দিয়ার কথা

দিয়ার কথা

আপনাদের একটু সত্য গল্প শুনাই।

আমার বাবা একজন গাইনী ডাক্তার এর সাথে তিনি গর্ভপাত করার কাজে পারোদর্শী।
তার কাছে রোজ অনেক রুগী আসতো গর্ভপাত করানোর জন্য তাই এরকম একটা কাহিনী আপনাকে শুনাবো।

মেয়েটার বয়স ১৪ থেকে ১৬ মধ্যে, মেয়েটা একটা মহিলা মার্দাসা তে ৭ ম শ্রেনীর ছাত্রী তার এক হুজুর তাকে গর্ভপাত করানোর জন্য নিয়ে এসেছে।
এবার বাবা রাজী হলো না এতো কম বয়সের মেয়ের গর্ভপাত করানোর জন্য তিনি বেকে বসলেন ( আসলে এটা ছিল টাকা বাড়ানোর জন্য) তো মেয়েটা তার কানের দুল খুলে দিয়ে বাবাকে অনুরোধ করলো তাকে বাচানোর জন্য। বাবা এবার সবাইকে বাইরে যেতে বলে তিনি মেয়েটাকে তার স্বামীর ব্যাপারে জানতে চাইলো কিন্তু সে এতোটা ঘামতে ছিল যে হিজাব ভিজে একাকার এবার তিনি তাকে হিজাব খুলে কথা বলতে অনুরোধ করলো কিন্তু সে কিছুতেই খুলতে রাজী হলো না সে বাবাকে বললো যে সে এই মুখ কাউকে দেখাতে চায় না তা হলে তার মা তাকে আর বাসায় নিবে না। ওর বাবা ছিল না মেয়েটা তার সৎ বাবার কাছে ছিল।
এবার বাবা জানতে চাইলো তার এই অবস্থায় কেনো স্বামী কাছে নেই কিন্তু মেয়েটা নিরব। বাবা এবার ধমক দিলো যে স্বামীর নম্বার বলতে তাকে এখানে ডাকবে এবং তাকে পুলিশে দিবে কিন্তু এর পর সে যা বললো তা ছিল অভাবনীয়।

সে ক্লাস ৫ থেকে এই যৌনক্রিয়ার সাথে যুক্ত সে ক্লাসের পরে তার এই হুজুরের কাছে বিকালে টিউশন নিতে যেতো আরো অনেক মেয়ের মতো। তো এবার কয়েক দিন পড়ে হুজুর তাকে একা পড়তে আসতে বললো।
কি আর করার সে একা পড়তে আসতো তো শিক্ষক তাকে এবার কোরান থেকে কি ভাবে পিড়িয়ডের সময় সেইভ থাকতে হয় তা শিখালো, এবার এক দিন তাকে বলা হলো আজ তাকে স্বামীর সাথে কি ভাবে হালাল সহবাস করা যায় তা শিখানো হবে।
কিন্তু তাতে সে রাজী হয় না।
এবার তার সারা দেহে হাত দেয় তার হুজুর তাকে হিজাব রেখে বোরকা পরিয়ে ধর্ষন করে সে কান্না করছিলো, আল্লাকে ডাকছিলো কিন্তু এটা হালাল ধর্ষন ছিল সে কি করে শুনবে।
কিন্তু হালাল ধর্ষন ছিল সে যদি কাউকে বলতো তা হলে তা কেউ বিশ্বাস করবে না।
হুজুর ওখানে খুব সন্মানীয় ব্যক্তি ছিল তার কথায় এলাকার লোক ওঠে বসে কারন ধর্মীয় অনুভূতি বলে কথা।
এই ভাবে তাকে দুই বছর ধর্ষন করেছে তার হুজুর আর আজ তার জন্য সে মা হতে চলেছে।

বাবা ঐ মেয়েটার গর্ভপাত করেছিলো এবং ওকে ওর মায়ের কাছে আর পাঠানো হয়নি, বাবা ওকে মেয়ে হিসাবে বড় করছে ও এখনো ছোট বাসায় সবার নয়নের মনি।
না ওর আর মার্দাসা তে যাওয়া হয়নি বাবা ওকে ইংলিশ মিডিয়ামে পড়াচ্ছে সামনে ও লেভেলে পরিক্ষা দিবে।
এখন আর সে হিজাব পড়ে না এখন সে আর ওড়না পড়ে না কারন চোখ তার বুকে দিলে সে চোখ উপড়ে নিবে সে এই বয়সে জুডোতে ব্লাক বেল্ট।
সে বাবাকে গাড়ীতে নিয়ে গাড়ী চালায়, বাজারে যায় আজ আর তার এই সমাজ থেকে কথা শুনতে হয় না সে আজ নিজে তার জবাব দিতে পারে।

কিন্তু সে এখন হিজাবি না তার এখন ঢেকে হাটার দরকার নেই কারন সে সব কিছু বোঝে লজ্জা তার নয় লজ্জা এই সমাজের এই লজ্জা আমার আপনার সবার।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

৪ thoughts on “দিয়ার কথা

  1. আপনার বাবা অনেক বড় একটা মহৎ
    আপনার বাবা অনেক বড় একটা মহৎ কাজ করেছে। গ্যারান্টি দিয়ে বলা যায় এই ধরনের মহৎ কাজ কোন হুজুরের পক্ষে করা সম্ভব নয়। আপনার বাবাকে স্যালুট জানাবেন আমার পক্ষ থেকে।

  2. পড়ে ভালোলাগলো। বিশ্বাস করতে
    পড়ে ভালোলাগলো। বিশ্বাস করতে ইচ্ছা করছে। যদিও মাদ্রাসা থেকে সরাসরি ইংলিশ মিডীয়াম বা ব্ল্যাকবেল্ট হয়ে যাওয়াটা কল্পনা করতে আমার কষ্ট হচ্ছে কিছুটা। তবে দুনিয়ায় অনেককিছুই সম্ভব।

  3. বিশ্বাস করা কঠিন কেনো…?
    বিশ্বাস করা কঠিন কেনো…?
    দিয়া তার মেধা দিয়ে তার জীবন কে পরিবর্তন করেছে, সে ২ বছরে ব্লাক বেল্ট আর আমি যা ৮ বছরেও পারিনি।
    চেষ্টা থাকাটা খুব দরকারি তার যা ছিল।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

47 − 46 =