জীবনের সারাংশ

একদা ‘ঁ'(চন্দ্রবিন্দু) তার প্রিয়তম ‘ক’ কে বলেছিল,”আর কি কখনই দেখবো না তোমাকে?”
‘ক’ উত্তরে বলে “কেন দেখবে না,ভরা পূর্ণিমায় আমার প্রিয় সবুজ শাড়ী পড়ে জোছনাবিহারে এসো,তুমি একা। জোছনা হয়ে সেদিন আমিই তোমার গায়ে মাখবো।”

‘ঁ'( চন্দ্রবিন্দু ) বলে,”তোমাকে যখন তখন যা তা বলেছি!”

‘ক’ উত্তর দেয়,”ছেড়ে তো আর যাওনি কোনদিন!”

“ভাল থাকবা,কথা দাও?”

“তোমাতে অভ্যস্ত আমি। অভ্যাসটা ছাড়তে অনেক কষ্ট হবে বৈ কি!”

“আমাকে বিদায় দেবে না?”

“হ্যাঁ যাও। বাকি ভালবাসাটুকু জমা রইলো। একদিন নিজের ভাগেরটা চাইতে আসবো।”

“আমার মনটা রেখে গেলাম,বাঁচিয়ে রেখো। তুমি ভাল থাকলেই তোমার পরী বেঁচে থাকবে।”

“প্রমাণ দিয়ে ভালবাসায় আমি বিশ্বাসী নই। চোর হয়ে সিঁদকাঠি নিয়ে ঢুকেছিলাম তোমার ঘরে। পরীকে চুরি করে চুরি ছেড়ে দিয়েছি,সিঁদকাঠিও ফেলে দিয়েছি।”

“বেঁচে থেকো আমার জন্য!”

“বাঁচবো,অবশ্যই বাঁচবো। ‘ক’-এরা কখনও মরে না। যুগে যুগে বেঁচে থাকে ‘ঁ'(চন্দ্রবিন্দু)’র ভালবাসাকে বাঁচিয়ে রাখতে আর হারিয়ে গিয়ে তাকে কিছুটা ভাল সময় ফেরত দিতে যে কি না ‘ক’ এর সবচেয়ে খারাপ সময়ে পাশে ছিল…সে যেন সুখী হয়।”

অতঃপর…অবশেষে অবসাদ!!

কোন কিছুরই ‘শেষ’ ঠেকানোর ক্ষমতা মানুষকে দেয়া হয়নি,একমাত্র ‘সম্পর্ক’ ছাড়া। আবার সে ক্ষমতার নাটাই ধরে ঝুলে থাকবে হাজারটা বিপত্তি! আজকাল সেই বিপত্তির সুতো কাটে কিছু ছোট-বড় কাগজের ভারে। এই ‘শনি’ কাটাতে জীবনের তাজা সময়টা বিসর্জন দিয়ে একদিন ঐ ছোট-বড় কাগজের মালিক যদিওবা কেউ হয়ও,ঐ কাগজ গুলোর জন্য আজ সে যা হারালো তার ক্ষতিপূরণ সে কোথায় খুঁজবে?! যেদিক দিয়েই যুক্তি টানা হোক না কেন,শেষে যেয়ে সব যুক্তিই একখানে মিলবে “You are nothing without money and certificate!”….মোরাল হল বিশ্বাসে মিলায় বস্তু,তর্কে বহুদূর!! ‘ক’ এ মোরালে বিশ্বাস করে….আমি করি না।।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

49 + = 59