মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আপনি দেশ থেকে জঙ্গিবাদ নির্মূল করবেন , কিন্তু কিভাবে ?

বর্তমানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশ থেকে জঙ্গিবাদ নির্মূল করার ঘোষণা দিয়েছেন। তার ফলশ্রুতিতে পুলিশ ২৬ই জুলাই ঢাকার কল্যানপুরে ৯ জঙ্গিকে তাদের আস্তানায় হত্যা করেছে। জঙ্গিরা আল্লাহু আকবর বলে পুলিশের ওপর ঝাপিয়ে পড়ে। অর্থাৎ যাদেরকে জঙ্গি বলা হচ্ছে , তারা নিজেদেরকে ইসলামের খাটি সৈনিক বা জিহাদী হিসাবে তুলে ধরেছে। এমতাবস্থায় বিষয়টা শুধুই আইন শৃংখলা জনিত বা রাজনৈতিক না, বিষয়টা কঠিনভাবেই ইসলাম সম্পর্কিত। তাহলে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ইসলামকে বাদ দিয়ে কিভাবে জঙ্গিবাদ দেশ থেকে দুর করবেন ?

সারা দুনিয়ায় ইসলামের নামে সন্ত্রাস একটা মারাত্মক দুর্যোগে রূপ নিয়েছে। আই এস , আল কায়েদা , তালেবান, বোকোহারাম , হামাস, জামাত শিবির, জে এম বি , আহলে হাদিস , আনসার উল্লা বাংলা টিম ইত্যাদি নামের হাজারও উগ্র ধর্মীয় গোষ্ঠি আছে যারা ইসলাম প্রতিষ্ঠার জন্যে সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের আশ্রয় নিচ্ছে। দেখা যাচ্ছে , তারা ভিন্ন নামে আত্মপ্রকাশ করলেও তাদের উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য কিন্তু এক। শরিয়া প্রতিষ্ঠা করা , খিলাফত প্রতিষ্ঠা করা। আর দুনিয়ার প্রতিটা ধর্মপ্রান মানুষেরও একই উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য। অর্থাৎ উক্ত কথিত জঙ্গি বা সন্ত্রাসী গোষ্ঠির সাথে এখানেই সাধারন ধর্মপ্রান শান্তিবাদী মুসলমানদের ভীষণ মিল। আর ঠিক সেই কারনেই আই এস যখন সিরিয়া-ইরাকে ইসলামী খিলাফত প্রতিষ্ঠা করেছে , তখন ইউরোপ আমেরিকা থেকে বহু মুসলিম তরুন তাতে যোগ দেয়ার জন্যে তাদের আরাম আয়েশি শান্তির জীবন ত্যাগ করে , জীবন বাজি রেখে সিরিয়া যাচ্ছে। বাংলাদেশের মত দেশে সরাসরি সেই আই এস না থাকলেও তাদের আদর্শে এদেশের ধর্মপ্রান তরুন তরুনীরাও উদ্বুদ্ধ হচ্ছে। যার ফলাফল- গুলশানে বিদেশীদের হত্যা, শোলাকিয়ার ঘটনা। আই এস কিন্তু শুধুই একটা গোষ্ঠি না , এটা একটা আদর্শ , তার নেতা আবু বকর আল বাগদাদির দাবী , আই এস হলো খাটি ইসলামী আদর্শ। আর সেটাই বাস্তবায়নের জন্যে তারা খিলাফত প্রতিষ্ঠা করেছে।

এই আবু বকর বাগদাদী ইসলাম জানে না , সেটা একমাত্র মূর্খরাই বলবে কারন , এই বাগদাদী বাগদাদ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইসলামের ওপর মাস্টার্স ডিগ্রী অর্জন করে , শরিয়া এর ওপর পি এইচডি করেছে। সুতরাং বিষয়টাকে হালকা করে দেখার কোনই সুযোগ নেই।

