বাংলাদেশ জমিয়তুল উলামা কি নতুন কোন ইসলাম আবিস্কার করেছে?

সম্প্রতি বাংলাদেশ জমিয়তুল উলামা বাংলাদেশের প্রায় এক লক্ষ আলেম ওলামাদের স্বাক্ষর সম্বলিত এক ফতোয়া জারি করেছে যাতে বলা হয়েছে – আত্মঘাতী হামলা বা সন্ত্রাসী হামলা ইসলাম অনুমোদিত নয়। তাই যারা ইসলামের নামে এ ধরনের সন্ত্রাসী কাজ করছে , তারা কোনভাবেই বেহেস্তে যেতে পারবে না। কিন্তু কোরান ও হাদিস বলছে ভিন্ন কথা। কোরান হাদিসের সাথে এইসব কথিত আলেম ওলামাদের ফতোয়ার কোন সম্পর্ক নেই।তাহলে তারা কি সম্প্রতি মুহাম্মদ বহির্ভুত কোন নতুন ইসলাম আবিস্কার করেছে ?

সুরা আনফাল- ৮: ৩৯: আর তাদের সাথে যুদ্ধ করতে থাক যতক্ষণ না ভ্রান্তি শেষ হয়ে যায়; এবং আল্লাহর সমস্ত হুকুম প্রতিষ্ঠিত হয়ে যায়। তারপর যদি তারা বিরত হয়ে যায়, তবে আল্লাহ তাদের কার্যকলাপ লক্ষ্য করেন।

ভ্রান্তি তথা অবিশ্বাস শেষ না হওয়া পর্যন্ত আল্লাহ মুহাম্মদ তথা মুসলমানদেরকে নির্দেশ দিচ্ছে। এটা কি শুধুই মুহাম্মদের সময়কালের জন্যে প্রযোজ্য নির্দেশ ? মোটেই না , আর সেটা বলা হয়েছে নিচের আয়াত সমূহে –

সুরা তাওবা – ৯: ৫: অতঃপর নিষিদ্ধ মাস অতিবাহিত হলে মুশরিকদের হত্যা কর যেখানে তাদের পাও, তাদের বন্দী কর এবং অবরোধ কর। আর প্রত্যেক ঘাঁটিতে তাদের সন্ধানে ওঁৎ পেতে বসে থাক। কিন্তু যদি তারা তওবা করে, নামায কায়েম করে, যাকাত আদায় করে, তবে তাদের পথ ছেড়ে দাও। নিশ্চয় আল্লাহ অতি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।

অর্থাৎ নির্দিষ্ট কিছু মাস অতিক্রম করার পর মুশরিকদেরকে যেখানেই পাওয়া যাবে সেখানেই হত্যা করতে হবে। তবে ইসলাম গ্রহন করলে ছেড়ে দিতে হবে। এখন এটা কি শুধু মুহাম্মদের জন্যেই একমাত্র নির্দেশ ? দেখা যাক পরের আয়াত কি বলে –

সুরা তা্ওবা -৯: ২৯: তোমরা যুদ্ধ কর আহলে-কিতাবের ঐ লোকদের সাথে, যারা আল্লাহ ও রোজ হাশরে ঈমান রাখে না, আল্লাহ ও তাঁর রসূল যা হারাম করে দিয়েছেন তা হারাম করে না এবং গ্রহণ করে না সত্য ধর্ম, যতক্ষণ না করজোড়ে তারা জিযিয়া প্রদান করে।

তার মানে ইহুদি ও খৃষ্টানরা ইসলামের প্রতি বিশ্বাস করে না বা মুহাম্মদকে নবী হিসাবে বিশ্বাস করে না বলেই তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার নির্দেশ দেয়া হচ্ছে। এখন প্রশ্ন হলো এটাও কি শুধুমাত্র মুহাম্মদের জন্যে তার সময়ের জন্যে সীমাবদ্ধ একটা নির্দেশ ? এইবার দেখা যাবে , এইসব আয়াতের প্রকৃত অর্থ কি সেটা মুহাম্মদের মুখে—

সহিহ মুসলিম :: খন্ড ১ :: হাদিস ৩০:
আবু তাহির, হারমালা ইবন ইয়াহইয়া ও আহমাদ ইবন ঈসা (র)……আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন,আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নেই – এ কথার সাক্ষ্য না দেওয়া পর্যন্ত লোকদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে আমি আদিষ্ট হয়েছি । সূতরাং যে কেউ আল্লাহ ছাড়া ইলাহ নেই স্বীকার করবে, সে আমা হতে তার জানমালের নিরাপত্তা লাভ করবে; তবে শরীআতসম্মত কারণ ব্যতীত । আর তার হিসাব আল্লাহর কাছে ।

