আইএস কেন ইজরাইলে হামলা করে না’ সহ অন্যান্য ধর্মীয় কারণসমূহ

আইএস কেন এখনো ইজরাইলে হামলা করেনি: শক্তি ও অন্যান্য বাস্তবতা থেকে আইএস জানে ইজরাইলে হামলা করলে তাদের পরিণতি কি হবে। কিন্তু সঙ্গে সঙ্গে আরো একটি কারণ শুনলে আপনি আঁতকে উঠবেন! ইমাম মাহদির আগমনের আগে আপাতত ইজরাইলে হামলা না করার ধর্মীয় নির্দেশনা রয়েছে! অর্থ্যাৎ কখন ইজরাইলে হামলা করতে হবে সেটা ১৪০০ বছর আগেই ইঙ্গিত করা হয়েছে। সহি হাদিসে এসেছে ইমাম মাহিদর নেতৃত্বে সর্বশেষ বাইতুল মোকাদ্দেসে কালো পতাকা উত্তলন করে খেলাফতের চূড়ান্ত প্রতিষ্ঠা সম্পূন্য করা হবে। হাদিসে স্পষ্ট বলা আছে জেরুজালেমে কালো পতাকা উড়িয়ে ইমাম মাহদীর সৈন্যরা তাদের ঘোড়াগুলোকে জাইতুন গাছের সাথে বেধে তারা ক্ষান্ত হবে…। সহি হাদিসে আছে-

“যখন কালো পতাকাগুলো পূর্ব দিক (খোরাসান) থেকে বের হবে, তখন কোন বস্তু তাদেরকে প্রতিহত করতে সক্ষম হবে না। এমনকি এই পতাকাকে ইলিয়ায় (বাইতুল মুকাদ্দাসে) উত্তোলন করা হবে (খেলাফত প্রতিষ্ঠা করবে)”।(সুনানে তিরমিজি, হাদিস নং ২২৬৯;মুসনাদে আহমাদ, হাদিস নং ৮৭৬০)

। আইএস কিন্তু এখনো ইমাম মাহদির অপেক্ষায় আছে। আবু বকর আল বাগদাদী নিজেকে ইমাম মাহদী বলে দাবী করেননি। বিন লাদেন কিংবা মোল্লা ওমরও নিজেকে মাহদী বলে দাবী করেননি। এর আগে যারা নিজেদের মাহদী বলে দাবী করেছিলেন তাদের করুণ পরিণতিই কিনা তাদের নিজেদের মাহদী হিসেবে দাবী না করার কারণ জানি না। তবে তারা হাদিসকে অনুসরণ করে যেভাবে বিশ্বব্যাপী জিহাদের নেটওয়ার্ক বিছিয়েছে তাতে যে কোন বিশ্বাসী মুসলমান তাদের উপর ঈমান যে আনবে তাতে সন্দেহ নেই। আইএসের প্রতি এই যে ঘর ছাড়ার হিড়িক তার মূলে সহি হাদিসগুলো। বলে রাখা ভাল, যে ইসলামী ফাউন্ডেশন শান্তিবাদী খুতবা প্রচার করছে এখন- তারাই কিন্তু এই সহি হাদিসগুলো বছরের পর বছর বাংলাদেশ সরকারের টাকায় ছেপে এসেছে। সেইসব হাদিস পড়েই যখন দলে দলে ছেলেপেলেরা সিরিয়া গমন করছে তখন ঘটা করে শান্তিবাদী থুতবা আওড়াচ্ছে!

আইএস সদস্যরা কালো পোশাক পরে কেন: তালেবানরাও কালো পাগরি পরত। এই দুই দলের পতাকাও কালো। কালো পতাকায় সাদা কালিতে কলেমা লেখা। এর সবই উৎস হাদিস থেকে। হাদিসে আছে-

“যখন তোমরা দেখবে, কালো পতাকাগুলো খোরাসানের দিক থেকে এসেছে, তখন তাদের সাথে যুক্ত হয়ে যেও। কেননা, তাদেরই মাঝে আল্লাহর খলীফা মাহদি থাকবে”।(মুসনাদে আহমাদ, খণ্ড ৫, পৃষ্ঠা ২৭৭; কানজুল উম্মাল, খণ্ড ১৪, পৃষ্ঠা ২৪৬; মিশকাত শরীফ, কেয়ামতের আলামত অধ্যায়)

