জঙ্গীবাদ ও কিছু প্রশ্ন

গুলশান ঘটনার পর একটা বিষয় স্পষ্ট যে এতদিন যারা মাদ্রাসাকে জঙ্গি উৎপাদনের কারখানা বলতেন তারা আজ দেখুন কারা এই হামলায় জড়িত। তারা কেউ মাদ্রাসার ছাত্র না। তারা সবাই দেশ বিদেশের নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। আমরা এর আগে এতদিন সবাই জানতাম যারা জঙ্গী হয় তারা সবাই মাদ্রাসায় পড়াশুনা করে। স্কলাসটিকা এবং নর্থ – সাউথ ইউনিভার্সিটির ছাত্ররা জঙ্গী তৈরীর মূল কারখানা, তবু ও সরকার কেন ঐ সকল প্রতিষ্ঠান গুলো বাংলার মাটি তে নিষিদ্ধ করছে না। কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে তারা মাদ্রাসার পাশাপাশি নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। আর এমন কাউকে পাওয়া গেলে বুঝতে হবে সে মুমিন না মুনাফেক। বিশ্বের সকল জঙ্গি হামলায় তথাকথিত আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিতরা এই ধরনের হামলার সাথে জড়িত।
এখন জাতি হিসেবে আমরা এক বিশাল জটিল এবং গুরুত্বপূর্ণ কাজের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে। আবেগ দিয়ে এই কাজের সমাধান মিলবে না,বুদ্ধিমত্ত্বা দিয়ে দূরদর্শিতা দিয়ে সমাধান খুঁজতে হবে আমাদের। আমাদের ভবিষ্যত এক সঙ্কটপূর্ণ জায়গায় ঝুলে গেছে, বিশাল চ্যালেন্জের সামনে দাঁড়িয়ে আমরা কাঁপবো না,টলবো না,মচকাবো না,লড়ে যাবো প্রাণপণে,জিততে আমাদের হবেই!!দেশ প্রেমিক আমরা,আমরা রক্ত দেবো,জান দেবো,অশুভ জানোয়ারের কাছে কোনদিন পরাজিত হবোনা!!ঠাণ্ডা মাথার খুনিদের কাছে বীরের জাতি মাথা নোয়াবে না কোনদিন,এদের নির্মূল করেই আমরা বাংলাদেশকে আর বাংলাদেশের মানুষের ভবিষ্যতকে নিরাপদ করবো,ইনশাল্লাহ্!!!

রেস্টুরেন্ট সহ এত ভিআইপি এলাকার সিসি ক্যামেরা গুলোর ফুটেজ কোথায়? সেগুলো থেকেই তো একটা স্পষ্ট ধারনা পাওয়া যেতে পারে। কেন সবকিছু নিয়ে ছলচাতুরী করে হাইড এন্ড সিক গেইম খেলা হচ্ছে?
হাসান মাহমুদ সাহেব আর শাহরিয়ার কবির তো স্পষ্ট বলেই দিয়েছে জামাত এবং বিএনপির কাজ। এমন তথ্য পাওয়ার পর কেন তাদের গ্রেফতার করা হচ্ছে না বিস্তারিত তথ্যের জন্য?
যে ছেলেগুলোর ছবি দেয়া হয়েছে সেটি যদি সত্যি হয় তবে তারা কোন মাদ্রাসা থেকে পড়ুয়া না এবং তাদের চেহারা বা পারিবারিক ব্যাকগ্রাউন্ড দেখে মুটামুটি স্পষ্ট যে তারা ইসলামের সাথে সবসময় দূরত্ব বজায় রেখে চলেছে,এমন ছেলে গুলোকে ইসলামিক বলে সরকার যে ইসলামকেই ধ্বংস করতে চাচ্ছে তা বুঝতে বাঙ্গালীর আর কতদিন প্রয়োজন?
“ডিম পাড়ে হাঁসে,খায় বাঘডাশে”।

শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published.