হেফাজতের আশি কোটি টাকার আষাঢ়ে গল্প।

ধর্ম অবমাননাকারী নাস্তিক ব্লগারদের ফাঁসি, সংবিধানে “আল্লাহর উপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস পুনঃ স্থাপন এবং কুরআন-সুন্নাহবিরোধী সব আইন বাতিল সহ ১৩ দফা বাস্তবায়নের দাবীতে হেফাজতে ইসলাম নামের অরাজনৈতিক সংগঠন ০৬ এপ্রিল সরকারের বাঁধা বিপত্তি পেরিয়ে ঢাকার শাপলা চত্বরে ঐতিহাসিক সমাবেশ করে দেশের ধর্মপ্রাণ মানুষের অবস্থান স্পষ্ট করে।

সরকার জনগণের বন্ধু। মানুষের চাহিদা, প্রয়োজন সম্পন্ন করা সরকারের প্রধান দায়িত্ব। কিন্তু আমরা হতাশ চোখে দেখলাম, হেফাজতের লংমার্চ কর্মসূচী সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক হওয়া স্বত্বেও সরকার তাদের সমর্থক ঘাদানিকের মাধ্যমে সরকারি ছুটির দিনে হরতাল আহ্বান করে ইতিহাস সৃষ্টি করলো। তথাকথিত গণজাগরণ মঞ্চ লংমার্চ প্রতিরোধের ঘোষণা দিলো। সরকার পুলিশ বাহিনীকে দিয়ে গুটিকয়েক ব্যক্তির হরতালকে উপলক্ষ বানিয়ে লঞ্চ/বাস/ট্রেন বন্ধ করে দিলো। কিন্তু আমরা অবাক হয়ে দেখলাম কয়েক কয়েক লক্ষ তৌহিদী জনতা পায়ে হেঁটে শত কিলোমিটারের অধিক পথ পাড়ি দিয়ে শাপলা চত্বরে উপস্থিত হলো।
হেফাজতে ইসলাম সমাবেশে ১৩ দফা দাবী উপস্থাপন করলো। সবগুলো দাবীই যুক্তির নিরিখে রাজনীতির সাথে সম্পর্কহীন। কিন্তু সরকার তাঁদের ১৩ দফার অপব্যাখ্যা করে হেফাজতে ইসলামকে জামায়াত-বিএনপির হেফাজতকারী অবহিত করলো। আওয়ামীলীগের যুগ্ম মহাসচিব মাহবুবুল আলম হানিফ অখ্যাত একটি পত্রিকার বরাত দিয়ে হেফাজত জামায়াতের কাছ থেকে ৮০ কোটি টাকা নিয়েছে দেশে অরাজকতা সৃষ্টির জন্য আন্দোলনে নেমেছে বলে দাবী করলেন। তার কথার সাথে তাল মিলিয়ে সুশীল সমাজ হেফাজতের নামে আশি কোটির গল্প চালিয়ে যেতে লাগলেন।

স্বভাবত একজন সাধারণ জনতা হিসেবে আমার মনে কিছু প্রশ্নের উদ্রেক হয়েছে! আমাদের সেনবাবুর ৭০ লক্ষ টাকা একজন ড্রাইভার ধরিয়ে দিলো, কিন্তু হেফাজতের ৮০ কোটি টাকার হদিসও সরকার জানতে পারলো না! এটা কেমন কথা?
বিশ্বব্যাংক আমেরিকায় বসে আবুল হোসেনের পদ্মা সেতুর দুর্নীতির প্রমাণ দিতে পারে! সরকার হেফাজতের ৮০ কোটি টাকার কথা জানতে পারে না! এটা কেমন কথা?
তারেকের হাজার কোটি টাকা ফিরিয়ে আনতে পারে, হেফাজতের নাগাল পায় না! এটা কেমন কথা?
মীর কাশেম আলীর দুর্নীতি প্রমাণ করতে পারে, হেফাজতের বিরুদ্ধে কিছু দেখাতে পারে না! এটা কেমন কথা? সুশীল সমাজ উত্তর দেন?

