ঈশ্বর আছে+ঈশ্বর নাই= অপ্রয়োজনীয় ভাবনা।

যতক্ষন প্রমানিত নয় ততক্ষন ইশ্বর নেই বলার আমি কে? আবার ইশ্বর আছে বলার আমি কে? যা বিশ্বাস করা হয় তা বিশ্বাস করা মানেই সেটা প্রমানিত সত্য নয়। আবার যা কিছু প্রমানিত তা বিশ্বাস করার দরকার নেই, অবিশ্বাস করার সুযোগই নেই। যে ইশ্বর নাই বলে, সে জানেনা কি বা কাকে সে নাই বলে, অর্থাৎ অস্তিত্বহীন কোনোকিছুকে নির্দিষ্ট ধারনায় চিহ্নিত করে নাকচ করতে হবে কেন? আবার যে ইশ্বর আছে বলে, সেও জানেনা কি বা কাকে সে আছে বলে।

যে বলে ইশ্বর নাই, তার প্রতি-

অস্তিত্বহীন বা অজানা কোনোকিছু তো আমাদের চিন্তা,জ্ঞান ও বুদ্ধির আবহে বিরাজিত থাকেনা। যেমন কল্পনার চূড়ান্ত বিস্তার করেও আমরা এমন কোনো বস্তু বা ধারনা উপলব্ধি করতে পারিনা, যা আমাদের চেনা, অনুভবকৃত, উপলব্ধিত জগত ও পারিপার্শ্বিকের মাঝে অস্তিত্বশীল বস্তু বা ধারনার সাথে মেলেনা। যেমন আমরা যদি হাঁসজারু নামে নতুন প্রাণী কল্পনা করি তার মাথা ঠোট হাঁসের মত আর দেহ সজারুর মত কল্পিত হবে। যেটা সম্পূর্ণ নতুন কোনো অবয়ব বা ধারনা নয়, চেনা অবয়বের নতুন ধরন। যদি আমরা ভিনগ্রহের প্রাণী নিয়ে কল্পছবি বানাই সেখানেও এলিয়েন কে যতই কিম্ভূতকিমাকার করে কল্পনা করিনা কেন তারও আমাদের মত হাত মুখ চোখ কল্পনা করি। কাজেই আমাদের চলমান পৃথিবীর এযাবৎ অর্জিত মানবীয় জ্ঞান দিয়ে যা কিছু নির্দিষ্ট করে জানি,বুঝি,অনুভব ও উপলব্ধি করি এর বাইরে কি আছে কি নাই, সে তর্ক করার উপাদান আমাদের মগজে নাই। যা আসলেই আমাদের মগজে ও মহাজগতে কোথাও যদি নাই থাকে, তাহলে তাকে বিশ্বাসীদের ডাকা বিশেষ নামে ও বিশ্বাসীদের বিশ্বাস করা কথিত সর্বক্ষমতা গুনের সত্ত্বা রুপে ধরে নিয়ে আমরা নাই নাই করছি কেন? যা নাই তাকে আলাদা করে নাই বলার দরকারই তো নাই। যেখানে পানি আছে সেখানে মাটি নাই, যেখানে মাটি আছে সেখানে পানি নাই,যেখানে মহাশূন্যে গ্যাসীয় বায়ুমণ্ডল আছে সেখানে মাটি ও পানি নাই। যা মহাশূন্য তা অদৃশ্যমান মৌলিক কনিকাপূর্ণ মহাশূন্যই। অতএব যা আমাদের যৌক্তিক ও বুদ্ধি ভিত্তিক ধারনায় এখনো নাই, তাকে অকারনে নাই বলার বাস্তবতাতেই নেই আমরা। বরং যা কিছু আমাদের মগজের ধারণকৃত মাত্রার স্থান সময় ও চেতনায় যৌক্তিক ভাবে বিরাজিত, অনুভবকৃত, আবিষ্কৃত তা আমরা আছে বলে জানি বুঝি তাই আলাদা করে আছে বলতে হয়না। কারন আমরা দেখতেই পাই যে তা আছে।

