প্রেমপত্র-৮৫

আত্রিলতা,
তুমি কি জানো পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর দ্বীপ,তোমার কপালের ওই কালো টিপ।পূর্নিমার চাঁদ দেখেছি আমি,তোমার ওই মায়াবী মুখের হাসিতে।তোমাকে ছাড়া আমার বাস্তবের ভালোবাসাটাকে সাজাতে পারিনি কিন্তু কল্পনার ভালোবাসাটা রঙ্গিন আমার,যেখানে শুধুই তোমার বিচরণ!
কবে যে বলবে এই যে শুনছো দরজা খোলা। ঘরের ও মনেরও।
শীতের বাতাস হুহু করে ঢুকছে। দরজা দিয়ে কী শুধু বাতাসই ঢুকবে?
দুটো দরজাই খোলা তোমার জন্য! শীতের বাতাস ঢুকে আমার মনের মাঝেও সর্দি লেগে যাবে।আসো না?দরজাটা লাগাতে হবে তো।
আমি তোমাকে এটাই বলতে চাই,তোমার কাছে সঁপে দিলাম আমার জীবন মরণ দূরে রাখ, কাছে রাখ যেমন রাখ তেমন। এই হৃদয় আর এই তোমাকে চাওয়ার অদম্য ইচ্ছে। করবে তোমায় স্মরণ।কতো যে ইচ্ছে তোমায় নিয়ে বুঝলে।তোমায় নিয়ে কাঁটিয়ে দিতে চাই ১ লক্ষ বছর।
কি আনন্দময় হবে সেই জীবন। কত কথা হবে তোমার সাথে। কত টুকরো রঙিন স্মৃতি ঢেউয়ের মতো একের পর এক ভেঙে ভেঙে স্মৃতির তটভূমি ক্রমাগত ভিজিয়ে দিবে।ইচ্ছে করবে তোমাকেই বউ করে পেতে।যেদিন আসবে আমার ঘরে কিছুটা এমনই বলা হবে “তুমি প্রস্ফুটিত দুরু দুরু বুকে বধু সেজে বসে থাকবে।আমি এসে তার পাশে বসব। আমি আবেগময় কন্ঠে বলব, পাগলী, আজ থেকে আমার আর কোন ভাবনা নেই ।আমার যে ছোট ডিঙিখানি যমুনার জলে ভাসালাম,সেটি বাইবার দায়িত্ত্ব তোমার। তুমি যে দিকে তরি বাইবে ,আমি নিসংশয়ে তোমার হাত ধরে নিশ্চিত মনে সেদিকেই যাবো ।অতি সাধারন সাদাসিধে মানুষ।আমি জানি,তুমি প্রখর বুদ্ধিমতী মেয়ে ।তোমায় পাশে পেয়েছি তাই আজ থেকে আমি ভাবনামুক্ত মানুষ । তুমি তাকিয়ে দেখবে ,এ চোখে কত ভালবাসা। তুমি নবরত্নের নিপট সরলতায় মুগ্ধ হয়ে নববধুর অতি সাধারণ সলাজ জড়তা উপেক্ষা করে আমাকে জড়িয়ে ধরে বলবে “তোমায় ভালবাসি আমি,তোমার সমস্ত দুঃখ কষ্টেও আমি শান্তির আচল প্রসারিত করে তোমায় জড়িয়ে রাখব। ” অত:পর তোমার চোখে কাটিয়ে দিব কতশত মুহূর্ত আর ঐ গভীর আঁখিতে ভেসে যাব আমি।ভাসব কখনও আবার কখনো ডুব দিব।তোমার মায়াবী আঁখিতে মজে তোমায় জড়িয়ে বিভোর হয়ে থাকব শতবর্ষ ।জীবনের টুকরো ভালোলাগার সবটুকু শুষে নিব গভীর একাগ্রতায়। জীবনের টুকরো টুকরো মধুসুখের ক্ষনগুলো অবাক করা সুন্দরতায় তোমার আমার জীবনকে কানায় কানায় পুরন করে দিবে শত বর্ষ ।বেঁচে থাকবে হৃদয় মাঝে এমনই জীবনের প্রত্যাশা।আমি শতবর্ষ এভাবেই একাগ্র ভাবে তোমাকেই চাইব আর এভাবেই ভালবাসব।তোমার এ আঁখির কসম।শত সহস্র ভাবে বলে দিব ভালবাসি।আগুন ছুঁয়ে বলতে পারি-ভালবাসি,সহস্রবার বলতে পারি,লক্ষ-কোটি উচ্চারনেও তিলমাত্র ক্লান্তি নেই। লজ্জা,দ্বিধা সংকোচহীন ভালবাসি বলেই। আমি গর্ব করে বলতে পারি-ভালবাসি।বলতে পারি মিছিল করে কিংবা তোমার কানের কাছে মুখটি নিয়ে ফিসফিসিয়ে।খুব আবেগে বলতে পারি- ভালবাসি
না বলেও বলতে পারি,শত শত বার ফিরিয়ে দিলেও ফিরে এসে তোমায় লি ভালবাসি খুব ভালবাসি।
এমন শত ভালবাসা রয়েছে তোমারই জন্যে।তুমি হ্যা বললেও তোমাকেই ভালোবাসবো; না বললেও ভালোবাসবো শুধু তোমাকেই.।তোমার দিব্যি।
তোমার
মেঘকাব্য

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

7 + 3 =