“রক্ত ও কাদা ১৯৭১”

“ঢাকার একটি বালিকা বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে মাটি খুড়ে ১২ থেকে ১৭ বছরের মেয়েদের ২৫০টি মৃতদেহ উদ্ধার করলাম। যুদ্ধ চলাকালে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর চতুর্দশ ডিভিশনের একটি কোম্পানি বিদ্যালয়টিকে ঘাটি করেছিল। মৃতদেহগুলোর একটিকে হাত দিয়ে তুলতে গিয়ে চমকে উঠলাম, তার মুখের চামড়া হঠাৎ খুলে গেল। মুখ থেকে উঠে এল লম্বা চুল”।
-তাদামাসা হুকিউরা; “রক্ত ও কাদা ১৯৭১”।
সালটা ২০১৬ এখন বাংলাদেশের আঁনাচে কানাচে তীব্র স্লোগান উঠে পাকিস্থান জিন্দাবাব।এখনও কেপ্ট গন মুখে পাকি পতাকা এঁকে বলে ম্যারি মি আফ্রিদি।এখনও তাদের ফেলে যাওয়া অবৈধ সন্তান গন নির্লজ্জ হয়ে বলে মুসলমানের বিজয় চাই।এখনও কোন কেপ্ট বলে উঠে ইউনো আফ্রিদি ইজ টু মাচ হ্যান্ডসাম।প্রফাইল পিকচার দেয় ডাকবাবার।এখনও তাদের প্রিয় পোশাক হয় লন।
আর সেই বালিকা বিদ্যালয়ের মাটি ৩ হাত নিচে গোঙ্গানীর শব্দ উঠে।ব্যাথায় রক্তাক্ত সেই চিৎকার আহাজারির রুপ নেয়।দেশমাতা এখনও তাদের জন্য কোল পেতে দেয়।আর মাথায় হাত বুলিয়ে দিয়ে বলে আহারে…আহারে……..

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

9 + 1 =