হানিফ সাহেব হেফাজতের বিরোধিতা করতে পারেন। দেশীয় কোনোকিছুর পক্ষে বিপক্ষে মতামত প্রদান তাঁর গণতান্ত্রিক অধিকার। কিন্তু সরকার-দলীয় প্রভাবশালী একজন ব্যক্তি হিসেবে অপ্রমাণিত একটি বিষয়কে নিয়ে এভাবে কথা বলে তিনি নিজেকে আবুল সুরঞ্জিতের স্তরে নামিয়ে আনতে পারেন না। একজন দেশপ্রেমিক হিসেবে আমি অন্তত এই বিষয়টা মানতে পারি না! কেন তিনি আবুল হবেন! একজন আবুল যেখানে বাংলাদেশের জন্য হিমালয়-সম। সেখানে নতুন আবুল সৃষ্টি হোক এটা আমার বিজ্ঞ বন্ধুরা নিশ্চয় চাইবেন না?
তবে কি আমরা বলবো না, হেফাজতে ইসলামের ১৩ দফা দাবী দেশকে মধ্যযুগে ফিরিয়ে নিবে বলে হানিফ সাহেব লংমার্চ পরবর্তী যে দাবী করেছিলেন, সেটি হালাল করতেই কি আশি কোটির গল্প বলে বেড়াচ্ছেন? জন্মগত মুসলমান হলেও প্রকৃত ইসলামের ছোঁয়া হানিফ সাহেব পাননি? রাজনীতির কাছে নিজের ধর্ম বিক্রি করে দিয়েছেন?

হেফাজতে ইসলাম কওমি মাদরাসা কেন্দ্রিক একটি অরাজনৈতিক সংগঠন। হানিফ সাহেবের জ্ঞানের দৈন্যতা দেখে খারাপ লাগলো। তাঁর বুঝা উচিত ছিলো, কওমি মাদরাসার আলেমগণ কখনোই পার্থিব লোভ-লালসার শিকার হননি। সাধারণ শিক্ষিতরা যেখানে একটি সরকারি চাকুরীর জন্য ব্যাগ ভর্তি টাকা নিয়ে মন্ত্রী/এমপির দরবারে দৌড়চ্ছেন, তখন কওমি মাদরাসার পরিচালকগণ ধর্মীয় শিক্ষার সঠিক উদ্দেশ্য বিনষ্ট হবে ভেবে সরকারি স্বীকৃতি প্রত্যাখ্যান করছেন!
সরকারি/বেসরকারি চাকুরীজীবীরা নির্ধারিত মেয়াদ শেষ করে পেনশনের টাকায় হজ্ব করে এসে ঘরে বসে আছেন, তখন ৯৩ বছর বয়সে আল্লামা আহমদ শফীর মতো অশীতিপর বৃদ্ধ হাটহাজারিতে বসে কয়েক হাজার ছাত্রকে বুখারী শরিফ পড়াচ্ছেন!
সাধারণ মানুষ যখন নিজেদের ব্যাংক ব্যাল্যান্স ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে তুলতে বিবেক বিক্রি করে দিচ্ছে, তখন কওমি মাদরাসার কয়েক লক্ষ শিক্ষক মাত্র ৫/১০ হাজার টাকার বিনিময়ে ধর্মীয় শিক্ষা মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দিচ্ছেন! এই মানুষগুলো কি পারতেন না, চাকরী/ব্যবসা করে স্বাচ্ছন্দ্যে নিজের জীবন অতিবাহিত করতে?
কিন্তু ইসলামের মান সমুন্নত রাখতে এরা নিজেদের জীবন উৎসর্গ করেছেন, করছেন এবং আগামীতেও করবেন।

দুঃখজনক হচ্ছে, এতো কিছু জেনেও আমাদের বিবেক জাগবে না। আমরা হেফাজতের দাবীগুলো বিশ্লেষণ করে দেখবো না। ধর্মীয় মমতা আমাদের স্পর্শ করবে না। আমরা চিৎকার করে যাবো হেফাজত জামায়াতের আশি কোটি টাকা নিয়েছে। কিন্তু প্রমাণ খুঁজবো না! মানববন্ধন করে বলবো না, হানিফ সাহেব, হেফাজত আশি কোটি টাকা নিয়েছে প্রমাণ দেন না হয় দাবী পূর্ণ করেন! কিন্তু নতুন করে গাওয়ার চেয়ে সূর মিলানো সহজ যে! তাছাড়া আমরা যে সুশীল। ধর্মের মোড়কে আমাদের চুলকানি আছে যে!
সুশীলতার রঙিন পোশাক বড্ড আরামদায়ক। জয় সুশীল সমাজ জয়।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

১৪ thoughts on “হেফাজতের আশি কোটি টাকার আষাঢ়ে গল্প।

  1. প্রমাণ অবশ্যই করা যেয়ে।
    প্রমাণ অবশ্যই করা যেয়ে। প্রমাণ হয়েতো সরকার এর কাছে আছেও। কিন্তু সরকার যে হেফাজত কে বেশি ঘাঁটাতে চায়না সেটা তো ৬ এপ্রিল থেকেই বুঝা গেছে! নইলে হেফাজত এর সাথে “সমঝোতার” কথা কখনোই বলতো না..

