আইএস সৃষ্টির মাধ্যমে মোসাদের মিশন

এডওয়ার্ড স্নোডেন প্রকাশিত যুক্তরাষ্ট্রের গোপন দলিলের বাগদাদির তথ্য প্রথম প্রকাশ করে মধ্যপ্রাচ্যের জনপ্রিয় ইন্টারনেট রেডিও আজিয়াল ডটকম। পরবর্তী সময়ে ইরানের গোয়েন্দা সংস্থা এ তথ্যের সত্যতা স্বীকার করে। ইরানি গোয়েন্দা সংস্থার পর্যালোচনা নিয়ে এ সম্পর্কে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয় আরবি পত্রিকা ইজিপ্রেসে। যুক্তরাষ্ট্রের এবিসি নিউজ প্রচারিত একটি ভিডিওর বরাত দিয়ে সোশিও-ইকোনমিক হিস্ট্রি নামের একটি ওয়েবসাইট দাবি করেছে, মার্কিন প্রভাবশালী সিনেটর জন ম্যাককেইন আবুবকর আল বাগদাদিসহ কয়েকজন আইএস কর্মকর্তা ও সিরিয়ার বিদ্রোহী কয়েকজন নেতার সঙ্গে গোপন বৈঠক করেছেন। ২০১৩ সালের জুনে যখন এ বৈঠকটি হয়, তখন বাগদাদির মুখে লম্বা দাড়ি ছিল না। ওই বৈঠকে বাগদাদির সহযোগী আইএসের শীর্ষ সন্ত্রাসী মোহাম্মদ নূরও উপস্থিত ছিলেন। উইকিপিডিয়ায় প্রদর্শিত আবুবকর বাগদাদির ছবির সঙ্গে ওই ছবির মিল পাওয়া গেছে। মধ্যপ্রাচ্যের প্রভাবশালী গণমাধ্যম আল আরাবিয়াও ওই ছবিটি প্রকাশ করেছে। সিএনএনের একটি ভিডিওতেও বাগদাদির সঙ্গে মুখোমুখি কথা বলতে দেখা যায় জন ম্যাককেইনকে। গ্লোবাল রিসার্চ নামের একটি গবেষণা ওয়েবসাইটে দাবি করা হয়েছে, ২০০৪ সাল থেকে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ’র ঘনিষ্ঠ হয়ে ওঠে আবুবকর আল বাগদাদি। ২০০৪ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের বুস্কা কারাগারে ছিলেন তিনি। পলিটিসাইট ডটকমের তথ্যানুযায়ী, সিআইএ’র তত্ত্বাবধানেও বাগদাদি সামরিক প্রশিক্ষণ লাভ করেন। ইরাকের উম কাসর এলাকায় মার্কিন কারাগারে সিআইএ তাকে নিয়ে আসে। সেখান থেকে ২০১২ সালে জর্ডানের একটি গোপন ক্যাম্পে নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের স্পেশাল ফোর্স কমান্ড বাগদাদিসহ তার সহযোগী অনেককে প্রশিক্ষণ দেয়।

আইএসের মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যে ব্যাপক সহিংসতার মাধ্যমে ইসরাইলের ভূখণ্ড বৃদ্ধির পরিকল্পনা রয়েছে মোসাদের। আল কায়দার সাবেক শীর্ষ কমান্ডার ও ইসলামিক ডেমোক্রেটিক জিহাদ পার্টির প্রতিষ্ঠাতা নাবিল নাইম বৈরুতের টিভি চ্যানেল আল মাইদিনকে এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, আল কায়দার বর্তমান নেতারা ও আইএস সিআইএ’র হয়ে কাজ করছে। এ উদ্দেশ্যে শিয়া-সুন্নি বিরোধ তারাই উসকে দিচ্ছে বলেও জানান তিনি।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

৫ thoughts on “আইএস সৃষ্টির মাধ্যমে মোসাদের মিশন

  1. আমার দৃঢ় বিশ্বাস ম্যাক কেইন ও
    আমার দৃঢ় বিশ্বাস ম্যাক কেইন ও বাগদাদির সেই মিটিং এ আপনিও উপস্থিত ছিলেন। তা এই গোপন খবরটা এত দেরীতে প্রকাশ করলেন কেন ?

  2. জিহাদ সম্পর্কিত কোরানের আয়াত
    জিহাদ সম্পর্কিত কোরানের আয়াত ও হাদিসগুলো মোসাদের ষড়যন্ত্র। ওগুলো বাতিল করে দিলেই সব ষড়যন্ত্র বন্ধ হয়ে যাবে।

    1. বড়ভাই, আপনি কতুটুকু কোরআন
      বড়ভাই, আপনি কতুটুকু কোরআন-হাদীস জানেন, আমি জানিনা। আপনার কাছে প্রশ্ন, আইএস যা করছে, কোরআন-হাদীসে কি তা ঐভাবেই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে? আর কোরআনে বা হাদীসে কোথাও কি বিশৃংখলা সৃষ্টির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে? যদি আপনার উত্তর হ্যা হয়, তাহলে রেফারেন্স দেখান।

      1. অসংখ্য রেফারেন্স এই ব্লগেই
        অসংখ্য রেফারেন্স এই ব্লগেই আছে। খুঁজে পড়েন। প্রতিদিনইতো পড়ছেন আর বলছেন ইহা সহী আয়াত নয়, ইহা সহী হাদিস নয়। জিহাদ দিয়ে গুগুলে সার্চ করলেই পাবেন। ইস্টিশনেও অসংখ্য পোস্ট আছে।

        1. হা হা হা! হাসাইলেন ভাই।
          হা হা হা! হাসাইলেন ভাই। বেশীরভাগ হাদীসের রেফারেন্স কেবলমাত্র এই ব্লগে বা নেটেই আছে। সহীহ বুখারীতে তার অস্তিত্ব খুজে পাওয়া যায়না। যেগুলো পাওয়া যায়, সেগুলো আবার তাফসীর ছাড়া। আবার কতগুলো পাওয়া যায়, যেগুলো লেখকের নিজস্ব তাফসীর সন্নিবেশিত!
          আসল বিষয়টা হচ্ছে অল্পবিদ্যা ভয়ংকারী হলে যেমনটা হয় আরকি। ঐসব লেখকদের ঠিক সেই অবস্থা। তা আপনাকে বিশেষ কোন আয়াত মুখ ফিরিয়ে দিল?

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

+ 44 = 48