লজিক বা যুক্তিবিদ্যার নিরিখে জাকির নায়েকের যুক্তির ত্রুটিসমূহ (Fallacy): না জানলে যে কেউ বিপথগামী হতে পারেন!!!

কলম্বাসও আমেরিকা আবিষ্কারের পর এক চন্দ্র গ্রহণে আদিম আমেরিকাবাসীকে ভয় দেখিয়েছিল যে সে যাদু দিয়ে চাঁদ বিদীর্ণ করেছে। একথা শোনার পর আদিম আমেরিকানরা কলম্বাসের পায়ে পড়তে লাগলো দলে দলে। নিশ্চয়ই কলম্বাস সূরা কমর থেকেই এই চালাকি শিখেছিল! এবার বুঝলেন তো ভাই ইসলাম সত্য ধর্ম কি না?

জাকির নায়েক মেডিকেলের ছাত্র ছিলেন, হয়েছেন তুলনামূলক ধর্মতত্ত্বের ব্যাখ্যাদাতা। তিনি শুধু আর দুজন আমজনতার মতো সাধারণ সেন্স কাজে লাগিয়ে ধর্মতত্ত্বের ব্যাখ্যা হাজির করেন। লজিক বা যুক্তিবিদ্যার কোন নিয়ম মেনে নয়। জাকির সাহেবের যুক্তি শুনে শুধু যে হাসি পায় তা না সেই সাথে যুক্তিবিদ্যার নিয়ম লংঘনের জন্য ক্রোধও উৎপন্ন হয় বৈকি!!! বেচারা নিজেও বুঝতে পারছেন না যে কী ভুল তিনি করছেন। আসলে জানবেনই বা কি করে? কারণ লজিক বা যুক্তিবিদ্যা সম্পর্কে কোন জ্ঞান না থাকার জন্য তিনি বুঝতে পারছেন না কি ভুল তিনি করছেন। যেমন ছোট বাচ্চা একটা সাপ দেখলে সাপের সাথে খেলতে যায়, কারণ সে জানে না কী ভুল সে করছে!

জাকির নায়েক তার যুক্তিতে যে বড় ভুলটি করেছেন লজিক বা যুক্তিবিদ্যার ভাষায় তা হলো “মিথ্যা সাদৃশ্য বা উদাহরণ” (False Analogy)। এটি এক ধরণের ফ্যালাসি (Fallacy) যাতে ২টি বৈসাদৃশ্যপূর্ণ বিষয়ের তুলনা করা হয়। যেমনঃ কোন রাজনৈতিক বিষয়কে কোন ধর্মীয় বিষয়ের সাথে তুলনা। সাধারণত আমাদের দেশের বা পৃথিবীর বেশীর ভাগ মানুষ এই ভুল “মিথ্যা সাদৃশ্য বা উদাহরণ” (False Analogy) দিয়ে তর্কাতর্কি করেন। কারণ তারা যুক্তিবিদ্যা জানেন না। কিন্তু জাকির নায়েক নিজেকে তুলনামূলক ধর্মতত্ত্বের একজন বিখ্যাত পণ্ডিত মনে করেন। মুসলিম ভাইরা তাকে পারলে একজন রসূলের মত সম্মান দিয়ে থাকেন। উনার এসব ভুল করলে চলবে কি করে!!!