  2. ১) যে লোক বলবে হিফাজতের দাবী
    ১) যে লোক বলবে হিফাজতের দাবী রাজনৈতিক না, সে হয়ত রাজনীতি বুঝে না অথবা, ১৩ দফায় বুঝেন নাই!! “সবগুলো দাবীই যুক্তির নিরিখে রাজনীতির সাথে সম্পর্কহীন।”– হাস্যকর!! ব্লগ লিখা শুরু করার আগে অনেক জেনে আসুন!!
    ২) সরকার রাজনৈতিক সুবিধা নিতে চাইবে বলে সত্য মিথ্যা হয়ে যাবে না, ওই হিফাচুতিয়াদের জনগণ চিনে গেছে। শাহ্‌বাগের মত ১৭ দিন রাত-দিন ২৪ ঘণ্টা থাকতে হইলে বুঝা যাইত!!
    ৩) মধ্যযুগীয় পিছুটানে নর্দমায় পড়ে থাকতে চান তো ব্লগিং করতে বলছে কে আপনাকে?
    আমরাও ইসলাম জানি!! ফকির লালের সুরে বলি “মুসলমানের ছেলে আমি আল্লাহ-রসুল শিখাইস না”!! ওইটা ইসলাম? দেখেন আপনি বিশ্বাস করেন আর কি পালন করেন!! তারপর মুখে কি বলেন তাও ভেবে দেইখেন!!! জত্তসব, রাবিশ!!

    http://www.istishon.com/node/1319

    এই লিঙ্কটা পড়ে দেইখেন!! দরকার হলে আরও পরিষ্কার করে দিব!! আমারই লিখা…

    1. উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মিথ্যাচার,
      উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মিথ্যাচার, পরলেই বুজা যাই। আর যুক্তিবাদী নিক খুলে মন্তব্য প্রতিমন্তব্য এর মাধ্যমে যুক্তিতর্ক না করে পাছা বাচিয়ে এড়িতে যায় শুধু।
      আর লেখায় নিরপেক্ষতার কোন নমুনা দেখিনা !!!!!

      1. হা হা হা! দুঃখজনক হলেও সত্য
        হা হা হা! দুঃখজনক হলেও সত্য পুরো ব্লগে একজন মানুষও পাইনি, যে সত্যিই যুক্তি দিতে কথা বলে! যুক্তির উত্তরে ফালতু কথা বললে উত্তর দেবো এমন ভাবনা কেমনে ভাবেন। আগে যুক্তি শিখে আসেন। পরে কথা কইয়েন।

  3. আিম একিট কথা বুিঝ না েহফাজতরা
    আিম একিট কথা বুিঝ না েহফাজতরা শুধু মাত্ত আওয়ামী সরকার িবরুদী েকন তারা কখন জামাত বা িবনিপ সমঞ্চে কখনও িকছু বেল না।িবনিপ ও একটা secular সংগঠন।আর েয জামাতেক েহফাজতরা বলেছ কািদয়ািন েথেকও খারাপ তাদের সােথ হাত িমলাই িকভােব তারা িক মওদুিদর বই পেড় নাই।তাছাড়া তারা মাহমুদুরেক অনশন ভাংেত বেল েস িক ধমীয় অণূভুিতেত আঘাত হােন নাই।আবার তারা নারীিনতী িনেয় কথা বেল িকণ্ডু নারী েনতৃত হারাম গনতণ্ড হারাম তারাতা ভুেল েগেছ োবধহয়।ইসলােমর োকথাও িক আেছ িনরাপরাধ অন্য ধরমের লোক মারা িকণ্ডু জামাত েয এই কাজ করল তারা তার প্রিতবাদ করল না েকন। টুিপ পাঞ্জািব পেড় আললাহু আকবর বেল খারাপ কােজর ৈবধতা েদয়ার অিধকার তােদর িদল েক।আর তােদর আওয়ামী িবেদষ আর জামাত িবনিপর প্রিত ভালবাসা বেল েদয় তােদর উেদদশ্য িক ।তােদর বকতেব শতকরা৯০ ভাগ আওয়ািম িবরুেদদ যা োকন রাজৈনিতক দলই বেল।তারা আওয়ািমলীেগর িবরুেদদ কথা বলেত পাের িকণ্ডু যখন যুদধপরাধীর িবচােরর কথা আেস তখন তারা বেল আমরা োকনও রাজৈনিতক আোলচনা করব না।অদভুত ন্যাকািম যার কথা এবং কােজ োকন িমল নাই।

  4. আপনি অন্য কিছু পোষ্টেও
    আপনি অন্য কিছু পোষ্টেও বলেছেন, বাংলাদেশে সকল ধর্মের লোকজন থাকতে পারবে।
    সুন্দর কথা। আবার হেফাজতে ইসলামকে অন্ধভাবে সমর্থন দিয়ে আসছেন। কিন্তু শুক্রবার চট্টগ্রামে আল্লামা শফি কি বলেছেন শুনেছেন? বলেছেন, “যারা আল্লাহ রাসুলকে মানে না তাদের এই দেশে থাকার অধিকার নেই। এই দেশটা আল্লাহর দেশ, এই দেশে থাকতে হলে আল্লাহর আইন মেনে চলতে হবে।”
    এটার কি ব্যাখ্যা দেবেন? শফির এই বাক্যগুলোর অর্থ হিন্দু,বৌদ্ধ, খ্রিস্টানসহ অন্য ধর্মাবলম্বীদের এইদেশে থাকতে হলে আল্লাহ রাসুলকে মানতে হবে! আল্লাহর আইন না মানলে তাদের এইদেশে থাকার অধিকার নেই! এরপরও কি এদের গুনকির্তন করবেন?