। অসংখ্য হাদিসে ইমাম মাহদীর দলের কালো পতাকা থাকবে বলে বর্ণনা করা হয়েছে। এমনকি নবী মুহাম্মদ তার যুদ্ধে কালো পতাকা ব্যবহার করত যার নাম ছিল ‘উকাবা’। বিভিন্ন হাদিস মতে ইমাম মাহদীর আগমনের পূর্বে যারা মাহদীর খিলাফতের পথ তৈরিতে লড়বে তাদের পতাকা হবে কালোর মধ্যে সাদা অক্ষরে কলেমা লিখিত, তাদের পাগরি কালো, জামা সাদা ও ঢিলা হবে ইত্যাদি। এসম্পর্কে আরো হাদিস পাবেন সহিহ মুসলিম, খণ্ড ৩, হাদিস নং ২৮৯৬; সুনানে ইবনে মাজা, খণ্ড ৩, হাদিস নং ৪০৮৮, সুনানে তিরমিজি, হাদিস নং ২২৬৯;মুসনাদে আহমাদ, হাদিস নং ৮৭৬০ প্রভৃতি। কাজেই আইএস ইহুদীদের সৃষ্টি, সাম্রাজ্যবাদীদের চক্রান্ত বলে এড়ালেই সমস্যার সমাধান হবে না। কারণ এই নৃশংস দলগুলোর সৃষ্টির নেপথ্যে রয়েছে সহি হাদিসসমূহ…।

ইসলামে জঙ্গিবাদ থাকলে সেটা কেন বিগত ৩০-৪০ বছর ধরে ঘটতে দেখা যাচ্ছে:তালেবান কিংবা আইএস যে টাইপের জিহাদ চালাচ্ছে এটি ইসলামের চূড়ান্ত জিহাদের ফয়সালা। সহি হাদিসে নবী মুহাম্মদ বলছেন, নবুওয়াত ব্যবস্থার পর খেলাফত ব্যবস্থা কায়েম হবে অতঃপর তা তুলে নেয়া হবে, তারপর হানাহানির রাজত্ব প্রতিষ্ঠিত হবে, তারপর নবুওয়াতের পদ্ধতিতে (ইমাম মাহদি) খেলাফত রাষ্ট্র-ব্যবস্থা কায়েম হবে।(মুসনাদে আহমদঃ ৪/২৭৩)। ১৯২২ সালে তুরষ্কে সর্বশেষ খেলাফতে রাশিদির শেষ সাম্রাজ্য পতন ঘটে। এ কারণেই এরপরই দেখা যায় বিশ্বের নানা প্রান্তে ইমাম মাহদী বলে একেকজন একেক সময় নিজেকে দাবী করতে থাকে। বলতে গেলে ১৯২৪ সালের পর ইসলামের ধর্মের ইমাম মাহদী নামের মিথকে কেন্দ্র করে একটু একটু করে সন্ত্রাসবাদ শুরু হতে থাকে। এর আগে ইসলামী খিলাফত ব্যবস্থাই ছিল ইসলাম কায়েমের পথ। তালেবান, বোকো হারাম, আইএসসহ সারা বিশ্বে ছোটবড় যত জঙ্গি ইসলামী দলগুলো আমরা দেখি তার সবগুলিই তৈরি হয়েছে ইমাম মাহদীর আগমণকে কেন্দ্র করে। এ কারণেই ১৪০০ বছর পর বিগত প্রায় ৭০-৮০ বছরে সশস্ত্র জঙ্গিবাদী দলগুলোর গোড়াপত্তন আমরা ঘটতে দেখছি। মুসলিম স্কলারদের দাবী, হাদিসের বর্ণনা অনুযায়ী ইমাম মাহদীর আগমনের পূর্বে যে লক্ষণগুলো পরীলক্ষিত হবে সেটা বর্তমানে দেখা যাচেছ। আর ইমাম মাহদীর আগমনের পূর্বে তার খিলাফত জয়ের পথটা সহজতর করে দেয়া দায়িত্ব মুমিনদের। তালেবান ও আইএসের দাবী তারা সেটাই এখন করছে।