সহিহ মুসলিম :: খন্ড ১ :: হাদিস ৩১:
আহমাদ ইবন আবদ আয-যাবিব (র)………আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, আল্লাহ ব্যতীত কোন ইলাহ নেই,-এ কথার সাক্ষ্য না দেওয়া পর্যন্ত এবং আমার প্রতি ও আমি যা নিয়ে এসেছি তার প্রতি ঈমান না আনা পর্যন্ত লোকদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার জন্য আমি আদিষ্ট হয়েছি ।

সহিহ বুখারী :: খন্ড ১ :: অধ্যায় ২ :: হাদিস ২৪:
আবদুল্লাহ্ ইব্‌ন মুহাম্মদ আল-মুসনাদী (র) ………… ইব্‌ন উমর (রা) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ্(সা) ইরশাদ করেনঃ আমি লোকদের সাথে যুদ্ধ চালিয়ে যাবার জন্য আদিষ্ট হয়েছে, যতক্ষন না তারা সাক্ষ্য দেয় যে, আল্লাহ্ ছাড়া কোন ইলাহ্ নেই ও মুহাম্মদ রাসূলুল্লাহ্(সা) আল্লাহ্‌র রাসূল, আর সালাত কায়েম করে ও যাকাত দেয়। তারা যদি এ কাজগুলো করে, তবে আমার পক্ষ থেকে তাদের জান ও মালের ব্যাপারে নিরাপত্তা লাভ করল; অবশ্য ইসলামের বিধান অনুযায়ী যদি কোন কারন থাকে, তাহলে স্বতন্ত্র কথা। আর তাদের হিসাবের ভার আল্লাহ্‌র ওপর ন্যস্ত।

অর্থাৎ উক্ত সব আয়াতের প্রকৃত অর্থ মুহাম্মদ যা করেছেন সেটা হলো – অমুসলিমরা ইসলাম গ্রহন না করা পর্যন্ত তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে যেতে হবে আর এটা হলো চিরকালীন নির্দেশ। অর্থাৎ বর্তমানে যত মুসলমান আছে তাদের প্রত্যেকের দ্বায়ীত্ব হলো অমুসলিমদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ তথা জিহাদ করা যতক্ষন না তারা ইসলাম কবুল না করে। এই জিহাদের গুরুত্ব কতটা সেটা জানা যাবে নিচের হাদিস থেকে –

সহিহ বুখারী :: খন্ড ১ :: অধ্যায় ২ :: হাদিস ২৫:
আহমদ ইব্‌ন ইউনুস ও মূসা ইব্‌ন ইসমা’ঈল (র) ……. আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ্(সা) কে জিজ্ঞাসা করা হল, ‘কোন্ আমলটি উত্তম?’ তিনি বললেনঃ ‘আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূলের ওপর ঈমান আনা।’ প্রশ্ন করা হল, ‘তারপর কোনটি?’ তিনি বললেনঃ ‘আল্লাহ্‌র রাস্তায় জিহাদ করা।’ প্রশ্ন করা হল, ‘তারপর কোনটি।’ তিনি বললেনঃ ‘মকবূল হজ্জ।’

অর্থাৎ ইসলাম কবুল করার পর পরই একজন মুমিনের সর্বাপেক্ষা অগ্রগন্য দায়ীত্ব হলো জিহাদ করা তথা সকল অমুসলিমদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে যাওয়া যতক্ষন না তারা ইসলাম গ্রহন করে। যারা ঘরে বসে বসে অথবা মানুষের সামনে প্রচার করে বেড়ায় যে ইসলাম শান্তির ধর্ম আর তাই জিহাদে অংশ নেয় না , তারা হলো নীচ শ্রেনীর মুসলমান সেটাও কোরানে সুন্দরভাবে বলা আছে –

সুরা নিসা- ৪: ৯৫: গৃহে উপবিষ্ট মুসলমান-যাদের কোন সঙ্গত ওযর নেই এবং ঐ মুসলমান যারা জান ও মাল দ্বারা আল্লাহর পথে জেহাদ করে,-সমান নয়। যারা জান ও মাল দ্বারা জেহাদ করে, আল্লাহ তাদের পদমর্যাদা বাড়িয়ে দিয়েছেন গৃহে উপবিষ্টদের তুলনায় এবং প্রত্যেকের সাথেই আল্লাহ কল্যাণের ওয়াদা করেছেন। আল্লাহ মুজাহেদীনকে উপবিষ্টদের উপর মহান প্রতিদানে শ্রেষ্ঠ করেছেন।

