বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীতের আদ্যোপান্ত

জাতীয় সঙ্গীত নিয়ে কিছু বলার আগে জাতীয় প্রতীকগুলো জেনে নেই

জাতীয় প্রতীক সমুহ

পতাকা – লাল-সবুজ, প্রতীক – শাপলা, সংগীত – আমার সোনার বাংলা গানের প্রথম দশ চরণ, পশু – বেঙ্গল টাইগার, পাখি – দোয়েল, ফুল – সাদা শাপলা, গাছ-আমগাছ, ফল – কাঁঠাল, খেলা – কাবাডি, পঞ্জিকা – বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশের সংবিধানের প্রথম অধ্যায়ের ৪ নং প্যারার এক নং সাব প্যারা অনুযায়ী,

“ প্রজাতন্ত্রের জাতীয় সঙ্গীত “আমার সোনার বাংলা”র প্রথম দশ চরণ।“

বাংলাদেশের সংবিধান পড়তে চাইলে কেউ আইন মন্ত্রনালয়ের এই লিঙ্ক দেখতে পারেন।

http://bdlaws.minlaw.gov.bd/bangla_all_sections.php?id=957

সংবিধান হচ্ছে দেশের মুলনীতি, সব কিছু এই নীতিতে ব্যাখ্যা করা হয়। আর আইন দিয়ে সংবিধানের এই মুলনীতি অনুসারে নাগরিকদের নানা কর্মকান্ড নিয়ন্ত্রিত হয়। আইনের মাধ্যমে অনেক সুক্ষ ব্যাপারেরও নির্দেশনা দেয়া হয়। জাতীয় সঙ্গীতের নানা দিকও এর বাইরে নয়।

কেউ জাতীয় সঙ্গীত আইনের বিস্তারিত জানতে চাইলে এই লিঙ্ক থেকে পড়তে পারেন,

http://lib.pmo.gov.bd/legalms/pdf/national-antheme-rules.pdf

বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীতের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস

১৮৮৯ থেকে ১৯০১ পর্যন্ত

বারো বছর ধরে পূর্ববঙ্গের শিলাইদহ ও শাহজাদপুরে জমিদারীর কাজে থাকাকালীন সময়ে “আমার সোনার বাংলা” কবিতাটি লিখেন বলে ধারনা করা হয় কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর দ্বারা। আমার সোনার বাংলা গানটি রচিত হয়েছিল ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে। গানটির পাণ্ডুলিপি পাওয়া যায়নি, তাই এর সঠিক রচনাকাল জানা যায় না।

১৯০৫ সাল

সঞ্জীবনী পত্রিকায় ও বঙ্গদর্শন পত্রিকায় গানটি প্রকাশিত হয়।সত্যেন রায়ের রচনা থেকে জানা যায়, ১৯০৫ সালের ৭ আগস্ট কলকাতার টাউন হলে আয়োজিত একটি প্রতিবাদ সভায় এই গানটি প্রথম গীত হয়েছিল। এই বছরই ৭ সেপ্টেম্বর (১৩১২ বঙ্গাব্দের ২২ ভাদ্র) সঞ্জীবনী পত্রিকায় রবীন্দ্রনাথের সাক্ষরে গানটি মুদ্রিত হয়। এই বছর বঙ্গদর্শন পত্রিকার আশ্বিন সংখ্যাতেও গানটি মুদ্রিত হয়েছিল। তবে ৭ আগস্ট উক্ত সভায় এই গানটি গীত হওয়ার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায় না। আবার, বিশিষ্ট রবীন্দ্র জীবনীকার প্রশান্তকুমার পালের মতে, আমার সোনার বাংলা ১৯০৫ সালের ২৫ আগস্ট কলকাতার টাউন হলে অবস্থা ও ব্যবস্থা প্রবন্ধ পাঠের আসরে প্রথম গীত হয়েছিল।

১৯০৬ সাল

বঙ্গভঙ্গ বিরোধী আদর্শগত চেতনা হতে স্বয়ং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর গান হিসেবে কবিতাটি ব্যবহার করেন। কুষ্টিয়ার বাউল শিল্পী গগন হরকরার (বাউল গগনচন্দ্র দাস) “আমি কোথায় পাবো তারে, আমার মনের মানুষ যে রে” গানের সুরের অনুকরণে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নিজেই গানটির সুর করেন। এরআগে, সরলা দেবী চৌধুরানী ১৯০০ সালে তাঁর ‘শতগান সংকলনে ‘গগন হরকরা রচিত গানটির স্বরলিপি প্রকাশ করেছিলেন।