কেও যদি বিভ্রান্ত ধারনা নিয়ে অযৌক্তিক কোনোকিছুর অস্তিত্ব আছে দাবি করে, তাহলে আমরা সেই বিভ্রান্ত ধারনা কে যুক্তি বুদ্ধি দিয়ে নাকচ করতেই পারি। কিন্তু অস্তিত্বহীন কল্পিত কোনো বস্তু বা স্বত্তা কে নাকচ করতে হলে, আমরা নিজেই অসচেতনভাবে বিশ্বাসীদের বিশ্বাস করা অস্তিত্বশীল স্বত্তাকে চিহ্নিত করি, এবং নাকচ করার জন্য বলি অমুক নাই, তমুক নাই, এভাবে বলা দরকারই নাই। বরং এভাবে বলা উচিত যে ধারনা বা চিন্তা টি প্রমানিত নয়। যা কিছু প্রমানিত বলেই জানা ও বোঝা যায়, তা বিশ্বাস করার দরকারই পরেনা, অস্তিত্তের অনুভবের কারনে এমনেই মানা হয়। যার অস্তিত্ত এখন পর্যন্ত আমাদের জানা নাই, জানার কোনো উপায় এখন পর্যন্ত আমরা পাইনি তা বিশ্বাস যেমন করার দরকার নেই, তেমনি নাই বলেই তা অবিশ্বাস করারও দরকার হয়না।বরং এভাবে বলাটা সংগত যে, ঈশ্বর বিশ্বাস এখন পর্যন্ত শুধুই একটি অপ্রমানিত ধারনা মাত্র, যে ধারনা প্রত্যক্ষ নিখুত সঠিক প্রমান করার কোন যুক্তি উপায় উপাদান এখন পর্যন্ত মানুষের কাছে নাই।

যে বলে ইশ্বর আছে,তার প্রতি-

যে বলে ইশ্বর আছে, সেও জানেনা যা আছে বলে সে মানে তার স্বরুপ কি? অবস্থান কি? ব্যাপ্তি কি? বিভিন্ন ধর্মে ও চিন্তায় বিভক্ত বিভিন্ন পক্ষ হতে যতরকমভাবে তার বিবরন দেওয়া হয়, যতরকমভাবে তার অস্তিত্তের দাবী করা হয়, সেই সব বিবরন ও দাবীর পরস্পরের মাঝে তীব্র স্ববিরোধ। বিভিন্ন মতের বিরোধ তো আছেই, একই মতের ভিন্ন ভিন্ন গোষ্ঠীর মাঝেও অনেক সংঘাত। যদি সত্যিই বিশ্বাসীদের ধারনার মত করেই ইশ্বর থাকেন তবে তাকে মানার দরকার,বিশ্বাস করার দরকার নেই।যা কিছু সন্দেহের এবং অপ্রমানিত তাকে সত্যি বলে ভাবার দরকারে বিশ্বাস আরোপ করতে হয়। আর যা বা যাকে আছে বলে আমরা নিশ্চিত ভাবে প্রমানিত বলে জানি, তা বা তাকে বিশ্বাস ছাড়াই মানি। বরং ইশ্বর থেকে থাকলে তার উচিত নিজের ক্ষমতাবলে সকল বিরোধ, সংঘাত দূর করে আমাদের মানসিক ও সামাজিক শান্তি দেওয়া। বিভিন্ন পক্ষ যখন তার তার পক্ষীয় মত, জোর করে সকলের মত বলে বিশ্বাস করাতে ও মানাতে চায়, তখন রক্তপাত আর পাশবিকতা ঘটে। অস্তিত্তবান সর্বময় ক্ষমতাবান বলে কথিত ইশ্বরই যদি আমার ভেতর নৈতিক বোধ দিয়ে থাকেন, তবে আমার অনুভূত নৈতিক বোধ বলে ঈশ্বরের উচিত আমাদের সামনে প্রমানিত রুপে প্রকাশিত হওয়া এবং সঠিক কি বলে দেওয়া,এই শয়তানি হিংসা হানাহানি বিভক্তি বিদ্বেষের অনুভুতি বিলুপ্ত করে মানবজাতিকে চিরশান্তির অনুভূতি দেওয়া। আমরা জানি আমি আছি, মা আছে বাবা আছে, মানুষ আছে, দুনিয়া আছে। আমরা জানি এগুলো সব আছে, তাই বিশ্বাস করার দরকার নেই। ঈশ্বর আছেন এটা নিশ্চিত ভাবে জানলে সেটাকে জানা বলতে পারা যেত, বিশ্বাস করার দরকার হতনা।

আমার অনুভব-

একজন আমাকে ফ্রান্সিস বেকনের এই উক্তিটি পড়তে দিয়েছিল- “যে বিজ্ঞানকে অল্প জানবে সে নাস্তিক হবে, আর যে ভালো ভাবে বিজ্ঞানকে জানবে সে অবশ্যই ইশ্বরে বিশ্বাসী হবে।“