এবার দেখা যাক জাকির সাহেব কি কি জঘন্য ভুল করে করে যাচ্ছেন নিজের অজ্ঞতার জন্য আর তার অনুসারীদের ডোবাচ্ছেন অজ্ঞাতর অতল আঁধারে–
১. জাকির নায়েক যুক্তি দেন, প্রকৃতপক্ষে মুসলমানরা অন্যদের চেয়ে কম সন্ত্রাসী। কারণ হিটলার বা খেমারুশ জঙ্গিরা যে ধরণের সন্ত্রাস করেছেন তার তুলনায় ইসলামী সন্ত্রাসবাদ নস্যি! আর আইরিশ রিপাবলকান আর্মি বোমা মারলে সন্ত্রাস হয় না কিন্তু মুসলমানরা মারলে হবে কেন? এখানে জাকির সাহেব ঐ উপরোক্ত “মিথ্যা সাদৃশ্য বা উদাহরণ” (False Analogy) করেছেন। মানে রাজনৈতিক হত্যাকান্ডকে ধর্মীয় হত্যাকান্ডের সাথে তুলনা করে তা জায়েজ করতে চেয়েছেন। হিটলার তার উগ্র আর্য জাতীয়তাবাদী দৃষ্টিকোণ থেকে ২য় বিশ্বযুদ্ধের সময় গণহত্যা করেছেন, কোন খ্রিস্টান ধর্মীয় উগ্রপন্থা থেকে নয়। একইভাবে আইরিশ রিপাবলকান আর্মি তাদের স্বাধীনতার জন্য সন্ত্রাস করেছেন, খ্রিস্টান ধর্মীয় উগ্রপন্থা থেকে নয়। কিন্তু নবী মোহাম্মাদ বা রোমান ক্যাথলিকরা ধর্ম বিস্তারের জন্য সন্ত্রাস করেছেন। তাই দেখতে হবে কারণ বা উদ্দেশ্যটা কি। আর রাজনৈতিক হত্যাকান্ডকে ধর্মীয় হত্যাকান্ডের সাথে তুলনা করলে বিশ্বের তামাম যুক্তিবাদী মানুষ এটাকে False Analogy হিসেবে গ্রহণ করবে , আর হাসবে যেমনটি জাকির সাহেবকে দেখলেই সব জ্ঞানী ও যুক্তিবাদী মানুষ হাসে! কিন্তু ভ্রান্ত পথে যায় অনেক সাধারণ মানুষ বা যুক্তিবিদ্যা না জানা এমনকি বড় বড় প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংলিশ মিডিয়ামে পড়া ছাত্ররাও।

২. জাকির নায়েক সৌদি আরবে অন্যান্য ধর্ম প্রচার ও ধর্ম প্রতিষ্ঠান নির্মাণ নিষেধ থাকার পক্ষে যুক্তি দিয়ে বলেছেন, যেহেতু কোরান বলছে একমাত্র ইসলামই সত্য ধর্ম তাহলে অন্য ধর্মগুলো মিথ্যা। অতএব, সৌদি সিদ্ধান্ত সঠিক। এবার দেখুন, তার ভুলসমূহ– যুক্তিবিদ্যা কোন আপ্ত বাক্যে বিশ্বাস করে না, সে দেখে প্রমাণ। যুক্তিবাদীদের চোখে কোন ধর্মই সত্য নয়। কোরানেই তো প্রমাণ আছে, যখন আরব্বাসীরা আল্লাহ ও তার রসূলকে চ্যালেঞ্জ করলো একটা অলৌকিক কিছু করে দেখাতে যাতে তারা বিনা বাক্য ব্যয়ে ইসলামের উপর ইমান আনতে পারে। কিন্তু আল্লাহ ও রসূল তার কিছুই করে দেখাতে পারলেন না। নবী মোহাম্মাদ ও আরব্বাসীদের মধ্যে কোরানে যে কথোপকথনের আয়াতগুলো আছে তা থেকেই তা স্পষ্ট। দেখুন সূরা বনি ঈস্রাইল– (আয়াত ৮৯-৯৩)
৮৯) আমি এ কুরআনে লোকদেরকে নানাভাবে বুঝিয়েছি কিন্তু অধিকাংশ লোক অস্বীকার করার ওপরই অবিচল থাকে।
৯০.) তারা বলে, “আমরা তোমার কথা মানবো না যতক্ষণ না তুমি ভূমি বিদীর্ণ করে আমাদের জন্য একটি ঝরণাধারা উৎসারিত করে দেবে।
৯১.) অথবা তোমার খেজুর ও আংগুরের একটি বাগান হবে এবং তুমি তার মধ্যে প্রবাহিত করে দেবে নদী-নালা।
৯২.) অথবা তুমি আকাশ ভেঙ্গে টুকরো টুকরো করে তোমার হুমকি অনুযায়ী আমাদের ওপর ফেলে দেবে। অথবা আল্লাহ ও ফেরেশতাদেরকে আমাদের সামনে নিয়ে আসবে।
৯৩.) অথবা তোমার জন্য সোনার একটি ঘর তৈরি হবে। অথবা তুমি আকাশে আরোহণ করবে এবং তোমার আরোহণ করার কথাও আমরা বিশ্বাস করবো না যতক্ষণ না তুমি আমাদের প্রতি একটি লিখিত পত্র আনবে, যা আমরা পড়বো।” হে মুহাম্মাদ! এদেরকে বলো, পাক-পবিত্র আমার পরওয়ারদিগার, আমি কি একজন বাণীবাহক মানুষ ছাড়া অন্য কিছু?
মানে হলো মোহাম্মাদ একজন সাধারণ মানুষ যার কোন মজেজা নেই। আল্লাহরও নেই, তিনি তখন কিছুই করে দেখাতে পারে নাই।