গগন হরকরার সেই গান :

আমি কোথায় পাব তারে,
আমার মনের মানুষ যে রে।
হায়ারে সেই মানুষে তার
উদ্দেশ্যদেশ বিদেশে বেড়াই ঘুরে।
লাগি এই হৃদয় শশীসদা প্রাণ হয় উদাসী,
পেলে মন হত খুশী,দেখতাম নয়ন ভরে।।

আমি প্রেমানলে মরছি জ্বলে,নিভাই অনল কেমন করে,
মরি, হায়, হায়, হারায়েও তার বিচ্ছেদে প্রাণ কেমন করে
দেখনা তোরা হৃদয় চিরে।
দিব তার তুলনা কিযার প্রেমে জগৎ খুশী,
হেরিলে জুড়ায় আঁখি,সামান্যে কি দেখতে পারে তারে?
যে দেখেছে সেই মজেছে ছাই দিয়ে সংসারে,
ও সে না জানি কুহক জানে
অলক্ষে মন চুরি করে
কুলমান সব গেলরে
তবু না পেলাম তারে
বসত্ কোথায় না জেনে ভাই
গগন মরে,না জেনে ভাই গগন কেঁদে মরে,
আমার মনের মানুষ যে রে।

এছাড়াও বিভিন্নভাবে গানটির বিবর্তন আর পরিবর্ধন হয়

১। শিল্পী গোপালচন্দ্র সেনের কন্ঠে গানটি প্রথম রেকর্ড করা হয়।
২। গানটি গীতবিতান গ্রন্থের স্বদেশ অংশের অর্ন্তভুক্ত।

১৯৭০ সাল

পরিচালক জহির রায়হান তাঁর নির্মিত “জীবন থেকে নেয়া” (১৯৭০) চলচ্চিত্রে গানটি ব্যবহার করেন। খুব সম্ভবত এই চলচ্চিত্রের মাধ্যমেই গানটি পুর্ব পাকিস্তানের বাঙ্গালী জাতিসত্ত্বার মানুষের মনে আরো দৃঢ়ভাবে গেঁথে বসে।

১৯৭১ সালের ০৩ মার্চ

পল্টন ময়দানে “স্বাধীন বাংলা সংগ্রাম পরিষদ” তাদের ইশতিহারে গানটিকে জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে ঘোষণা করে।

১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল

মুজিবনগরে গঠিত বাংলাদেশ অস্থায়ী সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে গাওয়া হয়। মুক্তিযুদ্ধের সময় স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের সুরকার অজিত রায় গানটির বর্তমানে প্রচলিত যন্ত্রসুর করেন।


১৯৭২ সালের ১৩ জানুয়ারী

বাংলাদেশ সরকার গানটির প্রথম দশ লাইন জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে গাওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে (মোট চরণ সংখ্যা পঁচিশটি)। যন্ত্রসঙ্গীতে ও সামরিক বাহিনী ব্যবহার করা হয় প্রথম চারটি লাইন। একই বছর বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত হিসেবে ব্যবহার করা “আমার সোনার বাংলা”গানটির স্বরলিপি বিশ্বভারতী সংগীতবোর্ড কর্তৃক অনুমোদিত করা হয়।

গানটি ইংরেজীতে অনুদিত করেন অধ্যাপক সৈয়দ আলী আহসান।

আমাদের জাতীয় সঙ্গীত

আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি।
চিরদিন তোমার আকাশ, তোমার বাতাস, আমার প্রাণে বাজায় বাঁশি॥
ও মা, ফাগুনে তোর আমের বনে ঘ্রাণে পাগল করে,
মরি হায়, হায় রে—

ও মা, অঘ্রানে তোর ভরা ক্ষেতে আমি কী দেখেছি মধুর হাসি॥
কী শোভা, কী ছায়া গো, কী স্নেহ, কী মায়া গো—
কী আঁচল বিছায়েছ বটের মূলে, নদীর কূলে কূলে।
মা, তোর মুখের বাণী আমার কানে লাগে সুধার মতো,
মরি হায়, হায় রে—
মা, তোর বদনখানি মলিন হলে, ও মা, আমি নয়নজলে ভাসি॥

সম্পূর্ণ গান (সর্বমোট পঁচিশ চরণ, কেবল মাত্র প্রথম দশ চরন আমাদের জাতীয় সঙ্গীত)