আমার জবাব ছিল- “বিজ্ঞানের জানা কখনো শেষ হয়না, বিজ্ঞান প্রতিনিয়ত নতুন সত্য আবিষ্কার করে পূর্বের ও বর্তমানে জানা সত্য কে বাতিল করে দেওয়ার চলমান প্রক্রিয়া।
বিশ শতকের একজন দার্শনিক লেখক যা বললেন এরকম বহু কথা বহু মনিষী বলেন তাতেই চূড়ান্ত সত্য বলা হয়ে যায়না। বিশ্বাস আর বিজ্ঞান দুইটা চূড়ান্ত পরস্পর বিরোধী চিন্তা ও বিষয়। বিজ্ঞান প্রমান,পর্যবেক্ষণ, প্রতিনিয়ত পুনঃ যাচাইকরন, ভুল প্রমানের চেষ্টা সহ বহু ধাপ পেরিয়ে প্রয়োগিক ক্ষেত্রে জানা সত্যকে কাজে লাগায়। কিন্তু বিশ্বাস যে অনুমান ও চিন্তা প্রমান হয়নি বা আপাতদৃষ্টিতে প্রমান করা অসম্ভব সেটাকেই বিশ্বাসের দোহায় দিয়ে বিভিন্ন রুপে ভিন্ন ভিন্ন অপ্রমানিত চিন্তা কে সত্য বলে মানাতে চায়, যা শান্তির নামে অশান্তি ,মানবিকতার নামে পাশবিকতা, ধর্মের বদলে অধর্ম কে মানুষের জীবনে প্রভাব বিস্তার করায়। সত্য বিজ্ঞান দ্বারা প্রমানিত হলে তা এমনেই মেনে নিতে হয়, বাতাসের তরঙ্গে টেলিভিশনে দুরের ঘটনা দেখা যায় তা প্রমানিত যা বিশ্বাস করার দরকার ই পরেনা। বিজ্ঞানের জানা কখনই শেষ হয়না। সময়ের শুরু কখন আর শেষ কখন নাকি তা অসীম এই সত্য জানা সম্ভব হয়নি, সময়ের যদি কোনো শুরু থাকে তার আগে কি ছিল উত্তর পাওয়া এখনো সম্ভব হয়নি। সময়ের যদি কোনো শেষ থাকে তার পরে কি হবে তা সঠিকভাবে জানা এখনো সম্ভব হয়নি। স্থান এর ক্ষেত্রেও জানা যায়না মহাশূন্যের সীমানা ও ব্যাপ্তি কোথাও থেমে গেছে নাকি অসীম। স্থানের যদি কোনো শুরুর অবস্থান ও শেষ অবস্থান থাকে তাহলে স্থানের বাইরে কি অবস্থা তা সঠিকভাবে জানা এখনো সম্ভব হয়নি। স্থান অসীম হলে এই নিরন্তর মহাশুন্যের বাস্তবতা আমাদের মগজের ত্রিমাত্রিক বুদ্ধিতে এখনো সঠিকভাবে বোধগম্য নয়। ইশ্বর যদি অনন্ত অসীম এবং চিরঅস্তিত্তশীল হন তাকে কোন এক স্থানে কোন এক সময়ের ব্যাপ্তিতে অবস্থান করতে হবে। তাহলে স্থান ও সময় তার সৃষ্টি না হয়ে, তার মতই একইরকম অসীম হতে হয়। আর বিশ্বাস করা হল ইশ্বর আছেন কিন্তু কোথায় কিভাবে কেমন আছেন তিনি দেখতে কেমন তিনি ব্যাক্তি স্বত্তা না অন্যরুপ বস্তু স্বত্তা নাকি অভাবনীয় ভিন্ন কোন স্বত্তা, সব মানুষের ও সবকিছুর সৃষ্টি যদি তিনিই করেন, তাহলে কোন ধর্ম তার, নাকি সব ধর্মমতই তার, অথবা কোনো ধর্মমতই তার নয় এই সব উত্তর বিজ্ঞান ও বিশ্বাস দিয়ে জানা ও মীমাংসা করা এখন ও সম্ভব হয়নি। অন্যের বাক্য জানা ভাল কিন্তু চিন্তা ও পর্যালোচনা ব্যাতিত তা মেনে নেওয়া বোকামি।“

