আমরা যেন ঘটনার আগেই সিদ্ধান্ত নেই

পত্রিকায় পড়লাম বিভিন্ন আইন প্রয়োগকারী সংস্থা বক্তব্য দিচ্ছেন জঙ্গিদের প্রশিক্ষন হচ্ছে উত্তরবঙ্গের চরে। তর তর করে উন্নতি করতে যাওয়া এ দেশের ঈর্ষনীয় সাফল্যকে হঠাৎ করে স্তব্ধ করে দেওয়ার জন্য আর্টিশান রেষ্টুরেন্টে হামলা করা হয়। পরবর্তীতে কোন জঙ্গি হামলা হওয়ার আগেই এমন প্রশিক্ষন শিবির চিহ্নিত করে তা ধ্বংশের ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। পত্রিকায় পড়লাম চিহ্নিত জঙ্গি বিভিন্ন জঙ্গি তৎপরতায় সম্পৃক্ত মাওলানা সাইদুর রহমান, জসিম উদ্দিন রোহানী, মহিউদ্দিন আহমেদের বিরুদ্ধে দীর্ঘ ৮/৯ বৎসরেও বিচারের অনুমতি মেলেনি। বাংলা ভাই’র সহযোগী মুফতি হান্নান সহ হাজার জঙ্গির পাশাপাশি ১২৪ জন জঙ্গির চুড়ান্ত রায় আজ ১৬/১৭ বৎসরেও হয়নি। আমাদের বিচার বিভাগতো স্বাধীন। তাও কেন তাদের বিচার থমকে আছে? থানায় নিখোজ সন্তান বা আত্মীয়ের জিডি করা হলে তা যেন আমলে নিয়ে তদন্ত করি, ১৮/১৯ বৎসরের শিক্ষিত যুবক পরিবার থেকে নিখোজ হওয়ার সাথে সাথেই থানা পুলিশ ও অভিভাবক সবাইকে তাদের খোজ খবর নিতে হবে এবং রাষ্ট্রীয়ভাবে তা নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় বর্তমান বিশ্বব্যাপি জঙ্গি প্রেক্ষপটের সুযোগ তারা গ্রহন করবে। এসব নিয়ে আমাদের দায়িত্বশীলদের ভেবে দেখতে হবে। জঙ্গি দমনের নামে যেন নিরীহ কেহ উৎকোচের শিকার না হয় তাও দায়িত্ববানদের নিশ্চিত করতে হবে। দেশের উন্নতি যেন থমকে না যায় তা নিয়ে ঘটনা ঘটার আগেই আমাদের ভাবতে হবে। আমাদের দেশের উন্নতি নিয়ে সবাই ঈর্ষাপরায়ন, তারা কিভাবে আমাদের ক্ষতি করতে পারে, তা নিয়েও আমাদের ভাবতে হবে।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

55 + = 64