প্রার্থনার হাত নিরাস্ত্র থাকে

মেঘ বলছে , জলের কবিতায় ঈশ্বরকে ডুব দাওয়াও
স্নানঘর ভেঙ্গে গেছে
অস্ত্রের আঘাতে , শাস্ত্রের বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ;

কবিতার চোখের চত্বরে রাতজাগা
কালি ছটফট রাত্রি ,
বালিশের নীচে আতঙ্কের হরিৎ হাবুডুবু নিশ্চুপ ।
স্বপ্ন তবু দুঃস্বপ্নের দু’পায়ে হাঁটে-
বিছানার চারপাশে ;
ঘড়িতে টিকটিক শব্দ নেই ,
একদম অক্রবাণ
চুপ ! এখন বিপর্যয় চলছে ।
:
ঈশ্বরের হাসির গুঁড়ো ঝড়ের মত চমকে দেয় ,
চাপা পড়া দেওয়ালস্পৃষ্ট আর্ত্মনাদ
দিনান্তের ঘাতক বন্ধু ।
:
ভুল হয়ে গেছে , বাতুল রোগাক্রান্তে
মুখস্তো করা হয়নি ঈশ্বরের কথামুকুল ।
প্রকাণ্ড ভয়ের অন্ধকার যে ,ঘরের শেষে ।

প্রার্থনার-হাত সবসময়ই নিরাস্ত্র থাকে
তবুও ভাল হত বিগ্রহ ঠোঁটে ঈশ্বর স্তূতি
এতে নাকি মানুষ চেনা যায় ।
:
হে ঈশ্বর এই শুভবুদ্ধিটা আগে দাওনি কেনো ?কেনো বলনি , তোমার কৌটতে আমাদের প্রান ভ্রমরা কথা । অজস্র ভৈরববাহিনীর হাতে শাস্তি তুলে দেবার আগে ।

ছিঃ ! নিরাপদ মজাটাই আর রইল না
এই দখলদারি নেতার জন্য…

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

45 − = 35