দীর্ঘদিন ইসলাম প্রচার করে অবশেষে মুফাস্সিল ইসলাম ইসলাম ত্যাগ করলেন

ফেসবুক ও ইউটিউব জগতে যাদের বিচরন তাদের কেউ কেউ এই বাঙ্গালী মুফাস্সিল ইসলামকে চিনে থাকবেন। এই ব্যাক্তি দীর্ঘদিন ধরেই অনলাইন জগতে ইসলাম প্রচার করতেন। ইসলাম বিদ্বেষী, নাস্তিকদের প্রতি তিনি ছিলেন খড়গ হস্ত। ইসলাম নিয়ে তার জ্ঞান ঈর্ষনীয়। সেই জ্ঞান থেকেই তিনি ইসলাম প্রচার করতেন। কিন্তু সেই ব্যাক্তিই এক পর্যায়ে উপলব্ধি করতে পারলেন যে ইসলাম আসলেই ভূয়া , আর মুহাম্মদ কোন নবী নয়। সে কারনেই অবশেষে তিনি ইসলাম ত্যাগ করে বর্তমানে ইসলাম কেন অসত্য ও ভূয়া, সেটাই অনলাইন জগতে প্রচার করছেন।

তার ইসলাম ত্যাগের একটা বড় কারনই হচ্ছে , মুহাম্মদের বর্বরতা , অনৈতিকতা ও অমানবিক নিষ্ঠুর আচরন। যেমন – অনেকেই জানেন, মুহাম্মদ ও তার দলবল এক ভোরে হঠাৎ করে খায়বার নামক এক জনপদে আক্রমন করে সেখানকার সকল ইহুদিদেরকে হত্যা করে। হত্যা করেই থামে নি মুহাম্মদ। সে ইহুদিদের সর্দার কিনানাকে নির্মমভাবে অত্যাচার করে তাকে হত্যা করে, তার সম্পদ কোথায় লুকিয়ে রেখেছে তা জানার জন্যে। অত:পর যে দিন মুহাম্মদ কিনানাকে হত্যা করে সেই রাতেই সে কিনানার বিধবা স্ত্রী সাফিয়াকে নিয়ে রাত কাটায় আর তাকে ধর্ষন করে , পরদিন সবার সামনে মুহাম্মদ সাফিয়াকে বিয়ে করবে বলে ঘোষনা দেয়। মুফাস্সিল ইসলামের বক্তব্য- যে মুহাম্মদ এই ধরনের হীন বর্বর ও অমানবিক চরিত্র ধারন করে , সেই লোক আর যাই হোক নবী হতে পারে না , কোন ভাল মানুষ হতে পারে না , কোন আদর্শ মানুষ হতে পারে না।

মুফাস্সিল ইসলামের কিছু বক্তব্য দেখা যাবে নিচের ইউটিউবের লিংকে:

https://www.youtube.com/watch?v=AS2gYLX2KCs

https://www.youtube.com/watch?v=Hvup5ZxQYn0

https://www.youtube.com/watch?v=V87cSB_8yCk

https://www.youtube.com/watch?v=Pg-8L0uZik0

https://www.youtube.com/watch?v=LxkWQTEd5M0

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

৭ thoughts on “দীর্ঘদিন ইসলাম প্রচার করে অবশেষে মুফাস্সিল ইসলাম ইসলাম ত্যাগ করলেন

  1. এ পর্যন্ত মুফাসসিলের চারটা বউ
    এ পর্যন্ত মুফাসসিলের চারটা বউ ভেগে গেছে। তার মাথার নাই ঠিক। এ পাগলাকে বেশী হাইলাইট না করা আমাদের ভাল হবে।

  2. পাগল হলেও দলে একজন লোক বারল।
    পাগল হলেও দলে একজন লোক বারল। এই পাগলকে এখন থেকে মুমিনদের বিরুদ্ধে কাজে লাগানো যাবে।

  3. যারা অাল্লাহ এবং তাঁর রাসুলের
    যারা অাল্লাহ এবং তাঁর রাসুলের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে সেই সব নারীরা দাসী হবে অার কোরানে দাসীদের সাথে যৌন সম্পর্ক জায়েজ,এটা একটা যুদ্ধ বিধান। এই সহজ বিষয়টাও এদের মাথায় ঢোকে না, যুদ্ধের ময়দানে এরা মানবতা খুজে ফিরে,যুদ্ধে যদি তারা রাসুলের বিরুদ্ধে জয় লাভ করত তাহলে তারা কি করত? চুমা খেত তাই না?

