ফয়জুল্লাহ ফাহিম আমাদের ও দেশের গর্ব !! (ব্রেকিং নিউজ )

মাদারীপুরের কলেজশিক্ষক রিপন চক্রবর্তীকে হত্যাচেষ্টা মামলায় রিমান্ডে থাকা জংগী হিসাবে খ্যাত গোলাম ফয়জুল্লাহ ফাহিম (১৯) কে নিয়ে অভিযানে যায় পুলিশ। ফয়জুল্লাহর সহযোগীরা সেখানে অবস্থান করছিল (পুলিশের নির্দেশেই কিনা তা জানা যায় নাই )। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তারা পুলিশকে লক্ষ্য করে অব্যররথ নিশানায় গুলি ছোড়ে।

সহযোগীদের নিখুঁত নিশানা সম্মন্ধ্যে ফাহিম আগে থেকেই জানতো কিন্তু একজন ঈমানদার পুলিশ ভাইকে বাঁচাতে ফাহিম তার বুলেট প্রুভ জ্যাকেট ও হেলমেট খুলে চোখের নিমিষেই লাফ দিয়ে পুলিশের সামনে দাঁড়িয়ে সেই গুলির সামনে নিজের বুক পেতে দেয় । এতে সংগে সংগেই সে মারা যায় । এতে হতভম্ভ সেই ঈমানদার পুলিশ নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন- ফাহিমের আত্মত্যাগ দেখে তিনি চোখের পানি ধরে রাখতে পারেন নাই, এই শিক্ষা একমাত্র ইসলামেই সম্ভব বলেও তিনি নিশ্চিত করেছেন । তিনি শুধু বির বির করে বলে উঠেছেন – ইন্না লিল্লাহে ……………রাজিউন । তিনি এই ফাহিমের জন্য প্রতিদিন ৪রাকাত নফল নামাজ পড়ে আলালহ তায়ালার কাছে দুয়া করবেন বলেও জানিয়েছেন। এমন কি এমন ছেলে জন্ম দেওয়ার জন্য ফাহিমের বাবা মা র প্রতিও সালাম জানিয়েছেন।

“আমি আমার ঈমান দিয়ে অন্য একজনের ঈমান রক্ষা করলাম “। এই কথাটাই ছিল ফাহিমের শেষ কথা । এই কথা শুনে উপস্থিত জনতা ও পুলিশ একসাথে আল্লাহু আকবার বলে চিতকার করে উঠে । সবাই ইসলামের এমন শিক্ষা দেখে আবেগে কান্না করতে করতে নিজেকে দোষারোপ করতে থাকে । তারা সবাই বলে উঠে, হে আল্লাহ তুমি আমাদেরকে ফাহিমের মত ঈমানদার হওয়ার তৌফিক দান করো । (এসব গুজব বলে নাস্তিকরা মনে করে কিন্তু গুজব নাকি গজব তা নিশ্চিত হওয়া যায় নাই )।

গুজব আরো বলছে যে, এসব শুনে মাননীয় স্বরাস্ট্র মন্ত্রী নিশ্চিত হয়ে বলেছেন – ফাহিম অবশ্যই জংগী ছিল না । যারা তাকে ধরে পুলিশের কাছে দিয়েছিল তারা ভুল করেছিল। কারন এমন যার আত্মত্যাগ সে কখনই জংগী হতে পারে না। তার কাছে তথ্য আছে এসবই মোসাদের কাজ বলে তিনি নিশ্চিত করেছেন। তিনি পুলিশকে গুজবে কান না দিয়ে সাবধানে তাদের দায়িত্ব পালন করে জনতার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বলেছেন । পাশাপাশি জনগনকেও এসব খুনাখুনির মধ্যে থেকে ভুল ভাল লোকদের ধরে আইন নিজের হাতে নিতেও মানা করেছেন বলে গুজব উঠেছে । তিনি জনগনের উদ্দেশ্যে বলেন – দুর্বৃত্ত্ব বাদে সন্ত্রাসী, জংগী ধরা পুলিশের কাজ, পুলিশের কাজ পুলিশকে করতে দিন। আনাড়ির মত পুলিশের কাজের মধ্যে ঢুকে সরকারের সফল উন্নয়নে বাধা দিবেন না।

