয়ে দিলেও অন্য একজন সেই আয়াত মনে করিয়ে দেওয়াতে মুহাম্মদ সেটা আবার মনে রেখেছেন –

সহিহ মুসলিম :: খন্ড ৪ :: হাদিস ১৭২১:
ইবন নুমায়র (র-)……আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন । তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা) মসজিদে এক ব্যক্তির তিলাওয়াতের দিকে মনোযোগ নিবদ্ধ করে শুনছিলেন । তখন তিনি বললেন- ‘আল্লাহ তাকে রহম করুন! আমাকে এমন আয়াত ,স্বরণ করিয়ে দিয়েছে যা আমাকে ভুলিয়ে দেয়া হয়েছিল ।”

যা আল্লাহ নিজেই মুহাম্মদকে ভুলিয়ে দিয়েছে , সেটা অন্য কউ আবার স্মরন রাখতে পারে কিভাবে ? যদি সেটা মনে রাখে আর মুহাম্মদকে স্মরন করিয়ে দেয়, তাহলে আল্লাহ মুহাম্মদকে সেই আয়াত ভুলিয়ে দিল কিভাবে ? এমন কি মুহাম্মদ নামাজ পড়াতে গিয়ে কয় রাকাত নামাজ পড়তে হবে , সেটাও ভুলে যেতেন , আর সেটা কেউ স্মরন করিয়ে দিলে মুহাম্মদ ক্ষেপে যেতেন —-

সুনান আবু দাউদ :: কিতাবুস স্বলাত অধ্যায় ২, হাদিস ১০১৮:
মুসাদ্দাদ (র) …….. হযরত ইমরান ইবন হুসায়েন (রা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ একদা রাসূলুল্লাহ সা. আসরের নামায আদায়কালে তৃতীয় রাকাতের সময় সালাম ফিরিয়ে স্বীয় হুজরায় গমন করেন। তখন লম্বা বাহু বিশিষ্ট সাহাবী হযরত খিরবাক (রা) তাঁর (স) খিদমতে হাজির হয়ে বলেনঃ ইয়া রাসূলুল্লাহ (সা)! নামায কি কমিয়ে দেয়া হয়েছে? এতদশ্রবণে তিনি (স) রাগান্বিত অবস্থায় স্বীয় চাদরে হেঁচড়িয়ে বাইরে এসে লোকদের জিজ্ঞাসা করেনঃ এই ব্যক্তি কি সত্য বলেছে ? জবাবে তারা বলেনঃ হাঁ। অতঃপর তিনি (স) বাকী নামায আদায় করে ডান দিকে সালাম ফিরিয়ে সিজ্দায় সাহূ করার পর সর্বশেষ সালাম ফিরান

মুহাম্মদ খুব পরিস্কারভাবেই স্বীকার করছেন যে তিনি কোরানের আয়াত ভুলে যান , যেমন –

সহিহ বুখারী :: খন্ড ১ :: অধ্যায় ৮ :: হাদিস ৩৯৪:
‘উসমান (র)……আবদুল্লাহ (রা) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ্‌ (সা) সালাত আদায় করলেন। রাবী ইবরাহীম (র) বলেনঃ আমার জানা নেই, তিনি বেশী করেছেন বা কম করেছেন। সালাত ফিরানোর পর তাঁকে বলা হলো, ইয়া রাসূলুল্লাহ (সঃ)! সালাতের মধ্যে নতুন কিছু হয়েছে কি? তিনি বললেনঃ তা কী? তাঁরা বললেনঃ আপনি তো এরুপ এরপ সালাত আদায় করলেন। তিনি তখন তাঁর দু’পা ঘুয়িয়ে কিবলামুখী হলেন। আর দু’টি সিজদা আদায় করলেন। এরপর সালাম ফিরালেন। পরে তিনি আমাদের দিকে ফিরে বললেনঃ যদি সালাত সম্পর্কে নতুন কিছু হতো, তবে অবশ্যই তোমাদের তা জানিয়ে দিতাম। কিন্তু আমি তো তোমাদের মত একজন মানুষ। তোমরা যেমন ভুল করে থাক, আমিও তোমাদের মত ভুলে যাই। আমি কোন সময় ভুলে গেলে তোমরা আমাকে স্মরণ করিয়ে দেবে। তোমাদের কেউ সালাত সম্বন্ধে সন্দেহে পতিত হলে সে যেন নিঃসন্দেহে হওয়ার চেষ্টা করে এবং সে অনুযায়ী সালাত পূর্ণ করে। তারপর সে সালাম ফিরিয়ে সিজদা আদায় করে।

