দ্বিধাদ্বন্দ্বের নেতৃত্ব

বিএনপির জাতীয় কাউন্সিলের মাধ্যমে দলের গঠনতন্ত্রে ‘এক নেতার এক পদ’ নীতি সংযোজিত হয়। তবে এখন তাদের এ নিয়ম কার্যকর করা দুরূহ হয়ে পড়ছে ।শতাধিক নেতার একাধিক পদ থাকলেও বেশির ভাগই তা ছাড়তে নারাজ তৃণমূলে বিপর্যয় হবে এই অজুহাতে। এ ছাড়া বেশির ভাগ নেতাই উদাহরণ হিসেবে সামনে টেনে আনছেন সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিবের বিষয়টি। কারণ সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব হওয়ার পরও তিনি দলের দপ্তর সম্পাদকের পদ আঁকড়ে রয়েছেন। এ নিয়ে দলের সর্বস্তরে কথা হচ্ছে। এরপর চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া একাধিক পদ ছাড়ার ব্যাপারে তাঁর কঠোর নির্দেশনার কথা মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মাধ্যমে নেতাদের জানিয়েছেন, তারপরও তার এ নির্দেশনার পর এ পর্যন্ত মাত্র চারজন একাধিক পদে না থাকার কথা জানিয়েছেন। তাঁদের যুক্তি, এভাবে হঠাৎ করে এলাকার রাজনীতি ছাড়লে দলে বিপর্যয় দেখা দিবে তৃণমূলের সংগঠন এলোমেলো হয়ে যাবে। এখন তারা একটি উভয় সংকটে আপতিত হয়েছে। কেউ চেয়ারপার্সনের নির্দেশনাও অনুসরণ করছে না। এ অবস্থায় দলটিতে একটি অসম অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। আসলে দলীয় কিছু ব্যাক্তিত্তের জন্যই দলটির ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে। আর এর অবসান যে কবে হবে, তা নিয়ে দ্বিধাদ্বন্দ্বে আছে দলটির শীর্ষনেতৃত্ব।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

37 + = 46