তালেবান-আইএস জঙ্গিরা এত নৃশংস কেন: হাদিসে ভয়ংকর লড়াইয়ের ইঙ্গিত বা উশকানিটা দেখুন-

“তোমাদের ধনভাণ্ডারের নিকট তিনজন খলীফা সন্তান যুদ্ধ করতে থাকবে। কিন্তু ধনভাণ্ডার তাদের একজনেরও হস্তগত হবে না। তারপর পূর্ব দিক (খোরাসান) থেকে কতগুলো কালো পতাকা আত্মপ্রকাশ করবে। তারা তোমাদের সাথে এমন ঘোরতর লড়াই লড়বে, যেমনটি কোন সম্প্রদায় তাদের সঙ্গে লড়েনি (সুনানে ইবনে মাজা; খণ্ড ২, পৃষ্ঠা ১৩৬৭; মুসতাদরাকে হাকেম, খণ্ড ৪, পৃষ্ঠা ৫১০)

। এছাড়া মাজমাউজ জাওয়াইদে উল্লেখ আছে- “পূর্ব দিক (খোরাসান) থেকে অবশ্যই কালো পতাকাবাহী দল আসবে। ঘোড়ার সিনা পর্যন্ত রক্তে ডুবন্ত থাকবে”। চিন্তা করুন কি পরিমাণ মানুষকে জবাই করলে ঘোড়ার সিনা পর্যন্ত রক্ত জমতে পারে! এরকম শান্তিময় হাদিস থাকার পরও যারা ইহুদীদের ক্যাপ্টাগন ট্যাবলেটে খেয়ে নৃশংস হবার গল্প ফাঁদেন তারা যে এই হাদিসগুলোকে আড়াল করতে চান সেটা তো পরিষ্কার।

ইসলাম কখনো সন্ত্রাসের পথে কায়েমের কথা বলেনি: জেরুজালেম হচ্ছে ইহুদীদের পবিত্র ভূমি। মুসলমানদের কাছে মক্কা-মদিনা যেমন ইহুদী বিশ্বাসীদের কাছে জেরুজালেম ও বাইতুল মোকাদ্দেস তদ্রুপ। ইসলাম ধর্ম বিশ্বাস মতে তাদের শেষ জমানার নবী ইমাম মাহদী মুহাম্মদের উম্মত হিসেবে জেরুজালেম দখল করে ইসলামের কালো পতাকা উত্তলন করে খেলাফত প্রতিষ্ঠা করবে। এরকম ‘শান্তিবাদী বিশ্বাস’ যে ধর্মে থাকে তাদেরকে কি করে ইহুদীরা চক্রান্ত করে আইএসে যোগ দেয়ায়! একবার ভাবুন তো, যদি অন্য কোন ধর্মে লেখা থাকত যে তাদের শেষ নবী এসে মুসলমানদের কাবাঘর দখল করে নিবে- তাহলে দুনিয়ার এমন কোন মুসলমান পাওয়া যেতো যারা ঐ ধর্ম ও সম্প্রদায়কে সন্ত্রাসী বলত না? ইহুদী কিংবা খ্রিস্টান ধর্মে মুসলিমদের কোন উল্লেখ না থাকার পরও মুসলমানদের কাছে তারা রাত-দিন ইসলাম ও মুসলমানদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে। অথচ সহি হাদিসে জেরুজালেম দখল করার এরকম পরিষ্কার উশকানি থাকার পরও মুসলমানরা ইহুদীদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে –এরকম কথা খোদ ইহুদীরাই কখনো বলে না। সম্ভবত তাদের শিক্ষাদীক্ষা ও উন্নত সভ্যতা তাদেরকে শিখিয়েছে কোন জাতি বা সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে এরকম ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তোলা অসভ্যতা নিম্ন সংস্কৃতির পরিচায়ক।