এটা কেমন কথা যে , আল্লাহর নবী মুহাম্মদ নিজেই নিজের কোরান মুখস্ত করে রাখতে পারতেন না ? তিনি নিজেই যদি সেটা মুখস্ত করে রাখতে না পারেন অর্থাৎ মুহাম্মদ নিজেই যদি হাফেজ না হন , তাহলে দুনিয়ার অন্য কে সম্পূর্ন কোরান মুখস্ত রাখতে পারত? আচ্ছা ধরা গেল ,মুহাম্মদ কোরানের আয়াত মনে রাখতে পারতেন না , কিন্তু তার অনুসারীরা কি কোরান মনে রাখতে পারত ? দেখা যাক হাদিস কি বলে —-

সহিহ বুখারী :: খন্ড ৬ :: অধ্যায় ৬১ :: হাদিস ৫৫৯:
আবূ নু’আয়ম (র)…. হযরত আবদুল্লাহ্(রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী রাসূলুল্লাহ্ (সা) বলেছেন, কোন লোক এ কথা কেন বলে যে, আমি অমুক অমুক আয়াত ভুলে গেছি; বরং (আল্লাহর পক্ষ থেকে) তাকে ভুলিয়ে দেয়া হয়েছে।

মুহাম্মদের সাহাবীদের কেউ কোরানের আয়াত ভুরে যাওয়ার অর্থ হলো তাদেরকে আল্লাহ সেটা ভুলিয়ে দিয়েছে। অথচ আমরা আগের আয়াতে দেখেছি , তারা সেই আয়াত ভোলে নি , বরং মনে রেখে সেটা মুহাম্মদের কাছে বলে দিচ্ছে। কিন্তু বিস্ময়কর ঘটনা হলো – সাহাবীরা অনেক আয়াত মনে থাকলেও কোরানে সেটা সংকলন করা হয় নি , আবার এমন অনেক আয়াত মনে না থাকায় তা হারিয়ে গেছে , যেমন –

সহিহ মুসলিম :: খন্ড ৫ :: হাদিস ২২৮৬:
সুওয়ায়দ ইবন সাঈদ (র)……আবুল আসওয়াদ (র) থেকে বর্ণিত । তিনি বলেন, আবু মুসা আশ আরী (রা)-কে বসরাবাসী ক্বারীগনের নিকট প্রেরণ করা হল । তিনি তথায় গিয়ে এমন তিনশ লোকের সাক্ষাৎ পেলেন, যারা কুরআনের ক্বারী ছিলেন । তিনি তাদের উদ্দেশ্য করে বললেন, আপনারা বসরা শহরের সম্ভ্রন্ত লোক এবং আল কুরআনের ক্বারী, আপনারা আল-কুরআন তিলাওয়াত করতে থাকুন । বহুকাল অতিক্রান্ত হওয়ার কারণে আপনাদের মন যেন কঠিন না হয়ে যায়, যেমন পূর্বেকার লোকদের মন কঠিন হয়ে গিয়েছিল । আমি একটি সূরা পাঠ করতাম যা দৈর্ঘ ও কাঠিন্যের দিক থেকে সূরা (বারা-আত) তাওবার অনুরুপ । আমি তা ভুলে গিয়েছি । তবে তা ছাড়া এর থেকে এ কথাটি আমার মুখস্ত আছে “যদি আদম সন্তানের জন্য দুই মাঠ পরিপূর্ণ ধন-দৌলত হয়, তবে সে আরো মাঠ অবশ্যই খুজে বেড়াবে । মাটি ব্যতীত অন্য কিছু আদম সন্তানের পেট পুরা করতে পারবে না” । আমি অন্য একটি সূরাও পাঠ করতাম যা কোন একটি মুশাববাহতের১ সম পরিমাণ (দৈর্ঘ্য) । আমি তা ভুলেগিয়েছি । তবে তা ছাড়া এর থেকে আমার একটি মুখস্হ আছে- হে মুমিনগণ! তোমরা যা কর না তা তোমরা কেন বল”?

