হেফাজতিদের প্রলাপ এবং আমার কিছু কথা।

৫৬ হাজার বর্গমাইলে সরকার আছেতো?
……………………………………………
আগামী ৫ মে সরকার ফেলে দেওয়া হব্রছ
৫ তারিখে প্রশাসন দিয়ে মোকাবিলা করতে গেলে প্রশাসন বলে কিছু থাকবে না।
আগামী ৫ মে হবে সরকারের শেষ দিন।
রাজশাহীতে হেফাজতে ইসলামের মহাসমাবেশে বক্তারা এই কথাগুলো বলেছেন

একটা স্বাধীন দেশে প্রকাশ্যে কিভাবে এধরনের উক্তি করা যায় আমার বোধগম্য হয়না।
এই দেশে কি বর্তমানে কোন সরকার আছে?
নাকি অভিভাবকহীন একটি দেশে আমরা বাস করছি?
ফেসবুকে লাইক দেওয়ার অপরাধে যে দেশে মানুষকে জেলে যেতে হয় সে দেশে কিভাবে প্রকাশ্যে জঙ্গিরা রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে কথা বলে, রাষ্ট্রের অস্তিত্বের বিরুদ্ধে কথা বলে বহাল তবিয়তে থাকে সরকারের কাছে জানতে চাই।
বাহ ভালোতো , ভালোনা।
…………………………
রাজশাহীতে হেফাজতে ইসলামের মহাসমাবেশে অংশগ্রহণকারীদের জন্য বিএনপির পক্ষ থেকে বিশুদ্ধ খাবার পানি, তরমুজ ও শসা সরবরাহ করা হয়।
জাতীয় পার্টি রাজশাহীতে তাঁদের দাবির সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করে বিশুদ্ধ খাবার পানি সরবরাহ করেছে।

এই বি এন পি সাভারের আহতদের জন্য কিছুই করতে পারেনা।
ক্ষমতায় গেলে ২০ লাখ টাকা দেবে বলে মৃতদের সাথে মস্কারা করে।
এরশাদ কাকুর কথা আর কি বলতাম।
তার তো হুর পরী দরকার।
এগুলোর যোগানদাতা তো একমাত্র হেফাজতিরা।

কারা ওরা জঙ্গির দল জাতির পিতাকে কটাক্ষ করে?
…………………………………………………
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উদ্দেশ করে বলেন, ‘আপনার বাবা শেখ মুজিবুর রহমান বলেছিলেন,
এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম;
আর আমরা বলছি, এবারের সংগ্রাম নবীর ইজ্জত রক্ষার সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম নাস্তিক ও মুরতাদের বিরুদ্ধের সংগ্রাম।
আমি যদি হুকুম দেবার নাও পারি, তোমাদের যার যা আছে, তা-ই নিয়ে ৫ মের সমাবেশে উপস্থিত থাকবে।

৭-ই মার্চের সে ঐতিহাসিক ভাষণ , যাতে নিহিত রয়েছে আমাদের মহান স্বাধীনতার দিক নির্দেশনা সে ভাষনকে কটাক্ষ করে , বিকৃত করে হেফাজতি জঙ্গির দল।
কেন এদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা করা হবেনা?
জাতির পিতাকে অবমাননা করার অপরাধে কেন এদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেওয়া হবেনা আমরা সরকারের কাছে জানতে চাই।

মামা বাড়ির আবদার।
………………………
১৩ দফার কোনোটি সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক নয়। কোনো একটি দফা সাংঘর্ষিক হলেও প্রয়োজনে সংবিধান সংশোধন করতে হবে।
দুটি ফাও কৌতুক।
…………………
১) আমার দেশ’ পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহমুদুর রহমানকে মুসলিম জাতির কণ্ঠস্বর।
২) হেফাজতের ১৩ দফা মানলে সাভারে দুর্যোগ হতো না।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

৬ thoughts on “হেফাজতিদের প্রলাপ এবং আমার কিছু কথা।

  1. হেফাজতিরা নিজের নামাজ পড়ে কখন
    হেফাজতিরা নিজের নামাজ পড়ে কখন ? এরা ইমামতি করে টাকা নিয়ে সংসার চালায় ! আযান দিয়ে অন্যের বাড়িতে পালা করে নিজের খাবার খায় আর মাস শেষে বেতন নিয়ে সংসার চালায় ! তাহলে নিজের জন্য কখন আযান দেয়? পবিত্র কুরআন শরীফের তাফসির করে টাকা নেয় ! তাহলে ইসলামের দায়িত্ব কখন পালন করেন? এদের দাবীগুলো উত্থাপন করার অর্থ হলো, দাবীগুলো আদায় হলে কোন কিছু না করেই বসে বসে টাকা পাওয়া যাবে আরকি ! এনারা পড়া-লেখা করেন পাবলিকের দানে, সমাবেশ করে রাজনৈতিক দলের দানে তো এনাদের থেকে পাবলিক কি আশা করতে পারে ?

  2. সতর্ক হোন। নিজ নিজ এলাকায়

    সতর্ক হোন। নিজ নিজ এলাকায় অপরিচিত ব্যক্তির আণাগোণা, জটলা দেখলে খোঁজ খবর করুন, প্রয়োজনে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সাহায্য নিন। গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত এই হেফাজত ..
    “ছদ্মবেশে অস্ত্রসহ ঢাকা ঢুকতে শুরু করেছে হেফাজতীরা
    মোহাম্মদপুর ও পুরনো ঢাকার কয়েকটি স্থানে গোপন বৈঠক”
    তাঁদের পেছনে জামায়াত সর্বাত্মক সহযোগিতা করে যাচ্ছে।

  3. আমার মনে হয় প্রয়াত জলিল সাহেব
    আমার মনে হয় প্রয়াত জলিল সাহেব ইন্তেকালের পূর্বে তুরুপের তাসটা হেফাজতিদের হাতে দিয়ে গেছে ! নইলে তারা প্রয়াত জলিল সাহেবের ভাষায় কথা বলছেন কেন ?

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

− 4 = 2