কুরআনে কি ভুল নেই? পর্ব- ২

মুসলীমদদের জিজ্ঞাসা করুন,”কোরআনে কি ভূলের উর্দ্ধে?”। তারা এর উত্তরে সরাসরি বলবে, “হ্যাঁ “। কোরআনে কোন ভূল নেই।কোরআন স্বয়ং আল্লাহর বানী।এতে কোন ভূল থাকতে পারে না।তাহলে বিষয়টা একটু দেখা যাকঃ

” আর যদি কন্যাগন দুইজনের অধিক হয় তাহলে তারা মৃত ব্যক্তির পরিত্যক্ত সম্পত্তি হতে দুই তৃতীয়াংশ প্রাপ্ত হবে “।-সূরা আনফাল ৮:১২

” আল্লাহ তোমাদেরকে তোমাদের সন্তানদের সম্পর্কে আদেশ করেনঃ একজন পুরুষের অংশ দু?জন নারীর অংশের সমান। অতঃপর যদি শুধু নারীই হয় দু’ এর অধিক, তবে তাদের জন্যে ঐ মালের তিন ভাগের দুই ভাগ যা ত্যাগ করে মরে এবং যদি একজনই হয়, তবে তার জন্যে অর্ধেক। মৃতের পিতা-মাতার মধ্য থেকে প্রত্যেকের জন্যে ত্যাজ্য সম্পত্তির ছয় ভাগের এক ভাগ, যদি মৃতের পুত্র থাকে। যদি পুত্র না থাকে এবং পিতা-মাতাই ওয়ারিস হয়, তবে মাতা পাবে তিন ভাগের এক ভাগ। অতঃপর যদি মৃতের কয়েকজন ভাই থাকে, তবে তার মাতা পাবে ছয় ভাগের এক ভাগ ওছিয়্যতের পর, যা করে মরেছে কিংবা ঋণ পরিশোধের পর। তোমাদের পিতা ও পুত্রের মধ্যে কে তোমাদের জন্যে অধিক উপকারী তোমরা জান না। এটা আল্লাহ কতৃক নির্ধারিত অংশ নিশ্চয় আল্লাহ সর্বজ্ঞ, রহস্যবিদ। আর, তোমাদের হবে অর্ধেক সম্পত্তি, যা ছেড়ে যায় তোমাদের স্ত্রীরা যদি তাদের কোন সন্তান না থাকে। যদি তাদের সন্তান থাকে, তবে তোমাদের হবে এক-চতুর্থাংশ ঐ সম্পত্তির, যা তারা ছেড়ে যায়; ওছিয়্যতের পর, যা তারা করে এবং ঋণ পরিশোধের পর। স্ত্রীদের জন্যে এক-চতুর্থাংশ হবে ঐ সম্পত্তির, যা তোমরা ছেড়ে যাও যদি তোমাদের কোন সন্তান না থাকে। আর যদি তোমাদের সন্তান থাকে, তবে তাদের জন্যে হবে ঐ সম্পত্তির আট ভাগের এক ভাগ, যা তোমরা ছেড়ে যাও ওছিয়্যতের পর, যা তোমরা কর এবং ঋণ পরিশোধের পর। যে পুরুষের, ত্যাজ্য সম্পত্তি, তার যদি পিতা-পুত্র কিংবা স্ত্রী না থাকে এবং এই মৃতের এক ভাই কিংবা এক বোন থাকে, তবে উভয়ের প্রত্যেকে ছয়-ভাগের এক পাবে। আর যদি ততোধিক থাকে, তবে তারা এক তৃতীয়াংশ অংশীদার হবে ওছিয়্যতের পর, যা করা হয় অথবা ঋণের পর এমতাবস্থায় যে, অপরের ক্ষতি না করে। এ বিধান আল্লাহর। আল্লাহ সর্বজ্ঞ, সহনশীল।”-সূরা নিসা ৪ঃ ১১-১২

” মানুষ আপনার নিকট ফতোয়া জানতে চায় অতএব, আপনি বলে দিন, আল্লাহ তোমাদিগকে কালালাহ এর মীরাস সংক্রান্ত সুস্পষ্ট নির্দেশ বাতলে দিচ্ছেন, যদি কোন পুরুষ মারা যায় এবং তার কোন সন্তানাদি না থাকে এবং এক বোন থাকে, তবে সে পাবে তার পরিত্যাক্ত সম্পত্তির অর্ধেক অংশ এবং সে যদি নিঃসন্তান হয়, তবে তার ভাই তার উত্তরাধিকারী হবে। তা দুই বোন থাকলে তাদের জন্য পরিত্যক্ত সম্পত্তির দুই তৃতীয়াংশ। পক্ষান্তরে যদি ভাই ও বোন উভয়ই থাকে, তবে একজন পুরুষের অংশ দুজন নারীর সমান। তোমরা বিভ্রান্ত হবে আল্লাহ তোমাদিগকে সুস্পষ্ট ভাবে জানিয়ে দিচ্ছেন। আর আল্লাহ হচ্ছেন সর্ব বিষয়ে পরিজ্ঞাত।”- সুরা নিসা৪ঃ১৭৬

উপরিক্ত আয়াত থেকে বলা যায়,একজন ব্যক্তি যদি একজন স্ত্রী,তিন কন্যা,পিতা-মাতা রেখে মারা যায় তবে,
স্ত্রী পাবে ১/৮ অংশ,কন্যা পাবে ২/৩ অংশ,মাতা পাবে ১/৬, পিতা পাবে ১/৬ অংশ।
সুতরাং মোট সম্পত্তি পাবে ২৭/২৪ অংশ= ১.১২৫ অংশ যা মোট ১ অংশের বেশি।
সুতরাং বলা যায় এটা কোরআনের অন্যতম একটা ভূল।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

৪ thoughts on “কুরআনে কি ভুল নেই? পর্ব- ২

  1. আপনি যে চূড়ান্ত পর্যায়ের গাধা
    আপনি যে চূড়ান্ত পর্যায়ের গাধা সেটা কি বুঝেন? কোরানে কে কতটুকু অংশ পাবে তার অনুপাত বলেছে। কিন্তু কোন যোগফল বলে নাই। ওয়ারিশের সংখ্যা বেশী হলে মূল যোগফল ১ এর বেশী হবেই। তাতে সমস্যা নাই। বাড়তি অংশ সমানুপাতিক হারে কমান বা বাড়ান যায় গানিতিক ভাবে।

  2. আপনি মনের অজান্তেই ইসলামের
    আপনি মনের অজান্তেই ইসলামের প্রচার চালাচ্ছেন । ইসলাম ১৪০০ বছর আগেই মা, কন্যা সন্তান, স্ত্রীর সম্পত্তির অধিকার দিয়েছে।
    অথচ আপনারা নাস্তিকরা শুধু লিভটুগেদার করে মজাটা নেন, কিন্তু নারীদের ফুটা পয়সার অধিকার কোনদিন কি দেন?

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

+ 87 = 94