এই হলো মুহাম্মদ ও তার সাহাবীদের কোরান মুখস্ত করার ঘটনা। এই ঘটনা কি প্রমান করে যে আসলেই সেই মুহাম্মদের সময়ে অনেক হাফেজ ছিল যাদের পুরা কোরান মুখস্থ ছিল ? আর কিভাবেই বা পুরা কোরান মুখস্থ থাকবে ? ২৩ বছর ধরে মুহাম্মদের কাছে কোরানের বানী আসত বলে কথিত। মক্কায় যখন আয়াত নাজিল করতেন মুহাম্মদ ,তখন সেসব মুখস্ত করে রাখার মত তেমন বিশেষ সাহাবী ছিল না। আবার মুহাম্মদেরও সেসব ঠিকমত মনে থাকত না। সুতরাং মাক্কি সুরা ও আয়াতের বহু অংশই হারিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা বিপুল। আর পরে মদিনায় যাওয়ার পর মুহাম্মদ ব্যস্ত ছিলেন ইহুদি খৃষ্টান ও পৌত্তলিকদের একের পর এক আক্রমন করায়, বানিজ্য কাফেলায় আক্রমন করে মালামাল লুটপাট করা , গনিমতের মাল ভাগাভাগি করা , বন্দিনী নারীদের সাথে যৌনকাজ করা , একের পর এক বিয়ে করা ইত্যাদি নিয়ে। এমন অবস্থায় কারও মনের অবস্থা এমন হওয়ার কথা নয় যে তারা বসে বসে কোরান মুখস্ত করবে। সেটা সম্ভবও ছিল না কারন তখনো তো পুরা কোরানই নাজিল হয় নি, আর সেসব একটা পুস্তক আকারেও ছিল না। তাই প্রত্যেক দিন বসে বসে কোরান মুখস্ত করার মত কোন পূর্নাঙ্গ কোরান তো ছিলই না , এমন কি বসে বসে মুখস্থ করার মত সময় ও সুযোগও তখন ছিল না , কারন তারা প্রায় সব সময় যুদ্ধ বিগ্রহ, গনিমতের মালামাল ভাগাভাগি নিয়ে ব্যস্ত থাকত।

এমন কি আবু বকর , ওমর এদের আমলেও তারা সারাক্ষন যুদ্ধ বিগ্রহ, গনিমতের মাল ভাগাভাগি , যুদ্ধ বন্দিনীদের সাথে যৌনকাজ বা দাস দাসী ক্রয় বিক্রয় , অমুসলিমদেরকে হত্যা ইত্যাদি কাজ নিয়ে তারা ব্যস্ত থাকত , আর তাদের সময়ে পূর্নাঙ্গ কোরান কারও কাছে ছিলও না। সুতরাং এইমত অবস্থা য় কোন কোন লোকের হয়ত দুই চারটা সুরা বা আয়াত মুখস্থ থাকতে পারে , কিন্তু গোটা কোরান মুখস্থ ছিল, এমন কোন লোক সেই সময় থাকা মোটেই সম্ভব না।

যারা দাবী করে , সেই সময় বহু কোরানে হাফেজ ছিল , তারা ভাবে , সেই সময়ে আজকের মত সবার বাড়িতে একটা করে কোরানের ছাপা কিতাব ছিল , তারা প্রতিদিন সকালে বা রাতে ৩/৪ ঘন্টা করে সেটা মুখস্ত করত , আর তাই ছিল বহু কোরানে হাফেজ। আর এই ধরনের কল্পনাই তাদেরকে মিথ্যাচারে প্ররোচিত করে আর দাবী করে মুহাম্মদ বা তার পরের খলিফাদের আমলে বহু হাফেজ ছিল।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

৬ thoughts on “ইসলামের মাহাত্ম প্রচারে আর কত মিথ্যাচার করতে হবে ?

  1. পৃথিবীতে এমন কোন গ্রন্থ অাছে
    পৃথিবীতে এমন কোন গ্রন্থ অাছে যেটা মানুষ মুখস্ত করতে পাড়ে বা করে কুরান ছাড়া? কুরান ছাড়া পৃথিবীতে যত ধর্মগ্রন্থ অাছে তার একটাও কি কেউ মুখস্ত করতে পারবে? মুখস্ত তো দুরে থাক এটাও বলতে পারবে না যে তাদের ধর্মগ্রন্থে কয়টা অায়াত/লাইন অাছে অথচ কুরানের কয়টা নক্তা, কয়টা যের জবর পেশ, কয়টা অক্ষর কোন অক্ষর কয়টা,কয়টা ওয়াকফ সব সব মুসলমানদের জানা অাছে। ছোটা ছোট শিশু যারা অারবি ভাষা কিছুই বুঝে না অথচ পুরা কোরান মুখস্ত, এমন অনেক শিশু অাছে যে কিনা মাত্র তিন মাসে পুরা কোরান মুখস্ত করে ফেলছে। এমন অনেক অন্ধ হাফেজ অাছে যে কিনা জন্মান্ধ জীবনে কোন অক্ষর সে চোখে দেখেনি অথচ পুরা কোরান মুখস্ত ! এরপরও মানুষ কুরানের অলৌকিকতা দেখতে পায় না! তারা দেখবে কিভাবে? অাল্লাহ পাক বলছেন বস্তুত চোখত অন্ধ হয়না অন্ধ হয় মানুষের অন্তর।

