কুরআনে কি ভুল নেই?

সরলমনা মুসলিম সমাজ কুরআনকে অভ্রান্ত কিতাব হিসেবে মনে করে। অনেক সময় অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসের সাথে চেলেঞ্জ করে কেউ যদি কুরআনে একটা ভুল দেখাতে পারে তবে আমি নাস্তিক হয়ে যাব। আসুন তবে দেখি কুরআন কি সত্যিই ভূলের উর্ধ্বে?

আমার আলোচ্য বিষয় সূরা নাহলের ৬৮-৬৯ নং আয়াত। এ আয়াতে উল্লেখ আছেঃ
” আপনার পালনকর্তা মধু মক্ষিকাকে
আদেশ দিলেনঃ পর্বতগাহ্রে, বৃক্ষ এবং
উঁচু চালে গৃহ তৈরী কর, এরপর সর্বপ্রকার ফল
থেকে ভক্ষণ কর এবং আপন পালনকর্তার
উম্মুক্ত পথ সমূহে চলমান হও। তার পেট
থেকে বিভিন্ন রঙে পানীয় নির্গত হয়।
তাতে মানুষের জন্যে রয়েছে
রোগের প্রতিকার। নিশ্চয় এতে
চিন্তাশীল সম্প্রদায়ের জন্যে নিদর্শন
রয়েছে। ”
এবার ৬৯ নং আয়াতের কিছু অনুবাদ দেখা যাকঃ
Sahih International
Then eat from all the fruits and follow the ways of
your Lord laid down [for you]. There emerges from
their bellies a drink, varying in colors, in which
there is healing for people. Indeed in that is a sign
for a people who give thought.
মুহসিন খানের অনুবাদঃ

Then, eat of all fruits, and follow the ways of your
Lord made easy (for you).There comes forth from
their bellies, a drink of varying colour wherein is
healing for men. Verily, in this is indeed a sign for
people who think.
পিকথালের অনুবাদঃ
Then eat of all fruits, and follow the ways of thy
Lord, made smooth (for thee). There cometh
forthfrom their bellies a drink divers of hues,
wherein is healing for mankind. Lo! herein is indeed
a portent for people who reflect.
ইয়ুসুফ আলির অনুবাদঃ
Then to eat of all the produce (of the earth), and
find with skill the spacious paths of its Lord: there
issues from within their bodies a drink of varying
colours, wherein is healing for men: verily in this is
a Sign for those who give thought.
শাকিরের অনুবাদঃ
Then eat of all the fruits and walk in the ways of
your Lord submissively. There comes forth from
within it a beverage of many colours, in which
there is healing for men; most surely there is a sign
in this for a people who reflect.

আল্লাহপাক মৌমাছির খাদ্য হিসেবে ফলকে উল্লেখ করেছেন। এখন এ ব্যাপারে কারও সন্দেহ থাকা উচিৎ না।
কিন্তু আমরা সকলে জানি মৌমাছি ফল খায় না। শ্রমিক মৌমাছিরা ফুলের মিষ্টি রস
শুষে নেয় এবং তা জমা করে পাকস্থলীর
উপরে এক বিশেষ অঙ্গে যাকে মধুথলি
বলে। ফুলের মিষ্টি রস মধুথলিতে জমা
করার সময় এর সঙ্গে লালা গ্রন্থি থেকে
নিঃসৃত বিভিন্ন উৎসেচক মেশায়। এর
ফলে মিষ্টি রস পরিবর্তিত হয়ে আংশিক
মধু তৈরী হয়।
সুতরাং এটা নিঃসন্দেহে কুরআনের একটি ভূল।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

১০ thoughts on “কুরআনে কি ভুল নেই?