  5. হেফাজতীদের যেই পড়াশোনা
    হেফাজতীদের যেই পড়াশোনা !
    মাদ্রাসায় পরানো , মাসজিদে ইমামতি আর সাধারণ পাবলিকের কাছে ভিক্ষা চাওয়া ছাড়া উপায় নেই।
    ইসলামের খেদ্মতের চেয়ে তাদের পেট চালানোর ধান্ধাটাই বেশী।

  6. আচ্ছা ব্লগ না নাস্তিকরা লিখে?
    আচ্ছা ব্লগ না নাস্তিকরা লিখে? ওনারা পাক পবিত্র মুসলিম হয়ে এখানে কি করছেন জানতে পারি? তা নাপাক ব্লগে লেখার পর কি অজু করেন নাকি গোসল? কয়বার তাউবা করেন এরপর? আপনার আগের একটি লেখা পড়লাম। মাদরাসা ছাত্রদের রক্তদান নিয়ে। অবশ্যই ব্যাপারটা প্রশংসনীয়, কিন্তু এভাবে বিজ্ঞাপন দিয়ে এই কাজটাকে প্রশ্নবিদ্ধ করার কি দরকার ছিল? নাকি আপনাদের সন্দেহ হয় যে আপনাদের সকল কাজই বিজ্ঞাপন না করলে হারিয়ে যাবে? কিউরিয়াস মাইন্ড ওয়ান্টস টু নো।

  7. একটা কথা মনে পরলঃ ‘আপনাকে বড়
    একটা কথা মনে পরলঃ ‘আপনাকে বড় বলে বড় সেই নয়’!
    আর আপনাকে যুক্তিবাদী বললে সে আসলে কি?
    আসলে একটা যুক্তিহীন আবেগসর্বস্ব বিবেক প্রতিবন্ধী!!

  8. এরা মুক্ত চিন্তার মানুষকে
    এরা মুক্ত চিন্তার মানুষকে বিভ্রান্ত করার জন্যই এসব পোস্ট লিখে ! হেফাজতিদের দাবী বাংলা ভাষায় লিখিত। আমরা বাংলা ভাষা ভালভাবেই বুঝি। সুতরাং ১৩ দফার এত ব্যাখ্যার কিছু নাই। যা পড়া এবং বুঝার তা আমরা বুঝেছি। অযথা সময় নষ্ট করার কোন অর্থ নাই…

  9. সরকারি/বেসরকারি চাকুরীজীবীরা

    সরকারি/বেসরকারি চাকুরীজীবীরা নির্ধারিত মেয়াদ শেষ করে পেনশনের টাকায় হজ্ব করে এসে ঘরে বসে আছেন, তখন ৯৩ বছর বয়সে আল্লামা আহমদ শফীর মতো অশীতিপর বৃদ্ধ হাটহাজারিতে বসে কয়েক হাজার ছাত্রকে বুখারী শরিফ পড়াচ্ছেন

    এবং শেখাচ্ছেন যে দেশের সরকার বিদআতি, তাকে উপড়ে ফেলা দরকার । শেখাচ্ছেন আল্লাহু আকবর বলে ফটিকছড়িতে মানুষ মারা হালাল ছিল। শেখাচ্ছেন, জামাতে ইসলামি ইসলামের শত্রু, কিন্তু, তাদের রক্ষা করা ফরজ।

    হেফাজতে ইসলাম কওমি মাদরাসা কেন্দ্রিক একটি অরাজনৈতিক সংগঠন।

    মজা লন মিয়া? জামাতকে বাঁচানোর জন্য উঠে পড়ে লেগেছেন আবার বলেন এই কথা। আপনাদের মত বক ধার্মিক যদি সেই যুগে থাকতো তবে ধর্ম কর্ম কবেই ধ্বংস হয়ে যেত।

    ধর্মীয় মমতা আমাদের স্পর্শ করবে না।

    ধর্মের নামে মানুষ হত্যা করা, রাজনীতি করা যদি মমতার স্পর্শ হয়, তবে এমন মমতা আমার দরকার নেই। CTN.

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

36 + = 46