বারুদের গন্ধ কেমন লাগল, নবী মুহাম্মদ?


হায় নবী মুহাম্মদ,তোমাকেও এবার বারুদের গন্ধ পেতে হলো!!!!!!
-এটা কি তোমার সাচ্চা উম্মতদের দেয়া পুরস্কার? নাকি তিরস্কার?
-নাকি তোমাকে তোমার ট্রেনিং প্রাপ্ত উম্মতেরা দেখালো তোমারই আদর্শের পথে তারা কতদুর অগ্রবর্তী হয়েছে?
-বড় বেশি জানতে ইচ্ছে হচ্ছে তুমি খুশি হয়েছ কি না?
মনে হয় অনেক খুশি হয়েছ!! কারন তোমার খাস উম্মতেরা তোমার থেকেও আধুনিক পন্থায় যে তাদের উপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে এরই প্রমান হিসাবে তোমার মাঝারের নিকটে বোমা ফাটালো !!

আজ সারা বিশ্ব তোমাররি সাচ্চা উম্মতদের (জঙ্গীদের) দাপটে কম্পমান। সমগ্র বিশ্বব্যাপি তোমার সাচ্চা উম্মতদের নিয়ে মাথা ঘামাচ্ছে বড় বড় জ্ঞানী ব্যক্তিরা। নাস্তিক থেকে ধার্মিক সবাই তোমার সাচ্চ অনুসারীদের পক্ষে-বিপক্ষে ডিবেট করে বেড়াচ্ছে। বর্তমান বিশ্বের এখন একটাই আলোচনার বিষয় তা হলো তোমার পেয়ারের উম্মতগন,অবশ্য সবাই এদের জঙ্গী নামে ডাকতেই বেশি পছন্দ করে।

এই তো সেদিন গুলশানে তোমারই দেখানো কায়দায় ২০ জনকে জবাই করল তোমার খাস কয়েকজন উম্মত।অবশ্য তারা নিজেরাও কেউ বেঁচে নেই।মরার আগে তারা জানিয়ে গেছে কাফের হত্যার পুরস্কার হিসাবে তারা বেহেস্তে প্রবেশ করবে। তাদের জন্য ৭২জন হুরের অপেক্ষার প্রহর গুনা শেষ হবে।নিশ্চই তুমি জান্নাতের গেটে তুমি তাদের স্বাগত জানিয়েছিলে?

কিছু মডারেট মুসলিমরা আজ জঙ্গীদের নিন্দা করছে, তারা নাকি অনৈসলামিক কাজ করেছে,তাদের কর্মকান্ড না কি ইসলাম সমর্থন করেনা!! একদল আলেম কিছুদিন আগে হুট করে মিডিয়ার সামনে বলে দিলে জঙ্গীদের সাথে ইসলামের কোন সম্পর্ক নেই ,ইসলাম জঙ্গীবাদ সমর্থন করেনা। দেখলে তো নবী মুহাম্মদ,তারা কিভাবে তোমার বিরোধীতা করছে?

তারা কি জানেনা ,বদরের যুদ্ধে তোমাদের কি ভুমিকা ছিল? তারা কি জানেনা পুরো বানু কোরাইজা গোত্রকে তোমরা কিভাবে তলোয়ারের আঘাতে ছিন্ন-ভিন্ন করে মরুভুমির বালির তলে পুতে রেখেছিলে?সমস্ত দিন এবং রাতের কিছু অংশ লেগেছিল সবার শিরচ্ছেদ করতে,তোমার পবিত্র সাহাবাগন মানুষ জবাই করতে করতে যখন সবাই ক্লান্ত হয়ে পরল তখন তুমি তাদের অনুপ্রেরনা যুগিয়েছিলে এই বলে, এটা ইসলামের জন্য, শান্তির জন্য,আল্লাহর তুষ্টির জন্য ।ইসলাম প্রতিষ্ঠার জন্য এটা আল্লার পক্ষে পবিত্র দায়ীত্ব ।

