প্রতিটা সাধারন ধর্মপ্রান মুসলমান একজন মানসিক রোগী

ধর্মভীরু সাধারন মুসলমান মাত্রেই বিশ্বাস করে – ইসলাম শান্তির ধর্ম আর মুহাম্মদের চাইতে শ্রেষ্ট আদর্শ মানুষ দুনিয়াতে দ্বিতীয়টা নেই। শৈশবে জ্ঞান হওয়ার পর থেকেই এটাই তারা শুনে আসছে লক্ষ কোটি বার। এতবার শুনতে শুনতে তাদের মনে ইসলাম ও মুহাম্মদ সম্পর্কে এমন উচ্চ ধারনাটাই গেথে যায় কঠিনভাবে। তারা কখনই কোরান ও হাদিস খুজে প্রকৃত ইসলাম জানার দরকার বোধ করে নি। পাঠ্য বই ও হুজুরদের মুখে শুনে শুনেই তারা এমন মানসিক অবস্থার শিকার হয়েছে। আর তাই কেউ যখন কোরান হাদিস থেকে প্রকৃত ইসলাম প্রচার করতে যায়, তারা সাথে সাথেই সেটা প্রত্যাখ্যান করে।

তারা প্রথমেই ধরে নেয় যে ইসলাম শান্তির ধর্ম। আর তাই কোরান ও হাদিসের মধ্যে কোন অশান্তির কথা থাকতেই পারে না। তাই প্রায়ই তাদেরকে বলতে শোনা যায় ——————-

ইসলাম হলো শান্তির ধর্ম। ইসলাম অর্থ শান্তি। ইসলামে কোথাও কাউকে হত্যা করতে বলে না।

এই ধারনার ওপর ভিত্তি করেই তার সারা জীবন চলে, নামাজ রোজা কোরবানী করে ভাবে কি সুন্দর ইসলাম পালন করে যাচ্ছে। সুতরাং এরপর হঠাৎ করে কেউ যখন কোরান ও হাদিস থেকে কোন হত্যা বা যুদ্ধের আয়াত বা হাদিস বের করে দেখায়, তখন সাথে সাথেই তারা সেসব আয়াত বা হাদিস অবিশ্বাস করে। বলে এসব কোরান বা হাদিসে নেই। পরবর্তীতে তার সকল যুক্তিই চালিত হয় উক্ত অস্বীকার করার ভিত্তিতে। একই সাথে যারা প্রকৃত মুসলমান যেমন – আই এস , আল কায়েদা , তালেবান ইত্যাদিরা যখন ইসলামের নামে হত্যা , ধর্ষন , ডাকাতি এসব করে , তারা সাথে সাথেই প্রচার করে , এদের সাথে ইসলামের কোনই সম্পর্ক নেই কারন ইসলাম শান্তির ধর্ম। এরপরও যখন কোরান বা হাদিস থেকে হত্যা বা যুদ্ধের আয়াত বা হাদিস দেখান হয়, সাথে সাথেই তারা বলে এসবের প্রেক্ষাপট দেখতে হবে। কিন্তু খেয়াল করুন , এ ধরনের ধর্মভীরু মুসলমান প্রথমেই দাবী করেছিল কোরান হাদিসে কোথাও হত্যার কথা বলে নি। যখন হত্যার আয়াত বা হাদিস দেখান হলো সাথে সাথেই সে আত্মরক্ষামূলক পদ্ধতি গ্রহন করে একটা ভিন্ন অবস্থান গ্রহন করল। অর্থাৎ তার কাছে তখনও ইসলাম শান্তির ধর্ম তত্ত্ব টিকে রইল।

এরপর যদি প্রেক্ষাপট , ইতিহাস ইত্যাদির মাধ্যমে দেখান হয় যে , ইসলাম আসলেই অমুসলিমদেরকে হত্যা করে বা তাদেরকে জোর করে ইসলাম ধর্ম গ্রহন করানোর বিধানই কোরান হাদিসে বিদ্যমান আছে , তখন তারা শেষে বলবে , কোরান বা হাদিসের আসল অর্থ জানতে আরবীতে কোরান হাদিস পড়তে হবে , আর তখন তার অর্থ ভিন্ন হয়ে যাবে অর্থাৎ ইসলাম যে শান্তির ধর্ম সেটাই প্রমানিত হবে। তার মানে তার মনে যে ধারনাটা সেই শৈশব থেকে গড়ে উঠেছে , সেখান থেকে সে সামান্য বিচ্যুত হবে না , সেটা প্রমানের জন্যে সে এমন কি সারা দুনিয়ার সকল আলেম বা ইসলামী পন্ডিতদের ব্যখ্যা , তাফসির ইত্যাদিকে অস্বীকার করে বসবে। অর্থাৎ সে তখন নিজেই দুনিয়ায় কোরান হাদিসের একমাত্র বোঝনেআলাতে রূপান্তরিত হয়ে যাবে, যদিও সে নিজে কখনই সেই আরবীতে তো বটেই , এমন কি নিজের মাতৃভাষায়ও কোন দিন কোরানের একটা আয়াত বা হাদিস পড়ে নি। কি ভয়ংকর মানসিক বৈকল্য !

তাহলে সাধারন ধর্মপ্রান মুসলমানদের এই সমস্যাটাকে কি হিসাবে গন্য করা যাবে ? এটা কি একটা মানসিক সমস্যা নয় ? তার মানে প্রতিটা সাধারন ধর্মপ্রান মুসলমানই কি একটা মানসিক রোগী নয় ?

