‘ঘরে খেয়ে বনের মোষ তাড়ানো’

ইদানীং হরতালে কিছু
মোটা মহিলাকে দেখা যায় মিছিল
নিয়ে বেরুতে । এরা বের হয় ছোট ছোট
দলে , চিপা গলিতে।
এরা কখনো বাস
ভাঙে না ট্রেনেও আগুন দেয় না।
এদের প্রধান কাজ সি.এন.জি আর
মিশুক জাতীয়
অটো রিক্সাকে ঠেলে উল্টে ফেলার
ব্যর্থ চেষ্টা করা।

মাঝে মাঝে লাঠি বা ঢিল উঁচিয়েনিরীহ
রিক্সাওয়ালাদের
দিকে এদেরকে তেড়ে যেতে দেখা যায়।

লক্ষণীয় ব্যপার হচ্ছে, যদিও
পিকেটিংয়ের জন্য স্লীম সাস্থ্যই
কাঙ্ক্ষিত, কিন্তু এরা প্রত্যেকেই
অবধারিত ভাবে ছোটখাট হাতি সাইজ।

পুলিশের সাথেও এদের সংঘাত
বাঁধে কম. . . (অবশ্য এদের যে সাইজ,
আমাদের শুকনা নির্ভূড়ি পুলিশরাই
মে বি ভয়ে থাকে) :’D

আচ্ছা, এরা আসলে কারা ?? স্বাস্থ
ভালো বলে হরতাল
পালনকারীরা ফাইটিংয়ের জন্য এদের
নামাইছে ?? নাকি এই
মহিলা বাহিনী ডায়েট কন্ট্রোলের
জন্য নিজেরাই স্বপ্রণোদিত
হয়ে মাঠে নামছে ???

যদি হরতালকারীরা নামিয়ে থাকে তাহলে
বিশাল ‘ঘালাত’ কাজ করে ফেলছে।

ক্রিকেটার নির্বাচনের মত পিকেটার
নির্বাচনেও ভুল।
কারণ এই বিশেষ
সিলিন্ডার বাহিনীকে স্পেশাল
ঘি দেয়া বিরিয়ানী খাওয়াতে খাওয়াতে
ফকির হয়ে যেতে হবে।

সুতরাং ভবিষ্যতে তাদের দলীয়
হরতাল কার্যক্রম
মারাত্মকভাবে ব্যহত হতে পারে। আর
যদি এই আন্টিরা ডায়েটিংয়ের
উদ্দেশ্যেই এসে থাকেন
তাহলেতো বলতে হয় মারহাবা !!

আন্টিদের বুদ্ধি আছে।
সময়কে কিভাবে কাজে লাগাতে হয়
সেটা তাদের থেকে ভালো আর কেউ
জানে না।
উনারা পরিস্থিতির শিকার
নন, বরং পরিস্থিতি উনাদের শিকার।

হা হা হা. . . অদূর ভবিষ্যতে উনারাই
হতে পারবেন ডিজিটাল বাংলার
ডেয়ারিং সোলজার্স, আগামীর
অগ্রদূত। জয় সিলিন্ডার বাহিনীর
জয় !! :’D

বিঃদ্রঃ ‘আমি ঘরে খেয়ে বনের মোষ তাড়াই’

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

২ thoughts on “‘ঘরে খেয়ে বনের মোষ তাড়ানো’

  1. লেখা টা বিদ্রূপাত্মক হলেও খুব
    লেখা টা বিদ্রূপাত্মক হলেও খুব একটা মান সম্মত হয় নি ,। আর আপনি লেখা টা কবিতার ফরম্যাট এ লিখেছেন । এটা একটা ভুল। শুভেচ্ছা রইল আশা করি ভাল লিখবেন আর ও 🙂

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

33 − 27 =