আসুন সবাই পথে নামি

দেশটা দেখতে দেখতে জঙ্গিবাদ কবলিত পাকিস্তান, আফগানিস্তান হয়ে যাচ্ছে। এতে যদি আপনার আনন্দ হয় তাহলে কিচ্ছু করা লাগবে না। যেমন আছেন তেমনই থাকেন। কিন্তু যদি এতে আপনি আতঙ্কিত হন, আশঙ্কিত হোন, উদ্বিগ্ন হোন তাহলে এখনও সময় আছে আসুন সবাই মিলে পথে নামি। কোন একক ব্যক্তি বা সংগঠন নয়, দেশের সকল শুভবুদ্ধি সম্পন্ন মানুষদের প্রতি কিছু দাবীনামা উত্থাপন করছি। আসুন সবাই মিলে একসাথে এই দাবীগুলো উচ্চারণ করি।

১। মৌলবাদ-জঙ্গিবাদ-সাম্প্রদায়িকতা বিরোধী সকল রাজনৈতিক-সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোকে নিয়ে অবিলম্বে একটা নাগরিক সংলাপের আয়োজন করুন।
২। সেখান থেকে সারা দেশে একযোগে কিছু কর্মসূচি ঘোষনা করুন।
৩। ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সকল শ্রেণী পেশার মানুষকে সাথে নিয়ে জঙ্গিবাদ-মৌলবাদ-সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে সর্বাত্মক আদর্শিক যুদ্ধ ঘোষণা করুন এবং রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ফ্রন্ট উন্মুক্ত করুন। গ্রামে গ্রামে মহল্লায় মহল্লায় এই ফ্রন্টের শাখা গড়ে তুলুন।
৪। সর্বশেষ এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দাবী, তেঁতুল শফির মুরিদ, জঙ্গিবাদের প্রধান পৃষ্ঠপোষক, মদিনা সনদের বাস্তবায়নকারী আওয়ামী জোট এবং বাংলাদেশ জামাতে ইসলামের জাতীয়তাবাদী শাখা সংগঠন বিএনপি থেকে সমান দূরত্বে অবস্থান গ্রহণ করুন।

সময় কিন্তু দ্রূত বয়ে যাচ্ছে। যা করার তাড়াতাড়ি করুন। এ দেশ যদি একবার বাংলাস্তান হয়ে যায় তাহলে কিন্তু আর বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে না।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

২ thoughts on “আসুন সবাই পথে নামি

  1. খোদ ইসলামটাই যেখানে
    খোদ ইসলামটাই যেখানে সন্ত্রাসবাদী আদর্শ, সেই আদর্শকে ধারন করে , বাংলাদেশের মানুষের পক্ষে কিভাবে জঙ্গিবাদ দমন করা সম্ভব ? যে দেশের ৯০% লোক মুসলমান , আর তাদের ১০০% ই সম্ভবত: দেশে শরিয়া আইন কায়েম করতে চায়, সেই তাদের দিয়ে তো জঙ্গি দমন করা সম্ভব না, কারন তারা প্রতেকে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সবাই এই জঙ্গিবাদকেই সমর্থন করে।

    1. হতে পারে কিন্তু এই ৯০%
      হতে পারে কিন্তু এই ৯০% মুসলমানের দেশই ধর্মভিত্তিক রাষ্ট্র পাকিস্তান থেকে আলাদা হওয়ার জন্য জান বাজি রেখে লড়াই করেছিলো। এই ৯০% লোকেরাই “তোমার আমার ঠিকানা, মক্কা আর মদীনা”র পরিবর্তে “তোমার আমার ঠিকানা, পদ্মা-মেঘনা-যমুনা” বলে শ্লোগান দিয়েছিলো। এই ৯০% লোকেরাই “পাকিস্তান জিন্দাবাদ” ভেঙ্গে দিয়ে “জয় বাংলা” গঠন করেছিলো। আজ যদি এদের কোন অধঃপতন হয় তবে তা দেশের দুর্বৃত্তায়িত রাজনীতির কারণে। তাই এদেরদে এই সকল দূর্বৃত্তায়িত রাজনৈতিক দল এবং নেতাদের থেকে আলাদা হয়ে নিজেদের একক রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হতে হবে। জনগণের সমস্যা সংকট সমাধানের নিমিত্তে মুহুর্মুহু গণআন্দোলন আবার যখন শুরু হবে তখন এইসব জঙ্গিবাদ ফঙ্গিবাদ ধুয়ে মুছে সাফ হয়ে যাবে।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

− 1 = 1