জঙ্গিবাদ দমন করতে গিয়ে আপনারা যেটা সাধারনত: বলছেন ও প্রচার করছেন , সেগুলো হলো- এসব বিদেশী ষড়যন্ত্র , ইহুদিদের ষড়যন্ত্র , মোসাদের ষড়যন্ত্র , জামাত – বি এন পি এর ষড়যন্ত্র ইত্যাদি। কিন্তু বিষয়টা কি আসলে তাই ? যে সব তরুন ইউরোপ আমেরিকা থেকে তাদের স্বচ্ছন্দ জীবন ত্যাগ করে হাজারে হাজারে সিরিয়ায় গেছে ও যাচ্ছে , তারা কি ইহুদিদের ষড়যন্ত্রে সেখানে যাচ্ছে ? ইহুদিরা কানে কানে এসব যুবক যুবতীদেরকে বলল , যাও সিরিয়ায় যাও , খিলাফতে যোগ দাও , আর অমনি তারা তাদের স্বচ্ছন্দ জীবন ত্যাগ করে , উন্মাদের মত সিরিয়া দৌড় দিচ্ছে ? এটা কি একটা উন্মাদের প্রলাপ নয় ? বাংলাদেশ থেকে এক ডাক্তার পরিবার , ইংল্যান্ড প্রবাসী একটা বড় পরিবার বাংলাদেশে এসে ফিরতি পথে তারা সিরিয়ায় চলে গেছে , এরকম আরও কত পরিবার গেছে তা হয়ত অজানা , এদের কানে কানে ইহুদি বা মোসাদ এসে বলেছে , যাও ইসলামী খিলাফতে যোগ দিতে সিরিয়া চলে যাও , আর অমনি তারা সেখানে চলে গেল ? উদোর পিন্ডি বুধোর ঘাড়ে চাপিয়ে দিয়ে আত্ম তৃপ্তি লাভ করা যেতে পারে , কিন্তু তাতে আসল সমস্যার সমাধান হয় না।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী , এতদিন বলে এসেছেন বাংলাদেশে কোন জঙ্গি নেই , আই এস নেই , বরং বি এন পি জামাতের কিছু লোক অপকর্ম করছে। এখন হঠাৎ করে দেখলেন বাংলাদেশের ভিতর শুদু জঙ্গিই নেই , বরং এক বিরাট সংখ্যক তরুন তরুনী যাদের মধ্যে বহু ইংরেজী শিক্ষায় শিক্ষিত ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া উচ্চবিত্ত ঘরের সন্তান- তারাও ব্যাপকভাবে জঙ্গিবাদী আদর্শের প্রতি আকৃষ্ট। এসব কি রাতারাতি ঘটে গেছে ? কেন তারা এই আদর্শের প্রতি আকৃষ্ট হলো , সেটা প্রথমে আপনাকে বুঝতে হবে , আর সেটা স্বীকার করার সাহসও থাকতে হবে। যদি এসব কিছুই না বোঝার চেষ্টা করেন , বা বুঝলেও সেটা স্বীকার না করেন ,তাহলে কিন্তু আপনার জঙ্গিবাদ বিরোধী অভিযান মোটেই সফল হবে না। বরং জঙ্গিরা আরও বেশী সংগঠিত হবে , তাদের সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধিই পাবে , ফলশ্রুতিতে গোটা বাংলাদেশ একদিন হয়ে যাবে আফগানিস্তানের মত একটা ব্যর্থ ও অকার্যকর বিশৃংখল দেশ।

বার বার আপনি বিভিন্ন সভায় বক্তব্য দেয়ার সময় বলে থাকেন , ইসলাম হলো শান্তির ধর্ম , ইসলাম কাউকে হত্যা করতে বলে না, ইসলামের সাথে জঙ্গিবাদের কোন সম্পর্ক নেই ইত্যাদি। এছাড়া মদিনা সনদের ভিত্তিতে দেশ চালাবেন বলেও মাঝে মাঝে ঘোষণা দিয়ে থাকেন। আপনার কথাবার্তা শুনে মনে হয়, আপনি নিজে একজন আলেম। কিন্তু দু:খের বিষয় , দেশের কোন মানুষই কিন্তু আপনাকে আলেম ভাবে না , তারা এটাও ভাবে না যে ইসলাম সম্পর্কে আপনার গভীর জ্ঞান বিদ্যমান। সুতরাং ইসলাম সম্পর্কিত কোন বক্তব্য তারা আপনার মুখ থেকে গ্রহন করে না ,তারা সেটা গ্রহন করে , হেফাজতের মাওলানা শফি বা অন্য কোন আলেমের মুখ থেকে। আর খেয়াল করুন , ১ জুলাই তারিখে গুলশানে নারকীয় হত্যা যজ্ঞ ঘটল ইসলামের নামে, তারপর আট/দশদিন কেটে গেছে , মাওলানা শফি কিন্তু চুপ ছিল, একটা টু শব্দও করে নি। বলে নি যে ইসলামের নামে এই ধরনের হত্যাযজ্ঞ ইসলাম সমর্থন করে না। তবে অবশেষে সেটা করেছেন , কিন্তু কখন ? যখন পুলিশ প্রধান তাদেরকে উদ্দেশ্য করে কটাক্ষ করলেন , তখন। এখন এর দ্বারা আপনি কি বুঝলেন ? কিছুই কি বুঝেন নি ?

