জঙ্গিবাদ ইসলামের শত্রু

দেশে আরও জঙ্গী-সন্ত্রাসী হামলার হতে পারে। জঙ্গীবাদের বিরুদ্ধে সম্মিলিত প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। একই সঙ্গে দেশবাসীকে সজাগ ও সতর্ক থাকাতে হবে। এরা এখানেই থেমে থাকবে না। এদের নানা ধরনের পরিকল্পনা রয়েছে। হয়তো তারা একই সঙ্গে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জায়গা কিংবা বিভিন্ন মানুষের ওপর তারা আক্রমণ চালাতে পারে। তাই সবাইকে আরও সজাগ ও সতর্ক থেকে সম্মিলিতভাবে এদের বিরুদ্ধে গণপ্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। সন্ত্রাস-নাশকতা ও জঙ্গীবাদের বিরুদ্ধে সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি। বাংলাদেশে কোন জঙ্গী-সন্ত্রাসীর ঠাঁই হবে না। বাংলাদেশের মাটিতে কিছুতেই সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদের স্থান হতে দেওয়া হবে না। ইসলাম ধর্মকে অবমাননা করে এ ধরনের কোন কর্মকান্ড বরদাশত করা যাবে না। মানুষের শান্তি ও নিরাপত্তা বিঘ্নিত করে এটা কখনই আমাদের কাছে গ্রহণযোগ্য হবে না। তাই সন্ত্রাস-জঙ্গীবাদের বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে প্রতিরোধ ও মোকাবেলা করতে হবে। জনগণের শক্তি নিয়ে সরকার সন্ত্রাস-জঙ্গীবাদ মোকাবেলা করে দেশকে প্রগতি ও উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাচ্ছে। ইসলামের নামে যারা মানুষ হত্যা করছে এরা ইসলামের দুশমন। এরা কখনই মুসলমান হতে পারে না। এদের সম্মিলিতভাবে প্রতিরোধ ও ধ্বংস করতে পারলে দেশ, জাতি ও ইসলামের জন্যই মঙ্গল হবে।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

54 + = 58