অতএব বন্ধুগন-


প্রমান এবং অপ্রমান দুটোই করা অসম্ভব এরকম অবান্তর বিষয় নিয়ে ভাবা অপ্রয়োজনীয় মনে হয়। আর ঐতিহাসিক বিশ্লেষণে দেখা যায় ঈশ্বরপ্রদত্ত বলে দাবীকৃত সকল ধর্মমত দর্শন ইত্যাদি বিভিন্ন সময় সামাজিক প্রয়োজনে মানুষেরই রচিত। ধর্মমত সমূহ মানুষের ইতিহাসে সমাজ প্রগতিতে অনেক মহৎ অবদান রেখেছে। কিন্তু জ্ঞান বিজ্ঞান, প্রযুক্তির উৎকর্ষ যতই বেড়েছে, সামাজিক রাজনৈতিক মূল্যবোধের ততই পরিবর্তন হয়েছে। অর্থনীতির আর উৎপাদনের নতুন পরিস্থিতিতে পুরনো মূল্যবোধের মানব রচিত ধর্মমত নতুন সময়ে সমাজের চালিকা শক্তির অবস্থান হারিয়ে শুধুমাত্র প্রথা ও আচার পালনে পরিনত হয়েছে। ঐশী বলেই নিখুঁত ও অবশ্যই পালনীয় এভাবে ভাবা আবেগ আর উত্তরাধিকারের অন্ধবিশ্বাসকে উপযোগী ভাবা জনমতের পক্ষে দাঁড়িয়ে সমাজের চালিকাশক্তি হতে চাওয়া মানুষেরা অজ্ঞতাকে শক্তি মেনে আমাদের শান্তির নামে অশান্তি দিচ্ছেন। মানুষ এখনো এগুলো ঐশী বলে বিশ্বাস করে। আমিও মানুষ। এই পৃথিবী, এই মহাবিশ্ব, এই বাস্তবতা আর অস্তিত্তের অনুভব আমি প্রমানিত ভাবে জানি। কিন্তু কিভাবে আমার মত অগনিত মানুষ এই মহাবিশ্ব অস্তিত্তবান হল তা চূড়ান্তভাবে জানা সম্ভব হয়নি।.জানতে পারলে ভাল হত।ইবনে সিনা মাদ্রাসায় তার শৈশবে শিক্ষকের কাছে জানতে চেয়েছিলেন দুনিয়া সৃষ্টির আগে আল্লাহ কি করতেন। জবাবের বদলে বেত্রাঘাত পেয়েছিলেন। বিশ্বাসীরা বলেন ঈশ্বর জন্ম নেনওনি, জন্ম দেনওনি, ঈশ্বর সবসময়ই ছিলেন। বিশ্বাসী বন্ধুগন আপনারা ভাবুন, মহাবিশ্ব সৃষ্টির আগে আপনার স্রষ্টা কিভাবে কোথায় কতকাল ছিলেন? আপনি এর উত্তর জানেন না, জানতে চান না, আপনাদের বিভিন্ন মতের কোনো গ্রন্থই এর চূড়ান্ত উত্তর দেয়নি,কিন্তু আপনি না জেনেই মানেন আর আপনার অজ্ঞতা অপর কে মানাতে বাধ্য করতে চান। কিন্তু বন্ধুগন আমার কাছে বিশ্বাস আর অবিশ্বাস সমান মূর্খতা আর বোকামি। আমি জানি আমি আছি আর কিছু জানিনা,শুধু জানি থাকবনা,মিশে যাব মাটিতে। অর্থহীন জীবন অর্থপূর্ণ ভাবে বাঁচার চেষ্টা করতে করতেই একদিন মরে যাব। বিশ্বাসী বন্ধুগন, আমি বুঝি উত্তরাধকার সুত্রে প্রাপ্ত বিশ্বাসে আপনাদের অনুভূতিতে সত্য আর বিশ্বাস একই বলে মনে হয়। তবে সেই সত্য আপনি যা ভাবেন অপর অনেক বিশ্বাসী তার জন্মগত পরিবারের কারনে অন্যরকম বলে ভাবে। আপনি প্রার্থনা করুন যে আসল সত্য নিয়ে এত অশান্তি, ঈশ্বর নিজে এসে সেই আসল সত্য বলে, সব মতের সবার সব বিভেদ অশান্তি অমঙ্গল অনুভুতি বিলুপ্ত করে দিক, লোভ আর ভয়ের অনুভুতি বিলুপ্ত করে দিক। এই চাওয়া অন্যায় হতে পারেনা

অতএব বন্ধুগন, অমীমাংসিত অজ্ঞতার পক্ষে জন্মগত অভ্যাসে অহেতুক অবস্থান না করে, বিভক্তি আর বিদ্বেষ নিয়ে না বেঁচে, পারলে যেকোনো বিভ্রান্তি ও ধারনা পরিহার করে আপনার অস্তিত্তের অনুভব নিয়ে জীবন যাপন করুন। এমন মানব জনম আর কি ফিরে পাবেন? যতদিন বাঁচবেন মানুষের মঙ্গলের জন্য কাজ করে নিজের অবদান রাখতে চেষ্টা করুন।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

১৭ thoughts on “ঈশ্বর আছে+ঈশ্বর নাই= অপ্রয়োজনীয় ভাবনা।

  1. চমৎকার উপস্থাপনা।
    চমৎকার উপস্থাপনা।
    যুক্তির তর্ক হওয়া উচিত গোছানো ও সহনশীলতার সাথে। যুক্তি কখনো গায়ের জোর দিয়ে প্রতিষ্ঠা করা যায় না। অন্ধ বিশ্বাস বা মিথ্যাকে প্রতিষ্ঠা করতে প্রয়োজন হয় শক্তির প্রয়োগের।

    যে ইশ্বর নাই বলে, সে জানেনা কি বা কাকে সে নাই বলে, অর্থাৎ অস্তিত্বহীন কোনোকিছুকে নির্দিষ্ট ধারনায় চিহ্নিত করে নাকচ করতে হবে কেন?