আরও দেখুন সূরা ফুরকান এর এই আয়াতগুলো–
(২৫:৪) যারা নবীর কথা মেনে নিতে অস্বীকার করেছে তারা বলে, এ পুস্তক একটি মনগড়া জিনিস, যাকে এ ব্যক্তি নিজেই তৈরি করেছে এবং অপর কিছু লোক তার এ কাজে তাকে সাহায্য করেছে৷ বড়ই জুলুম ও ডাহা মিথ্যায় তারা এসে পৌছেছে৷ (২৫:৫) বলে, এসব পুরাতন লোকদের লেখা জিনিস – যেগুলো এ ব্যক্তি লিখিয়ে নিয়েছে এবং তা তাকে সকাল-সাঁঝে শুনানো হয়৷ (২৫:৬) হে মুহাম্মদ! বলো, “একে নাযিল করেছেন তিনিই যিনি পৃথিবী ও আকাশমন্ডলীর রহস্য জানেন৷” আসলে তিনি বড়ই ক্ষমাশীল ও দয়ার্দ্র৷ (২৫:৭) তার বলে, “এ কেমন রসূল, যে খাবার খায় এবং হাটে বাজারে ঘুরে বেড়ায়? কেন তার কাছে কোন ফেরেশতা পাঠানো হয়নি, যে তার সাথে থাকতো এবং (অস্বীকারকারীদেরকে) ধমক দিতো? (২৫:৮) অথবা আর কিছু না হলেও তার জন্য অন্তত কিছু ধন-সম্পদ অবতীর্ণ করা হতো অথবা তার কাছে থাকতো অন্তত কোন বাগান, যা থেকে সে (নিশ্চিন্তে ) রুজি সংগ্রহ করতো ? ” আর জালেমরা বলে, “তোমরা তো একজন যাদুগ্রস্ত ব্যক্তির অনুসরণ করছো৷” (২৫:৯) দেখো, কেমন সব উদ্ভট ধরনের যুক্তি তারা তোমর সামনে খাড়া করেছে, তারা এমন বিভ্রান্ত হয়েছে যে, কোন কাজের কথাই তাদের মাথায় আসে না ৷
(২৫:১০) বড়ই বরকত সম্পন্ন তিনি যিনি চাইলে তাঁর নির্ধারিত জিনিস থেকে অনেক বেশী ও উৎকৃষ্টতর জিনিস তোমাকে দিতে পারেন, (একটি নয়) অনেকগুলো বাগান যেগুলো পাদদেশে নদী প্রবাহিত এবং বড় বড় প্রাসাদ৷ (২৫:১১) আসল কথা হচ্ছে, এরা “ সে সময়টিকে” মিথ্যা বলেছে এবং যে সে সময়কে মিথ্যা বলে তার জন্য আমি জ্বলন্ত আগুন তৈরি করে রেখেছি৷

এতে স্পষ্ট বোঝা যায় যে আরব্বাসীদের চ্যালেঞ্জের জবাবে আল্লাহ ও তার নবী মোহাম্মাদ কোন মজেজা দেখাতে পারেনি, শুধু পরকালের ভয় দেখিয়েছে!!! তাই এসব ভূয়া ও ধাপ্পাবাজি ছাড়া কিছুই নয়! অনেকে বলবেন সূরা কমরের কথা। আরে মিয়া ভাই, নবী চন্দ্র গ্রহণের সময় চাঁদকে দেখিয়ে ভয় দেখাচ্ছিল আরব্বাসীকে। তারা সেটা বুঝতে পেরেছিল বিধায় তারা কেউ ওটাকে পাত্তা দেননি। যেখানে আরব্বাসীরা নবী ও তার আল্লাহকে তাদের মুখের সামনে মজেজা দেখাতে বলল, সেটা না করে সেই দূরে আকাশে চন্দ্র গ্রহণের দৃশ্য দেখিয়ে ভয় দেখানো কত্ত বড় চালাকি! কলম্বাসও আমেরিকা আবিষ্কারের পর এক চন্দ্র গ্রহণে আদিম আমেরিকাবাসীকে ভয় দেখিয়েছিল যে সে যাদু দিয়ে চাঁদ বিদীর্ণ করেছে। একথা শোনার পর আদিম আমেরিকানরা কলম্বাসের পায়ে পড়তে লাগলো দলে দলে। নিশ্চয়ই কলম্বাস সূরা কমর থেকেই এই চালাকি শিখেছিল! এবার বুঝলেন তো ভাই ইসলাম কি সত্য ধর্ম? আর কোন ধর্মই যুক্তির নিরিখে সত্য নয়, কারণ মজেজা কেউ বিজ্ঞানীদের সামনে প্রমাণ করতে পারেনি।। ধন্যবাদ। এই পোস্ট থেকে কেউ মনকষ্ট পেয়ে থাকলে দঃখিত। (চলবে….)