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আপনার ওপর গ্রেনেড আক্রমন হয়েছিল , কেন সেটা হয়েছিল , আপনি কি জানেন ? আপনি যদি জঙ্গিবাদ ও জঙ্গিবাদীদের আদর্শ ও চরিত্র জানতেন ,তাহলে সহজেই কিন্তু সেটা বুঝতে পারতেন। কিন্তু আপনি সেদিকে যান নি । আপনি সোজা জামাত বিএনপি এর ওপর দোষ চাপিয়েই খালাস। যারা জঙ্গিবাদী আদর্শের অনুসারী, তারা কিন্তু গনতন্ত্র মানে না , ধর্ম নিরপেক্ষতা মানে না । কারন ইসলাম গনতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতার বিরোধী। ইসলামের বিধান হলো সমাজ রাস্ট্র সবখানেই ইসলামী আইন প্রযোজ্য হবে , আর কেউই উক্ত আইনের বিরুদ্ধে কথা বলতে পারবে না। তার মানে ইসলামে গনতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতার কোন স্থান নেই। যাদেরকে জঙ্গিবাদী বলেন , তারা কিন্তু ইসলামের এই বিধানকেই অক্ষরে অক্ষরে অনুসরন করে। আপনি নিজে গনতন্ত্র ও ধর্ম নিরপেক্ষতায় বিশ্বাস করেন ,সুতরাং ইসলাম পন্থি এইসব জঙ্গিদের সর্বপ্রথম লক্ষ্য ছিল আপনাকে হত্যা করা , তাহলেই তারা বাংলাদেশ থেকে গনতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতাকে বিদায় দিয়ে শরিয়া বা ইসলাম শাসন কায়েম করতে পারবে। ঠিক সেই কারনেই জে এম বি বা এই ধরনের ইসলামপন্থি উগ্র গোষ্ঠিই আপনাকে সহ আপনার বহু নেতাকে হত্যা করতে চেয়েছিল , সেখানে বি এন পি বা জামাত হয়ত অর্থ বা অন্য কোন কিছু দিয়ে সাহায্য করেছিল। অর্থাৎ এখানে বস্তুত: আপনিও মূল লক্ষ্য ছিলেন না , আপনার আদর্শ গনতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতাই ছিল মূল লক্ষ্য। আপনি যদি ক্ষমতায় আসার পর , এইসব বিষয়গুলো নিয়ে একটু চিন্তাভাবনা করতেন ,তাহলে দেশে কেন হঠাৎ করে এত জঙ্গির উদ্ভব ঘটল , সেটার কারনও এতদিনে বুঝে যেতেন। কিন্তু দু:খজনকভাবে ,সেটা আপনি করেন নি।

যারা প্রকৃতই দেশ থেকে জঙ্গিবাদ দুর করতে পারত , আপনি কিন্তু তাদেরকে একে একে দেশ থেকে বিদায় করে দিয়েছেন অথবা তাদেরকে যখন হত্যা করা হয়, তখন মিন মিন করে বলেছেন , তারা কেন জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে লেখালেখি করবে। জঙ্গিবাদ বিরোধী প্রকৃত সৈনিকদেরকে দেশ থেকে বিদায় করে দিয়ে হেফাজতির শফি হুজুরকে শান্ত করে , তার দ্বারা জঙ্গিবাদ দুর করতে চেয়েছেন। অর্থাৎ যারা নিজেরাই জঙ্গিবাদের ধারক ও বাহক , আপনি তাদেরকে কোলে তুলে নিয়েছেন। ইংরেজী বা বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া ছেলেটা হেফাজতি হুজুরদের মাদ্রাসায় পড়তে না পারে , কিন্তু তাদের আদর্শ দ্বারা তো তারা আক্রান্ত হতে পারে , কি পারে না ?মুক্তবুদ্ধির চর্চা যারা করে , তাদেরকে দেশ থেকে বিদায় করে দিয়ে , সেই জঙ্গিবাদ যারা সর্বত্র ইসলাম ধর্মের মোড়কে প্রচার করে , তাদেরকে দিয়েছেন ফাকা মাঠ। তো তারা সেই সুযোগে সর্বত্র চষে ফেলে জঙ্গিবাদ চাষ করছে , অতপর ফসল হিসাবে জঙ্গিবাদী তৈরী হয়েছে হাজারে হাজারে। এরপর যখন এইসব তরুন জঙ্গিরা সন্ত্রাসী আক্রমন করছে , তখন সেই জঙ্গিবাদ চাষাবাদকারীরাই মানুষকে ধোকা দেয়ার জন্যে প্রচার করছে , তাদের সাথে তো সন্ত্রাসের কোন সম্পর্ক নেই। অর্থাৎ তারা কিন্তু তাদের লক্ষ্যে অবিচল, কিন্তু আপনি সেটা উপলব্ধি করতে পারেন নি , আর আপনার চারপাশের লোকজনও আপনাকে বিষয়টা সম্পর্কে সম্ভবত: অবগত করায় নি। কারন তারা তো ব্যস্ত নিজেদের আখের গোছাতে। আপনি যখন ক্ষমতায় থাকবেন না , তখন তারা তাদের সব সম্পদ সহ দেশ থেকে সটকে পড়ে চলে যাবে কানাডা বা আমেরিকায়। ভুক্তভোগী হবে দেশের সাধারন জনগন।