আর অমুসলিমদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে হবে কিভাবে ? জান ও মাল দিয়ে। অর্থাৎ নিজের জীবন ও অর্থ দিয়ে। এমন নয় যে অমুসিলমরা আক্রমন করতে আসলেই যুদ্ধ করতে হবে, বরং বলা হয়েছে , অমুসলিমদের বিরুদ্ধে চিরকালীন যুদ্ধ জারি আছে , তা অমুসলিমরা যুদ্ধ ঘোষনা করুক বা না করুক। সুতরাং যেসব জিহাদী অমুসলিমদেরকে আক্রমন করে তাদেরকে হত্যা করছে আর সেখানে নিজেরাও অনেক সময় নিহত হচ্ছে , সেটা এই চিরকালীন জিহাদের অংশ। আর সেটা করতে গিয়ে যারা মারা যাবে , তারা শহীদের মর্যাদা পাবে , আর তারা বিনা বিচারে সোজা বেহেস্তে চলে যাবে।অর্থাৎ আত্মঘাতী জিহাদী বলে কিছু নেই। কারন যারা আত্মঘাতী হামলা চালাচ্ছে , তারা আত্মহত্যার উদ্দেশ্যে সেই হামলা চালাচ্ছে না , তারা অমুসলিমকে হত্যা করার জন্যেই সেটা করছে যেটা আগেই কোরান ও হাদিসে বলেছে , আর সেটা করতে গিয়ে যদি সে নিহত হয় তাহলে সে হবে শহীদ , আত্মঘাতী হামলাকারী নয়, সেটাও সুন্দরভাবে বলা আছে হাদিসে –

সহিহ বুখারী :: খন্ড ৫ :: অধ্যায় ৫৯ :: হাদিস ৩৭৭:
আবদুল্লাহ্ ইব্ন মুহাম্মদ (র)……জাবির ইব্ন আবদুল্লাহ্(রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন,এক ব্যক্তি উহুদ যুদ্ধের দিন রাসূলুল্লাহ (সা)-কে বললেন, আপনি কি মনে করেন, আমি যদি শহীদ হয়ে যাই তাহলে আমি কোথায় অবস্থান করব? তিনি বললেন, জান্নাতে। তারপর উক্ত ব্যক্তি হাতের খেজুরগুলো ছুঁড়ে ফেললেন, এরপর তিনি একাই লড়াই করলেন। অবশেষে তিনি শহীদ হয়ে গেলেন।

এখানে দেখাই যাচ্ছে শহিদ হওয়ার উদ্দেশ্য নিয়েই সেই মুমিন একাই অনেক অমুসলিমদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছে , তথা আত্মঘাতী হামলা চালিয়েছে। আর মুহাম্মদ তাকে বলছেন সে শহিদ হয়ে গেল। তার মানে যাকে আত্মঘাতী সন্ত্রাসী হামলা বলে অপপ্রচার করা হয়, সেটা মোটেই আত্মঘাতী হামলা নয়, সেটাই প্রকৃত জিহাদ আর নিহত ব্যাক্তি হয়ে যাচ্ছে মহান শহীদ। কেউ যখন ইসলাম গ্রহন করে , তার প্রধান দায়ীত্বই হয়ে দাড়ায় জিহাদ তথা যুদ্ধ করা , আর সেই কারনেই দেখা যায় অনেক নব্য মুসলমানও ইসলাম গ্রহন করার পর অমুসলিম হত্যা করার জন্যে উন্মাদ হয়ে আত্মঘাতী হামলা চালায় আর সেটাও তারা এমনি এমনি করে না , সেটা মুহাম্মদ নিজেই বলে গেছেন যেমন –

সহিহ বুখারী :: খন্ড ৪ :: অধ্যায় ৫২ :: হাদিস ২০৮:
ইসহাক ইব্ন ইব্রাহীম (রা)………..মুজাশি’ (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘আমি আমার ভাতিজাকে নিয়ে নবী (সাঃ)- এর দরবারে উপস্থিত হলাম। তারপর আমি বললাম, ‘হে আল্লাহর রাসূল (সাঃ) আমাদেরকে হিজরতের উপর বায়আত নিন’। তখন রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, ‘হিজরত তো হিজরতকারীগণের জন্য অতীত হয়ে গেছে’। আমি বললাম, ‘তাহলে আপনি আমাদের কিসের উপর বায়আত নিবেন?’ তদুত্তরে রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, ‘ইসলাম ও জিহাদের উপর’।

কেন অমুসলিমদের ওপর আতর্কিতে আক্রমন করে তাদেরকে হত্যা করতে হবে ? সেটার কারনও সুন্দরভাবে বলা হয়েছে হাদিসে –

সহিহ বুখারী :: খন্ড ৪ :: অধ্যায় ৫২ :: হাদিস ২২০:
ইয়াহ্ইয়া ইব্ন বুকাইর (র)……………আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ) বলেছেন, অল্প শব্দে ব্যাপক অর্থবোধক বাক্য বলার শক্তি সহ আমি প্রেরিত হয়েছি এবং শত্রুর মনে ভীতির সঞ্চারের মাধ্যমে আমাকে সাহায্য করা হয়েছে। একবার আমি নিদ্রায় ছিলাম, এমতাবস্থায় পৃথিবীর ধনভান্ডার সমূহের চাবি আমার হাতে অর্পণ করা হয়। আবূ হুরায়রা (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ) তো চলে গেছেন আর তোমরা তা বের করছ।