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

১৩ thoughts on “লজিক বা যুক্তিবিদ্যার নিরিখে জাকির নায়েকের যুক্তির ত্রুটিসমূহ (Fallacy): না জানলে যে কেউ বিপথগামী হতে পারেন!!!

  1. সমস্যা হচ্ছে মানুষ জাকির
    সমস্যা হচ্ছে মানুষ জাকির নায়েকের কথাই শুনবে । আপনি সারা জীবন সাধনা করেও ২০ হাজার ফলোয়ার তৈরী করতে পারবেন কিনা সন্দেহ। কিন্ত জাকির নায়েক গত ১০ বছরে প্রায় বিশ্বে ২০ কোটি ভক্ত তৈরী করতে পেরেছে।
    আর তাই জাকির নায়েকের মত বাঘের কাছে আপনি নিতান্ত ছাড়পোকা।

    1. জাকির নায়েক অন্তত: আমাকে একটা
      জাকির নায়েক অন্তত: আমাকে একটা বিষয় শিখিয়েছে, আর সেটা হলো ‘শুধুমাত্র স্টুপিড লোকই পারে স্টুপিডদের প্রভাবিত করতে’।

    2. আমিও আপনার মতো ড. জাকির
      আমিও আপনার মতো ড. জাকির নায়েককে পছন্দ করি না। তাই বলে ধর্মের রসূল কিংবা যদি বলেন শুধুমাত্র মোহাম্মদ; তাতে অবিশ্বাস অবশ্যই নাই। আমি তাদেরকে বিশ্বাস করি। আপনি ভাল যুক্তি দিয়েছেন। হয়তো এর চাইতে ভাল যুক্তিও আপনি জানেন। কিন্তু আপনি কি মনে করেন যারা ধর্মের বিশ্বাসী তাদের মধ্যে আপনার চাইতে জ্ঞানী বা যুক্তিবিদ্যায় বিজ্ঞ কেউ নাই??? অবশ্যই আছে এবং তারাদের মধ্যে থেকে কেউ কেউ অবশ্যই কিছু না কিছু পেয়েছে ঐ বিশ্বাস থেকে যা আপনার কাছে ভ্রান্ত বলে মনে হচ্ছে, ওঃ সরি, আপনার যুক্তিতে ভ্রান্ত বলে মনে হচ্ছে!! আমি আমার সাক্ষ্য দিয়ে বলছি অলৌকিক বলে কিছু অবশ্যই আছে, এটা আমি স্বীকার করি এবং করব এতে যদি আপনি অবিশ্বাস করেন আমি আর কিছু বলবো না। আমি ধর্মের গোড়া নই। আমারও একটা মুক্তমন এবং মুক্ত চিন্তা আছে। আমি সাত বছর বেশ কয়েকটা মুক্ত চিন্তার প্রশ্ন নিয়ে ঘুরেছি। যার কোন সদোত্তর কেউ দিতে পারেনি। কিন্ত আমার সমস্ত প্রশ্নের জট খুলে গেছে ছোট্ট একটা অলৌকিক দিয়ে। যেটা কেউ আমার জীবনে ঘটায়নি। সেটা প্রাকৃতিক দান…. অচেনাআরিফ

      1. ভাই, আপনার ধর্ম বিশ্বাসকে আমি
        ভাই, আপনার ধর্ম বিশ্বাসকে আমি শ্রদ্ধা করি। আর স্পিরিচুয়াল অনেক কিছু থাকতে পারে সেগুলো সম্পর্কে বিজ্ঞানের সুনির্দিষ্ট ব্যাখ্যা আছে, যেমন, যোগের মাধ্যমে অনেক আধ্যাত্মিক ক্ষমতা লাভ করা যায় যা প্যারাসাইকলজি ব্যাখ্যা করতে পারে, এবং তা আপনিও অর্জন করতে পারেন। কিন্তু অলৌকিক যেসব ঘটনা অনেক ধর্ম গ্রন্থে আছে সেগুলো মিথ ছাড়া কিছুই নয়, কোন ধর্মীয় নবী/অবতার সেগুলো এখনও কেউ করে দেখাতে পারবে না।

