খাটি মুমিনেরাই প্রমান করল ইসলাম হলো একটা জঙ্গি/সন্ত্রাসের আদর্শ

এখনও পর্যন্ত দেশের সবচাইতে বেশী ইসলাম জানেওয়ালা সেই হেফাজতে ইসলাম, ইসলামের নামে সংঘটিত জিহাদী কর্মকান্ডের বিপরীতে কোন নিন্দাবাদ ব্যক্ত করে নি , বা কোনরকম সোচ্চার প্রতিবাদও করে নি। অথচ এরাই দুই বছর আগে , গনজাগরন মঞ্চের বিরুদ্ধে নাস্তিকতার অভিযোগ এনে , এমন আন্দোলন গড়ে তুলেছিল যে , তাতে গোটা দেশ অচল হয়ে পড়েছিল , এমন কি তারা ঢাকায় অবস্থান ধর্মঘট করে সরকারের গদি পর্যন্ত কাপিয়ে দিয়েছিল। আর তাতে বিস্ময়করভাগে গোটা দেশের আপামর জনতার সমর্থন ছিল , কারন তারা জানত , হেফাজতে ইসলাম প্রকৃতই ইসলামের হেফাজতকারী , আর তাদের চাইতে বেশী ইসলাম বাংলাদেশে কেউ জানে না।

যে ব্যাক্তি কোরান ও সুন্নাাহ অনুসরন করে তাকে খাটি মুমিন বলে। বাংলাদেশে খাটি ইসলামের চর্চা কোথায় হয় ? সবাই এক বাক্যে বলবে , কওমী মাদ্রাসায় খাটি ইসলাম চর্চা হয় কারন সেখানে কোরান হাদিসের বাইরে অন্য কোন কিছু শেখান হয় না। কওমী মাদ্রাসায় খাটি ইসলাম শিখান হয় বলেই কিন্তু , বাংলাদেশের ৯০% মসজিদে কওমী পাশ লোককে ইমাম নিয়োগ দেয়া হয়। এই কওমী মাদ্রাসারই একটা সংগঠন হেফাজতে ইসলাম যার নেতা মওলানা শফি, সারা বাংলাদেশের লোক স্বীকার করবে , তার চাইতে বেশী ইসলাম জানেআলা বাংলাদেশে দুটি নেই। তো দেখা যাক , সাম্প্রতিক সময়ে ঘটে যাওয়া ইসলামের নামে সন্ত্রাসী ঘটনার বিষয়ে তাদের কি প্রতিক্রিয়া।

এক সপ্তাহের বেশী হয়ে গেল , ঢাকার গুলশানে কিছু আই এস এর আদর্শের অনুসারী যুবক সর্টকাট রাস্তায় বেহেস্তে যাওয়ার জন্যে ১৭ জন বিদেশীকে কাফের হিসাবে হত্যা করে নিজেরাও পুলিশের গুলিতে শহিদ হয়েছে। এরপর তাদেরই আদর্শের আরও কয়েকজন ঈদের দিনে বিখ্যাত শোলাকিয়া ঈদগাহ মাঠে ঈদের জুম্মার নামাজে বোমার আক্রমন করে ভয়াবহ হত্যাযজ্ঞ চালাতে চেয়েছিল কিন্তু পুলিশের বাধার কারনে সেটা সম্ভব হয় নি।

তো এই দুই ঘটনার প্রেক্ষিতে , এখনও পর্যন্ত দেশের সবচাইতে বেশী ইসলাম জানেওয়ালা সেই হেফাজতে ইসলাম, ইসলামের নামে সংঘটিত জিহাদী কর্মকান্ডের বিপরীতে কোন নিন্দাবাদ ব্যক্ত করে নি , বা কোনরকম সোচ্চার প্রতিবাদও করে নি। অথচ এরাই দুই বছর আগে , গনজাগরন মঞ্চের বিরুদ্ধে নাস্তিকতার অভিযোগ এনে , এমন আন্দোলন গড়ে তুলেছিল যে , তাতে গোটা দেশ অচল হয়ে পড়েছিল , এমন কি তারা ঢাকায় অবস্থান ধর্মঘট করে সরকারের গদি পর্যন্ত কাপিয়ে দিয়েছিল। আর তাতে বিস্ময়করভাগে গোটা দেশের আপামর জনতার সমর্থন ছিল , কারন তারা জানত , হেফাজতে ইসলাম প্রকৃতই ইসলামের হেফাজতকারী , আর তাদের চাইতে বেশী ইসলাম বাংলাদেশে কেউ জানে না।

কিন্তু সারা দুনিয়ায় আলোড়ন সৃষ্টিকারী গুলশানের সন্ত্রাসী ঘটনার বিষয়ে তারা কঠিনভাবেই চুপ। এর দ্বারা কি বোঝা যায় ? হাদিসে আছে – মৌনতাই সম্মতির লক্ষন। কখনও কোন মেয়ের বিয়ে দিতে গেলে, তার মতামত জিজ্ঞেস করা হলে মেয়েটি যদি মৌন থাকে , তাহলে সেটা তার সম্মতি বুঝতে হবে। হেফাজতে ইসলামের ক্ষেত্রে যদি আমরা এই হাদিসের বিধান প্রয়োগ করি , তাহলে দেখতে পাচ্ছি , হেফাজত ইসলাম আদর্শিক ও বিশ্বাসের কারনেই , এই নারকীয় হত্যা যজ্ঞ সমর্থন করে , তথা ইসলামই এই ধরনের নারকীয় সন্ত্রাসী বা জঙ্গি কর্মকান্ড সমর্থন করে।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

১ thought on “খাটি মুমিনেরাই প্রমান করল ইসলাম হলো একটা জঙ্গি/সন্ত্রাসের আদর্শ

  1. যেভাবে সমলোচিত হচ্ছে অচিরেই
    যেভাবে সমলোচিত হচ্ছে অচিরেই তারা পতিক্রিয়া জানাবেন তারা য,
    আইএস মুসলীম নয় ইসরাইলের সৃষ্টি তারা দোযখে এটা ধর্ম সমর্থন করেনা দায় শেষ।
    নাস্তিক কতল করার কথা বললেও আইএস কতল করার সাহস পাবেনা হুজুর,

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

+ 61 = 65