শুধু তাই নয় জান্নাতুল ফেরদাউসে তাদের প্রতিজনের জন্য বরাদ্দ থাকবে একটি করে ফ্ল্যাট বাড়ি,সাথে ৭২জন জান্নাতি কুমারী রমনী আর অসংখ্য গেলমান। এর ফলে তারা পুর্ণ দমে তাদের উপর অর্পিত দায়ীত্ব পালন করেছিল,এমনকি তুমিও তাদের সাহায্যার্তে হাত লাগিয়েছিলে এ কাজে।

এ ছাড়া বানু নাদির গোত্রকে দেশ ত্যাগে বাধ্য করেছিলে তুমি,আরবের বিভিন্ন গোত্রের উপর অতর্কিত হামলা করে তাদের দিয়েছিলে ইসলামের সুশীতল শান্তি ।কারন তখনকার আরবে আইয়েমে জাহেলিয়াতের যুগে সেইসব ইহুদি খৃষ্টানরাই ছিল অনেকটা সংস্কৃতিমনা,উদারচেতা কাফের,যারা আল্লার আদেশে আসন্ন ইসলামকে সমর্তন দেয়নি,যতেষ্ট যুক্তিকতার অভাবের কারনে।

বর্তমানের জীহাদিরা কি তোমারই আদর্শের বর্তমান প্রতিবিম্ব নয়? অবশ্যই। অথচ মডারেট মুসলিমগন বলছে জীহাদিদের সাথে নাকি তোমার,তথা ইসলামের কোন সম্পর্ক নেই। এটা কি তাদের অজ্ঞতার ফল নয়?অথবা এরা কি চরম মিথ্যে বলছেনা?

তাদের ভাব দেখে এমন মনে হয় ,এরা তোমার জায়গায় আর তুমি তাদের জায়গায়। এরা প্রায়শ এটা বলে থাকে অনেক হাদিস নাকি মিথ্যা এই বলে তোমার অনেক সহীহ কর্মকান্ডকে মিথ্যা বলে প্রমান করার চেষ্টা করে। কিন্তু আমরা যখন তোমার সমসাময়ীক ঐতিহাসিকদের লেখা থেকে দলিল উপস্থাপন করি তখন তারা আমাদের গালাগাল ছাড়া আর কিছু বলতে পারেনা।

আচ্ছা সে না হয় তর্কের খাতিরে মেনে নিলাম প্রায় দেড় হাজার বছরের পুরোনু ইতিহাস কিছু বিকৃত হতেই পারে কিন্তু তোমার মুখ নিসৃত কোরান কিভাবে অবিকৃত থেকে যায় এখনও?এটাও তো ১৪০০ বছরের পুরোনুই বটে। এটাতো তোমার শ্রেষ্ট সাহাবারা যখন খালিফার ভুমিকায় অবতীর্ণ হলো তখনই অনেক ডিসেকশান হয়ে গেছে। তোমার প্রথম খালিফা আবুবক্কর প্রথমবার ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কোরানের আয়াতগুলো সংগ্রহ করে,পরবর্তিতে উসমানের সময় আরো কিছু ডিসেকশন হয়। এত সব কিছুর পরও তোমার সব উম্মতের বিশ্বাস কোরান নাকি অবিকৃত অবস্থায় আছে?

সে যাই হোক ,খোদ কোরানে যে কাফের হত্যার আদেশ দেয়া আছে সেটাকে তোমার মডারেট উম্মতগন,পেয়ারের মডারেট আলেমগন কেন যে মানতে চায়না,বুঝিনা। এটাকি তোমার আদর্শের সাথে সাংঘর্ষিক না?তোমারি প্রবর্তিত ইসলাম অনুস্বরন করে এরা মুসলিম,অথচ জিবদ্দশায় তুমি যা করে গেছ ইসলামের প্রচার,প্রসারের জন্য সেটাকেই তারা সমর্থন না করে ঐসব আচরনকে অনৈসলামিক আখ্যা দিচ্ছে।আর যে বা যারা তোমাকে হবুহু অনুকরন করে চলার চেষ্টা করচ্ছে তাদের বলা হচ্ছে জঙ্গী।এটা কেমন কথা?