  2. আপনার যুক্তিগুলো যাকির
    আপনার যুক্তিগুলো যাকির নায়েকের ভ্রান্ত যুক্তি খন্ডনের চেয়ে রাসুল( সাঃ ) কেই অপমান করলো বেশী।যাই হোক,কার্ল মার্ক্স এর নাম হয়তো শুনে থাকবেন।তিনি ১০০ টা যুক্তি দেখিয়ে প্রমাণ করেছিলেন আসলে কোন সৃষ্টিকর্তা নেই , আবার পরে ১০০ টা যুক্তি দিয়ে প্রমাণ করেছিলেন সৃষ্টিকর্তা আসলে আছেন। সমস্যা যুক্তিতে না।সমস্যা বিশ্বাসে।রাসুল ( সাঃ ) এর যদি অনেক ধন সম্পত্তি থাকতো তাহলে আজ আপনার যুক্তি হত,আসলে সম্পত্তির লোভেই তিনি ধর্ম বানিয়েছিলেন।আমেরিকান বিভিন্ন লেখকের লেখা বিশ্বের ১০০ শ্রেষ্ঠ মনিষী বইগুলো খুলে দেখবেন সবগুলো বইতেই প্রথম নামটি কার।আপনি কাকে আজ মিথ্যুক প্রমান করতে চাইছেন।অনুসারীরা ভুল পথে গেলে নেতাকে দোষারোপ করা ঠিক না।ছেলে নাস্তিক বলে যদি কেউ তার পিতাকেও নাস্তিক বলে সেটা সমিচীন হবে না।

    1. ভাই, যুক্তির ক্ষেত্রে
      ভাই, যুক্তির ক্ষেত্রে অপমানেরর প্রশ্ন তোলা অবান্তর। এখানে কাউকেই অপমান করা হয়নি, শুধু সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। ধন্যবাদ……

  3. লক্ষ্য করেছেন হয়তো, ডা: জাকির
    লক্ষ্য করেছেন হয়তো, ডা: জাকির নায়েক বক্তৃতা শুলুর প্রারম্বে আরবী ভাষায় পবিত্র কোরান শরীফ থেকে পাঠ করেন। এটি একটি ট্রিক কারন এতে শ্রোতারা প্রভাবিত হয় এবং পবিত্র গ্ররন্থর প্রতি শ্রদ্ধাবোধ থেকে ডা: নায়েকের বক্তৃতা শুরুর আগেই তা বিশ্বাস করে বসে থাকে।

  4. যুক্তিবাদীদের চোখে কোন ধর্মই

    যুক্তিবাদীদের চোখে কোন ধর্মই সত্য নয়।

    আসলে যুক্তিবাদীরা তখনই ঈশ্বরকে বিশ্বাস করবে,
    যখন তারা নিজের চোখে ঈশ্বরকে দেখবে।
    অথবা লিটমাস পরিক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত ভাবে প্রমাণিত হবে যে ইশ্বর আসলে আছেন।
    ঈশ্বরকে প্রমাণ করতে সাইন্স আর টেকনলজিকে অনেক দূর এগোতে হবে।
    তার আগ পর্যন্ত যুক্তিবাদীরা কোন যুক্তিতেই ঈশ্বরকে মানবে না।কিছুতেই না।

    1. ঈশ্বর নিজে না আসুক যদি তার
      ঈশ্বর নিজে না আসুক যদি তার কথিত চেলা ফেরেস্তা/দেবতাদেরকে মানুষের মাঝে পাঠাত, তাহলেও তার অস্তিত্ব বোঝা যেত!!! ঠিক আরব্বাসীরা যেমন নবী মোহাম্মাদকে চ্যালেঞ্জ করেছিল– “কেন তার (মোহাম্মাদ) কাছে কোন ফেরেশতা পাঠানো হয়নি, যে তার সাথে থাকতো এবং (অস্বীকারকারীদেরকে) ধমক দিতো? (কোরান ২৫:৮)

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

84 − 77 =