হে মুমিন , আসো আমরা আফগান সরকারের বিরুদ্ধে জিহাদ ঘোষনা করি

সম্প্রতি আফগানিস্তানের এক ৬০ বছর বয়েসের বৃদ্ধ ৬ বছরের এক শিশু মেয়েকে বিয়ে করেছে। কিন্তু আফগান সরকার তাকে গ্রেপ্তার করে জেলে পাঠিয়েছে। তার অপরাধ সে নাকি অনৈতিক কাজ করেছে। কিন্তু আসলেই কি সে অনৈতিক কাজ করেছে ? সে তো বরং নবী মুহাম্মদের দেখান আদর্শ কাজেরই বাস্তবায়ন করে খাটি মুমিন হতে চেয়েছে। তাহলে তার অপরাধ কি ? নবী মুহাম্মদ কি ৫১ বছর বয়েসে ৬ বছরের শিশু আয়শাকে বিয়ে করে নি? আর কোরানে কি বলে নি , মুহাম্মদের আদর্শকে অনুসরন করতে ? তাই যদি হয়, এই বৃদ্ধের অপরাধ কি ?

কোরান বার বার বলেছে —————

সুরা আল ইমরান- ৩: ৩১: বলুন, যদি তোমরা আল্লাহকে ভালবাস, তাহলে আমাকে অনুসরণ কর, যাতে আল্লাহ ও তোমাদিগকে ভালবাসেন এবং তোমাদিগকে তোমাদের পাপ মার্জনা করে দেন। আর আল্লাহ হলেন ক্ষমাকারী দয়ালু।

অর্থাৎ ইসলাম পালনের একমাত্র উপায় হলো মুহাম্মদকে অনুসরন করা। তাহলেই আল্লাহকে ভালবাসা হবে এবং আল্লাহ তখন বান্দার সকল পাপ মাফ করে দেবে। ঠিক এরকম আয়াত আরও অনেক আছে কোরানে —–

সুরা আল ইমরান – ৩: ৩২: বলুন, আল্লাহ ও রসূলের আনুগত্য প্রকাশ কর। বস্তুতঃ যদি তারা বিমুখতা অবলম্বন করে, তাহলে আল্লাহ কাফেরদিগকে ভালবাসেন না।

সুরা নিসা- ৪:৫৯: হে ঈমানদারগণ! আল্লাহর নির্দেশ মান্য কর, নির্দেশ মান্য কর রসূলের—–

সুরা নিসা- ৪: ৬৯: আর যে কেউ আল্লাহর হুকুম এবং তাঁর রসূলের হুকুম মান্য করবে, তাহলে যাঁদের প্রতি আল্লাহ নেয়ামত দান করেছেন, সে তাঁদের সঙ্গী হবে। তাঁরা হলেন নবী, ছিদ্দীক, শহীদ ও সৎকর্মশীল ব্যক্তিবর্গ। আর তাদের সান্নিধ্যই হল উত্তম।

সুতরাং দেখা যাচ্ছে কোরান বার বারই নবী মুহাম্মদকে অনুসরন করতে বলছে । শুধু তাই না , কোরান আরও বলেছে—-

সুরা আহযাব-৩৩: ২১: যারা আল্লাহ ও শেষ দিবসের আশা রাখে এবং আল্লাহকে অধিক স্মরণ করে, তাদের জন্যে রসূলুল্লাহর মধ্যে উত্তম নমুনা রয়েছে।

অর্থাৎ বলছে মুসলমানদের মধ্যে সর্বোত্তম আদর্শ মুসলমান হলেন মুহাম্মদ। সুতরাং একথা এখন অনস্বীকার্য যে নবী মুহাম্মদ যা যা করে গেছেন , সবই হলো ইসলামের দৃষ্টিতে আদর্শ কাজ , আর প্রতিটি মুসলমানেরই তা অনুসরন করা উচিত, আর তা হলে সে হতে পারবে খাটি মুমিন , তাহলেই তার বেহেস্তে ৭২ টা হুর হবে নিশ্চিত।

হাদিস পড়ে দেখা যাচ্ছে , মুহাম্মদের একটা আদর্শ কাজ ছিল শিশু বিয়ে , কয়েক ডজন সহিহ হাদিসে এটা বর্নিত যে , মুহাম্মদ ৫১ বছর বয়েসে ৬ বছরের আয়শাকে বিয়ে করেন , তারপর ৫৪ বছর বয়েসে ৯ বছরের আয়শার সাথে যৌনসঙ্গম করেন। সুতরাং এই ধরনের শিশু অর্থাৎ ৬ বছর বয়েসের শিশু বিয়ে করা প্রতিটা ইমানদার মুসলমানের জন্যে অবশ্য পালনীয় একটা সুন্নতি কাজ। আফগানিস্থানের সেই লোক একজন খাটি ইমানদার মুমিন হওয়ার মানসে ৬০ বছর বয়েসে ৬ বছরের এক শিশু মেয়েকে বিয়ে করে। কোথায় আফগান সরকার , তার সেই খাটি ইমানদারী কাজের জন্যে পুরস্কৃত করবে , তা না করে , উল্টো তাকে জেলে পাঠিয়েছে। কি ভয়ংকর ব্যপার !তাহলে আফগানিস্তানে কি এখন ইহুদি নাসারাদের রাজত্ব কায়েম হয়েছে যেখানে নাকি ১০০% লোকই মুসলমান ? ঘটনা দৃষ্টে তো সেটাই মনে হচ্ছে। তাহলে এখন আমাদের মত ইমানদার মুসলমানদের কি করা উচিত ?

একটাই মাত্র কাজ আমাদের সামনে থাকে , সেটা হলো আফগান সরকারকে কাফের ঘোষণা করে , তার বিরুদ্ধে জিহাদ করা। তাই আসো , ইমানদার মুমিনেরা , আমরা সবাই মিলে হুংকার দিয়ে আফগান সরকারের বিরুদ্ধে জীবন পন করে জিহাদ করি । আর শ্লোগান তুলি———

কাফের নাস্তিক মুনাফিক ,হুশিয়ার সাবধান
জিহাদ জিহাদ জিহাদ চাই , জিহাদ ছাড়া উপায় নাই
দুনিয়ার মুসলিম এক হও
নারায় তাকবির , আল্লাহু আকবর

খবরের সূত্র : http://www.prothom-alo.com/international/article/930199/%E0%A7%AC-%E0%A6%AC%E0%A6%9B%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%81%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%A7%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A7%80%E0%A7%9F-%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%A4%E0%A6%BE

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

− 7 = 1