তারা তো এটাও বলে কোরান নাকি ইসলামের মূল ভিত্তি,তারা কি কোরানে প্রদত্ত তোমার জীহাদী আয়াত গুলো লক্ষ করেনা? নাকি স্বইচ্ছায় এড়িয়ে যেয়ে যারা একে পঙ্কানুপঙ্খু অসুস্বরন অসুস্বরন করে চলছে তাদের নামে বদনাম করছে! এতে করে কি তোমার ন্যায় নীতির সাথে সরাসরি বিরোধীতা নয়?

এসকল প্রেক্ষিতে এটাই প্রতিয়মান হয় সেদিনের তোমার প্রতিষ্টিত মসজিদে নববীর পাশে বোমা হামলায় তুমি দারুন খুশি হয়ে তাদের জন্য দুয়া করেছ যাতে করে তাদের সে জীহাদ উত্তরোত্তর আরো সাফল্য বয়ে আনে।

তবে একটা কথা বলি তোমায় নবী মুহাম্মদ,তোমার আমদানি করা ধর্মটা সারা বিশ্বকে তছনছ করে দিচ্ছে।তোমার আল্লার বিচারে এরা পুরস্কারের যোগ্য হলেও মানবতার বিচারে তুমিই হবে বিশ্বের সবচেয়ে ঘৃনিত ব্যক্তি। মানবতার বানী আজ তোমার জীহাদের শোনিত ধারায় আব রক্তাক্ত,বড়ই আহত।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

৯ thoughts on “বারুদের গন্ধ কেমন লাগল, নবী মুহাম্মদ?

  1. তারা কি জানেনা ,বদরের যুদ্ধে

    তারা কি জানেনা ,বদরের যুদ্ধে তোমাদের কি ভুমিকা ছিল? তারা কি জানেনা পুরো বানু কোরাইজা গোত্রকে তোমরা কিভাবে তলোয়ারের আঘাতে ছিন্ন-ভিন্ন করে মরুভুমির বালির তলে পুতে রেখেছিলে?

    মুহাম্মদ চিরকাল টেররিস্টদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছিলেন। বদর যুদ্ধ হয়েছিল মক্কার কুরায়শ টেররিস্টদের বিরুদ্ধে। যারা মুহাম্মদকে মক্কা থেকে মদীনায় বিতাড়ন করেছিল, আবার কিনা মদীনার উপর দিয়েই বানিজ্য কাফেলা নিয়ে যাচ্ছিল।বদর যুদ্ধে মাত্র ৩০০ জন নিয়ে ৭০০ জন সন্ত্রাসীর মোকাবেলা করেছিলেন মুহাম্মদ।

    আর বানূ কোরায়জা তো ছিল চূড়ান্ত বিশ্বাস ঘাতক, তারা খন্দক যুদ্ধের প্রক্কালে মুসলমানদের সাথে বিশ্বাস ঘাতকতা করে। আর জাতির সাথে বিশ্বাসঘাতকার শাস্তি চিরকালই মৃত্যুদন্ড। আর এখন বাংলাদেশেও কিন্তু ৭১ সালে বিশ্বাসঘাতকার জন্য বেশ কয়েকজনকে শূলীতে চড়িয়ে হত্যা করা হচ্ছে।

    1. /////মুহাম্মদ চিরকাল
      /////মুহাম্মদ চিরকাল টেররিস্টদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছিলেন। বদর যুদ্ধ হয়েছিল মক্কার কুরায়শ টেররিস্টদের বিরুদ্ধে। যারা মুহাম্মদকে মক্কা থেকে মদীনায় বিতাড়ন করেছিল, আবার কিনা মদীনার উপর দিয়েই বানিজ্য কাফেলা নিয়ে যাচ্ছিল।বদর যুদ্ধে মাত্র ৩০০ জন নিয়ে ৭০০ জন সন্ত্রাসীর মোকাবেলা করেছিলেন মুহাম্মদ।/////