    এই কথাটিতে আমার আপত্তি আছে। যে নাই বলছে সে কিন্তু জেনেই নাই বলছে। বিশ্বাসী থেকে কেউ না জেনে অবিশ্বাসী হয়, এটা মানতে পারছি না। একজন বিশ্বাসী জন্মসূত্রে কোন কিছু না জেনেই তার চারপাশের অন্ধবিশ্বাসকে কোন প্রশ্ন ছাড়া মেনে নিয়ে সে সৃষ্টিতত্ত্ব ও ঈশ্বরে বিশ্বাস করছে। কিন্তু একজন অবিশ্বাসী তার বিশ্বাস থেকে অবস্থান পরিবর্তন করার জন্য যথেষ্ঠ সময় নেয়। তার মধ্যে কিছু প্রশ্নের উদ্রেক হয়, সেগুলোর জবাব না পেলেই পৈতৃকসূত্রে প্রাপ্ত ধর্মীয় বিশ্বাসের উপর ফাটল তৈরি হয়। হুট করে কেউ অবিশ্বাসী হতে পারে না। কিন্তু হুট করে অন্ধভাবে যে কেউ বিশ্বাসী হতে পারে।

    ইস্টিশনে স্বাগতম। এই ধরনের ক্ষুরধার লেখার প্রত্যাশা করছি নিয়মিত।

    1. ধন্যবাদ দুলাল ভাই। আপনি যে
      ধন্যবাদ দুলাল ভাই। আপনি যে বাক্য নিয়ে আপত্তি করেছেন এবং যেভাবে বিষয়টা ভেবেছেন তা নিয়ে আমার দ্বিমত নেই । আমি বিষয়টা ভিন্ন অনুভবে চিন্তা করতে চেয়েছি ।
      ১) যা আসলেই আমাদের মগজে ও মহাজগতে কোথাও যদি নাই থাকে, তাহলে তাকে বিশ্বাসীদের ডাকা বিশেষ নামে ও বিশ্বাসীদের বিশ্বাস করা কথিত সর্বক্ষমতা গুনের সত্ত্বা রুপে ধরে নিয়ে আমরা নাই নাই করছি কেন?
      ২) যা নাই তাকে আলাদা করে নাই বলার দরকারই তো নাই। যেখানে পানি আছে সেখানে মাটি নাই, যেখানে মাটি আছে সেখানে পানি নাই,যেখানে মহাশূন্যে গ্যাসীয় বায়ুমণ্ডল আছে সেখানে মাটি ও পানি নাই। যা মহাশূন্য তা অদৃশ্যমান মৌলিক কনিকাপূর্ণ মহাশূন্যই।
      ৩) অতএব যা আমাদের যৌক্তিক ও বুদ্ধি ভিত্তিক ধারনায় এখনো নাই, তাকে অকারনে নাই বলার বাস্তবতাতেই নেই আমরা।
      ৪) কেও যদি বিভ্রান্ত ধারনা নিয়ে অযৌক্তিক কোনোকিছুর অস্তিত্ব আছে দাবি করে, তাহলে আমরা সেই বিভ্রান্ত ধারনা কে যুক্তি বুদ্ধি দিয়ে নাকচ করতেই পারি। কিন্তু অস্তিত্বহীন কল্পিত কোনো বস্তু বা স্বত্তা কে নাকচ করতে হলে, আমরা নিজেই অসচেতনভাবে বিশ্বাসীদের বিশ্বাস করা অস্তিত্বশীল স্বত্তাকে চিহ্নিত করি, এবং নাকচ করার জন্য বলি অমুক নাই, তমুক নাই, এভাবে বলা দরকারই নাই।
      ৫) বরং এভাবে বলা উচিত যে ধারনা বা চিন্তা টি প্রমানিত নয়। যার অস্তিত্ত এখন পর্যন্ত আমাদের জানা নাই, জানার কোনো উপায় এখন পর্যন্ত আমরা পাইনি তা বিশ্বাস যেমন করার দরকার নেই, তেমনি নাই বলেই তা অবিশ্বাস করারও দরকার হয়না।বরং এভাবে বলাটা সংগত যে, ঈশ্বর বিশ্বাস এখন পর্যন্ত শুধুই একটি অপ্রমানিত ধারনা মাত্র, যে ধারনা প্রত্যক্ষ নিখুত সঠিক প্রমান করার কোন যুক্তি উপায় উপাদান এখন পর্যন্ত মানুষের কাছে নাই।
      আপনি যে অর্থে নাই বলছেন বা বিশ্বাসী থেকে অবিশ্বাসী হবার কথা বলছেন তা ঠিকই বলছেন । আমি চেয়েছি প্রথাগত বিশ্বাস আর অবিশ্বাস দুই রকম ধারনার দার্শনিক বোধের ক্ষেত্রে আমাদের সকলের চিন্তার উৎকর্ষ সমৃদ্ধ হোক । আমাদের জানা বোঝা আর চিন্তা কোনো বৃত্তে বন্দি না হয়ে যাক। হয়তো এর পর আরও উন্নততর কোনো চিন্তা আমাদের বিকশিত করবে । ভালো থাকবেন ভাই ।

