কখনো সখনো কিছু ঽয়ে যায়…..

রিকসাওয়ালারা আজকাল
ভাড়ার থেকে বেশী দাবী করে এই যেমন আজ সোনিয়ার বাসায় যাবে বলে রিকসা ডেকেছে নাবিলা এখান থেকে সোনিয়ার বাসায় যেতে ২০টাকা ভাড়া কিন্তু
ড্রাইভার ৩০টাকা দাবি করছে কি আর করা যেতে হবে উঠে বসলো!!!

“মধ্যবিত্য মেয়েরা না পারে হেঁটে যেতে না রিকসা দিয়ে আর নিজেদের গাড়ি”!!

নাবিলার বেস্ট ফ্রেন্ড সনি তার খালা এসেছেন ও
দেখা করেছে ধারুন
একজন মহিলা যতটুকু
মনে হয়েছে…..

বিকেল হয়ে গেছে বাসায়
ফিরতে হবে সবার
কাছ থেকে বিদায়
নিলো!!

আবার একটা রিকসা ডেকে উঠলো একটু
জায়গা যাবার পর
একটি ছেলে বলছে আপু
কাপড় টা ঠিক করেন……

ছেলেরা এখন এমন হয়েছে বয়সের থেকে বড় দের ও ছাড়ছে না ইভটিজিং করবে যে করবেই “নর্দমারকীট”
একেকটা!!

ভাবতে ভাবতে গলায় একটা হ্যাঁচকা টান
পড়লো লুটিয়ে পড়লো মাটিতে ড্রাইভার চেপে ধরলো ব্রেক কিন্তু
ততক্ষণে রক্তারক্তি হয়ে গেছে হাত পায়ের অবস্তা শেষ মাথায় ও চোট
পেয়েছে নাবিলা!!!

দৌড়ে আসলো মিলন
একটু আগেই মেয়েটিকে বলেছিল কাপড় ঠিক করার জন্য হয়তো শুনতে পায় নি না হলে এত বড় দূর্ঘটনা ঘটতো না!!

তাড়াতাড়ি করে গলা থেকে ওড়নার প্যাঁচ খুলে দিল মেয়েটির মুখ
ভর্তি রক্ত!!

গলায় একপ্যাঁচ দিয়ে বুক আড়াল করতে গিয়েছিলো মাথায় ওড়না দেয়ার প্রয়োজন মনে করেনি!!

ওড়নার অপর প্রান্ত এখনো রিকসার চাকায় আটকে আছে!!

অন্য একটা রিকসা ডেকে হাসপাতালে নিয়ে গেল
যাবার পথে নাবিলার
বাসায় জানিয়ে দিয়েছে মিলন মেয়েটা কথা বলতে পারছে না শুধু
মোবাইলটা হাতে দিয়ে ইশারা করেছে!!

রাজ্জাক সাহেব মেয়েকে দেখে কান্নায় ভেঙ্গে পড়লেন দিনে আসার সময়
তাকে ঔষধ খাওয়ার
কথা বলে আসা মেয়েটার
জন্য এখন একবস্তা ঔষধ
নিয়ে আসতে হচ্ছে!!

নাবিলার ঞ্জান ফিরেছে পাশে মা বসা ছেলেটা এখনও যায়নি দেখা যায়!!

কোন কিছুর প্রয়োজন
হলে ডাকবেন নাম্বার
দিয়ে মিলন বিদায় নিয়ে চলে আসলো…..

২সপ্তাহ পর

একটা কল এলো মিলনের
মোবাইলে প্রায় ভুলেই
গিয়েছিল সে দু দিন হল
বাসায় এসেছে নাবিলা তাই তাকে বাসায় যাওয়ার অনুরুধ করছে!!

বিকেলে গেলো তাদের
বাসায় সুন্দর গোছানো ঘর
রাশেদা বেগম খুব খুশী হলেন নাবিলাকে রুমে নিয়ে এলেন!!

মিলনের কাছে ক্ষমা চাইলো নাবিলা সেদিন
তাকে ভুল বুঝেছিল
বলে!!

রাশেদা চা দিয়ে ছোট
মেয়ে নেহা কে পাঠিয়েছেন
নাবিলা পরিচয়
করিয়ে দিলো ওর ছোট
বোন নেহা মিলন কে ধন্যবাদ দিলো আপু
কে সাহায্য করার
জন্য!!

ছেলেটা দেখতে ভালই
রাতে নাবিলার মোবাইল থেকে মিলন কে কল দিল নেহা!!

প্রথমে আপনি থেকে তুমি এভাবে এগিয়ে চলছে কথা নেহা নবম শ্রেণীতে মিলন এবার কলেজে!!

১ বছর পর

একজন আরেকজন
কে মন দেয়া নেয়া কবেই শেষ স্কুল শেষে ঘুরতে যাওয়া পার্কে বসা এগুলোর
পার্ট ও শেষ!!

আগামি তিনদিন পর
তাদের সম্পর্কের ২বছর পূর্ণ হবে সেলিব্রেট
করবে মাহফুজের বাসায় কেউ নেই তারপরও
শালাকে অনেক কষ্টে রাজি করিয়েছে তবে শর্ত
একটাই সে আড়াল
থেকে দেখবে!!!

তারা সেলিব্রেট করলো মাহফুজ ও দেখলো শুধু
দেখলইনা ভিডিও
করে দেশের মানুষ কেও
দেখালো!!

কলেজে গিয়ে এখন মুখ
দেখাতে পারেনা নেহা গতকাল ছেলেরা ছি ছি করেছিল আজ তার বান্ধবীরাও অবশেষে শেষ
ভরসা আত্মহত্যা………

বিঃদ্রঃ যে কাউকে দেখেই
নর্দমারকীট মনে করবেন না,আবার একটা ভাল কাজ করলেই তাকে দেবতার আসনে বসাবেন না।
ভাল মন্দ নিয়েই মানুষ।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

− 1 = 1