      বদরের যুদ্ধে কারা যুদ্ধেরর অবস্থাটা সৃষ্টি করেছিল? হামলাকারি কারা ছিল? মুহাম্মদের দল নাকি কোরাইশরা? মদিনার পাশ দিয়ে বারিজ্যে যাওয়াটা কিভাবে কোরাইশদের অপরাধ ছিল? বদর প্রান্তে জলাশয় গুলো কার দখল নিয়ে কোরাইশদের খুনঠাসা করার পরিকল্পনা করেছিল?
      ////আর বানূ কোরায়জা তো ছিল চূড়ান্ত বিশ্বাস ঘাতক, তারা খন্দক যুদ্ধের প্রক্কালে মুসলমানদের সাথে বিশ্বাস ঘাতকতা করে//……
      বানু কোরাইজা গোত্র কি স্বইচ্ছায় সাহায্যের চুক্তি করেছিল না কি বাধ্য করা হয়েছিল?
      একটু ভালভাবে জেনে নিলেই উত্তরটা পাবেন আশা করি।

  2. সে যাই হোক ,খোদ কোরানে যে

    সে যাই হোক ,খোদ কোরানে যে কাফের হত্যার আদেশ দেয়া আছে সেটাকে তোমার মডারেট উম্মতগন,পেয়ারের মডারেট আলেমগন কেন যে মানতে চায়না,বুঝিনা। এটাকি তোমার আদর্শের সাথে সাংঘর্ষিক না.

    কোরানে কোথাও শুধু শুধু কাফের হত্যা করতে কিন্তু বলে নি। এবং কোন আলেমই সেটা মানবে না। কারন কোরান বলেছে–

    ধর্মের ব্যাপারে যারা তোমাদের বিরুদ্ধে লড়াই করেনি এবং তোমাদেরকে দেশ থেকে বহিস্কৃত করেনি, তাদের প্রতি সদাচরণ ও ইনসাফ করতে আল্লাহ তোমাদেরকে নিষেধ করেন না। নিশ্চয় আল্লাহ ইনসাফকারীদেরকে ভালবাসেন। [সুরা মুমতাহিনা: ৮]

    খুব স্পস্ট। শুধুমাত্র যারা ইসলাম প্রতিষ্ঠায় বাধা দিয়েছে, মুহাম্মদ (সা) কে মক্কা থেকে বহিষ্কার করেছে শুধু তাদের বিরুদ্ধেই ইসলাম যুদ্ধ করতে বলেছে।

    আবার সূরা তওবায় বলা হচ্ছে-

    তোমরা কি সেই দলের সাথে যুদ্ধ করবে না; যারা ভঙ্গ করেছে নিজেদের শপথ এবং সঙ্কল্প নিয়েছে রসূলকে বহিস্কারের? আর এরাই প্রথম তোমাদের সাথে বিবাদের সূত্রপাত করেছে। তোমরা কি তাদের ভয় কর? অথচ তোমাদের ভয়ের অধিকতর যোগ্য হলেন আল্লাহ, যদি তোমরা মুমিন হও। [সুরা তাওবা: ১৩]

    অর্থাৎ যারা মুসলমানদের সাথে চুক্তি ভংগ করেছে এবং আমাদের নবী মুহাম্মদ সাঃ কে বহিষ্কার করেছে, শুধু তাদের বিরুদ্ধেই যুদ্ধ করতে বলা হচ্ছে।

    কোরানে এমন একটিও আয়াত নেই যেখানে বিনা কারনে কারো বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে বলা হয়েছে।আপনি যেহেতু অভিজিত রায়ের মত অন্যান্য হিন্দুদের লিখা পড়ে ইসলাম শিখেন, তাই আপনার জ্ঞান কিন্তু খুব সীমিত, সেটা কি বুঝেন?