    1. যে ধর্মে যুদ্ধে হেরে যাওয়া
      যে ধর্মে যুদ্ধে হেরে যাওয়া পক্ষের মেয়েদের সাথে যৌন সম্পর্ক করা জায়েজ এবং এই ধরনের মানবতা বিবর্জিত অপকর্মকে যারা সমর্থন জানায়; সেই ধর্ম ও সমর্থনকারী ব্যক্তিবর্গ মানসিকভাবে অসুস্থ। এমন ধর্মকে সমাজ থেকে বিলীন করে দেওয়া মানবতার জন্য মঙ্গলজনক।

      1. যেসব নারী যদ্ধ করতে এসে বন্দী
        যেসব নারী যদ্ধ করতে এসে বন্দী হয়েছে তাদের কে হত্যা না করে দাসী বানিয়ে বাঁচিয়ে রাখা কি মানবতার বিরুদ্ধে ? সমস্ত যুক্তি বলবে দাসী বানিয়ে রাখা উত্তম হত্যা করার চেয়ে।

      2. @দুলাল
        @দুলাল
        যেহেতু আপনারা ইসলাম শিখেন অভিজিত রায় এবং তার মত অন্যান্য হিন্দু ব্লগারের লিখা পড়ে তাই আপনাদের জানাটা অনেক অসম্পুর্ন।

        ইসলাম বন্দী নারীদেরকের আটকে রেখে পাশবিক নর্যাতন করতে নিষেধ করে; তাদেরকে মুক্তিপনের বিনিময়ে ছেড়ে দিতে বার বার উতসাহিত করে; তাদেরকে প্রস্টিটিউশনে নিয়জিত করা নিশেধ করে ( বন্দী নারীদেরকে প্রস্টিটিউশনে বাধ্য করা তখন প্রচলিত ছিল)। তাদের জোর পুর্বক যৌন কর্মে নিয়োজিত করতে নিষেধ করে।

        কিন্তু সেসময় যুদ্ধবন্দীরা দাস-দাসী হিসেবে কোন না কোন মালিকের অধিনে থাকত। যেহেতু দাস দাসীর স্বাভাবিক বিয়ের ব্যবস্থা ছিল না তাই ইসলাম তাদের সাথে যৌন ক্রিয়া হালাল করেছে। এতে একজন বন্দী দাসী হয়েও তাকে প্রায় স্ত্রীর মত মর্যাদা দেয়া হয়। এবং দাসীর সন্তান সম্পুর্ন স্বাধীন ব্যাক্তি এবং মালিকের সম্পত্তির অংশীদার হয়।
        এভাবে ইসলামই প্রথম বন্দী দাস দাসীদের বৈধ সন্তান ও সম্পত্তি লাভের অধিকার দিয়েছে; যখন সারা পৃথিবীতে তাদেরকে শুধু পণ্যের মত বাজারে কেনা- বেচা করা আর যৌন দাসী হিসেবে ভোগ করা হত।
        কিন্তু এসব বাস্তবতা বোঝার মত যথেষ্ট ঘিলু আপনার আছে বলে মনে হয় না।

  4. ইসলাম ত্যাগী নাস্তিক
    ইসলাম ত্যাগী নাস্তিক মুফাসসিলের এই ভিডিওটা দেখেন। হাসতে হাসতে পেটে খিল ধরে যাবে।ইসলাম ত্যাগীদের নেচার আর বুদ্ধি-সুদ্ধি কেমন সেটা একটূ ধারনা পাওয়া যাবে।

    https://www.youtube.com/watch?v=UoYZ8xL7jZY

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

+ 17 = 18