  2. পোস্টে আবেগ বেশী । তথ্য
    পোস্টে আবেগ বেশী । তথ্য-প্রমাণ অনেক কম। সাহিত্যিক মান বিবেচনা করলে খুব সুন্দর পোস্ট হয়েছে। কিন্তু পোস্টে এমন কোন কনভিন্সিং তথ্য-উপাত্ত নেই যার কারনে একজন আস্তিক, নাস্তিক হয়ে উঠবে। রিচার্ড ডকিন্স, লরেন্স ক্রাউসও এই চালাকিটা করে।

    1. ১)সব লেখা তথ্য প্রমান দলিল
      ১)সব লেখা তথ্য প্রমান দলিল এসব সহযোগে লিখতেই হবে এমন নয়। আমি চিন্তা করতে চেয়েছি এবং অন্যদের সাথে চিন্তা বিনিময় করতে চেষ্টা করেছি ।

      ২) আস্তিক কে নাস্তিক এ রুপান্তর করা এ লেখার উদ্দেশ্য নয় । কে আস্তিক, কে নাস্তিক অথবা কে আস্তিক বা নাস্তিক কোনটায় নয় তা নির্ভর মানুষের নিজের চিন্তার বিকাশের মাঝে ।

      ৩) আমি প্রথাগত উপাসনা-পুজা-গোলামী ধরনের ধর্ম প্রচারক নই । অধর্ম প্রচারকও নই । যাদের উদ্দেশ্যের সততা থাকেনা তারা সবকিছুতেই মতলব খুঁজে পায়।
      ৪)আমি বলছি বিশ্বাসী বন্ধুগন, আমি বুঝি উত্তরাধকার সুত্রে প্রাপ্ত বিশ্বাসে আপনাদের অনুভূতিতে সত্য আর বিশ্বাস একই বলে মনে হয়। তবে সেই সত্য আপনি যা ভাবেন অপর অনেক বিশ্বাসী তার জন্মগত পরিবারের কারনে অন্যরকম বলে ভাবে। আপনি প্রার্থনা করুন যে আসল সত্য নিয়ে এত অশান্তি, ঈশ্বর নিজে এসে সেই আসল সত্য বলে, সব মতের সবার সব বিভেদ অশান্তি অমঙ্গল অনুভুতি বিলুপ্ত করে দিক, লোভ আর ভয়ের অনুভুতি বিলুপ্ত করে দিক। এই চাওয়া অন্যায় হতে পারেনা। এই আবেগ অসৎ নয়।

      1. বিশ্বাসী বন্ধুগন আপনারা ভাবুন

        বিশ্বাসী বন্ধুগন আপনারা ভাবুন, মহাবিশ্ব সৃষ্টির আগে আপনার স্রষ্টা কিভাবে কোথায় কতকাল ছিলেন? আপনি এর উত্তর জানেন না, জানতে চান না, আপনাদের বিভিন্ন মতের কোনো গ্রন্থই এর চূড়ান্ত উত্তর দেয়নি,কিন্তু আপনি না জেনেই মানেন আর আপনার অজ্ঞতা অপর কে মানাতে বাধ্য করতে চান।

        এতটা নিশ্চিত হচ্ছেন কিভাবে কোন গ্রন্থই চূড়ান্ত উত্তর দেয় নি বলে। অথবা আমরা না জেনেই মানি? আপনি কি পুরা কোরান পড়েছেন? আপনি কি যানেন সেখানে কি লিখা আছে?

        1. বিশ্বাসী বন্ধুগন আপনারা ভাবুন

          বিশ্বাসী বন্ধুগন আপনারা ভাবুন, মহাবিশ্ব সৃষ্টির আগে আপনার স্রষ্টা কিভাবে কোথায় কতকাল ছিলেন? আপনি এর উত্তর জানেন না, জানতে চান না, আপনাদের বিভিন্ন মতের কোনো গ্রন্থই এর চূড়ান্ত উত্তর দেয়নি,কিন্তু আপনি না জেনেই মানেন আর আপনার অজ্ঞতা অপর কে মানাতে বাধ্য করতে চান।

          তা কোন গ্রন্থে কী উত্তর দেয়া আছে, আপনিই বলেন না।

  3. কথা সত্য, যার অস্তিত্ব নাই
    কথা সত্য, যার অস্তিত্ব নাই তাতে অবিশ্বাস করতে হবে ক্যানো! ঈশ্বর সংক্রান্ত ভাবনা শুধুই অপচয়।

  4. ঈশ্বর আছে+ঈশ্বর নাই=
    ঈশ্বর আছে+ঈশ্বর নাই= অপ্রয়োজনীয় ভাবনা।

    সত্যই কি অপ্রয়োজনীয় ভাবনা? অপ্রয়োজনীয় ভাবনাই যদি হবে , তাহলে এত ভেবে সময় নষ্ট করে এই পোস্ট লেখার প্রয়োজন পড়ল কেন? কোনটা প্রয়োজনীয় আর কোনটা অপ্রয়োজনীয় ভাবনা , সেটা নিয়ে সকলেই একমত হবে এমন আশা করা বোকামি। বরং নাস্তিকদের খতিয়ে দেখা উচিৎ মানুষ কেন ঈশ্বরে বিশ্বাস করে।