    1. বেশ ভালো বলেছেন- দেখুন তো
      বেশ ভালো বলেছেন- দেখুন তো নিন্মোক্ত আয়াত গুলো কি কাফার নিদনের কথা বলেনা?
      সুরা বাকারা ,আয়াত-191) আর তাদেরকে হত্যাকর যেখানে পাও সেখানেই এবং তাদেরকে বের করে দাও সেখান থেকে যেখান থেকে তারা বের করেছে তোমাদেরকে। বস্তুতঃ ফেতনা ফ্যাসাদ বা দাঙ্গা-হাঙ্গামা সৃষ্টি করা হত্যার চেয়েও কঠিন অপরাধ। আর তাদের সাথে লড়াই করো না মসজিদুল হারামের নিকটে যতক্ষণ না তারা তোমাদের সাথে সেখানে লড়াই করে। অবশ্য যদি তারা নিজেরাই তোমাদের সাথে লড়াই করে। তাহলে তাদেরকে হত্যা কর। এই হল কাফের দের শাস্তি।

      ২-১৯৩..আর তোমরা তাদের সাথে লড়াই কর, যে পর্যন্ত না ফেতনার অবসান হয় এবং আল্লাহর দ্বীন প্রতিষ্ঠিত হয়। অতঃপর যদি তারা নিবৃত হয়ে যায় তাহলে কারো প্রতি কোন জবরদস্তি নেই,
      ………..এর মানে তোমরা তাদের ততক্ষন হত্যা করে যাবে যতক্ষন তারা ফেৎনার অবসান না ঘটাবে অর্থাৎ মুসলমান না হবে। বর্তমান জঙ্গীরাও তো তাই করে যাচ্ছে ।আর হ্যাঁ লেখার সমালোচরা করুন ব্যাক্তির নয়।ধন্যবাদ

      1. সুরা বাকারা ,আয়াত-191) আর

        সুরা বাকারা ,আয়াত-191) আর তাদেরকে হত্যাকর যেখানে পাও সেখানেই এবং তাদেরকে বের করে দাও সেখান থেকে যেখান থেকে তারা বের করেছে তোমাদেরকে। বস্তুতঃ ফেতনা ফ্যাসাদ বা দাঙ্গা-হাঙ্গামা সৃষ্টি করা হত্যার চেয়েও কঠিন অপরাধ। আর তাদের সাথে লড়াই করো না মসজিদুল হারামের নিকটে যতক্ষণ না তারা তোমাদের সাথে সেখানে লড়াই করে। অবশ্য যদি তারা নিজেরাই তোমাদের সাথে লড়াই করে। তাহলে তাদেরকে হত্যা কর। এই হল কাফের দের শাস্তি।

        খালি কি কবিতার একটা লাইনই পুরা কবিতা? পুরাটা তো পড়তে হবে তো ভায়া। ১৯০ আর ১৯২ কি বলেছে?

        আর লড়াই কর আল্লাহর ওয়াস্তে তাদের সাথে, যারা লড়াই করে তোমাদের সাথে। অবশ্য কারো প্রতি বাড়াবাড়ি করো না। নিশ্চয়ই আল্লাহ সীমালঙ্ঘনকারীদেরকে পছন্দ করেন না। [সুরা বাকারা: ১৯০]

        আর তারা যদি বিরত থাকে, তাহলে আল্লাহ অত্যন্ত দয়ালু। [সুরা বাকারা: ১৯২]

        মাথাটা একটু ব্যবহার করতে হবে তো। তাইনা!!

        1. আপনিও কবিতাটি পুরোটা দেন নি।
          আপনিও কবিতাটি পুরোটা দেন নি। বাকারার ১৯০-৯৩ আয়াত গুলোর সারমর্মই হলো তোমরা তাদের সাথে যুদ্ধ কর যারা তোমাদের সাথে ফেৎনা সৃষ্টি করে আর ফেৎনা মানে কি? যারা ইসলাম মেনে না নেবে ,মুহাম্মদকে যারা না মেনে নেবে তারা। মানেটা কি দাড়ালো ? হত্যার হাত থেকে বাঁচতে হলে আপনা কে মুসলিম হতে হবে।কোন ব্যক্তি স্বাধীনতা চলবেনা।স্বাধীন মত দেবেন তো আপনি ফেৎনা সৃষ্টিকারি।
          কিন্তু মুহাম্মদের একটি মাক্কি সুরাও খুজে পাবেননা যেখানে হত্যার কথা বলা হয়েছে।ওগুলোতে শুধুই ন্যায় নীতির কথা বলা আছে ।কারন তখন মুহাম্মদের অনুসারির সংখ্যা ছিল নগন্য।যখন মদীনাতে এলেন তখনই বোল পাল্টে হত্যার নির্দেশ দেয়া শুরু করলে আর তার সাহাবারা তা বাস্তবায়িত করতে লাগলেন।আর এ জায়গাতেই বর্তমান জঙ্গীদের সাথে নবী মুহাম্মদের মিল রয়েছে।

