ধর্ম ও ক্ষমতা

সব দোষ নন্দ ঘোষ, যা কিছু হারায় গিন্নি বলে কেষ্ট ব্যাটাই চোর। নিজেদের ভুল কেউ স্বীকার করতে চায় না। দায়িত্ব কেউ নিতে কেউ রাজী নয়!! ইসলামের হেজাজতের নামে কত সাধারণ মানুষ ওই হাট-হাজারী হুজুরের নেতৃত্ব মেনে নিয়ে জীবন দিয়েছে। আজ তাদের অবস্থান কি??? তাদের কোন খোঁজখবর কি তারা রেখেছেন?? শুক্রবারের খুতবা যদি মানুষকে প্রভাবিত করত তবে বাংলাদেশ হাজারবার সরকার পরিবর্তন হত। যেই ইহুদী যারা অনাদিকাল খ্রিস্টান – মুসলমান দের ধর্মীয় বিবাদ সেই ইহুদীকেই, আবার এখন তাদের ধর্মীয় শুদ্ধিতে মোক্ষম ভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে!! মাএ ১৬ মিলিয়ন ইহুদী সারাবিশ্ব চালাচ্ছে ?

মানুষের মুখে জয় মানুষের মুখে ক্ষয়- কথাটি অংক কষে প্রমাণ করে চলেছে আধুনিক মিডিয়া।যার গলার জোর যত বেশী সেই তত প্রভাবশালী। সত্য-মিথ্যা অন্য জিনিস!!!!!!! সত্য কথাটাই বলে গেছেন এডলফ হিটলার।” If you tell a big enough lie and tell it frequently enough, it will be believed.” আমরা এখন দেখছি তাই যা কিছু অতি বুদ্ধিমান-ধুরন্ধর প্রকৃতির মানুষ যা আমাদের দেখাচ্ছে। তারা একসাথে মদ খায়, সুদ খায়, শুকরের মাংসের স্টেক মুখ নিয়ে প্রশংসায় মুখে ফেনা তোলে। তারাই আবার সে যার মানুষের কাছে সাধু-সন্ত ও মহামানব।। সেই অল্পসংখ্যক মানুষ গুলো একে অপরের সাথে ধারুন সম্পর্ক যদিও তারা বিভিন্ন ধর্মের বর্ণের ও রঙের ও পৃথিবীর। কু-রাজনীতি দায়ী ওসবের জন্য। তৃতীয় বিশ্বের আধা শিক্ষিত দেশের জন্য গনতন্র্র হচ্ছে ডিভাইড এন্ড রুল এর আধুনিক রূপ।

আর যারা ইসলামিক রাজনীতি চায় বা ধর্ম নিয়ে রাজনীতি চায় তাদের জন্য আমার এক প্রশ্ন ১৪০০ বছরে মুসলমানরা একটা গ্রহণযোগ্য ইসলামিক গনতন্র্রিক নিয়ম-নীতি তৈরি করতে কেন পারে নি?। যদিও প্রথম চার খলিফা গণতান্ত্রিক পন্থায় নির্বাচিত হয়েছিল। মাএ চল্লিশ বছর টিকে ছিল না, তার উপর তিন জনই রাজনৈতিক গুপ্তহত্যায় শিকার হয়েছিলেন। তারপর সুদীর্ঘকাল রাজতন্ত্র………………………? তবে কি ক্ষমতাই সব নিয়ন্ত্রণ করে??

ধর্ম এখন সর্বশ্রেষ্ঠ বর্ম, যা সব সময়ই হয়ত ছিল। রাজনীতিবিদেরা খুব ভাল করেই জানেন কিভাবে এটাকে ব্যবহার করতে হয়। আমরা তর্ক করে মরছি অকারণ!

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

1 + 6 =