“আল্লার হোগায় খুডা দেই”

নাস্তিক কারা?
যারা ধর্মের গোঁড়ামির শৃঙ্খল ভেঙে সমাজ,দেশ ও বিশ্বকে উন্নয়নের পথে এগিয়ে নিতে সাহায্য করে। যদিও আমরা ছোটবেলা থেকে বাংলা ২য় পত্র বইয়ে এক কথায় প্রকাশ পড়ে এসেছি শৃষ্টিকর্তায় যার বিশ্বাস নেই তিনিই নাস্তিক। নাস্তিক হোক আর আস্তিক হোক সবারি একটা মতবাদ থাকা বাঞ্ছনীয়। আস্তিক যেমন সৃষ্টিকর্তার আধ্যাত্মিক মতাদর্শে বিশ্বাসী এবং এর জন্য মরতে প্রস্তুত। একজন নাস্তিকেরো তার বিশ্বাসের মতবাদ প্রতিষ্ঠা করতে সদা সজাগ থাকা বাঞ্ছনীয়। তবে মতবাদের উপরে সারাক্ষণ জাকির নায়েক টাইপ সর্দারী করাটা আসলে ধর্মীয় গোড়ামীর মতই এক ধরনের গোঁড়ামি। আমি নাস্তিক হিসেবে যদি শধু লেকচার দিয়ে বেড়াই। তাহলে পরিবর্তনটা কিভাবে হবে?

নাস্তিক কারা?
যারা ধর্মের গোঁড়ামির শৃঙ্খল ভেঙে সমাজ,দেশ ও বিশ্বকে উন্নয়নের পথে এগিয়ে নিতে সাহায্য করে। যদিও আমরা ছোটবেলা থেকে বাংলা ২য় পত্র বইয়ে এক কথায় প্রকাশ পড়ে এসেছি শৃষ্টিকর্তায় যার বিশ্বাস নেই তিনিই নাস্তিক। নাস্তিক হোক আর আস্তিক হোক সবারি একটা মতবাদ থাকা বাঞ্ছনীয়। আস্তিক যেমন সৃষ্টিকর্তার আধ্যাত্মিক মতাদর্শে বিশ্বাসী এবং এর জন্য মরতে প্রস্তুত। একজন নাস্তিকেরো তার বিশ্বাসের মতবাদ প্রতিষ্ঠা করতে সদা সজাগ থাকা বাঞ্ছনীয়। তবে মতবাদের উপরে সারাক্ষণ জাকির নায়েক টাইপ সর্দারী করাটা আসলে ধর্মীয় গোড়ামীর মতই এক ধরনের গোঁড়ামি। আমি নাস্তিক হিসেবে যদি শধু লেকচার দিয়ে বেড়াই। তাহলে পরিবর্তনটা কিভাবে হবে? বড় বড় কথা বললেই তো সমাজটা পরিবর্তন হবে না। মানুষের জীবিনটা সম্পূর্ন প্রাক্টিক্যাল। পরিবর্তনের জন্য কাজ করতে হয়। আমারি কিছু বন্ধু আছে সারাদিন এই ধর্মের ঐ ধর্মের নিন্দে করে বেড়ায়। তাদের কাছে এটাই নাস্তিকতা। আমি তাদের আলোচনার চুপ থাকি। কারন আমার কাছে এগুলো ভালো লাগে না। বন্ধুরা, তোরা সারাদিন ধর্মের সমালোচনা করে বেড়াস। পাশাপাশি এই সমালোচনার রিসার্চের বিপরীতে যা তুই বের করেছিস তা সুন্দর সাবলীল ভাবে প্রকাশ করে দে। এটা করলেই তো প্রকৃত ভালো সমাজ, রাষ্ট্র এবং বিশ্বের জন্য। নইলে তোরাও এক ধরনের ধর্মীয় গোঁড়ামির অন্তর্ভূক। তা কি কখনো অনুধাবনে আসেনি তোদের? আমার তো মনে হয় তোরাও একদিন বেহেস্তে যাবি আমাদের রেখে।

ছোটবেলায় নানার মুখে শোনা একটা গল্প বলি।
এক লোক আল্লাতে বিশ্বাস করতো না, তার এতই ক্ষোভ ছিলো আল্লাহর প্রতি যে তিনি সাকাল বিকেল সারাক্ষণ বলতো “আল্লার হোগায় খুডা দেই’’ “আল্লার হোগায় খুডা দেই’’। (হোগা মানে মলদ্বার আর খুডা মানে গাছের মোটা ডালের অংশবিশেষ) তো সেই লোক একদিন মারা গেলো। মৃত্যুর পরে তার দেখা হোল আল্লার সাথে আল্লাহ তাকে বিচার করে বেহেস্ত নসীব করলেন। কারন তিনি তার জীবদ্দশায় সারা ক্ষনই আল্লাহকে শরণ করেছে। এবং তার নাম জপেছে। তাই তিনি বেহেস্ত পেলেন মৃত্যুর পরে।

আমার মনে হয় আমার সেই সকল বন্ধুরা এরকম কিছুর আশায় সারাদিন আল্লার হোগায় খুডা দেয়। কাজের নামে ঠন্ঠনাঠন ঠন।
আমার মতে যে আদর্শেই মানুষ বিশ্বাসী হোক না কেন। সেই বিষয় প্রাক্টিক্যাল কাজ করতে হবে। নাস্তিকদের অন্যতম প্রধান কাজ হল সমাজ সেবা এবং মানুষের জন্য কাজ করা। মানুষে শিক্ষা সংস্কৃতি এবং সর্বপরি কল্যানের জন্য কাজ করা। আল্লার হোগায় খুডা দেয়াতো ভন্ডোদের কাজ। তাই আসুন এই খুডা দেয়া দেয়ি বাদ দিয়ে পরিবর্তনের জন্য কাজ করি। যা দেখে ধর্মীয় গোঁড়ামির কুসংস্কারে আচ্ছন্ন মানুষগুলো তাক লাগে যায় এবং শিক্ষার আলোয় আলোকিত হয়। নিজেদের জীবনের এই বিশাল পরিবর্তনটা অনুধাবন করতে পারে। তবেই না পৃথিবীটা পরিবর্তনের আলোর মুখ দেখবে।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

২ thoughts on ““আল্লার হোগায় খুডা দেই”

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

38 − = 35