    2. ৫-৩৩-যারা আল্লাহ ও তাঁর
      ৫-৩৩-যারা আল্লাহ ও তাঁর রসূলের সাথে সংগ্রাম করে এবং দেশে হাঙ্গামা সৃষ্টি করতে সচেষ্ট হয়, তাদের শাস্তি হচ্ছে এই যে, তাদেরকে হত্যা করা হবে অথবা শূলীতে চড়ানো হবে অথবা তাদের হস্তপদসমূহ বিপরীত দিক থেকে কেটে দেয়া হবে অথবা দেশ থেকে বহিষ্কার করা হবে। এটি হল তাদের জন্য পার্থিব লাঞ্ছনা আর পরকালে তাদের জন্যে রয়েছে কঠোর শাস্তি।
      সূরা আনফালের ১৭ নাম্বার আয়াত-
      //সুতরাং তোমরা তাদেরকে হত্যা করনি,
      বরং আল্লাহই তাদেরকে হত্যা করেছেন।
      আর তুমি মাটির মুষ্ঠি নিক্ষেপ করনি, যখন
      তা নিক্ষেপ করেছিলে, বরং তা নিক্ষেপ
      করেছিলেন আল্লাহ স্বয়ং যেন ঈমানদারদের
      প্রতি এহসান করতে পারেন যথার্থভাবে।
      নিঃসন্দেহে আল্লাহ শ্রবণকারী;
      পরিজ্ঞাত
      সূরা নিসার আয়াত নাম্বার ৮৯
      //তারা চায় যে, তারা যেমন কাফের,
      তোমরাও তেমনি কাফের হয়ে যাও,
      যাতে তোমরা এবং তারা সব সমান হয়ে যাও।
      অতএব, তাদের
      মধ্যে কাউকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করো না,
      যে পর্যন্ত না তারা আল্লাহর পথে হিজরত
      করে চলে আসে। অতঃপর যদি তারা বিমুখ
      হয়, তবে তাদেরকে পাকড়াও কর
      এবং যেখানে পাও হত্যা কর। তাদের
      মধ্যে কাউকে বন্ধুরূপে গ্রহণ
      করো না এবং সাহায্যকারী বানিও না।

      ….উপরোক্ত আয়াতগুলো কি কাফের নিদন কে সমর্থন করে না?

      1. হ্যা এগুলা হচ্ছে তখনকার
        হ্যা এগুলা হচ্ছে তখনকার সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে আয়াত। আল্লাহ তার রাসূলকে সন্ত্রাস দমন করতে বলছেন। আর সন্ত্রাস দমন করতে চাইলে তো সন্ত্রাসীদের সাস্তি দিতেই হবে।
        আপনি বেচে থাকলে হয়ত তখন সন্ত্রাসীদের পক্ষে থাকতেন।

        1. হ্যাঁ ঠিক বলেছেন।আপনার
          হ্যাঁ ঠিক বলেছেন।আপনার দৃষ্টিতে তখনকার ইহুদি,খৃষ্টানরা সন্ত্রাসী ছিল।আর মুহাম্মদ বলেছে আল্লাহ তাকে দায়ীত্ব দিয়েছে সেই সব সন্ত্রাসীদের দমন করতে ।আর বর্তমানে জঙ্গী গোষ্টি গুলিও তো তাই বলছে তাদের দৃষ্টিতে মুক্তমনা থেকে উদারপন্থি মুসলিম সবাই সন্ত্রাসী। মুহাম্মদের উত্তসুরি হিসাবে তারা মুহাম্মদের পন্থাকে অবলম্বন করে সন্ত্রাস দমন করছে। তাহলে সমস্যাটা কোথায় আমিও তো আমার লেখাতে এটাই দেখিয়েছি।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

+ 60 = 69