যে কারনে একজন নিবেদিতপ্রান মুসলমান ইসলাম ত্যাগ করল

২০০০ সালে এক লোক ইসলাম গ্রহন করেছিল , তারপর সে বিশ্ববিদ্যালয়ে ইসলাম নিয়ে পড়াশুনা করল , এমন কি আরবী ভাষাও শিখল। বিগত এক যুগের বেশী সময় ধরে ইসলাম প্রচার করে বেড়াল। কিন্তু হঠাৎ করে তার কি যে হলো , সে ইসলামকে যখন ভালভাবে বুঝল তখনই ইসলাম ত্যাগ করে কাফের হয়ে গেল। ইসলাম প্রচারের সময় সে বহু ভিডিও তৈরী করে ইউ টিউবে প্রকাশ করত , আর বর্তমানে ইসলাম ত্যাগ করে ইউ টিউবে প্রকাশ করছে , কেন সে ইসলাম ত্যাগ করল।

তার ইসলাম ত্যাগের কারন সম্পর্কে জানা যাবে এখানে : https://www.youtube.com/watch?v=b9Vg7Uv23bg

তবে তার প্রধান কারন ছিল ইসলাম যৌন বিষয়ে খুবই অনৈতিক ও বর্বর বিধান জারি করেছে , যেমন কোরান বলছে –

সুরা নিসা -৪: ২৪: এবং নারীদের মধ্যে তাদের ছাড়া সকল সধবা স্ত্রীলোক তোমাদের জন্যে নিষিদ্ধ; তোমাদের দক্ষিণ হস্ত যাদের মালিক হয়ে যায়-এটা তোমাদের জন্য আল্লাহর হুকুম। এদেরকে ছাড়া তোমাদের জন্যে সব নারী হালাল করা হয়েছে, শর্ত এই যে, তোমরা তাদেরকে স্বীয় অর্থের বিনিময়ে তলব করবে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ করার জন্য-ব্যভিচারের জন্য নয়। অনন্তর তাদের মধ্যে যাকে তোমরা ভোগ করবে, তাকে তার নির্ধারিত হক দান কর। তোমাদের কোন গোনাহ হবে না যদি নির্ধারণের পর তোমরা পরস্পরে সম্মত হও। নিশ্চয় আল্লাহ সুবিজ্ঞ, রহস্যবিদ।

এই আয়াত সম্পর্কে মুহাম্মদ যে ব্যখ্যা দিয়ে গেছেন , তা জানা যাবে নিচের হাদিসে –

সহিহ মুসলিম :: খন্ড ৮ :: হাদিস ৩৪৩২
উবায়দুল্লাহ ইবন উমর ইবন মায়সারা কাওয়ারীরী (র)……।আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, রাসুলুল্লাহ (সা) হুনায়নের যুদ্ধের সময় একটি দল আওতাসের দিকে পাঠান । তারা শক্রদলের মুখোমুখী হয়েও তাদের সাথে যুদ্ধ করে জয়লাভ করে এবং তাদের অনেক কয়েদি তাদের হস্তগত হয় । এদের মধ্য থেকে বন্দিনী নারীদের সাথে সহবাস করা রাসুলুল্লাহ (সা) -এর কয়েকজন সাহাবী যেন না জায়িয মনে করলেন, তাদের মুশরিক স্বামী বর্তমান থাকার কারণে । আল্লাহ তায়ালা এ আয়াত অবতীর্ণ করেন “এবং নারীর মধ্যে তোমাদের অধিকারভূক্ত দাসী ব্যতীত সকল সধ্বা তোমাদের জন্য নিষিদ্ধ-, অর্থাৎ তারা তোমাদের জন্য হালাল, যখন তারা তাদের ইদ্দত পূর্ন করে নিবে ।” (সুরা নিসা- ৪:২৪)

অর্থাৎ যুদ্ধের সময় যদি কোন নারীকে বন্দি করা হয়, তার স্বামী জীবিত থাক বা মৃত হোক , কিছুই যায় আসে না , তার সাথে যৌন কাজ করা যাবে , অর্থাৎ আসলে তাকে ধর্ষন করা যাবে।

এই লোকের মতে , পরম দয়ালু সৃষ্টিকর্তা কখনই এই ধরনের অনৈতিক ও বর্বর বিধান জারি করতে পারে না। সুতরাং ইসলাম কোনভাবেই সেই সৃষ্টিকর্তার কাছ থেকে আসতে পারে না। মুহাম্মদও কোন নবী না বরং মুহাম্মদ হলো আসলে একটা মরু দস্যু, বহুগামী খুনি, নীতিহীন একজন এক নায়ক। আর তাই সে ইসলাম ত্যাগ করল।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

৫ thoughts on “যে কারনে একজন নিবেদিতপ্রান মুসলমান ইসলাম ত্যাগ করল

  1. ইসলামের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করাই
    ইসলামের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করাই দুনিয়া ও অাখেরাতের সবচেয়ে বড় বর্বরতা সুতরাং যেসব নারী ইসলামের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবে তাদের প্রতি ঠিক বিধানই অাল্লাহ পাক জারি করেছেন, অার ইসলামতো মুসলমানের জন্য শান্তি সম্মান বয়ে অানে কোন কাফের মুশরেকের জন্য নয়।

    1. ইসলাম আজকে দুনিয়াব্যপী একটা
      ইসলাম আজকে দুনিয়াব্যপী একটা অসভ্য ও বর্বর আদর্শের নাম। দুনিয়ার সকল মানুষেরই উচিত এই বর্বর ও অসভ্য আদর্শ বর্জন করা ও এর বিরুদ্ধে সংগ্রাম করা।

  2. ইসলাম যুদ্ধবন্দী নারীদেরকে
    ইসলাম যুদ্ধবন্দী নারীদেরকে বন্দী না রেখে তাদেরকে পরিবারের অন্তর্ভুক্ত করে নিতে বলছে আর তাদেরকে বার বার মুক্তি দিতে বলেছে যুদ্ধবন্দীদের উপর কোন রকম বল প্রয়োগ নিষেধ করেছে। এই বিষয়টা আপনার ভিডিওর ছাগলটা কিছুতেই বুঝতে পারে নি আর ডিফেন্ড করতে পারে নি। তাই শেষ পর্যন্ত যেই লাঊ সেই কদু!

    1. আসলেই তাই মনে হয়। নইলে সে যে
      আসলেই তাই মনে হয়। নইলে সে যে হাদিস বলেছে , সেখানে তো আসলে মুহাম্মদ ও আল্লাহ উভয়ই মুসলমানদেরকে বলেছে তোমরা বন্দিনী নারীদের সাথে প্রেমের সাথে যৌন সঙ্গম কর। অথচ এই লোক বুঝল সেটা নাকি বন্দিনী নারী ধর্ষন !

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

+ 45 = 54