গুলশান-রেস্টুরেন্টে হামলাকারীদের আসল পরিচয়

গুলশান-রেস্টুরেন্টে হামলাকারীদের আসল পরিচয়
আচার্যবাঙ্গালী

গুলশান-রেস্টুরেন্টে পরিকল্পিতভাবে হামলা করা হয়েছে। এটি গুপ্তহামলা কিংবা আকস্মিক হামলা কিংবা প্রকাশ্য হামলা। যে-ভাবেই বলি না কেন—এটি রাষ্ট্রবিরোধীঅপকর্ম। আর সবচেয়ে বড় সত্য হলো: এই হামলাকারী-বন্দুকধারীরা আমেরিকা-ইসরাইল কিংবা সিরিয়া-সুদান থেকে আসেনি। এরা এই বাংলাদেশের বাসিন্দা। কিন্তু এরা কেউই মনেপ্রাণে বাঙালি কিংবা বাংলাদেশী নয়। কিন্তু এরা বহাল তবিয়তে দীর্ঘকাল যাবৎ বাংলাদেশে বসবাস করছে। আর এরা বাংলাদেশে বাস করে বাংলাদেশের বিরুদ্ধেই একের-পর-এক ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে।

গুলশান-রেস্টুরেন্টে গতকাল (০১/০৭/২০১৬ খ্রিস্টাব্দ) রাতে যারা আকস্মিকভাবে হামলা করেছে, তারা এই দেশের চিহ্নিত-সন্ত্রাসী। এরা কেউই বাঙালি কিংবা বাংলাদেশী নয়। এরা স্পষ্টভাবে পাকিস্তানের জারজসন্তান। এরা পাকিস্তানের জারজ-গোয়েন্দাসংস্থা আইএসআই ও ইসরাইলের জারজগোয়েন্দাসংস্থা মোশাদের এদেশীয় এজেন্ট।

হামলাকারীদের আসল পরিচয়:
এরা ১৯৭১ সালের পাকিস্তানের জারজসন্তান জামায়াত-শিবিরের এজেন্ট। এরা এখন ভিন্ন-ভিন্ন নামে সংগঠিত হয়েছে ও হচ্ছে।
এরা কোনো আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসী নয়। এরা বাংলাদেশের জামায়াত-শিবিরকর্মী। এরা নিজেদের স্বার্থে হামলা করে প্রচার করে আইএস বলে। একঅর্থে এরাও আইএস-এজেন্ট। কিন্তু এরা বাংলাদেশের চিহ্নিত-সন্ত্রাসীজারজগোষ্ঠী জামায়াত-শিবির।
কিছুদিন আগে হিন্দুপুরোহিত ও খ্রিস্টানপাদ্রী হত্যা থেকে শুরু করে দেশের ভিতরে যাবতীয় নাশকতার মূলে এই জামায়াত-শিবিরের জারজসন্তানগং।
দেশের ভিতরে যত ব্লগারকে হত্যা করা হয়েছে তার মূলেও এই জামায়াত-শিবির-জারজচক্র।

এখন রাষ্ট্রের দায়িত্ব হচ্ছে বাংলাদেশবিরোধী জারজসংগঠন জামায়াত-শিবিরের শীর্ষস্থানীয় সকল জারজনেতাদের ক্রসফায়ারে দেওয়া। এবং তা একরাতের মধ্যেই।
আর তা না করলে এই দেশে মিথ্যা জঙ্গীদমন নাটকের কোনো প্রয়োজন নাই।

বিনয়াবনত
আচার্যবাঙ্গালী
ঢাকা।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

29 − 22 =