অর্থাৎ শত্রুর মনের মধ্যে ত্রাস সৃষ্টি করেই শত্রুকে দুর্বল করে ফেলতে হবে। তাহলেই ইসলামের বিজয় সাধিত হবে। আর সেই ত্রাস সৃষ্টি করতে হবে আতর্কিতে ., কোনরকম আগাম যুদ্ধ ঘোষনা না করেই । আতর্কিতে চোরাগোপ্তা হামলা চালিয়েই অমুসলিমদেরকে আক্রমন করে তাদেরকে নির্মমভাবে হত্যা করে তাদের মনের মধ্যে ত্রাস সৃষ্টি করলে অগত্যা তাদের পক্ষে ইসলাম গ্রহন করা ছাড়া আর কোনই গতি থাকবে না যা সুন্দরভাবে নিচের হাদিসে বলা হয়েছে –

সহিহ মুসলিম :: বই ১৯ :: হাদিস ৪২৯২:
ইয়াহইয়া ইবন ইয়াহইয়া তামীমী (র)……ইবন আউন (র) থেকে বর্ণিত । তিনি বললেন, আমি নাফি” (রাঃ) কে এই কথা জানতে চেয়ে পত্র লিখলাম যে, যূদ্ধের পূর্বে বিধর্মীদের প্রতি দীনের দাওয়াত দেওয়া প্রয়োজন কি না? তিনি বলেনঃ, তখন তিনি আমাকে লিখলেন যে, এ (প্রথা) ইসলামের প্রারম্ভিক যুগেছিল । রাসুলুল্লাহ (সা) বনূ মুসতালিকের উপর আক্রমণ করলেন এমতাবস্হ্যয় যে, তারা তা জানতে পারেনি । তাদের পশুদের পানি পান করানো হচ্ছিল । তখন তিনি তাদের ষোদ্ধাদের হত্যা করলেন এবং অবশিষ্টদের বন্দী করলেন । আর সেই দিনেই তাঁর হস্তগত হয়েছিল । (ইয়াহইয়া বলেনঃ যে, আমার ধারণা হল, তিনি বলেছেনঃ) হযরত জুওয়ায়রিয়া বিনত হারেস (রাঃ) বর্ণনাকারী বলেনঃ, এই হাদীস আমাকে আব্দুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) বর্ণনা করেছেন । তিনি তখন সেই সেনাদলে ছিলেন ।

এরকমভাবে আরও অসংখ্য কোরানের আয়াত ও হাদিস উল্লেখ করে প্রমান করা যাবে যে ইসলামের মূল আবেদন হলো জিহাদ , আর সেটা হলো আগ বাড়িয়ে আক্রমন করে অমুসলিমদেরকে হত্যা করার বিধান। সেটা প্রকৃত উদ্দেশ্য হলো তাদের মনে ভীতির সঞ্চার করতে হবে এমনভাবে যে তারা অগত্যা ইসলাম গ্রহন না করে পারবে না। সেটা করতে গেলে কেউ কেউ নিজ জীবন বিসর্জন দিতে পারে, সেটা হবে শাহাদত বরন। এটা কোন আত্মহত্যা না। কেউ আত্মহত্যা করতে চাইলে অমুসলিমদেরকে আক্রমন করে সেটা করতে চায় না। জীবনের প্রতি বীতশ্রদ্ধ হয়ে কেউ আত্মহত্যা করতে চাইলে , সে বিষ পান করে , বা গলায় দড়ি দেয়, অমুসলিমদেরকে আক্রমন করে সেটা করতে যায় না। অর্থাৎ যাকে কিছু মানুষ বলছে আত্মঘাতী সন্ত্রাসী হামলা সেটা আসলে প্রকৃত জিহাদ। এটাই হলো প্রকৃত ইসলাম আর প্রকৃত জিহাদ।

সুতরাং এর পরে কিভাবে এক লক্ষ আলেম ওলামা কোরান হাদিসের বিরোধীতা করে বলতে পারে যে ইসলাম প্রতিষ্ঠার জন্যে যারা ত্রাস সৃষ্টির জন্যে অমুসলিমদেরকে হত্যা করছে , নিজেরা নিহত হচ্ছে , সেসব ইসলাম বিরোধী ? তারা কি কোরান ও হাদিসের বাইরে কোন নতুন ইসলাম আবিস্কার করেছে? অথবা আল্লাহ কি এইসব আলেম ওলামাদের কাছে নতুন করে ওহী পাঠাচ্ছে ?

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

+ 81 = 90