আমার সোনার বাংলা,আমি তোমায় ভালোবাসি।
চিরদিন তোমার আকাশ,তোমার বাতাস,আমার প্রাণে বাজায় বাঁশি।
ও মা,ফাগুনে তোর আমের বনে ঘ্রাণে পাগল করে,
মরি হায়,হায় রে–
ও মা,অঘ্রাণে তোর ভরা ক্ষেতে আমি কী দেখেছি মধুর হাসি।
কী শোভা,কী ছায়া গো,কী স্নেহ,কী মায়া গো
কী আঁচল বিছায়েছ বটের মূলে,নদীর কূলে কূলে।
মা,তোর মুখের বাণী আমার কানে লাগে সুধার মতো,
মরি হায়,হায় রে

মা,তোর বদনখানি মলিন হলে,ও মা,আমি নয়নজলে ভাসি।
তোমার এই খেলাঘরে শিশুকাল কাটিল রে,
তোমারি ধুলামাটি অঙ্গে মাখি ধন্য জীবন মানি।
তুই দিন ফুরালে সন্ধ্যাকালে কী দীপ জ্বালিস ঘরে,
মরি হায়,হায় রে–

তখন খেলাধুলা সকল ফেলে,ও মা,তোমার কোলে ছুটে আসি।
ধেনু-চরা তোমার মাঠে,পারে যাবার খেয়াঘাটে,
সারাদিন পাখি-ডাকা ছায়ায়-ঢাকা তোমার পল্লীবাটে,
তোমার ধানে-ভরা আঙিনাতে জীবনের দিন কাটে,
মরি হায়,হায় রে–

ও মা,আমার যে ভাই তারা সবাই,তোমার রাখাল তোমার চাষি।
ও মা,তোর চরণেতে দিলেম এই মাথা পেতে
দে গো তোর পায়ের ধূলা,সে যে আমার মাথার মানিক হবে।
ও মা,গরিবের ধন যা আছে তাই দিব চরণতলে,
মরি হায়,হায় রে–
আমি পরের ঘরে কিনব না আর,মা,তোর ভূষণ বলে গলার ফাঁসি।

ইংরেজী অনুবাদ

My Bengal of gold, I love you
Forever your skies, your air set my heart in tune
as if it were a flute,
In Spring, Oh mother mine, the fragrance from
your mango-groves makes me wild with joy-
Ah, what a thrill!

In Autumn, Oh mother mine,
in the full-blossomed paddy fields,
I have seen spread all over – sweet smiles!
Ah, what a beauty, what shades, what an affection
and what a tenderness!

What a quilt have you spread at the feet of
banyan trees and along the banks of rivers!
Oh mother mine, words from your lips are like
Nectar to my ears!
Ah, what a thrill!

If sadness, Oh mother mine, casts a gloom on your face,

my eyes are filled with tears!

গীতিকার এবং সুরকার রবী ঠাকুর যে কারনে অনন্য

তিনটি দেশের জাতীয় সঙ্গীত উনার দ্বারা লিখিত এবং সুরকৃত। আবার বলছি, তিনটি; দুটি নয়। শ্রীলঙ্কার জাতীয় সঙ্গীতের মুল রচনা এবং সুরও উনার তৈরী।

১. বাংলাদেশ- আমার সোনার বাংলা
২. ভারত- “জানা গানা মান-অধিনায়ক জয় হে”
৩. শ্রীলঙ্কা- শ্রীলঙ্কা মাতা, আনান্দ সামারাকুন পরিবর্ধন এবং কিছুটা পরিবর্তন করেন।

বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত নিয়ে গর্ব করার মত কিছু তথ্য


১। স্রোতাদের পছন্দানুসারে বিবিসি বাংলার তৈরী সেরা বিশটি বাংলা গানের তালিকায় এই গানটি প্রথম স্থান দখল করে।
২। ২০১৪ সালের ২৬ মার্চ, জাতীয় প্যারেড ময়দান, ঢাকা, বাংলাদেশে একসঙ্গে ২৫৪,৫৩৭ জন জাতীয় সংগীত গাওয়ায় মাধ্যমে গিনেস বিশ্ব রেকর্ড করে।
৩। ২০০৮ সালের বেইজিং অলিম্পিকে অংশ নেয়া ২০৫ টি দেশের জাতীয় সঙ্গীতের তুলনামূলক বিচারে দৈনিক গার্ডিয়ান পত্রিকার মতে বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত দ্বিতীয় হয়। উরুগুয়ের জাতীয় সংগীত প্রথম হয়।

কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা যা অল্প সচেতনতায় এড়ানো যায়

২০০৬ সালে আইনজীবী কালিপদ মৃধা মোবাইলের রিং টোন এবং ওয়েলকাম টোন হিসেবে জাতীয় সংগীতের বাণিজ্যিক ব্যবহারের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে জাতীয় সংগীতকে মোবাইল ফোনে রিং টোন হিসেবে এবং বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার করাকে অবৈধ ঘোষণা করে রায় দেয় হাইকোর্ট। আদালত গ্রামীণফোন, রবি ও বাংলালিংককে ৫০ লাখ টাকা করে জরিমানা করেছিলো। এর কারন হচ্ছে, জাতীয় সঙ্গীতের সাথে রাস্ট্রের সম্মান জড়িত। এটার পরিবেশনাও নিয়ম মত হওয়া উচিত। হুট করে ছেড়ে হুট করে মাঝপথে বন্ধ করে দেয়াটা সমীচিন হয়না হয়তো।

জাতীয় সঙ্গীত নিয়ে কেউ র‍্যাপ করার দুঃসাহস করবেনা হয়তো। আবার একটা শিশু যদি ভাঙ্গা ভাঙ্গা বুলিতেও গায়, তাহলে বুঝে নেয়া যাবে তার পিতা মাতার দেশের প্রতি অন্যরকম টান আছে, যে কারনে অন্য অনেককিছুর সাথে এটাও শিখাচ্ছে। এটা গর্বের ব্যাপার হবে। আবার, জাতীয় সঙ্গীত বাজানোর সময় দাঁড়িয়ে সম্মান জানালে খুব বেশি কিছু অশুদ্ধ হয়ে যাবেনা

বাংলাদেশ স্বাধীন হলো আজ এত বছর কিন্তু এখনো সরকার কর্তৃক “আমার সোনার বাংলা”র কোন রেকর্ড বের হয়নি। যা হয়েছে সবই বেসরকারী উদ্যেগে;“শ্রোতার আসর” ১৯৭৯ সালে ও “আনন্দ ধারা” ১৯৯৩ সালে বাংলাদেশ সরকারের অনুমোদিত সুরে “আমার সোনার বাংলা”র রেকর্ড প্রকাশ করে।

স্বাধীনতার পর, বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বেতারে বাণীসহ প্রতিদিন বাংলাদেশ সরকারের অনুমোদিত জাতীয় সঙ্গীতের সুরে “আমার সোনার বাংলা” গাওয়া হতো। ১৯৭৬ সাল হতে বাংলাদেশ টেলিভিশন বাণীসহ জাতীয় সংগীতের প্রচার বন্ধ করে দেয়। এর কিছুকাল পরে বাংলাদেশ বেতারও একই রাস্তায় হাঁটে। এখন তো শুধু যন্ত্রসঙ্গীত বাজানো হয়। জাতীয় সঙ্গীত খুব কমই শোনা যায়।

কোন সঙ্গীত প্রেমী ইচ্ছা করলে জাতীয় সঙ্গীতের যান্ত্রিক বাদনের নোটস সংগ্রহে রাখতে পারেন
?oh=14f84753c685cb00fe1d8ae373a2ddb3&oe=57C1963A” width=”400″ />