সর্বশেষ: আইএস বা এইরকম নিত্যনতুন জঙ্গি সংগঠনগুলোর মূল্যে ইমাম মাহদীর যে মিথ তাকে কেন্দ্র করে। কাজেই এইসব জঙ্গিবাদকে নির্মূল করতে হলে ধর্মকে বাদ দিয়ে আলোচনা কখনই সমাধানের পথ দেখাবে না, দেখাবে শুধু কানাগলির সন্ধান…। প্রায় সব ধর্মেই ‘শেষ যুগের ত্রাতা’ বলে একজনের আগমনের গল্প বলা হয়েছে যিনি পৃথিবীতে এসে ফের ধর্মকে প্রতিষ্ঠা করবেন। ইহুদী-খ্রিস্টান ও হিন্দুদের এরকম ধর্মীয় গালগল্প থাকার পরও তারা এখন এসব নিয়ে মাথা ঘামায় না। ধর্মীয় ফালতু গল্প বাদ দিয়ে তারা নিজেদের উন্নতি ও জ্ঞান-বিজ্ঞানের চর্চায় নিয়োজিত করেছে। মুসলমানরা যেহেতু অশিক্ষিত আর নিম্ম সংস্কৃতির (আরব জাতীয়তাবাদ) মধ্যে রয়ে গেছে তাই এখনো এসবই ধর্মীয় মিথ আর অবাস্তব কাহিনীতে বিশ্বাস রেখে পৃথিবীতে অনাত্থ অশান্তির সৃষ্টি করছে। মুসলমানদের এইসব কল্পিত সন্ত্রাসবাদী গল্পের মূল্যে যুক্তি ও চিন্তার কঠিন আঘাত ব্যতিত তারা এইসব রূপকথা থেকে মুখ ফেরাবে না…।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

১৮ thoughts on “আইএস কেন ইজরাইলে হামলা করে না’ সহ অন্যান্য ধর্মীয় কারণসমূহ

  1. এমন কোন সন্ত্রাসী কৌশল এ
    এমন কোন সন্ত্রাসী কৌশল এ পর্যন্ত দেখা যায় নি, যা আগে ইসরাইলে প্রয়োগ হয় নি — প্লেন হাইজ্যাকিং, সুইসাইড বম্বিং, কার বম্বিং, গুলি বর্ষন, ছুড়ি-চাপাতি, কিংবা জনতার উপর গাড়ি চাপিয়ে দিয়ে মানুষ হত্যা। শেষোক্ত কৌশলটি বিরল (এ যাবত একবার আমেরিকায়, আরেকবার ফ্রান্সে) এবং ঠেকানো সবচেয়ে কঠিন। অথচ এই কৌশলটি গত বছর সেপ্টেমবর মাস থেকে ২৪ বার প্রয়োগের চেষ্টা হয়েছে ইসরাইলে।

    সবচেয়ে বড় ব্যাপার হচ্ছে — ইসরাইলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা। ইসরাইলী ইহুদীরা টানা ১২৫ বছর ধরে মুসলিমদের সন্ত্রাসী প্রচেষ্টা ও কর্মকাণ্ড মোকাবিলা করে আসছে। যুগ যুগ ধরে সেখানে জরুরী অবস্থার মত পরিস্থিতি চলছে। ইস্রাইলের নিরাপত্তা ব্যবস্থার ব্যাপারে ফ্রান্সে গীর্জার যাজককে জবাই করার পর সেখানকার গভর্নর দুদিন আগে বলেছে — We must Israilize our security system (আমাদের নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে ইসরাইলের মত করতে হবে)।

  2. আইএস এর অস্ত্রের মূল
    আইএস এর অস্ত্রের মূল জোগানদাতা হচ্ছে ইসরাইল। আই এসের নিজস্ব কোন অস্ত্র বা ট্যাঙ্ক কারখানা কিন্তু নেই। তাই আই এস কোন কালেই ইসরাইল হামলা করবে না। বরং যতটুকু যানা যায় মোসাদের সাথে নাকি আই এসের গলায় গলায় ভাব।

  3. আজেবাজে কথার একটি বস্তা।
    আজেবাজে কথার একটি বস্তা। শিরিয়ার সিয়া সরকার উতখাতের জন্য সৌদি আরব ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ পদক্ষেপের নাম আই এস। আই এসের সবাই সুন্নি মতাবিলম্বি। তুরস্কের সুন্নি সরকার আই এস এর সর্মথক সিরিয়ার তেল সস্তায় পাওয়ার কারনে। তথৈবচ ইরান সিরিয়ার সর্মথক। রাশিয়াও সিরিয়ার বন্ধু রাষ্ট্র হিসাবে এগিয়ে এসেছে। আর আই এস কি করঝে তা বলাই বাহুল্য। ইসলামে কারা আসল আর কারা নকল এই মতদৈত্বতায় মুসলমানরা অচিরেই শেষ হয়ে যাবে।