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

৮ thoughts on “প্রতিটা সাধারন ধর্মপ্রান মুসলমান একজন মানসিক রোগী

  1. অবশ্যই ইসলাম শান্তির ধর্ম
    অবশ্যই ইসলাম শান্তির ধর্ম,পূর্ন শান্তি তাদের জন্য যারা ইসলামে বিশ্বাস করে কিন্তু যারা বিশ্বাস করে না তারা কখনো এতে শান্তি খুজে পাবে না এটাই ইসলামের অলৌকিকত্ব তারা শুধু দেখবে অশান্তি যুদ্ধ মাইর অার অগুনে জ্বলেপুরে যাওয়ার শাস্তি অার পরকালে তারা নিশ্চিতভাবে তা ভোগ করবে। অাল্লাহ পাকের কি হেকমত একই কিতাব একই লেখা কিন্তু দু-জন দেখে দুরকম !

    1. হত্যা , ধর্ষন , ডাকাতি এসব
      হত্যা , ধর্ষন , ডাকাতি এসব যদি হয় শান্তির অপর নাম , তাহলে ইসলাম আসলেই শান্তির ধর্ম। যারা এটা বিশ্বাস করে তারা হয় হত্যাকারী , ধর্ষক , ডাকাত, কিন্তু তারা এতটাই মানসিক রোগী যে সেটা তারা বুঝতে পারে না।

  2. যে যাই বলুক বর্তমান বিশ্বের
    যে যাই বলুক বর্তমান বিশ্বের মূল জেহাদী আসলে ইহুদী-খৃষ্টান সভ্যতা। কারন জেহাদ করতে লাগে মরণাস্ত্র; হেলিকপ্টার; পারমানবিক বোমা; জংগী বিমান ;ড্রোন ; স্যাটেলাইট। এগুলার কোনটাই মুসলমানরা বানাতে পারে না। এগুলা বানাতে পারে ইহুদী আর খৃষ্টানরা। তাই তারা বিশ্বযুদ্ধ বাধায়; লাখ লাখ মানুষ মেরে অন্যের দেশ দখল করে। তেল চুরী করে। আর এর প্রতিবাদ করে যখন মুসলমানরা দু-চারটা পটকা ফুটায় তখনই তারস্মরে চিতকার করে বলা হয় মুসলমানরা সন্ত্রাসী; জেহাদী।
    কিন্তু মানুষ দ্রুত জেহাদী টেররিষ্ট চিনতে শুরু করেছে।

    1. মুসলমানরা জিহাদ করে সারা
      মুসলমানরা জিহাদ করে সারা পৃথিবীময় শান্তি প্রতিষ্টা করে তলওয়ার রেখে গানবাজনা অার ভোগবিলাসে ডুবে ঘুমিয়ে ছিল হাজার বছর,যখন উঠলো দেখল কাফের বেইমানরা অস্রের পাহার গড়ে তুলেছে যা দিয়ে এই পৃথিবী শতবার ধংস করা যাবে

    2. হ্যা সারা দুনিয়া বর্তমানে আসল
      হ্যা সারা দুনিয়া বর্তমানে আসল বর্বর ও অসভ্য আদর্শ ও তাদের ধারক বাহকদের চিনতে শুরু করেছে। এতদিন এই আদর্শটা একটা ধর্মের আড়ালে লুকিয়ে ছিল। আর সেটা হলো ইসলাম।

  3. কোরান যদী মানুষকে জিহাদী,
    কোরান যদী মানুষকে জিহাদী, সন্ত্রাসী আর সুইসাইড বোম্বার বানাতে পারে তবে তো কোরান খুবই শক্তিশালী একটা গ্রন্থ। পৃথিবীর দ্বিতীর আর কোন গ্রন্থ আছে কি যেটা মানুষকে জিহাদী আর সুইসাইড বোম্বার বানাতে পারে??

    1. মাও সে তুং এর শ্রেনী শত্রু
      মাও সে তুং এর শ্রেনী শত্রু খতম তত্ত্ব দ্বারা এক সময় নকশালরা নিজেরা অনেকটা আত্মঘাতী কায়দায় শ্রেনী শত্রু খতম করত। কিন্তু তার তত্ত্বে কোন কথিত ঈশ্বর না থাকায় তা ব্যর্থ। ইসলাম সেই একই তত্ত্ব দ্বারা ১৪০০ বছর ধরে মানুষকে বর্বর অসভ্য হত্যাকারী বানিয়ে এসেছে, আর তার একটা ঈশ্বর থাকাতে সে এখনও টিকে আছে।

  4. ওহে আরজ আলী মাতুব্বর এর
    ওহে আরজ আলী মাতুব্বর এর চ্যালা কাঠমোল্লা তুমি নিজে কিংবা তোমার দোসররা মিলে একখানা ধর্ম তৈরী করো
    ধর্মগ্রন্থ রচনা করো।
    খামোখা তোমরা এই ইসলাম নিয়ে টানা হেঁচড়া করতেছো কেন?
    তোমাদের ধর্ম রচনা করার পর তোমরা সকলকে আহ্বান করো।
    তা না করে শুধু একমাত্র ইসলামকেই তোমাদের পছন্দ হয়েছে টানা হেঁচড়া করার জন্য?
    ওকে চালিয়ে যাও………

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

4 + 3 =