সুতরাং দেশ থেকে যদি সত্যি সত্যি জঙ্গিবাদ দুর করতে চান , তাহলে যা যা করনীয় :

১। নিয়মিত মুক্তবুদ্ধির চর্চাকারীদের সাথে আলেমদেরকে বিতর্ক করার সুযোগ দিতে হবে , আর সেটা প্রচার করতে হবে মিডিয়াতে, যদি আপনি প্রকৃতই গনতন্ত্র ও ধর্ম নিরপেক্ষতার আদর্শ ধারন করেন। তাহলেই সাধারন মানুষ জঙ্গিবাদের আসল উৎস সম্পর্কে জ্ঞাত হবে।
২। দেশের বিশাল সংখ্যক কওমী মাদ্রাসার শিক্ষা কারিকুলাম পরিবর্তন করতে হবে। তাদের শিক্ষা ব্যবস্থা ও কারিকুলাম হলো ১৪০০ বছর আগেকার আরবদের সংস্কৃতি ছাড়া আর কিছুই না। বলাবাহুল্য সেটা এই এক বিংশ শতাব্দীতে একেবারেই অচল।
৩। সারা দেশে সাংস্কৃতিক কর্মকান্ড যেমন – সঙ্গীতানুষ্ঠান সহ সকল রকম অনুষ্ঠান করার আয়োজন করতে হবে , আর পারফরমারদেরকে আকর্ষনীয় আর্থিক অনুদান দিতে হবে। তাহলে তরুন তরুনীরা এসব নিয়ে ব্যস্ত থাকবে , জঙ্গিবাদী আদর্শের দিকে ঝুকবে না।
৪। সারা দেশে খেলা-ধুলাকে উৎসাহিত করতে হবে সরকারী পৃষ্ঠপোষকতায়। এর জন্যে ভাল বাজেট বরাদ্দ করতে হবে।
৫। বাঙ্গালী কৃষ্টিকে আরো বেশী করে উৎসাহিত করতে হবে , যেমন পয়লা বৈশাখ , পৌষ পার্বন , বসন্ত বরন ইত্যাদি উপলক্ষ্যে সরকারী ছুটি প্রদান করে , সেগুলো স্বাড়ম্বরে উদযাপন করতে হবে। তাহলে জনসাধারন ও তরুন তরুনীরা সেসব নিয়ে ব্যস্ত থাকবে।
৬। সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সহ সরকারী প্রতিষ্ঠানে কর্ম দিবসে , ধর্মীয় আলোচনার আসর বন্দ করতে হবে। অন্য সব কিছু বাদ থাকবে , কিন্তু ধর্মীয় আলোচনা করার সুযোগ থাকলে , জঙ্গিবাদীরা তো ফাকা মাঠে গোল দেবে।
৭। সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিজ্ঞান ও সমাজবিজ্ঞান শিক্ষার একটা কোর্স বাধ্যতামূলক করতে হবে ,আর তাতে বিবর্তনবাদ সহ কিভাবে পৃথিবীতে মানব সভ্যতার বিকাশ ঘটেছে , কিভাবেই বা সামাজিক সকল প্রথার আবির্ভাব ঘটেছে , এসব পড়া বাধ্যতামূলক করতে হবে। এমন কি মেডিকেল বা প্রকৌশল সম্পর্কিত প্রতিষ্ঠানেও।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আমার ক্ষুদ্র জ্ঞানে , আপনাকে আমার চিন্তাভাবনা গুলো অবগত করলাম। আপনার তো আর এই ব্লগ পড়ার সময় নেই। কিন্তু আপনার সরকারের কারও নজরে যদি এই লেখাটা পড়ে আর সে যদি বিষয়টাকে গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করে , তাহলেই এই লেখাটি সার্থক হবে বলে আমি বিশ্বাস করি।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

86 − = 76