    1. তুরস্কে সস্তায় তেল বিক্রির
      তুরস্কে সস্তায় তেল বিক্রির জন্যে ইউরোপ আমেরিকা থেকে হাজার হাজার মুসলমান যুবক আই এস এ যোগ দিয়েছে ও তারা আত্মঘাতী হামলা চালাচ্ছে। তত্ত্ব হিসাবে দারুন আসলে।

  4. বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু আসলে
    বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু আসলে ইমাম মেহেদী। তাছাড়া কেন সে আইসিসকে অস্ত্র ; গোলাবারুদ দিয়ে সাহায্য করবে? এ্যা?

    1. ইহুদিরা বলল আর সহিহ মুমিনেরা
      ইহুদিরা বলল আর সহিহ মুমিনেরা একে একে চাপাতি নিয়ে আই এস এ যোগ দিল ? অথবা আত্মঘাতী হামলায় যোগ দিল ?

    1. জেরুজালেম ইহুদি ও খৃষ্টানদের
      জেরুজালেম ইহুদি ও খৃষ্টানদের পবিত্র স্থান। কোনভাবেই মুসলমানদের নয়। কারন ,মুহাম্মদ কোনভাবেই বাইবেলীয় ঈশ্বরের পুজারি ছিল না। আর বাইবেলের ভবিষ্যদ্বানী অনুযায়ী কোন নবীও না। বাইবেলে বলা হয়েছে নবী আসবে ইসরাইলি বংশ থেকে , মুহাম্মদ কোনভাবেই ইসরাইলি বংশের না। এমন কি ইসমাইলি বংশেরও না। হাজেরাকে মক্কায় নির্বাসন দেয়া হয়েছিল বলে যে কাহিনী ইসলাম প্রচার করে , তার কোনই ভিত্তি নেই। এসব মুহাম্মদের মনগড়া কাহিনী যা সে নিজেকে নবী হিসাবে প্রতিষ্ঠা করার জন্যে বানিয়েছিল। কাহিনীটা সে বানায় ইহুদি ও খৃষ্টানদের কাছ থেকে বাইবেলের গল্প শুনে।

  5. মুসলমানরা নিজেরা নিজেরা
    মুসলমানরা নিজেরা নিজেরা কাটাকাটি করে শেষ হবে। এই জাতিটা এভাবে ধ্বংস হয়ে নিঃশেষ হওয়ার পর পৃথিবীটা শান্ত হবে। এছাড়া কোন বিকল্প নাই। যে ধর্মের ধর্মীয় সকল কন্টেন্ট সন্ত্রাসবাদকে উৎসাহিত করে, সেই ধর্মের মানুষদের কেউ সহযোগীতা না করলেও সন্ত্রাসী মনোভাব নিয়েই থাকবে। অযথা ইসরাইলকে দোষ দিয়ে লাভ কি? ইসরাইল অস্ত্র না দিলে কামারের দোকান থেকে তলোয়ার বানিয়ে যুদ্ধ করবে। বাংলাদেশে মানুষ মারা শুরু হয়েছে চাপাতি দিয়ে।

    1. বিশ্বব্যাপী কমিউনিস্টদের
      বিশ্বব্যাপী কমিউনিস্টদের সমর্থন না থাকলে মুসলিমদের ঠেকানো অনেকগুন সহজ হতো। ইন্টারনেটে “অমুসলিম নামধারীদের লিখিত প্রো-ইসলামিক ব্লগ, নিউজ আর্টিকেল, পোস্ট, ভিডিও” ইত্যাদি যারা তৈরি করে কমিউনিটিগুলোতে ছড়াচ্ছে ইউরোপ ও নর্থ আমেরিকায়, তাদের রাজনৈতিক পরিচয় ও ঝোক চেক করে দেখা যায়।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

78 + = 86