  1. আমার ধারনা , মক্কা তো একটা
    আমার ধারনা , মক্কা তো একটা উষর মরুভূমির অঞ্চল, সেখানে ফুল ফুটত এমন গাছের অভাব ছিল ব্যপক।তাই ফুল থেকে মধু সংগ্রহের সুযোগ মৌমাছিদের মক্কাতে তেমন ছিল না। তবে বেশ কিছু খেজুর গাছ হতো । খেজুর গাছে যখন খেজুর ধরে সেগুলো পেকে যেত ,তখন সেই পাকা খেজুর থেকে রস নিতে ঝাকে ঝাকে মৌমাছি খেজুর কাঁদিতে পড়ত।মোহাম্মদ সেটা লক্ষ্য করে থাকবেন। এই প্রত্যক্ষ দর্শন থেকেই উক্ত আয়াতের আবির্ভাব।

    মোহাম্মদ যদি আমাদের মত দেশে জন্মাতেন , তখন তিনি দেখতেন ,মৌমাছি মূলত: ফুল থেকেই মধু সংগ্রহ করে থাকে। আর তখন যদি তিনি কোরান রচনা করতেন ,তাহলে তাতে ফল থেকে মধু সংগ্রহের কথা না বলে ফুল থেকে মধু সংগ্রহের কথাই বলতেন।

  2. আসুন তবে দেখি কুরআন কি সত্যিই

    আসুন তবে দেখি কুরআন কি সত্যিই ভূলের উর্ধ্বে?

    হ্যা কোরান ভুলের উর্ধে, কিন্তু আপনি নন। কোরানের বিরোধিতা করতে চাইলে যথেষ্ট পড়াশোনার দরকার আছে ভায়া।
    নীচের ভিডিওটাই আপনার ভুল ধারনা ভেংগে দেবে–

    মৌমাছি।

    https://www.youtube.com/watch?v=yJL_17WFaT0

    1. ভাই , মৌমাছি ফুলের মধু পেলে
      ভাই , মৌমাছি ফুলের মধু পেলে খেজুরের ওপর বসে না। মৌমাছি স্বভাবত: ফুলই খোজে মধুর জন্যে, ফল না। মক্কাতে ফুল ছিল না তেমন , তাই মৌমাছি খেজুরের ওপর পড়ত। মোহাম্মদ সেটা দেখেই এই আয়াত বলেছে। এতে কোন সন্দেহ নাই। এখন কার না কার বক্তৃতা তো সেটা ভুল প্রমান করতে পারবে না কারন ঘটনাটা তো খোদ কোরানই বলেছে, তাই না ?

  3. যারা অবিশ্বাসের ভাইরাসে
    যারা অবিশ্বাসের ভাইরাসে আক্রান্ত তারা কি কখনো খেজুরের দোকানে গিয়ে দেখেনি মৌমাছি খেজুরের উপর বসে কি করে। নাকি মৌমাছি খেজুরের উপর বসে ডারোইন আর ডক্সিন চর্চা করে?

  4. মৌমাছি মানুষের জন্য মধু
    মৌমাছি মানুষের জন্য মধু সংগ্রহ করেনা। করে তাদের বাচ্চাদের জন্য। মানুষ একে জোর জবরদস্তি দখল করে।

    কোরানে মধুর যে বিবরণ সেটা শিশু সুলভ ও হাস্যকর।

    মুহাম্মদের মধুর প্রতি আসক্তি ছিল মনে হয়। এখন কৃত্রিম ভাবে মৌমাছি চাষ হচ্ছে, মধু বেশ সহজলভ্য।

  5. আশ্চর্য হয়ে যাই, যখন কেউ বলে
    আশ্চর্য হয়ে যাই, যখন কেউ বলে কোরান ভাল করে পড়ে তারপর তর্ক করতে, অথচ সে নিজেই কোরান পড়েনি। পড়তে চায় না, পাছে ঈমান নষ্ট হয়ে যায়!!

  6. আপনি একটা গাধা শ্রেনীর লোক।
    আপনি একটা গাধা শ্রেনীর লোক। অর্থ বুঝতে ভুল করেছেন। ভালো করে পডে তারপর মন্তব্য করেন।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

2 + 7 =