Notes of National AnthemNotes of National Anthem

পুরো সঙ্গীতের স্বরলিপী সঙ্গীতের সাথে যদি কেউ সম্পৃক্ত থাকেন তাদের জন্য

ma ma l আ মার্ ll { ga gma -ga A ra -sa -rsa l uhsuha -qha -a A -a qha uha l সো না৹ র্ বা ৹ ৹ঙ্ লা৹৹ ৹ ৹ ৹ আ মি l Sa sra -ga A ra sa -rsa l uha sa -a A -a -ra -ga l তো মা৹ য়্ ভা লো ৹৹ বা সি ৹ ৹ ৹ ৹ | l -ra -sa -a A ( -a ma ma ) } l -a -a -a A -a -a sa l { sa sa -a l ৹ ৹ ৹ ৹ আ মার্ ৹ ৹ ৹ ৹ ৹ চি র দি ন্ l Rma ma -a A pa pa ( -a l -a -a sa ) } A -a l pa pa -qa A pa ma -a l তো৹৹ মা র্ আ কা ৹ ৹ শ্ চি শ্ তো মা র্ বা তা স্ l Pa pqa -ua A qa pa -a l -a -a -a A -a sfa sfa l আ মা৹ র্ প্রা ণে ৹ ৹ ৹ ৹ ৹ ও গো l Usfa ua -a A Pqa pa -qpa l Mpa ga -a A ga mga -pa ll আ মা র্ প্রা ণে ৹৹ বা জা য়্ বা শি৹ ৹ -a -pa pa l ৹ ও মা ll { ma qa -a A qa qa -na l sfa nsfa -gfa A rfa sfa -a l ফা গু ৹ নে তো র্ আ মে৹ র্ ব নে ৹ l Na Nsfa -qa A -a qa na l na sfa -a A ( -a -rfa -gfa l ঘ্রা ণে ৹ ৹ পা গল্ ক রে ৹ ৹ ৹ ৹ l -rfa -sfa -a A -a na qa l Qna -a -a A -a -a -sfa l ৹ ৹ ৹ ৹ ম রি হা ৹ ৹ ৹ ৹ য়্ l Sfa -a sfa A na Qpa -a ) } l -a na na A na -a sfa l sfa sfa -rfa l হা য়্ রে ও মা ৹ ৹ ও মা অ ৹ ঘ্রা নে তো র্ l Sfa usfa -uqa A -pa pa qa l ua -a sfa A sfa sfa -rfa l ভ রা৹ ৹৹ ৹ ক্ষে তে অ ৹ ঘ্রা নে তো র্ l Usfa ua -qa A pa mga -ma l Mua -a ua A Pqa pa -a l ভ রা ৹ ক্ষে তে৹ ৹ কী ৹ দে খে ছি ৹ l -a -a -a A -a sfa sfa l Usfa -a ua A qa pa -qpa l ৹ ৹ ৹ ৹ আ মি কী ৹ দে খে ছি ৹৹ l Mpa ga -a A ga gma -pa ll ম ধু র্ হা সি৹ ৹ -a -a -a l ৹ ৹ ৹ ll -a -a sa A sa sa -a l uha -sa sra A sa Uhqha -a l ৹ ৹ কি শো ভা ৹ কী ৹ ছা৹ য়া গো ৹ l -a -a qha A qha qah -uha l sa -ga ga A ma gma -pma l ৹ ৹ কি স্নে হ ৹ কী ৹ মা য়া গো৹ ৹৹ l -ga -a ga A ga sa -ra l ga ga -a A ma pa -ma l ৹ ৹ কি আঁ চ ল্ রি ছা ৹ য়ে ছ ৹ l Ga ma -ga A sa ga -a l ma ga -a A ra sa -rsa l ব টে র্ মূ লে ৹ ন দী র্ কূ লে ৹৹ l Uha sa -a A -a -ra -ga l -ra -sa -a A -a pa pa l কূ লে ৹ ৹ ৹ ৹ ৹ ৹ ৹ ৹ মা তোর্ l { ma Uqa -a A qa qa -na l sfa nsfa -gfa A rfa sfa -rfsfa l মু খে র্ বা নী ৹ আ মা৹ র্ কা নে ৹৹ l Na Nsfa -qa A -a qa na l na sfa -a A ( -a -rfa -gfa l লা গে ৹ ৹ সু ধার্ ম তো ৹ ৹ ৹ ৹ l -rfa -sfa -a A -a na qa l na -a -a A -a -a -sfa l ৹ ৹ ৹ ৹ ম রি হা ৹ ৹ ৹ ৹ য়্ l sfa -a sfa A na Qpa -a ) } l -a na na A na sfa -a l sfa sfa -rfa l হা য়্ রে মা তো র্ ৹ মা তোর্ ব দ ন্ খা নি ৹ l Usfa usfa -uqa A -pa pa qa l ua sfa -a A sfa sfa -rfa l ম লি৹ ৹৹ ন্ মা তোর্ ব দ ন্ খা নি ৹ l Usfa ua -qa A pa mga -ma l ua ua -a A Pqa pa -a l ম লি ন্ হ লে৹ ৹ আ মি ৹ ন য় ৹ l -a -a -a A -a sfa sfa l Usfa ua -a A Pqa pa -qpa l ৹ ৹ ৹ ন্ ও মা আ মি ৹ ন য় ৹ন্ l Mpa ga -a A ga gma -pa ll জ লে ৹ ভা সি৹ ৹

তথ্যসুত্রঃ
সরকারি ওয়েবসাইট, ইন্টারনেট, রবীন্দ্রভারতী ওয়েবসাইট এবং নানা সামাজিক এবং সাংস্কৃতিক মাধ্যম

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

36 − 27 =