    1. ভুল বললেন । দুনিয়াতে মুসলমান
      ভুল বললেন । দুনিয়াতে মুসলমান ছাড়া এমন কোন উন্মাদ , মূর্খ ও পাগল জাতি নেই যারা একটা অর্থহীন আজগুবি , পৌরানিক কিচ্ছাকাহিনী পূর্ন কিতাব খামোখা সময় ও শ্রম খরচ করে মুখস্ত করবে। দুনিয়ার ৮৮% মুসলমানের মাতৃভাষা আরবী না। সুতরাং এই ৮৮% মুসলমানদের কেউ যদি বিজাতীয় ও দুর্বোধ্য আরবী ভাষার কোন আজগুবি কিতাব মুখস্ত করে , যার একটা লাইনও সে নিজে বোঝে না ,তা কি শুধুই পন্ডশ্রম নয় ?

      মুসলমানদের মত অন্য ধর্মের মানুষ খামোখা তাদের কিতাব মুখস্ত করতে যায় না , কারন সেটার দরকার নেই , তাছাড়া তারা মুসলমানদের মত মূর্খ ও উন্মাদ না।

      কিন্তু বিষয় সেটা না , পোষ্টের আসল বিষয় সম্পর্কে একটা কথা না বলে অপ্রাসঙ্গিক কথা বলে গেলেন। এটাই প্রমান করে মুসলমানরা কতটা মূর্খ, উন্মাদ ও পাগল ।

      1. এটাই চ্যলেন্জ কেউ পারবে না
        এটাই চ্যলেন্জ কেউ পারবে না তাদের মিথ্যা ধর্মগ্রন্থ মুখস্ত করতে। এই থেকে প্রমান হয় একমাত্র কুরানই সত্য !

        1. শামিম সাহেব, পৃথিবীতে কুরান
          শামিম সাহেব, পৃথিবীতে কুরান ছাড়াও আরো অনেক ধর্মগ্রন্থ মুখস্ত করে রাখার রেওয়াজ আছে। এক সময় ভারতে ‘বেদ’ মুখস্ত করে রাখার রেওয়াজ ছিলো। তখন বেদ লিখিত ছিলো না। শুনে শুনেই মুখস্ত করে ফেলা হতো। এই জন্য বেদের আরেক নাম ‘শ্রুতি’। বেদ যেনো হারিয়ে না যায় এই জন্যই এই ব্যবস্থা ছিলো। বেদের হাফেজদের বংশধররা আজো আছেন। নামের শেষে তারা আজো দ্বীবেদী, ত্রিবেদী, চতুর্বেদী টাইটেল বহন করে বেড়ান। উল্লেখ্য, বেদ আকারে কুরানের প্রায় চার গুন।

          আরো আছে। ইহুদী দের মধ্যেও তালমুদ মুখস্ত করার প্রথা আছে। খ্রিস্টিয়ানদের মধ্যে এমনো হাফেজ আছেন, যার পুরো ‘নিউ টেস্টামেন্ট’ মুখস্ত। তাও ধর্মে ধর্মগ্রন্থ ‘তাও তে চিং’ মুখস্ত করা নিয়মের মধ্যে পরে। পারসিক ধর্মে পুরো জেন্দাবেস্তা না হোক, ‘ইয়াসনা’ খণ্ড মুখস্ত করা যাজকদের জন্য বাধ্যতামূলক।

          সুতরাং, মুখস্ত করা না করার উপর আপনি গ্রন্থের সত্য মিথ্যা যাচাই করতে পারেন না। এটা আপনার নির্বুদ্ধিতা। আর কুরান ছাড়া আর কোনো ধর্মগ্রন্থ মুখস্ত করা হয় না, এটা আপনার কম জানা। কম জানা সব সময়ই ক্ষতিকর। এই জন্যই বাংলায় একটা প্রবাদ চালু হয়েছে। ‘অল্প বিদ্যা ভয়ঙ্করী’।

          ধন্যবাদ।

          1. একজন উদাহারন দেখান,শুধু দাবি
            একজন উদাহারন দেখান,শুধু দাবি করলে তো হবে না ! মুসলমানগন লক্ষ লক্ষ দেখাতে পারবে, রেওয়াজ ছিল বলে গোজামিল অার অান্দাজে ঢিল ছুড়লে হবে না।
            এটা কোরানের অনেক বড় একটা অলৌকিক মোজেজা, অন্য ধর্মগ্রন্থের এমন দু একজন খুজে বের করে দেখান পারলে! অন্তত একজনের নাম ঠিকানা বলেন পারবেন?

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

99 − 95 =