ফাহিমের মত ঘটনা অন্য কোন দেশের কেউ দেখাতে পারবেন না বলেও তিনি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন। আমাদের দেশই যে আইনের শাসনের দিক থেকে শ্রেষ্ঠ সেটাই তিনি বুঝিয়েছেন বলেই মনে হয়। অন্য দেশের জনগণকেও ফাহিমের কাছ থেকে শিক্ষা নিতে বলতে তিনি ভুল করেন নাই।

যারা ফাহিমের ঘটনাকে পুলিশের সাজানো নাটক বলে অভিহিত করেছেন তাদের উদ্দেশ্যে মাননীয় মন্ত্রী বলেছেন , আপনারা পুলিশি অনুভুতিতে আঘাত দিয়ে ৫৭ ধারাকে অসন্মান করবেন না । দেশে এখন আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা হয়েছে অতএব আইন দিয়েই আপনাদের এই নাটকীয়তার দাঁত ভাংগা জবাব দেওয়া হবে।

যাইহোক,এই ঘটনায় পুরা পুলিশ বাহিনী শোকে ও গর্বে স্তব্ধ । তার মৃত্যু যে কত জনের মান সন্মান, প্রতিপত্তি রক্ষা পেলো তা একমাত্র রাব্বুল আল আমিন ছাড়া কেউ জানলো না । কেউ জানলেও সেটা আর প্রকাশ হবে না বলেই সবাই বিশ্বাস করতে শুরু করেছে। এই রকম কত শত ফাহিমদেরকে যে এই নির্বোধ জাতি ভুলে গেছে তার ইয়ত্তা নাই, আপসুস!!

আবারও প্রমান হলো , কোন সাচ্চা মুসলমান কখনও একজন সাচ্চা মুসলমানকে মরতে দিতে চায় না । প্রয়োজনে নিজের জীবন দিয়ে হলেও অন্যকে বাঁচাতে যায় । ইসলামের এই চেতনা ঘরে ঘরে পৌছে দেওয়ার জন্য রাস্ট্রিয় ভাবে উদ্যোগ নেওয়ার জন্য দেশের বরেণ্য বুদ্ধিজীবিরা সরকারের প্রতি চাপ সৃস্টি করেছেন বলে জানা গেছে। এই বিষয়ে নিচের হাদিসটা জোরে শোরে ঘরে ঘরে প্রতিটা জনগনের কাছে পৌছে দেওয়ার জোর দাবী জানিয়েছেন । তাতে করে সবার মধ্যে ঈমান জেগে উঠবে ও ইসলাম যে সত্যিই শ্রেষ্ঠ সেটাও সারা দুনিয়া জানবে বলেই বিশিষ্ট জনদের মত।
হাদিস—

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "এক মুসলিম অপর মুসলিমের ভাই। যে ব্যক্তি কোন মুসলিমের দোষ গোপন রাখবে কিয়ামতের দিন আল্লাহ তার দোষ গোপন রাখবেন"।– বুখারী, মুসলিম , ইবনে মাজাহ হাদিস নং – ২৫৪৪ সহীহ।

এমন ভালো কাজের জন্য আলালহ তাকে নিশ্চয় জান্নাত দান করবেন তো বটেই, এদিকে ফাহিমকে রাস্ট্রিয় ভাবে পুরস্কার দেওয়া হবে কিনা তা নিয়েও জোর গুজব চলছে।

আসুন আমরাও ওসব গুজবে কান না দিয়ে গজব সৃস্টি করি ও জোরে জোরে আওয়াজ তুলি – ফাহিমের আত্মত্যাগ, বৃথা যেতে দিবো না। জয় বাংলা।

যতদিন শেখ হাসিনার হাতে দেশ ,তত দিনে মদিনায় যাবে বাংলাদেশ।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

5 + 5 =