মাদ্রাসার শিক্ষাব্যবস্থার সংকট

জঙ্গী হামলার পেছনে রাষ্ট্রীয় ইন্ধন সব সময়ই ছিলো,,, এতে মাদ্রাসা শিক্ষা দায়ী নয়,,,,- বলে যারা গলা হাঁকান, তারা যেমন বোকার স্বর্গে স্বর্গবাসী,, তেমনি,, যারা দায়ী বলেই খালাস,, তারাও এপ্রকার নিষ্কর্মা,,
মাদ্রাসার সিলেবাসে যতই ইংরেজি,বাংলা,বি
জ্ঞান,সমাজ,গণিত,আইসিটি ঢুকান না কেন!! পুরাটাই মাকাল ফল–

শিক্ষকরা এইসব বিষয় ছুইয়েও দেখান না,, ক্যাডেট আর ইংলিশ মিডিয়াম ব্যবস্থায় গড়ে ওঠা মাদ্রাসার অবস্থা আরো ভয়াবহ- টাকাই তাদের লক্ষ্য,, -একথা ছাত্রদের সামনে প্রকাশ করতেও তারা দ্বিধাবোধ করেন না,,,
সিলেবাস তৈরি আর বিষয় নির্ধারণ করে দিলেই মাদ্রাসা শিক্ষাব্যবস্থার প্রতি রাষ্ট্রের ভূমিকা শেষ হয়ে যায় না,,, মাদ্রাসার অধিকাংশ শিক্ষকই কামিল-ফাযিল পাশ করে শিক্ষকতা নামেন ঠিকই,, কিন্তু,,কোন আরবি শব্দের বাংলা অর্থ কি হবে?? বাগধারা, আরবীর সাথে বাংলা ও ইংরেজির ব্যাকরণগত পার্থক্যটুকু ধরতে পারেন না,, ফলত,, কাঠমোল্লা থেকে কাঠমমিন,,

অনেকই তারেক মাসুদের উদাহরণ টানেন কিংবা, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর জঙ্গী উৎপাদন প্রসঙ্গ সামনে এনে গলা ফাটান মাদ্রাসা শিক্ষাব্যবস্থা দায়ী নয়,, কিন্তু, যেসব কোমলমতি শিশু ক্ষুধা তাড়না চেপে, পিতার পাপ পরিষ্কার করার জন্যে মাদ্রাসার কাঠমাওলানাদের কবলে পড়েন,, তাদের বেতের ঘা আর ভূলশিক্ষা নিয়ে ককটেল,গ্রেনেট ফাটাবার জন্যে বেড়ে ওঠছে, তার দায়বাড় পড়ে মাদ্রাসার শিক্ষা নির্ধারকদের উপরই,, মাদ্রাসার ২ ক্যাটাগরি থেকে আজ ৪-৫ ক্যাটেগরিতে ভাগ হচ্ছে,, এর দায়ভার কার??

মাদ্রাসার ফান্ড ফুলিয়ে দিচ্ছে কারা?? অতীতে মাদ্রাসা থেকে হুজুরের কানপড়া-পানিপড়া খেয়ে বের হতো গরিব ছাত্র, মতিঝিলে হেফাজতিরাই তার প্রমাণ,, আর,,, এখন– ৪-৫ ক্যাটেগরি ও ফান্ডিং বেশি হওয়ায় দল ঢুকছে মধ্যবিত্ত পিতার পাপ সাফ করতে নিযুক্ত পুত্ররাও,,,
এখন দরকার –
শিক্ষাব্যবস্থার আমূল সংশোধন, সকল প্রকার ক্যাটাগরি বন্ধ করা—-

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

20 − = 14