    প্রচলিত সকল প্রধান ও অপ্রধান ধর্মই রূপকথা , কল্পকথা , পৌরাণিক কথায় ভরপুর , যেগুলোতে বিশ্বাস করা যৌক্তিক বুদ্ধি বিবেকমান লোকের পক্ষে সম্ভব নয়। এর অর্থ এই নয় ইশ্বর নেই। ইশ্বর আছে কি নেই সেটা জানতে নিজেকে জানুন , অন্যকে জানুন , বিশ্ব ব্রমান্ডকে দেখুন , ভাবুন। ভাবনা সব সময় প্রয়োজনীয়।

    1. “ওই মানুষটির জন্ম হয়ে কি লাভ

      “ওই মানুষটির জন্ম হয়ে কি লাভ যে মৃত্যুর আগে পৃথিবীটাকে আরেকটু সুন্দর করে যেতে পারল না ?”- আমার অনেক পছন্দের একটি উক্তি। হাজার হাজার ফিলসফার ও জ্ঞানী-গুণী মানুষের লাখো লাখো বিখ্যাত উক্তির মাঝে এই উক্তিটিকেই আমার সর্বশ্রেষ্ঠ মনে হয়। একজন মানুষ ঠিক তখনই পরিপূর্ণ মানুষ হয়ে ওঠে যখন সে তার জীবনের লক্ষ্যটাকে চিহ্নিত করতে পারে। যখন সে নির্ধারণ করতে পারে যে সে আসলে কী কাজে তার জীবনের বাকি সময়টাকে ব্যয় করবে। কোন আদর্শে সে বাকি পথটুকু হাঁটবে। আর কোন মানুষ যদি কোন একটি আদর্শের মাঝে তার জীবন পার করতে চায় তো “পৃথিবীকে সুন্দর করে তোলা”র চেয়ে ভালো আদর্শ আর কি হতে পারে ?

      মানুষ তার সমগ্র জীবনে দুধরনের কাজ করে। এক শ্রেণীর কাজ তার জীবিকা উপার্জনে সাহায্য করে। আরেক ধরণের কাজ হল সেগুলো যেগুলো তার মৃত্যুর পর তার আশে-পাশের লোকজন তার ব্যাপারে মনে রাখে।

      খতিয়ে দেখার সুযোগ কি দিচ্ছেন আপনারা? খতিয়ে দেখা শুরু করলেই আপনাদের ভঙ্গুর ধর্মীয় অনুভুতি নড়ে উঠে। কান্নাকাটি শুরু করেন। আল্লাহর অসীম শক্তির উপর যদি এতই বিশ্বাস আপনাদের থেকে থাকে, তাহলে গুটিকয়েক নাস্তিক নিয়ে এত পেরেসানে কেনরে বাপু! নাস্তিকদের বিচার আল্লাইতো পরকালে করবে অবিশ্বাসের কারণে। কিন্তু আল্লার বিচারের উপরই আপনাদের ভরসা নাই।

      ইশ্বর আছে কি নেই সেটা জানতে নিজেকে জানুন , অন্যকে জানুন , বিশ্ব ব্রমান্ডকে দেখুন , ভাবুন। ভাবনা সব সময় প্রয়োজনীয়।

      ভাবতে আর জানতে গিয়ে আল্লাহ আর আপনাদের ধর্ম অস্তিত্বসংকটে পড়ছে। এজন্য নবীর নিয়ম অনুযায়ী হত্যা শুরু হয়েছে ভাবুকদের। একটু নিশ্চিন্তে ভাবতে দেন, দেখেন না কি হয়!

      1. ভাবতে আর জানতে গিয়ে আল্লাহ আর

        ভাবতে আর জানতে গিয়ে আল্লাহ আর আপনাদের ধর্ম অস্তিত্বসংকটে পড়ছে। এজন্য নবীর নিয়ম অনুযায়ী হত্যা শুরু হয়েছে ভাবুকদের। একটু নিশ্চিন্তে ভাবতে দেন, দেখেন না কি হয়!

        না , নুর নবী দুলাল সাহেব। আল্লাহ ও আমাদের ধর্ম অস্তিত্বসংকটে পড়েনি। আমি যে ধর্ম পালন করি সেই ধর্মের আল্লাহ অমুখাপেক্ষী এবং সেই ধর্মের নবী ও কাউকে সৎপথে আনতে পারেন না।

        কোরান থেকে–
        ১৪:৮ এবং মূসা বললেনঃ তোমরা এবং পৃথিবীর সবাই যদি কুফরী কর, তথাপি আল্লাহ অমুখাপেক্ষী, যাবতীয় গুনের আধার।

        ২৮:৫৬ আপনি যাকে পছন্দ করেন, তাকে সৎপথে আনতে পারবেন না, তবে আল্লাহ তা’আলাই যাকে ইচ্ছা সৎপথে আনয়ন করেন। কে সৎপথে আসবে, সে সম্পর্কে তিনিই ভাল জানেন।

        ভাবুন , কেউ মানা করছে না। বরং আমার ধর্মে অন্তর দিয়ে বিবেচনা করতে বলা হয়েছে , চোখ দিয়ে দেখতে বলা হয়েছে, কান দিয়ে শুনতে বলা হয়েছে। অন্ধ বিশ্বাসী হতে বলা হয় নি।

        ৭:১৭৯ আর আমি সৃষ্টি করেছি দোযখের জন্য বহু জ্বিন ও মানুষ। তাদের অন্তর রয়েছে, তার দ্বারা বিবেচনা করে না, তাদের চোখ রয়েছে, তার দ্বারা দেখে না, আর তাদের কান রয়েছে, তার দ্বারা শোনে না। তারা চতুষ্পদ জন্তুর মত; বরং তাদের চেয়েও নিকৃষ্টতর। তারাই হল গাফেল, শৈথিল্যপরায়ণ।

    2. জী জনাব, অপ্রয়োজনীয় ভাবনাই ,
      জী জনাব ফারুক,অপ্রয়োজনীয় ভাবনাই , তবে তা ভাবনাই বটে । এত ভেবে সময় নষ্ট করতে হল কারন এতদিন যেভাবে অপ্রয়োজনে সমাধানহীন কুতর্ক আমরা বিভিন্ন মতে করে চলেছি তা নিস্ফল। আমরা কেউ চূড়ান্ত কিছু বলার মত প্রাজ্ঞ নই। প্রচলিত সকল প্রধান ও অপ্রধান ধর্মই রূপকথা ,কল্পকথা ,পৌরাণিক কথায় ভরপুর ,যেগুলোতে বিশ্বাস করা যৌক্তিক বুদ্ধি বিবেকমান লোকের পক্ষে সম্ভব নয়। এর অর্থ এই নয় ইশ্বর নেই অথবা আছে । উত্তরবিহীন সমাধানহীন ভাবনা না ভেবে অনেক দরকারি ভাবনা সব সময় প্রয়োজনীয় । যদি পারেন সব উত্তর নিখুত রুপে নির্ণয় করতে, তাহলে খুবই ভালো হয় । আমরা কুতর্ক হতে মুক্তি পাই । আমাদের অস্তিত্বের বিষয়ে শাশ্বত চূড়ান্ত সত্য কিছু থাকলে , তা সঠিক ভাবে জানতে পারলে এ বিষয়ে অপ্রয়োজনীয় ভাবনার প্রয়োজনই থাকতোনা । স্রেফ জানাটাই যথেষ্ট হত । এবং ঠিকই বলছেন সকলেই সবকিছুতে একমত হওয়া সর্বদা সম্ভব নয় । দ্বিমত করার জন্য ধন্যবাদ।

      1. উত্তরবিহীন সমাধানহীন ভাবনা না

        উত্তরবিহীন সমাধানহীন ভাবনা না ভেবে অনেক দরকারি ভাবনা সব সময় প্রয়োজনীয় । যদি পারেন সব উত্তর নিখুত রুপে নির্ণয় করতে, তাহলে খুবই ভালো হয় । আমরা কুতর্ক হতে মুক্তি পাই । <উত্তরবিহীন সমাধানহীন ভাবনা না ভেবে অনেক দরকারি ভাবনা সব সময় প্রয়োজনীয় । যদি পারেন সব উত্তর নিখুত রুপে নির্ণয় করতে, তাহলে খুবই ভালো হয় । আমরা কুতর্ক হতে মুক্তি পাই ।

        উত্তর ও সমাধান জানা থাকলে তো আর ভাবা লাগে না। উত্তর ও সমাধান খুজতেই ভাবা লাগে। সকলের দরকার যেমন এক না , তেমনি কে কোন ভাবনাকে প্রাধান্য দিয়ে দরকারি ভাববে তা যার ভাবনা সেই ঠিক করবে। আমার জন্য যে উত্তর নিখুত , তা অন্যের জন্য ও নিখুত হলে সেই অন্যটা তো আমি হয়ে যাব। তা কি সম্ভব? না। একারনে যার যার উত্তর তাকেই খুজে নিতে হবে।

        1. বেশ, আপনার দরকারি ভাবনা
          বেশ,আপনার দরকারি ভাবনা নিখুঁত উত্তর নিয়ে গরিমায় নিমগ্ন থাকুন। দয়া করে আমাকে না বললেও চলবে, যার যার উত্তর তাকেই খুজে নিতে হবে।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

− 2 = 1